Dhaka ০৭:০৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৮ অক্টোবর ২০২৬, ২৩ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
সিলেটে দুর্গাপূজায় আতশবাজি নিষেধ, গুজব ছড়ালে আইনি ব্যবস্থা ৩৩ কোটি টাকার আধুনিক চিকিৎসা সরঞ্জাম পাচ্ছে সুনামগঞ্জ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল সিলেট মহানগর দায়রা জজ আদালতে নবনিযুক্ত প্রসিকিউটরদের যোগদান এক দফা দাবিতে এবার জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে সিলেট ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজের শিক্ষার্থীরা আমার নোবেল পাওয়া উচিত, কিন্তু তারা দেবে কি না জানি না: ট্রাম্প বাংলাদেশে বিনিয়োগ ও সংসদীয় সম্পর্ক জোরদারে যুক্তরাজ্যের আইনপ্রণেতাদের প্রতি রাষ্ট্রপতির আহ্বান রেলস্টেশনে জার্মান পর্যটকের ল্যাপটপ-ক্যামেরাসহ ব্যাগ চুরি কঠিন শর্তে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে ৩৩০ কোটি ডলার বিদেশি ঋণ নিচ্ছে সরকার মেধাতালিকায় দ্বিতীয় হয়েও চাকরি হয়নি ক্লীন্টনের, নদীভাঙনে হারিয়েছেন স্থায়ী ঠিকানা পবিত্র রমজানকে কেন্দ্র করে ব্যবসায়ীদের কড়া বার্তা দিলেন বাণিজ্যমন্ত্রী

এবার জাপানে বড় ধরনের পাহাড় ধসের শঙ্কা, সতর্কতা জারি

পর্যটনের জন্য বিখ্যাত জাপানের ইয়াকুশিমা দ্বীপের পাহাড়ি এলাকাগুলো ভয়াবহ ঝুঁকির মুখে পড়েছে। টানা ভারী বৃষ্টিতে সেখানে একের পর এক পাহাড়ধস ও ভূমিধসের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। পরিস্থিতির ভয়াবহতা বিবেচনায় কাগশিমা অঞ্চলের এই এলাকায় সর্বোচ্চ স্তরের বিপদসংকেত জারি করেছে জাপানের আবহাওয়া কর্তৃপক্ষ।

জাপান মেটিওরোলজিক্যাল এজেন্সি (জেএমএ) জানিয়েছে, ইয়াকুশিমা অঞ্চলে এ ধরনের তীব্র বৃষ্টিপাত আগে খুব কমই দেখা গেছে। অতিবৃষ্টির কারণে পাহাড়ি ঢল ও ভূমিধসের ঝুঁকি দ্রুত বাড়ছে। ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলোতে ইতোমধ্যে কোনো দুর্ঘটনা ঘটে থাকতে পারে বলেও আশঙ্কা প্রকাশ করেছে কর্তৃপক্ষ।

টানা বৃষ্টি ও ঝোড়ো হাওয়ার কারণে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠেছে। পাহাড়ের ঢাল, খাড়া সড়ক ও নিচু এলাকাগুলোতে বসবাসকারী মানুষের জন্য প্রতিটি মুহূর্তেই ঝুঁকি বাড়ছে। বিশেষ করে আকস্মিক পাহাড়ধস বা পাহাড়ি ঢল নেমে এলে খুব অল্প সময়ের মধ্যে বড় ধরনের বিপর্যয় ঘটতে পারে বলে সতর্ক করা হয়েছে।

এ অবস্থায় স্থানীয় প্রশাসন বাসিন্দাদের দেরি না করে নিরাপদ স্থানে সরে যাওয়ার আহ্বান জানিয়েছে। আবহাওয়াবিদরাও সতর্ক করে বলেছেন, আনুষ্ঠানিকভাবে বড় ধরনের কোনো উচ্ছেদ নির্দেশের অপেক্ষায় থাকলে অনেক ক্ষেত্রে নিরাপদে সরে যাওয়ার পর্যাপ্ত সময় নাও পাওয়া যেতে পারে।

কর্তৃপক্ষের পরামর্শ, নিজের ও পরিবারের সদস্যদের নিরাপত্তার কথা বিবেচনা করে ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা থেকে যত দ্রুত সম্ভব সরে যেতে হবে। বিশেষ করে পাহাড়ের পাদদেশ, ঢালু এলাকা, খাড়া পাহাড়ি পথ এবং পানি জমে থাকা ছড়া বা জলপ্রবাহের কাছাকাছি অবস্থান না করার জন্য সতর্ক করা হয়েছে।

তবে অতিবৃষ্টির কারণে দূরের আশ্রয়কেন্দ্রে যাওয়ার পথও কোথাও কোথাও ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে। এমন পরিস্থিতিতে দূরে যাওয়ার চেষ্টা না করে কাছাকাছি কোনো শক্ত ও উঁচু ভবনে আশ্রয় নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

আবহাওয়া পরিস্থিতির আরও অবনতি হলে ভূমিধস ও আকস্মিক পাহাড়ি ঢলের ঝুঁকি বাড়তে পারে। তাই ইয়াকুশিমার বাসিন্দা ও পর্যটকদের স্থানীয় প্রশাসনের নির্দেশনা মেনে চলতে এবং ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা এড়িয়ে চলতে বলা হয়েছে।

আরও পড়ুনঃ  লংমার্চে বাধা দিলে ৬ দফা ১ দফায় পরিণত হবে: নাহিদ ইসলাম
Tag :
জনপ্রিয় পোস্ট

সিলেটে দুর্গাপূজায় আতশবাজি নিষেধ, গুজব ছড়ালে আইনি ব্যবস্থা

এবার জাপানে বড় ধরনের পাহাড় ধসের শঙ্কা, সতর্কতা জারি

Update Time : ০৬:২৭:৪৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

পর্যটনের জন্য বিখ্যাত জাপানের ইয়াকুশিমা দ্বীপের পাহাড়ি এলাকাগুলো ভয়াবহ ঝুঁকির মুখে পড়েছে। টানা ভারী বৃষ্টিতে সেখানে একের পর এক পাহাড়ধস ও ভূমিধসের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। পরিস্থিতির ভয়াবহতা বিবেচনায় কাগশিমা অঞ্চলের এই এলাকায় সর্বোচ্চ স্তরের বিপদসংকেত জারি করেছে জাপানের আবহাওয়া কর্তৃপক্ষ।

জাপান মেটিওরোলজিক্যাল এজেন্সি (জেএমএ) জানিয়েছে, ইয়াকুশিমা অঞ্চলে এ ধরনের তীব্র বৃষ্টিপাত আগে খুব কমই দেখা গেছে। অতিবৃষ্টির কারণে পাহাড়ি ঢল ও ভূমিধসের ঝুঁকি দ্রুত বাড়ছে। ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলোতে ইতোমধ্যে কোনো দুর্ঘটনা ঘটে থাকতে পারে বলেও আশঙ্কা প্রকাশ করেছে কর্তৃপক্ষ।

টানা বৃষ্টি ও ঝোড়ো হাওয়ার কারণে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠেছে। পাহাড়ের ঢাল, খাড়া সড়ক ও নিচু এলাকাগুলোতে বসবাসকারী মানুষের জন্য প্রতিটি মুহূর্তেই ঝুঁকি বাড়ছে। বিশেষ করে আকস্মিক পাহাড়ধস বা পাহাড়ি ঢল নেমে এলে খুব অল্প সময়ের মধ্যে বড় ধরনের বিপর্যয় ঘটতে পারে বলে সতর্ক করা হয়েছে।

এ অবস্থায় স্থানীয় প্রশাসন বাসিন্দাদের দেরি না করে নিরাপদ স্থানে সরে যাওয়ার আহ্বান জানিয়েছে। আবহাওয়াবিদরাও সতর্ক করে বলেছেন, আনুষ্ঠানিকভাবে বড় ধরনের কোনো উচ্ছেদ নির্দেশের অপেক্ষায় থাকলে অনেক ক্ষেত্রে নিরাপদে সরে যাওয়ার পর্যাপ্ত সময় নাও পাওয়া যেতে পারে।

কর্তৃপক্ষের পরামর্শ, নিজের ও পরিবারের সদস্যদের নিরাপত্তার কথা বিবেচনা করে ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা থেকে যত দ্রুত সম্ভব সরে যেতে হবে। বিশেষ করে পাহাড়ের পাদদেশ, ঢালু এলাকা, খাড়া পাহাড়ি পথ এবং পানি জমে থাকা ছড়া বা জলপ্রবাহের কাছাকাছি অবস্থান না করার জন্য সতর্ক করা হয়েছে।

তবে অতিবৃষ্টির কারণে দূরের আশ্রয়কেন্দ্রে যাওয়ার পথও কোথাও কোথাও ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে। এমন পরিস্থিতিতে দূরে যাওয়ার চেষ্টা না করে কাছাকাছি কোনো শক্ত ও উঁচু ভবনে আশ্রয় নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

আবহাওয়া পরিস্থিতির আরও অবনতি হলে ভূমিধস ও আকস্মিক পাহাড়ি ঢলের ঝুঁকি বাড়তে পারে। তাই ইয়াকুশিমার বাসিন্দা ও পর্যটকদের স্থানীয় প্রশাসনের নির্দেশনা মেনে চলতে এবং ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা এড়িয়ে চলতে বলা হয়েছে।

আরও পড়ুনঃ  লংমার্চে বাধা দিলে ৬ দফা ১ দফায় পরিণত হবে: নাহিদ ইসলাম