Dhaka ০৫:৪৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৯ অগাস্ট ২০২৬, ৩ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ট্রাম্পের বিরুদ্ধে অভিযোগ সম্পর্কিত সাক্ষাৎকার প্রকাশ 

  • Reporter Name
  • Update Time : ০১:১৬:১১ অপরাহ্ন, শনিবার, ৭ মার্চ ২০২৬
  • ৫০৭ Time View

মার্কিন বিচার বিভাগ অনলাইনে তিনটি এফবিআই স্মারকলিপি পোস্ট করেছে, যেখানে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিরুদ্ধে অযাচাইকৃত যৌন নির্যাতনের অভিযোগ সম্পর্কিত সাক্ষাৎকার রয়েছে। এই সাক্ষাৎকার দিয়েছেন ভুক্তভোগী নারী, যা বিচার বিভাগ প্রকাশিত এপস্টেইনের বিশাল ফাইল থেকে হারিয়ে গেছে।

সিএনএনের বিশ্লেষণে দেখা গেছে, এপস্টেইন কেলেঙ্কারি তদন্তের সঙ্গে সম্পর্কিত অনলাইন সংরক্ষণাগার থেকে কয়েক ডজন সাক্ষীর সাক্ষাৎকার অনুপস্থিত ছিল। যার সব কটি তথাকথিত ‘৩০২’ স্মারকলিপিতে করা হয়েছিল। নিখোঁজ রেকর্ডগুলোর মধ্যে তিনটি স্মারকলিপি ছিল একজন নারীর সাক্ষাৎকার সম্পর্কে। তিনি এফবিআই এজেন্টদের কাছে বলেছিলেন, এপস্টেইন কয়েক দশক আগে তাকে বারবার শারীরিক ও যৌন নির্যাতন করেছেন। তখন তার বয়স মাত্র ১৩ বছর ছিল। ট্রাম্পের বিরুদ্ধে যৌন নির্যাতনের অভিযোগও করেন তিনি। 

ট্রাম্প ধারাবাহিকভাবে এপস্টেইন সম্পর্কিত অন্যায় কাজ অস্বীকার করে আসছেন। গত বৃহস্পতিবার এক বিবৃতিতে হোয়াইট হাউসের প্রেস সেক্রেটারি ক্যারোলিন লিভিট এফবিআইয়ের সাক্ষাৎকারের দাবিগুলোকে সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন অভিযোগ হিসেবে উল্লেখ করেন। তাঁর দাবি, এসব অভিযোগের কোনো বিশ্বাসযোগ্য প্রমাণ নেই। লিভিট অভিযোগকারীর বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন। লিভিট বলেন, অভিযোগগুলো সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। জো বাইডেনের বিচার বিভাগ চার বছর ধরে এই অভিযোগগুলো জানলেও এ নিয়ে কিছুই করেনি। কারণ, তারা জানত ট্রাম্প এর সঙ্গে জড়িত নন। 

এফবিআই এজেন্টরা সংশ্লিষ্ট নারীর চারটি সাক্ষাৎকার নিয়েছিলেন। ২০১৯ সালের জুলাইয়ে একটি সাক্ষাৎকারের স্মারকলিপি বিচার বিভাগের ডেটাবেজে পাওয়া গেছে, যা এই বছরের শুরুতে প্রকাশ করা হয়েছিল। সেই সাক্ষাৎকারে ওই নারীর অভিযোগ, দক্ষিণ ক্যারোলাইনায় থাকাকালে তিনি বারবার এপস্টেইনের নির্যাতনের শিকার হয়েছিলেন, অথচ তিনি নাবালিকা ছিলেন। সেই সাক্ষাৎকারে তিনি ট্রাম্প সম্পর্কে কোনো অভিযোগ করেননি।

নতুন প্রকাশিত ফাইলগুলোতে ২০১৯ সালের আগস্ট ও অক্টোবর মাসে নেওয়া ওই নারীর আরও তিনটি সাক্ষাৎকার অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। দ্বিতীয় সাক্ষাৎকারে এপস্টেইন ও তার বেশ কয়েকজন পুরুষ সহযোগীর দ্বারা ওই নারীকে অতিরিক্ত নির্যাতনের বর্ণনা দিয়েছেন। এক বর্ণনায় তিনি বলেন, এপস্টেইন তাকে ট্রাম্পের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দিয়েছিলেন।

আরও পড়ুনঃ  হঠাৎ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে স্বাস্থ্যমন্ত্রী, অনুপস্থিত অর্ধেক চিকিৎসক

পরবর্তী সাক্ষাৎকারে ওই নারী জানান, তিনি ট্রাম্প ও এপস্টেইনকে তাদের ব্ল্যাকমেইলিং সম্পর্কে এবং ট্রাম্পকে ক্যাসিনো দিয়ে টাকা পাচারের বিষয়ে কথা বলতে শুনেছেন। বিভাগের এক কর্মকর্তা সিএনএনকে জানিয়েছেন, এখনও কয়েক হাজার ছবি পুনঃপ্রকাশের জন্য বাকি আছে। যা শিগগির করা হবে। 

Tag :
About Author Information

জনপ্রিয় পোস্ট

ট্রাম্পের বিরুদ্ধে অভিযোগ সম্পর্কিত সাক্ষাৎকার প্রকাশ 

Update Time : ০১:১৬:১১ অপরাহ্ন, শনিবার, ৭ মার্চ ২০২৬

মার্কিন বিচার বিভাগ অনলাইনে তিনটি এফবিআই স্মারকলিপি পোস্ট করেছে, যেখানে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিরুদ্ধে অযাচাইকৃত যৌন নির্যাতনের অভিযোগ সম্পর্কিত সাক্ষাৎকার রয়েছে। এই সাক্ষাৎকার দিয়েছেন ভুক্তভোগী নারী, যা বিচার বিভাগ প্রকাশিত এপস্টেইনের বিশাল ফাইল থেকে হারিয়ে গেছে।

সিএনএনের বিশ্লেষণে দেখা গেছে, এপস্টেইন কেলেঙ্কারি তদন্তের সঙ্গে সম্পর্কিত অনলাইন সংরক্ষণাগার থেকে কয়েক ডজন সাক্ষীর সাক্ষাৎকার অনুপস্থিত ছিল। যার সব কটি তথাকথিত ‘৩০২’ স্মারকলিপিতে করা হয়েছিল। নিখোঁজ রেকর্ডগুলোর মধ্যে তিনটি স্মারকলিপি ছিল একজন নারীর সাক্ষাৎকার সম্পর্কে। তিনি এফবিআই এজেন্টদের কাছে বলেছিলেন, এপস্টেইন কয়েক দশক আগে তাকে বারবার শারীরিক ও যৌন নির্যাতন করেছেন। তখন তার বয়স মাত্র ১৩ বছর ছিল। ট্রাম্পের বিরুদ্ধে যৌন নির্যাতনের অভিযোগও করেন তিনি। 

ট্রাম্প ধারাবাহিকভাবে এপস্টেইন সম্পর্কিত অন্যায় কাজ অস্বীকার করে আসছেন। গত বৃহস্পতিবার এক বিবৃতিতে হোয়াইট হাউসের প্রেস সেক্রেটারি ক্যারোলিন লিভিট এফবিআইয়ের সাক্ষাৎকারের দাবিগুলোকে সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন অভিযোগ হিসেবে উল্লেখ করেন। তাঁর দাবি, এসব অভিযোগের কোনো বিশ্বাসযোগ্য প্রমাণ নেই। লিভিট অভিযোগকারীর বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন। লিভিট বলেন, অভিযোগগুলো সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। জো বাইডেনের বিচার বিভাগ চার বছর ধরে এই অভিযোগগুলো জানলেও এ নিয়ে কিছুই করেনি। কারণ, তারা জানত ট্রাম্প এর সঙ্গে জড়িত নন। 

এফবিআই এজেন্টরা সংশ্লিষ্ট নারীর চারটি সাক্ষাৎকার নিয়েছিলেন। ২০১৯ সালের জুলাইয়ে একটি সাক্ষাৎকারের স্মারকলিপি বিচার বিভাগের ডেটাবেজে পাওয়া গেছে, যা এই বছরের শুরুতে প্রকাশ করা হয়েছিল। সেই সাক্ষাৎকারে ওই নারীর অভিযোগ, দক্ষিণ ক্যারোলাইনায় থাকাকালে তিনি বারবার এপস্টেইনের নির্যাতনের শিকার হয়েছিলেন, অথচ তিনি নাবালিকা ছিলেন। সেই সাক্ষাৎকারে তিনি ট্রাম্প সম্পর্কে কোনো অভিযোগ করেননি।

নতুন প্রকাশিত ফাইলগুলোতে ২০১৯ সালের আগস্ট ও অক্টোবর মাসে নেওয়া ওই নারীর আরও তিনটি সাক্ষাৎকার অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। দ্বিতীয় সাক্ষাৎকারে এপস্টেইন ও তার বেশ কয়েকজন পুরুষ সহযোগীর দ্বারা ওই নারীকে অতিরিক্ত নির্যাতনের বর্ণনা দিয়েছেন। এক বর্ণনায় তিনি বলেন, এপস্টেইন তাকে ট্রাম্পের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দিয়েছিলেন।

আরও পড়ুনঃ  হঠাৎ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে স্বাস্থ্যমন্ত্রী, অনুপস্থিত অর্ধেক চিকিৎসক

পরবর্তী সাক্ষাৎকারে ওই নারী জানান, তিনি ট্রাম্প ও এপস্টেইনকে তাদের ব্ল্যাকমেইলিং সম্পর্কে এবং ট্রাম্পকে ক্যাসিনো দিয়ে টাকা পাচারের বিষয়ে কথা বলতে শুনেছেন। বিভাগের এক কর্মকর্তা সিএনএনকে জানিয়েছেন, এখনও কয়েক হাজার ছবি পুনঃপ্রকাশের জন্য বাকি আছে। যা শিগগির করা হবে।