Dhaka ০৭:৩১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২০ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
সিলেটে জন্মাষ্টমীর আয়োজনে অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে সজাগ থাকবে পুলিশ পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব নেওয়ার পর প্রথমবার সিলেটে আসছেন হুমায়ুন কবির দুই দিনের সফরে ৬ সেপ্টেম্বর ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি এবার দুদকের বিরুদ্ধেই মামলার হুমকি আসিফ মাহমুদের সিলেটসহ পাঁচ জেলার ডিসি-এসপিকে আইনি নোটিশ সিলেটে বিয়ের দাবিতে প্রেমিকের বাড়িতে স্কুলছাত্রীর ৪ দিনের অনশন জগন্নাথপুরে যোগ দিয়েই ‘অনুমতি ছাড়া কথা নয়’, বললেন কর্মকর্তা তুলি নিখোঁজ একমাত্র ছেলেকে খুঁজতে ২ হাজার রুপি ধার, দুর্গম পাহাড়ে বাবার হাহাকার শ্রীমঙ্গলে ডাম্প ট্রাকের ধাক্কায় ইজিবাইকচালক নিহত ভূমি মন্ত্রণালয়ের সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি হলেন মৌলভীবাজার-৩ এমপি নাসের রহমান

আসিফ মাহমুদসহ ৪ জনের বিরুদ্ধে দুদকের অনুসন্ধান শুরু

  • desk news
  • Update Time : ১২:৪৮:২২ অপরাহ্ন, বুধবার, ২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ৫১৬ Time View

সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ৩০ আগস্ট বিকেল ১৫টা ১০ মিনিটে নগরীর রমনা ট্রাফিক জোনের অন্তর্গত বাংলামোটর ক্রসিংয়ে ঘটে যাওয়া একটি ঘটনা অসত্য, ভুল ও আংশিকভাবে উপস্থাপন করে বিভিন্ন ভিডিও ও সংবাদ প্রচার করা হচ্ছে। এ বিষয়ে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) নিম্নোক্ত তথ্য স্পষ্টভাবে জানাতে চায়।

মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের ডিসি মিডিয়া মো. আকতার হোসেন ঘটনা সত্য নয় বলে নিশ্চিত করেন।

এনসিপির দলীয় প্রধান কার্যালয় বাংলামোটর ক্রসিংয়ের রূপায়ণ টাওয়ারে অবস্থিত।

ঘটনার কিছুক্ষণ আগে থেকেই গুম ও হত্যার প্রতিবাদে এনসিপিসহ ১১ দলীয় ঐক্যজোটের আনুমানিক সাত-আট শত কর্মী-সমর্থক কার্যালয়ের সামনে সমবেত হন। এ অবস্থায় বিভিন্ন দিকে সমবেত জনতার কারণে একপর্যায়ে পূর্ব-পশ্চিম সিগন্যাল সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়।

ওই সময় কেবল উত্তর-দক্ষিণ সিগন্যাল চালু ছিল এবং পূর্ব-পশ্চিম সিগন্যাল চালু করা সম্ভব ছিল না। কারণ তা করলে পূর্ব-পশ্চিম দিকের যানবাহন সামনে যেতে পারত না এবং ক্রসিংয়ে সম্পূর্ণ ডেডলক পরিস্থিতির সৃষ্টি হতো। ভিডিওতে দেখা যায়, এক ব্যক্তি দায়িত্বরত ট্রাফিক পুলিশ সদস্যের কাছে তার শিশুর অসুস্থতার কথা বলে পূর্ব থেকে পশ্চিম দিকে সিগন্যাল খুলে দেওয়ার অনুরোধ করেন। ট্রাফিক পুলিশ সদস্য প্রথমেই জানান যে, রাস্তায় বিপুল জনসমাগমের কারণে পূর্ব-পশ্চিম দিক বন্ধ রয়েছে; জনসমাগম সরে গেলে সিগন্যাল খুলে দেওয়া হবে। বাস্তব পরিস্থিতি না বুঝে উক্ত ব্যক্তি বারবার অনুরোধ করতে থাকেন। পরবর্তীতে তাকে উত্তর বা দক্ষিণ যেকোনো এক দিকে (যেখানে যান চলাচল সচল ছিল) যাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হলেও তিনি তাতে রাজি হননি।

একই সময়ে প্রধানমন্ত্রীর গাড়িবহর বাংলামোটর ক্রসিংয়ের খুব কাছাকাছি চলে আসে। এ পরিস্থিতিতে রাস্তার সার্বিক ট্রাফিক শৃঙ্খলা বজায় রাখতে দায়িত্বরত ট্রাফিক পুলিশ সদস্যরা তাৎক্ষণিকভাবে সর্বোচ্চ পেশাদারিত্বের পরিচয় দিয়েছেন। এখানে বিশেষভাবে উল্লেখ করা প্রয়োজন যে, এটি কোনোভাবেই প্রধানমন্ত্রীর গমনাগমনের জন্য গৃহীত বিশেষ কোনো ব্যবস্থা নয়।

আরও পড়ুনঃ  দিনের আলোতে ট্রিপল মার্ডার, চুরি-ডাকাতি নাকি পারিবারিক বিরোধ—তদন্তে ৩ বিষয়

অতএব, প্রচারিত সংবাদ ও ভিডিওর মাধ্যমে পুলিশ বাহিনীর দায়িত্বশীলতা নিয়ে যে সংশয় ও ভুল ধারণা সৃষ্টি করা হয়েছে, তা সম্পূর্ণ অসত্য, আংশিক তথ্য এবং ভুল-বোঝাবুঝির ফল। ডিএমপি এ ধরনের সংবেদনশীল বিষয়ে ভবিষ্যতে আরও দায়িত্বশীল ও সত্যভিত্তিক সংবাদ প্রচারের জন্য সংশ্লিষ্ট সবারকে অনুরোধ জানাচ্ছে।

Tag :
জনপ্রিয় পোস্ট

সিলেটে জন্মাষ্টমীর আয়োজনে অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে সজাগ থাকবে পুলিশ

আসিফ মাহমুদসহ ৪ জনের বিরুদ্ধে দুদকের অনুসন্ধান শুরু

Update Time : ১২:৪৮:২২ অপরাহ্ন, বুধবার, ২ সেপ্টেম্বর ২০২৬

সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ৩০ আগস্ট বিকেল ১৫টা ১০ মিনিটে নগরীর রমনা ট্রাফিক জোনের অন্তর্গত বাংলামোটর ক্রসিংয়ে ঘটে যাওয়া একটি ঘটনা অসত্য, ভুল ও আংশিকভাবে উপস্থাপন করে বিভিন্ন ভিডিও ও সংবাদ প্রচার করা হচ্ছে। এ বিষয়ে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) নিম্নোক্ত তথ্য স্পষ্টভাবে জানাতে চায়।

মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের ডিসি মিডিয়া মো. আকতার হোসেন ঘটনা সত্য নয় বলে নিশ্চিত করেন।

এনসিপির দলীয় প্রধান কার্যালয় বাংলামোটর ক্রসিংয়ের রূপায়ণ টাওয়ারে অবস্থিত।

ঘটনার কিছুক্ষণ আগে থেকেই গুম ও হত্যার প্রতিবাদে এনসিপিসহ ১১ দলীয় ঐক্যজোটের আনুমানিক সাত-আট শত কর্মী-সমর্থক কার্যালয়ের সামনে সমবেত হন। এ অবস্থায় বিভিন্ন দিকে সমবেত জনতার কারণে একপর্যায়ে পূর্ব-পশ্চিম সিগন্যাল সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়।

ওই সময় কেবল উত্তর-দক্ষিণ সিগন্যাল চালু ছিল এবং পূর্ব-পশ্চিম সিগন্যাল চালু করা সম্ভব ছিল না। কারণ তা করলে পূর্ব-পশ্চিম দিকের যানবাহন সামনে যেতে পারত না এবং ক্রসিংয়ে সম্পূর্ণ ডেডলক পরিস্থিতির সৃষ্টি হতো। ভিডিওতে দেখা যায়, এক ব্যক্তি দায়িত্বরত ট্রাফিক পুলিশ সদস্যের কাছে তার শিশুর অসুস্থতার কথা বলে পূর্ব থেকে পশ্চিম দিকে সিগন্যাল খুলে দেওয়ার অনুরোধ করেন। ট্রাফিক পুলিশ সদস্য প্রথমেই জানান যে, রাস্তায় বিপুল জনসমাগমের কারণে পূর্ব-পশ্চিম দিক বন্ধ রয়েছে; জনসমাগম সরে গেলে সিগন্যাল খুলে দেওয়া হবে। বাস্তব পরিস্থিতি না বুঝে উক্ত ব্যক্তি বারবার অনুরোধ করতে থাকেন। পরবর্তীতে তাকে উত্তর বা দক্ষিণ যেকোনো এক দিকে (যেখানে যান চলাচল সচল ছিল) যাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হলেও তিনি তাতে রাজি হননি।

একই সময়ে প্রধানমন্ত্রীর গাড়িবহর বাংলামোটর ক্রসিংয়ের খুব কাছাকাছি চলে আসে। এ পরিস্থিতিতে রাস্তার সার্বিক ট্রাফিক শৃঙ্খলা বজায় রাখতে দায়িত্বরত ট্রাফিক পুলিশ সদস্যরা তাৎক্ষণিকভাবে সর্বোচ্চ পেশাদারিত্বের পরিচয় দিয়েছেন। এখানে বিশেষভাবে উল্লেখ করা প্রয়োজন যে, এটি কোনোভাবেই প্রধানমন্ত্রীর গমনাগমনের জন্য গৃহীত বিশেষ কোনো ব্যবস্থা নয়।

আরও পড়ুনঃ  বন বিভাগের সীমানায় বন মারার কল

অতএব, প্রচারিত সংবাদ ও ভিডিওর মাধ্যমে পুলিশ বাহিনীর দায়িত্বশীলতা নিয়ে যে সংশয় ও ভুল ধারণা সৃষ্টি করা হয়েছে, তা সম্পূর্ণ অসত্য, আংশিক তথ্য এবং ভুল-বোঝাবুঝির ফল। ডিএমপি এ ধরনের সংবেদনশীল বিষয়ে ভবিষ্যতে আরও দায়িত্বশীল ও সত্যভিত্তিক সংবাদ প্রচারের জন্য সংশ্লিষ্ট সবারকে অনুরোধ জানাচ্ছে।