Dhaka ১০:৫৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৭ অগাস্ট ২০২৬, ২ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

দেশদ্রোহী বলায় অস্ট্রেলিয়ায় রাজনৈতিক আশ্রয় নিলেন ৫ ইরানি ফুটবলার

  • Reporter Name
  • Update Time : ০২:১৭:৫৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ মার্চ ২০২৬
  • ৫০৭ Time View

নিরাপত্তা ঝুঁকির কথা বলে ইরানের নারী ফুটবল দলের পাঁচ সদস্য অস্ট্রেলিয়ায় রাজনৈতিক আশ্রয় চেয়েছেন। তাদের মধ্যে দলের অধিনায়কও আছেন। গভীর রাতে হোটেল থেকে বেরিয়ে গিয়ে তারা অস্ট্রেলীয় কর্তৃপক্ষের কাছে আশ্রয়ের আবেদন করেন।

এর আগে এশিয়ান কাপ ফুটবলের একটি ম্যাচ শুরুর সময় ওই পাঁচ সদস্য ইরানের জাতীয় সংগীত গাইতে অস্বীকৃতি জানান। পরে রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে তাদের দেশদ্রোহী আখ্যা দেওয়া হয়। এমন পরিস্থিতিতে দেশে ফিরলে নিরাপত্তা ঝুঁকি আছে বলে মনে করছেন আশ্রয়প্রার্থীরা।  পাঁচ ফুটবলারকে আশ্রয় দিতে ডোনাল্ড ট্রাম্পও অস্ট্রেলিয়ার সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছিলেন। মঙ্গলবার অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী অ্যান্থনি আলবানিজ বলেন, তারা কয়েকদিন ধরে এ বিষয়ে প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। এই সাহসী নারীদের পদক্ষেপ অস্ট্রেলিয়ার মানুষকে নাড়া দিয়েছে। তারা এখানে নিরাপদ। 

অস্ট্রেলিয়ার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী টনি বার্ক সাংবাদিকদের জানিয়েছেন, ‘কয়েকদিন ধরে গোপনে খেলোয়াড়দের সঙ্গে আলোচনা চলছিল। হোটেল ছাড়ার পর তাদের একটি নিরাপদ স্থানে নিয়ে যাওয়া হয়।’ প্রকাশিত ছবিতে দেখা গেছে, খেলোয়াড়রা একটি টেবিলের পাশে দাঁড়িয়ে আছেন। আর স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বার্ক বিশেষ ভিসার কাগজে স্বাক্ষর করছেন। বার্ক বলেন, ‘ইরান দলের অন্য খেলোয়াড়রাও চাইলে অস্ট্রেলিয়ায় থাকতে পারবেন।’ 

ইরানের বাকি খেলোয়াড়রা দেশে ফিরবেন কি না বা কবে অস্ট্রেলিয়া ছাড়বেন তা এখনও স্পষ্ট নয়।

আরও পড়ুনঃ  কাতারে হামলার ভিডিও ছড়ানোর অভিযোগে ৩১৩ জন গ্রেপ্তার
Tag :
About Author Information

জনপ্রিয় পোস্ট

দেশদ্রোহী বলায় অস্ট্রেলিয়ায় রাজনৈতিক আশ্রয় নিলেন ৫ ইরানি ফুটবলার

Update Time : ০২:১৭:৫৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ মার্চ ২০২৬

নিরাপত্তা ঝুঁকির কথা বলে ইরানের নারী ফুটবল দলের পাঁচ সদস্য অস্ট্রেলিয়ায় রাজনৈতিক আশ্রয় চেয়েছেন। তাদের মধ্যে দলের অধিনায়কও আছেন। গভীর রাতে হোটেল থেকে বেরিয়ে গিয়ে তারা অস্ট্রেলীয় কর্তৃপক্ষের কাছে আশ্রয়ের আবেদন করেন।

এর আগে এশিয়ান কাপ ফুটবলের একটি ম্যাচ শুরুর সময় ওই পাঁচ সদস্য ইরানের জাতীয় সংগীত গাইতে অস্বীকৃতি জানান। পরে রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে তাদের দেশদ্রোহী আখ্যা দেওয়া হয়। এমন পরিস্থিতিতে দেশে ফিরলে নিরাপত্তা ঝুঁকি আছে বলে মনে করছেন আশ্রয়প্রার্থীরা।  পাঁচ ফুটবলারকে আশ্রয় দিতে ডোনাল্ড ট্রাম্পও অস্ট্রেলিয়ার সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছিলেন। মঙ্গলবার অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী অ্যান্থনি আলবানিজ বলেন, তারা কয়েকদিন ধরে এ বিষয়ে প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। এই সাহসী নারীদের পদক্ষেপ অস্ট্রেলিয়ার মানুষকে নাড়া দিয়েছে। তারা এখানে নিরাপদ। 

অস্ট্রেলিয়ার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী টনি বার্ক সাংবাদিকদের জানিয়েছেন, ‘কয়েকদিন ধরে গোপনে খেলোয়াড়দের সঙ্গে আলোচনা চলছিল। হোটেল ছাড়ার পর তাদের একটি নিরাপদ স্থানে নিয়ে যাওয়া হয়।’ প্রকাশিত ছবিতে দেখা গেছে, খেলোয়াড়রা একটি টেবিলের পাশে দাঁড়িয়ে আছেন। আর স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বার্ক বিশেষ ভিসার কাগজে স্বাক্ষর করছেন। বার্ক বলেন, ‘ইরান দলের অন্য খেলোয়াড়রাও চাইলে অস্ট্রেলিয়ায় থাকতে পারবেন।’ 

ইরানের বাকি খেলোয়াড়রা দেশে ফিরবেন কি না বা কবে অস্ট্রেলিয়া ছাড়বেন তা এখনও স্পষ্ট নয়।

আরও পড়ুনঃ  কাতারে হামলার ভিডিও ছড়ানোর অভিযোগে ৩১৩ জন গ্রেপ্তার