Dhaka ০৮:১২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২২ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
নেপালে জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের সুড়ঙ্গে ১০ দিন পর জীবিত উদ্ধার ২ জন এবার জাপানে বড় ধরনের পাহাড় ধসের শঙ্কা, সতর্কতা জারি পুকুর থেকে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময়কার সক্রিয় গ্রেনেড উদ্ধার ‘ইগো-অহংকারের কাছে জাতিকে হারিয়ে যেতে দেওয়া ঠিক নয়’: শিশির মনির দুর্গন্ধ পেয়ে পুলিশকে খবর, তালাবদ্ধ ঘর থেকে ৩ মরদেহ উদ্ধার ট্রাম্পের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠকের সম্ভাবনা রয়েছে: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বন্ধ হতে পারে ৪ কোটি গ্রাহকের সিম লা.শ নিয়ে ফেরার পথে অ্যাম্বুলেন্স খাদে, নারী ও শি.শুসহ আহত ৮ সিলেটের কদমতলী বাস টার্মিনাল থেকে যুবকের গলা কা টা লা শ উদ্ধার দালালকে ৩১ লাখ টাকা দিয়েও ফেরেনি ছেলে, লাশের অপেক্ষায় বৃদ্ধা মা

বাসের চাকায় পিষ্ট হয়ে যুবকের মৃত্যু, মরদেহ সড়কে ফেলে পালালেন সফরসঙ্গীরা

  • desk news
  • Update Time : ০৪:৩৬:৩৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৬
  • ৫৬৪ Time View

 কক্সবাজারে ঘুরতে গিয়ে বাসের চাকায় পিষ্ট হয়ে ধ্রুবজিৎ রায় আপন (২৬) নামে এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে। দুর্ঘটনার পর তাঁর মরদেহ সড়কে ফেলে বাস নিয়ে চলে যান সফরসঙ্গীরা। রোববার (২৩ আগস্ট) ভোরে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের ফৌজদারহাট এলাকার সি-সাইড ফিলিং স্টেশনের কাছে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহত ধ্রুবজিৎ রায় নারায়ণগঞ্জের বাসিন্দা। তিনি ফতুল্লার ডায়নামিক টিউটোরিয়াল হোমে শিক্ষকতা করতেন। পাশাপাশি ড্যাফোডিল পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটে ডিপ্লোমা কোর্সে পড়াশোনা করতেন।

হাইওয়ে পুলিশ জানায়, ‘বাংলাদেশ বাস স্পটার’ নামে একটি বাসপ্রেমী গ্রুপ গত ২০ আগস্ট শ্যামলী পরিবহনের একটি বাস ভাড়া করে কক্সবাজার যায়। রোববার ভোরে ঢাকায় ফেরার পথে ফৌজদারহাটের সি-সাইড ফিলিং স্টেশনে বাসটি থামে। পরে বাসটি মহাসড়কে ওঠার সময় দরজার কাছে দাঁড়িয়ে থাকা আপন ভারসাম্য হারিয়ে সড়কে পড়ে যান। এরপর বাসের চাকায় পিষ্ট হয়ে ঘটনাস্থলেই তাঁর মৃত্যু হয়।

বারো আউলিয়া থানার ওসি আরিফুল আমিন জানান, ফিলিং স্টেশনের সিসিটিভি ফুটেজে দেখা গেছে, বাসটি স্টেশন থেকে বের হওয়ার সময় আপন পেছনে গিয়ে বাসটিকে সংকেত দিচ্ছিলেন। বাসটি সোজা হলে তিনি দৌড়ে গিয়ে দরজার সামনে দাঁড়ান। এরপর বাসটি মহাসড়কে ওঠার সময় হঠাৎ ‘বাউলি’ দিলে তিনি পড়ে যান। এরপরের ঘটনা ক্যামেরার আওতায় ছিল না।

ওসি বলেন, সম্ভবত বাসের চাকার নিচে পড়েই তাঁর মৃত্যু হয়েছে। তাঁরা একটি গ্রুপের সঙ্গে এসেছিলেন এবং সবাই একে অন্যকে চিনতেন। এমনকি বাসটিতে তাঁকে হেলপারের দায়িত্ব পালন করতেও দেখা গেছে।

পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, দুর্ঘটনার পর তাঁর সঙ্গে থাকা ব্যক্তিরা মরদেহ উদ্ধারে এগিয়ে আসেননি। পরে নিহতের বাবা-মা ঘটনাস্থলে এসে মরদেহ শনাক্ত করেন।

পুলিশ ও সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, ‘বাংলাদেশ বাস স্পটার’ একটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমভিত্তিক বাসপ্রেমী গ্রুপ। গ্রুপটির সদস্যরা নিয়মিত বাস ভাড়া করে দেশের বিভিন্ন স্থানে ভ্রমণের আয়োজন করেন।

ঘটনার বিষয়ে তদন্ত চলছে বলে জানিয়েছে হাইওয়ে পুলিশ।

আরও পড়ুনঃ  জলঢাকায় বিলবোর্ড লাগানো নিয়ে উত্তেজনা, পুলিশ মোতায়েন
Tag :
জনপ্রিয় পোস্ট

নেপালে জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের সুড়ঙ্গে ১০ দিন পর জীবিত উদ্ধার ২ জন

বাসের চাকায় পিষ্ট হয়ে যুবকের মৃত্যু, মরদেহ সড়কে ফেলে পালালেন সফরসঙ্গীরা

Update Time : ০৪:৩৬:৩৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৬

 কক্সবাজারে ঘুরতে গিয়ে বাসের চাকায় পিষ্ট হয়ে ধ্রুবজিৎ রায় আপন (২৬) নামে এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে। দুর্ঘটনার পর তাঁর মরদেহ সড়কে ফেলে বাস নিয়ে চলে যান সফরসঙ্গীরা। রোববার (২৩ আগস্ট) ভোরে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের ফৌজদারহাট এলাকার সি-সাইড ফিলিং স্টেশনের কাছে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহত ধ্রুবজিৎ রায় নারায়ণগঞ্জের বাসিন্দা। তিনি ফতুল্লার ডায়নামিক টিউটোরিয়াল হোমে শিক্ষকতা করতেন। পাশাপাশি ড্যাফোডিল পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটে ডিপ্লোমা কোর্সে পড়াশোনা করতেন।

হাইওয়ে পুলিশ জানায়, ‘বাংলাদেশ বাস স্পটার’ নামে একটি বাসপ্রেমী গ্রুপ গত ২০ আগস্ট শ্যামলী পরিবহনের একটি বাস ভাড়া করে কক্সবাজার যায়। রোববার ভোরে ঢাকায় ফেরার পথে ফৌজদারহাটের সি-সাইড ফিলিং স্টেশনে বাসটি থামে। পরে বাসটি মহাসড়কে ওঠার সময় দরজার কাছে দাঁড়িয়ে থাকা আপন ভারসাম্য হারিয়ে সড়কে পড়ে যান। এরপর বাসের চাকায় পিষ্ট হয়ে ঘটনাস্থলেই তাঁর মৃত্যু হয়।

বারো আউলিয়া থানার ওসি আরিফুল আমিন জানান, ফিলিং স্টেশনের সিসিটিভি ফুটেজে দেখা গেছে, বাসটি স্টেশন থেকে বের হওয়ার সময় আপন পেছনে গিয়ে বাসটিকে সংকেত দিচ্ছিলেন। বাসটি সোজা হলে তিনি দৌড়ে গিয়ে দরজার সামনে দাঁড়ান। এরপর বাসটি মহাসড়কে ওঠার সময় হঠাৎ ‘বাউলি’ দিলে তিনি পড়ে যান। এরপরের ঘটনা ক্যামেরার আওতায় ছিল না।

ওসি বলেন, সম্ভবত বাসের চাকার নিচে পড়েই তাঁর মৃত্যু হয়েছে। তাঁরা একটি গ্রুপের সঙ্গে এসেছিলেন এবং সবাই একে অন্যকে চিনতেন। এমনকি বাসটিতে তাঁকে হেলপারের দায়িত্ব পালন করতেও দেখা গেছে।

পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, দুর্ঘটনার পর তাঁর সঙ্গে থাকা ব্যক্তিরা মরদেহ উদ্ধারে এগিয়ে আসেননি। পরে নিহতের বাবা-মা ঘটনাস্থলে এসে মরদেহ শনাক্ত করেন।

পুলিশ ও সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, ‘বাংলাদেশ বাস স্পটার’ একটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমভিত্তিক বাসপ্রেমী গ্রুপ। গ্রুপটির সদস্যরা নিয়মিত বাস ভাড়া করে দেশের বিভিন্ন স্থানে ভ্রমণের আয়োজন করেন।

ঘটনার বিষয়ে তদন্ত চলছে বলে জানিয়েছে হাইওয়ে পুলিশ।

আরও পড়ুনঃ  ‘গতিতেই শান্তি’ লিখে ফেসবুক স্টোরি, ঘণ্টাখানেক পরই সড়ক দুর্ঘটনায় মৃত্যু