Dhaka ১১:৩২ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৭ অগাস্ট ২০২৬, ২ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ইবি শিক্ষক আসমা সাদিয়া হত্যার ঘটনায় ৫ সদস্যের তদন্ত কমিটি

  • Reporter Name
  • Update Time : ০৩:৫২:৫২ অপরাহ্ন, শনিবার, ৭ মার্চ ২০২৬
  • ৫০৭ Time View

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) সমাজকল্যাণ বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ও বিভাগীয় সভাপতি আসমা সাদিয়া রুনার হত্যাকাণ্ডের ঘটনা তদন্তে পাঁচ সদস্যের কমিটি গঠন করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।

শনিবার বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. মনজুরুল হকের সই করা এক অফিস আদেশ থেকে এ তথ্য জানা গেছে। কমিটিতে ইবির হিসাববিজ্ঞান ও তথ্যপদ্ধতি বিভাগের অধ্যাপক ড. মিজানুর রহমানকে আহ্বায়ক করা হয়েছে। সদস্য-সচিব করা হয়েছে একাডেমিক শাখার উপ-রেজিস্ট্রার (শিক্ষা) গোলাম মওলাকে।

এছাড়া কমিটিতে সদস্য হিসেবে রয়েছেন বাংলা বিভাগের অধ্যাপক ড. রশিদুজ্জামান, বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. ওবায়দুল ইসলাম ও লালন শাহ হলের প্রভোস্ট অধ্যাপক ড. গাজী আরিফুজ্জামান খান। কমিটিকে দ্রুত সময়ের মধ্যে হত্যাকাণ্ডের বিষয়ে সঠিক ও প্রয়োজনীয় রিপোর্ট জমা দিতে বলা হয়েছে।তদন্ত কমিটির সদস্য সচিব গোলাম মওলা বলেন, চিঠি হাতে পেয়েছি। চিঠি পাওয়ার সাথে সাথেই কমিটির আহ্বায়কের সাথে কথা বলেছি। বিষয়টি নিয়ে আমরা আলোচনা করে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেব।

আহ্বায়ক ড. মিজানূর রহমান বলেন, চিঠি পেয়েছি। আগামী সোমবার সকাল সাড়ে ৯টায় এ বিষয়ে মিটিং ডেকেছি। সদস্য সচিবকে কমিটির সদস্যদের চিঠি দেওয়ার জন্য বলেছি।

এর আগে গত ৪ মার্চ বিকেল চারটার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের থিওলজি অ্যান্ড ইসলামিক স্টাডিজ অনুষদ ভবনের ২২৬ নম্বর কক্ষে আসমা সাদিয়া রুনাকে ছুরিকাঘাত করেন বিভাগের সাবেক কর্মচারী ফজলুর রহমান। পরে একই কক্ষে ওই কর্মচারীও নিজ গলায় ছুরি চালিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেন। ঘটনাস্থল থেকে দুজনকে উদ্ধার করে কুষ্টিয়া সদর হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক রুনাকে মৃত ঘোষণা করেন। পরদিন বৃহস্পতিবার সকালে ময়নাতদন্ত শেষে ওই শিক্ষকের লাশ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়। সেদিন বাদ জোহর কুষ্টিয়া পৌর ঈদগাহ মাঠে জানাজা শেষে তাকে কুষ্টিয়া পৌর গোরস্থানে দাফন করা হয়েছে। 

এদিকে বৃহস্পতিবার নিহতের স্বামী ইমতিয়াজ সুলতান মূল হত্যাকারী ফজলুর রহমানসহ চারজনকে আসামি করে ইবি থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলার অন্য আসামিরা হলেন, নিহতের বিভাগের সাবেক সহকারী রেজিস্ট্রার বিশ্বজিত কুমার বিশ্বাস, বিভাগটির সহকারী অধ্যাপক শ্যাম সুন্দর সরকার ও হাবিবুর রহমান। মামলা মূল আসামি ফজলুরকে গ্রেপ্তার দেখিয়েছে পুলিশ। তবে আহত থাকায় তাকে বর্তমানে কুষ্টিয়া সদর হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।

আরও পড়ুনঃ  কোচ নিয়োগে হামজার মতামত চাইবে বাফুফে
Tag :
About Author Information

জনপ্রিয় পোস্ট

ইবি শিক্ষক আসমা সাদিয়া হত্যার ঘটনায় ৫ সদস্যের তদন্ত কমিটি

Update Time : ০৩:৫২:৫২ অপরাহ্ন, শনিবার, ৭ মার্চ ২০২৬

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) সমাজকল্যাণ বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ও বিভাগীয় সভাপতি আসমা সাদিয়া রুনার হত্যাকাণ্ডের ঘটনা তদন্তে পাঁচ সদস্যের কমিটি গঠন করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।

শনিবার বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. মনজুরুল হকের সই করা এক অফিস আদেশ থেকে এ তথ্য জানা গেছে। কমিটিতে ইবির হিসাববিজ্ঞান ও তথ্যপদ্ধতি বিভাগের অধ্যাপক ড. মিজানুর রহমানকে আহ্বায়ক করা হয়েছে। সদস্য-সচিব করা হয়েছে একাডেমিক শাখার উপ-রেজিস্ট্রার (শিক্ষা) গোলাম মওলাকে।

এছাড়া কমিটিতে সদস্য হিসেবে রয়েছেন বাংলা বিভাগের অধ্যাপক ড. রশিদুজ্জামান, বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. ওবায়দুল ইসলাম ও লালন শাহ হলের প্রভোস্ট অধ্যাপক ড. গাজী আরিফুজ্জামান খান। কমিটিকে দ্রুত সময়ের মধ্যে হত্যাকাণ্ডের বিষয়ে সঠিক ও প্রয়োজনীয় রিপোর্ট জমা দিতে বলা হয়েছে।তদন্ত কমিটির সদস্য সচিব গোলাম মওলা বলেন, চিঠি হাতে পেয়েছি। চিঠি পাওয়ার সাথে সাথেই কমিটির আহ্বায়কের সাথে কথা বলেছি। বিষয়টি নিয়ে আমরা আলোচনা করে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেব।

আহ্বায়ক ড. মিজানূর রহমান বলেন, চিঠি পেয়েছি। আগামী সোমবার সকাল সাড়ে ৯টায় এ বিষয়ে মিটিং ডেকেছি। সদস্য সচিবকে কমিটির সদস্যদের চিঠি দেওয়ার জন্য বলেছি।

এর আগে গত ৪ মার্চ বিকেল চারটার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের থিওলজি অ্যান্ড ইসলামিক স্টাডিজ অনুষদ ভবনের ২২৬ নম্বর কক্ষে আসমা সাদিয়া রুনাকে ছুরিকাঘাত করেন বিভাগের সাবেক কর্মচারী ফজলুর রহমান। পরে একই কক্ষে ওই কর্মচারীও নিজ গলায় ছুরি চালিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেন। ঘটনাস্থল থেকে দুজনকে উদ্ধার করে কুষ্টিয়া সদর হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক রুনাকে মৃত ঘোষণা করেন। পরদিন বৃহস্পতিবার সকালে ময়নাতদন্ত শেষে ওই শিক্ষকের লাশ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়। সেদিন বাদ জোহর কুষ্টিয়া পৌর ঈদগাহ মাঠে জানাজা শেষে তাকে কুষ্টিয়া পৌর গোরস্থানে দাফন করা হয়েছে। 

এদিকে বৃহস্পতিবার নিহতের স্বামী ইমতিয়াজ সুলতান মূল হত্যাকারী ফজলুর রহমানসহ চারজনকে আসামি করে ইবি থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলার অন্য আসামিরা হলেন, নিহতের বিভাগের সাবেক সহকারী রেজিস্ট্রার বিশ্বজিত কুমার বিশ্বাস, বিভাগটির সহকারী অধ্যাপক শ্যাম সুন্দর সরকার ও হাবিবুর রহমান। মামলা মূল আসামি ফজলুরকে গ্রেপ্তার দেখিয়েছে পুলিশ। তবে আহত থাকায় তাকে বর্তমানে কুষ্টিয়া সদর হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।

আরও পড়ুনঃ  স্বর্ণের বাজারে ফের আগুন, ২২ ক্যারেট ভরি কত?