Dhaka ০৬:১৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩০ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
রাষ্ট্রপতির সঙ্গে জেলা পরিষদের প্রশাসকদের বৈঠক গ্যাস অনুসন্ধানে শেভরনকে আরও বিনিয়োগের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক আরও জোরদার করতে চায় বাংলাদেশ: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী স্থানীয় সরকার নির্বাচনে প্রার্থী হতে শিক্ষাগত যোগ্যতা লাগবে না: প্রতিমন্ত্রী শাহে আলম গোয়াইনঘাটে অবৈধ বালু উত্তোলনবিরোধী অভিযান, জরিমানা ৩ জনকে মধ্যযুগীয় কায়দায় নির্যাতন, গরম খুন্তি দিয়ে দুই ছাত্রকে ছ্যাঁকা; পরিচালকসহ গ্রেপ্তার ৩ কুড়িয়ে পাওয়া টাকা ফেরত দিতে মালিকের সন্ধানে দুদিন ধরে মাইকিং করছেন এক যুবক ৮ দফা দাবিতে রেলপথ অবরোধ, থামল কপোতাক্ষ এক্সপ্রেস ঢাকায় গোপন বৈঠক, যুবলীগের ৮ নেতা গ্রেপ্তার বিএনপির বিভিন্ন কমিটির শূন্যপদে পদোন্নতি হবে কীভাবে, জানালেন রিজভ

শ্বশুরবাড়ির লোকেরা কোন শ্রেণির আত্মীয়? জানালেন শায়খ আহমাদুল্লাহ

আত্মীয়তার সম্পর্ক রক্ষা ইসলামের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা। রক্ত ও বৈবাহিক সূত্রে যাদের সঙ্গে সম্পর্ক রয়েছে, তাদের খোঁজখবর নেওয়া, সদাচরণ করা, বিপদে পাশে দাঁড়ানো এবং সামর্থ্য অনুযায়ী সহযোগিতা করাকে আত্মীয়তার সম্পর্ক রক্ষার অংশ হিসেবে বিবেচনা করা হয়।

পবিত্র কোরআনের বিভিন্ন আয়াতে আত্মীয়তার সম্পর্ক বজায় রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে যারা আত্মীয়তার সম্পর্ক ছিন্ন করে, তাদের নিন্দাও করা হয়েছে।

আল্লাহ তায়ালা বলেন, **“আর আল্লাহ যে সম্পর্ক অটুট রাখার নির্দেশ দিয়েছেন, যারা তা অটুট রাখে, তাদের রবকে ভয় করে এবং মন্দ হিসাবের আশঙ্কা করে।”**
—সূরা আর-রাদ: ২১

ইসলামিক স্কলার ও আস-সুন্নাহ ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান শায়খ আহমাদুল্লাহ এক ভিডিও বক্তব্যে আত্মীয়তার সম্পর্কের বিভিন্ন স্তর ও অগ্রাধিকার নিয়ে আলোচনা করেছেন।

প্রথম শ্রেণির আত্মীয়

নিকটতম রক্তসম্পর্কের আত্মীয়রা এ শ্রেণির অন্তর্ভুক্ত। এর মধ্যে বাবা-মা, দাদা-দাদি, ভাই-বোন, সন্তান-সন্ততি, চাচা-ফুফুসহ ঘনিষ্ঠ রক্তসম্পর্কের আত্মীয়রা রয়েছেন। এসব আত্মীয়ের সঙ্গে সম্পর্ক বজায় রাখার গুরুত্ব বেশি।

দ্বিতীয় শ্রেণির আত্মীয়

মায়ের দিকের রক্তসম্পর্কের আত্মীয়রা এ শ্রেণিতে পড়েন। যেমন—মামা, খালা, নানা ও নানি। রক্তের সম্পর্ক থাকায় তাদের খোঁজখবর নেওয়া এবং সুসম্পর্ক বজায় রাখাও গুরুত্বপূর্ণ।

তৃতীয় শ্রেণির আত্মীয়

বৈবাহিক সূত্রে তৈরি হওয়া সম্পর্ক এ শ্রেণির অন্তর্ভুক্ত। অর্থাৎ শ্বশুরবাড়ির সদস্যরা সাধারণত এ পর্যায়ের আত্মীয়তার মধ্যে পড়েন। তাদের সঙ্গে সরাসরি রক্তের সম্পর্ক না থাকলেও বৈবাহিক সম্পর্কের কারণে তাদের প্রতি সম্মান, সদাচরণ ও সৌহার্দ্য বজায় রাখা উচিত।

ইসলামের শিক্ষা হলো, আত্মীয়তার সম্পর্ক শুধু বিশেষ কোনো উপলক্ষে নয়; বরং নিয়মিতভাবে তা রক্ষা করতে হবে। পারস্পরিক সহযোগিতা, খোঁজখবর নেওয়া, ক্ষমাশীলতা ও সৌহার্দ্যের মাধ্যমে আত্মীয়তার বন্ধন অটুট রাখার চেষ্টা করা একজন মুমিনের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব।

আরও পড়ুনঃ  আদমদীঘি থানা পুলিশের বিশেষ অভিযানে নারী সহ গ্রেপ্তার-৮!!
Tag :
জনপ্রিয় পোস্ট

রাষ্ট্রপতির সঙ্গে জেলা পরিষদের প্রশাসকদের বৈঠক

শ্বশুরবাড়ির লোকেরা কোন শ্রেণির আত্মীয়? জানালেন শায়খ আহমাদুল্লাহ

Update Time : ১২:০০:০৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ৮ অগাস্ট ২০২৬

আত্মীয়তার সম্পর্ক রক্ষা ইসলামের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা। রক্ত ও বৈবাহিক সূত্রে যাদের সঙ্গে সম্পর্ক রয়েছে, তাদের খোঁজখবর নেওয়া, সদাচরণ করা, বিপদে পাশে দাঁড়ানো এবং সামর্থ্য অনুযায়ী সহযোগিতা করাকে আত্মীয়তার সম্পর্ক রক্ষার অংশ হিসেবে বিবেচনা করা হয়।

পবিত্র কোরআনের বিভিন্ন আয়াতে আত্মীয়তার সম্পর্ক বজায় রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে যারা আত্মীয়তার সম্পর্ক ছিন্ন করে, তাদের নিন্দাও করা হয়েছে।

আল্লাহ তায়ালা বলেন, **“আর আল্লাহ যে সম্পর্ক অটুট রাখার নির্দেশ দিয়েছেন, যারা তা অটুট রাখে, তাদের রবকে ভয় করে এবং মন্দ হিসাবের আশঙ্কা করে।”**
—সূরা আর-রাদ: ২১

ইসলামিক স্কলার ও আস-সুন্নাহ ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান শায়খ আহমাদুল্লাহ এক ভিডিও বক্তব্যে আত্মীয়তার সম্পর্কের বিভিন্ন স্তর ও অগ্রাধিকার নিয়ে আলোচনা করেছেন।

প্রথম শ্রেণির আত্মীয়

নিকটতম রক্তসম্পর্কের আত্মীয়রা এ শ্রেণির অন্তর্ভুক্ত। এর মধ্যে বাবা-মা, দাদা-দাদি, ভাই-বোন, সন্তান-সন্ততি, চাচা-ফুফুসহ ঘনিষ্ঠ রক্তসম্পর্কের আত্মীয়রা রয়েছেন। এসব আত্মীয়ের সঙ্গে সম্পর্ক বজায় রাখার গুরুত্ব বেশি।

দ্বিতীয় শ্রেণির আত্মীয়

মায়ের দিকের রক্তসম্পর্কের আত্মীয়রা এ শ্রেণিতে পড়েন। যেমন—মামা, খালা, নানা ও নানি। রক্তের সম্পর্ক থাকায় তাদের খোঁজখবর নেওয়া এবং সুসম্পর্ক বজায় রাখাও গুরুত্বপূর্ণ।

তৃতীয় শ্রেণির আত্মীয়

বৈবাহিক সূত্রে তৈরি হওয়া সম্পর্ক এ শ্রেণির অন্তর্ভুক্ত। অর্থাৎ শ্বশুরবাড়ির সদস্যরা সাধারণত এ পর্যায়ের আত্মীয়তার মধ্যে পড়েন। তাদের সঙ্গে সরাসরি রক্তের সম্পর্ক না থাকলেও বৈবাহিক সম্পর্কের কারণে তাদের প্রতি সম্মান, সদাচরণ ও সৌহার্দ্য বজায় রাখা উচিত।

ইসলামের শিক্ষা হলো, আত্মীয়তার সম্পর্ক শুধু বিশেষ কোনো উপলক্ষে নয়; বরং নিয়মিতভাবে তা রক্ষা করতে হবে। পারস্পরিক সহযোগিতা, খোঁজখবর নেওয়া, ক্ষমাশীলতা ও সৌহার্দ্যের মাধ্যমে আত্মীয়তার বন্ধন অটুট রাখার চেষ্টা করা একজন মুমিনের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব।

আরও পড়ুনঃ  সীমান্তের প্রান্তিক জনপদে শিক্ষার প্রদীপ জ্বালাচ্ছে গুচ্ছগ্রাম বিদ্যালয়: প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ