Dhaka ০৫:২৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৯ অগাস্ট ২০২৬, ৩ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সিলেটের ১৯৫০-এর দশকের ফুটবল তারকা রণজিৎ দাসের মৃত্যু

  • Reporter Name
  • Update Time : ১২:৩৬:১৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ৫১১ Time View

সিলেটের ১৯৫০-এর দশকের ফুটবল তারকা রণজিৎ দাসের মৃত্যু

সিলেটের ক্রীড়াঙ্গনের এক কিংবদন্তি, ফুটবল ও হকির প্রাক্তন গোলরক্ষক রণজিৎ দাস সোমবার ভোরে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেছেন। ৯৩ বছর বয়সে তিনি চিরনিদ্রায় শায়িত হয়েছেন সিলেটের একটি হাসপাতালে। দীর্ঘদিন শারীরিক অসুস্থতা এবং স্মৃতি ক্ষয়ের কারণে শেষ কয়েক বছর তিনি নীরবে ছিলেন।
রণজিৎ দাসের ক্রীড়াজীবন উজ্জ্বল। ১৯৫৫ সালে ইস্পাহানি ক্লাব থেকে ফুটবল যাত্রা শুরু করেন, পরবর্তীতে আজাদ স্পোর্টিংয়ে অধিনায়ক হিসেবে লিগ জেতান। ১৯৫৭ সালে কলকাতার মোহামেডান ক্লাবে অল ইন্ডিয়া ডুরান্ড কাপেও অংশগ্রহণ করেন। তিনি হকিতেও ছিলেন দক্ষ, পূর্ব পাকিস্তান হকি দলের অধিনায়ক হিসেবে খেলেছেন। জাতীয় ক্রীড়া পুরস্কারসহ অসংখ্য পুরস্কারে সম্মানিত হয়েছেন।
ফুটবল ও হকিতে অসাধারণ প্রতিভার পাশাপাশি তিনি স্থানীয় ক্রীড়ার উন্নয়নে কোচ হিসেবেও দায়িত্ব নিয়েছেন। জীবনে উচ্চতা কম হওয়ায় জাতীয় ফুটবল দলে সুযোগ না পাওয়া তার এক ক্ষত ছিল। শেষ সময়ে স্ত্রী রেখা দাসের সঙ্গেই ছিলেন।
রণজিৎ দাসের চলে যাওয়া ক্রীড়াঙ্গনে এক শূন্যতা সৃষ্টি করেছে। সিলেটের সেই পাহাড়ি রাস্তার ঢালে আর কেউ তার গল্প শোনাবে না। তবে তার ফুটবল ও হকির সোনালি বীরত্বগাথা ইতিহাসে চিরকাল স্মরণীয় হয়ে থাকবে।

আরও পড়ুনঃ  ২২০ রান করেও হার কেকেআর এর ডেথ ওভার কিং ফিজকে কী মিস করছে?
Tag :
About Author Information

জনপ্রিয় পোস্ট

সিলেটের ১৯৫০-এর দশকের ফুটবল তারকা রণজিৎ দাসের মৃত্যু

Update Time : ১২:৩৬:১৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

সিলেটের ক্রীড়াঙ্গনের এক কিংবদন্তি, ফুটবল ও হকির প্রাক্তন গোলরক্ষক রণজিৎ দাস সোমবার ভোরে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেছেন। ৯৩ বছর বয়সে তিনি চিরনিদ্রায় শায়িত হয়েছেন সিলেটের একটি হাসপাতালে। দীর্ঘদিন শারীরিক অসুস্থতা এবং স্মৃতি ক্ষয়ের কারণে শেষ কয়েক বছর তিনি নীরবে ছিলেন।
রণজিৎ দাসের ক্রীড়াজীবন উজ্জ্বল। ১৯৫৫ সালে ইস্পাহানি ক্লাব থেকে ফুটবল যাত্রা শুরু করেন, পরবর্তীতে আজাদ স্পোর্টিংয়ে অধিনায়ক হিসেবে লিগ জেতান। ১৯৫৭ সালে কলকাতার মোহামেডান ক্লাবে অল ইন্ডিয়া ডুরান্ড কাপেও অংশগ্রহণ করেন। তিনি হকিতেও ছিলেন দক্ষ, পূর্ব পাকিস্তান হকি দলের অধিনায়ক হিসেবে খেলেছেন। জাতীয় ক্রীড়া পুরস্কারসহ অসংখ্য পুরস্কারে সম্মানিত হয়েছেন।
ফুটবল ও হকিতে অসাধারণ প্রতিভার পাশাপাশি তিনি স্থানীয় ক্রীড়ার উন্নয়নে কোচ হিসেবেও দায়িত্ব নিয়েছেন। জীবনে উচ্চতা কম হওয়ায় জাতীয় ফুটবল দলে সুযোগ না পাওয়া তার এক ক্ষত ছিল। শেষ সময়ে স্ত্রী রেখা দাসের সঙ্গেই ছিলেন।
রণজিৎ দাসের চলে যাওয়া ক্রীড়াঙ্গনে এক শূন্যতা সৃষ্টি করেছে। সিলেটের সেই পাহাড়ি রাস্তার ঢালে আর কেউ তার গল্প শোনাবে না। তবে তার ফুটবল ও হকির সোনালি বীরত্বগাথা ইতিহাসে চিরকাল স্মরণীয় হয়ে থাকবে।

আরও পড়ুনঃ  জামায়াতের প্রতিনিধি দল সিইসির সঙ্গে বৈঠকে