Dhaka ০৫:১৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৯ অগাস্ট ২০২৬, ৩ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সিলেটে গ্রাম বাংলার ঐতিহ্যবাহী বৈশাখী মেলা, মানুষের ঢল!

  • Reporter Name
  • Update Time : ০৬:৩৭:০৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৬
  • ৫০৫ Time View

আজ পহেলা বৈশাখ—বাংলা নববর্ষের প্রথম দিন। সিলেটের এই দৃশ্য যেন সেই উৎসবের প্রাণচঞ্চলতার জীবন্ত প্রতিচ্ছবি। ছবিতে দেখা যাচ্ছে নদীর পাড়ঘেঁষা এক ব্যস্ত সড়ক, যেখানে মানুষের ঢল নেমেছে। চারদিকে লাল-সাদা পোশাকে সজ্জিত নারী-পুরুষ, শিশুদের হাসি, আর রঙিন বেলুনের সমাহার—সব মিলিয়ে এক অনন্য উৎসবমুখর পরিবেশ সৃষ্টি করেছে।
সড়কের দুই পাশে সারি সারি দোকানপাট ও অস্থায়ী স্টল বসেছে। কোথাও পান্তা-ইলিশ, কোথাও চিতই পিঠা, আবার কোথাও নানা ধরনের মিষ্টান্ন ও খেলনা বিক্রি হচ্ছে। বিক্রেতাদের ডাকাডাকি আর ক্রেতাদের ভিড় মিলিয়ে এক প্রাণবন্ত বাজারের আবহ তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে শিশুদের জন্য বেলুন, বাঁশি, মুখোশ ও রঙিন খেলনার দোকানগুলো যেন আলাদা আকর্ষণ সৃষ্টি করেছে।
নদীর ধারে খোলা আকাশের নিচে এই আয়োজন সিলেটবাসীর সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের পরিচয় বহন করে। মানুষজন পরিবার-পরিজন নিয়ে বেরিয়েছে এই দিনটি উপভোগ করতে। কেউ ছবি তুলছে, কেউ বন্ধুদের সঙ্গে আড্ডা দিচ্ছে, আবার কেউবা শুধু হাঁটাহাঁটি করে পরিবেশ উপভোগ করছে। সব মিলিয়ে এটি শুধুমাত্র একটি উৎসব নয়, বরং মানুষের মিলনমেলা।আজ পহেলা বৈশাখ বাংলা নববর্ষের প্রথম দিন। সিলেটের এই দৃশ্য যেন সেই উৎসবের প্রাণচঞ্চলতার জীবন্ত প্রতিচ্ছবি। ছবিতে দেখা যাচ্ছে নদীর পাড়ঘেঁষা এক ব্যস্ত সড়ক, যেখানে মানুষের ঢল নেমেছে। চারদিকে লাল-সাদা পোশাকে সজ্জিত নারী-পুরুষ, শিশুদের হাসি, আর রঙিন বেলুনের সমাহার—সব মিলিয়ে এক অনন্য উৎসবমুখর পরিবেশ সৃষ্টি করেছে।
সড়কের দুই পাশে সারি সারি দোকানপাট ও অস্থায়ী স্টল বসেছে। কোথাও পান্তা-ইলিশ, কোথাও চিতই পিঠা, আবার কোথাও নানা ধরনের মিষ্টান্ন ও খেলনা বিক্রি হচ্ছে। বিক্রেতাদের ডাকাডাকি আর ক্রেতাদের ভিড় মিলিয়ে এক প্রাণবন্ত বাজারের আবহ তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে শিশুদের জন্য বেলুন, বাঁশি, মুখোশ ও রঙিন খেলনার দোকানগুলো যেন আলাদা আকর্ষণ সৃষ্টি করেছ


নদীর ধারে খোলা আকাশের নিচে এই আয়োজন সিলেটবাসীর সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের পরিচয় বহন করে। মানুষজন পরিবার-পরিজন নিয়ে বেরিয়েছে এই দিনটি উপভোগ করতে। কেউ ছবি তুলছে, কেউ বন্ধুদের সঙ্গে আড্ডা দিচ্ছে, আবার কেউবা শুধু হাঁটাহাঁটি করে পরিবেশ উপভোগ করছে। সব মিলিয়ে এটি শুধুমাত্র একটি উৎসব নয়, বরং মানুষের মিলনমেলা।আজ পহেলা বৈশাখ—বাংলা নববর্ষের প্রথম দিন। সিলেটের এই দৃশ্য যেন সেই উৎসবের প্রাণচঞ্চলতার জীবন্ত প্রতিচ্ছবি। ছবিতে দেখা যাচ্ছে নদীর পাড়ঘেঁষা এক ব্যস্ত সড়ক, যেখানে মানুষের ঢল নেমেছে। চারদিকে লাল-সাদা পোশাকে সজ্জিত নারী-পুরুষ, শিশুদের হাসি, আর রঙিন বেলুনের সমাহার—সব মিলিয়ে এক অনন্য উৎসবমুখর পরিবেশ সৃষ্টি করেছে।
সড়কের দুই পাশে সারি সারি দোকানপাট ও অস্থায়ী স্টল বসেছে। কোথাও পান্তা-ইলিশ, কোথাও চিতই পিঠা, আবার কোথাও নানা ধরনের মিষ্টান্ন ও খেলনা বিক্রি হচ্ছে। বিক্রেতাদের ডাকাডাকি আর ক্রেতাদের ভিড় মিলিয়ে এক প্রাণবন্ত বাজারের আবহ তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে শিশুদের জন্য বেলুন, বাঁশি, মুখোশ ও রঙিন খেলনার দোকানগুলো যেন আলাদা আকর্ষণ সৃষ্টি করেছে।
নদীর ধারে খোলা আকাশের নিচে এই আয়োজন সিলেটবাসীর সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের পরিচয় বহন করে। মানুষজন পরিবার-পরিজন নিয়ে বেরিয়েছে এই দিনটি উপভোগ করতে। কেউ ছবি তুলছে, কেউ বন্ধুদের সঙ্গে আড্ডা দিচ্ছে, আবার কেউবা শুধু হাঁটাহাঁটি করে পরিবেশ উপভোগ করছে। সব মিলিয়ে এটি শুধুমাত্র একটি উৎসব নয়, বরং মানুষের মিলনমেলা।

আরও পড়ুনঃ  মন্ত্রিসভায় শপথের জন্য ডাক পেলেন যারা
Tag :
About Author Information

জনপ্রিয় পোস্ট

সিলেটে গ্রাম বাংলার ঐতিহ্যবাহী বৈশাখী মেলা, মানুষের ঢল!

Update Time : ০৬:৩৭:০৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৬

আজ পহেলা বৈশাখ—বাংলা নববর্ষের প্রথম দিন। সিলেটের এই দৃশ্য যেন সেই উৎসবের প্রাণচঞ্চলতার জীবন্ত প্রতিচ্ছবি। ছবিতে দেখা যাচ্ছে নদীর পাড়ঘেঁষা এক ব্যস্ত সড়ক, যেখানে মানুষের ঢল নেমেছে। চারদিকে লাল-সাদা পোশাকে সজ্জিত নারী-পুরুষ, শিশুদের হাসি, আর রঙিন বেলুনের সমাহার—সব মিলিয়ে এক অনন্য উৎসবমুখর পরিবেশ সৃষ্টি করেছে।
সড়কের দুই পাশে সারি সারি দোকানপাট ও অস্থায়ী স্টল বসেছে। কোথাও পান্তা-ইলিশ, কোথাও চিতই পিঠা, আবার কোথাও নানা ধরনের মিষ্টান্ন ও খেলনা বিক্রি হচ্ছে। বিক্রেতাদের ডাকাডাকি আর ক্রেতাদের ভিড় মিলিয়ে এক প্রাণবন্ত বাজারের আবহ তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে শিশুদের জন্য বেলুন, বাঁশি, মুখোশ ও রঙিন খেলনার দোকানগুলো যেন আলাদা আকর্ষণ সৃষ্টি করেছে।
নদীর ধারে খোলা আকাশের নিচে এই আয়োজন সিলেটবাসীর সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের পরিচয় বহন করে। মানুষজন পরিবার-পরিজন নিয়ে বেরিয়েছে এই দিনটি উপভোগ করতে। কেউ ছবি তুলছে, কেউ বন্ধুদের সঙ্গে আড্ডা দিচ্ছে, আবার কেউবা শুধু হাঁটাহাঁটি করে পরিবেশ উপভোগ করছে। সব মিলিয়ে এটি শুধুমাত্র একটি উৎসব নয়, বরং মানুষের মিলনমেলা।আজ পহেলা বৈশাখ বাংলা নববর্ষের প্রথম দিন। সিলেটের এই দৃশ্য যেন সেই উৎসবের প্রাণচঞ্চলতার জীবন্ত প্রতিচ্ছবি। ছবিতে দেখা যাচ্ছে নদীর পাড়ঘেঁষা এক ব্যস্ত সড়ক, যেখানে মানুষের ঢল নেমেছে। চারদিকে লাল-সাদা পোশাকে সজ্জিত নারী-পুরুষ, শিশুদের হাসি, আর রঙিন বেলুনের সমাহার—সব মিলিয়ে এক অনন্য উৎসবমুখর পরিবেশ সৃষ্টি করেছে।
সড়কের দুই পাশে সারি সারি দোকানপাট ও অস্থায়ী স্টল বসেছে। কোথাও পান্তা-ইলিশ, কোথাও চিতই পিঠা, আবার কোথাও নানা ধরনের মিষ্টান্ন ও খেলনা বিক্রি হচ্ছে। বিক্রেতাদের ডাকাডাকি আর ক্রেতাদের ভিড় মিলিয়ে এক প্রাণবন্ত বাজারের আবহ তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে শিশুদের জন্য বেলুন, বাঁশি, মুখোশ ও রঙিন খেলনার দোকানগুলো যেন আলাদা আকর্ষণ সৃষ্টি করেছ


নদীর ধারে খোলা আকাশের নিচে এই আয়োজন সিলেটবাসীর সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের পরিচয় বহন করে। মানুষজন পরিবার-পরিজন নিয়ে বেরিয়েছে এই দিনটি উপভোগ করতে। কেউ ছবি তুলছে, কেউ বন্ধুদের সঙ্গে আড্ডা দিচ্ছে, আবার কেউবা শুধু হাঁটাহাঁটি করে পরিবেশ উপভোগ করছে। সব মিলিয়ে এটি শুধুমাত্র একটি উৎসব নয়, বরং মানুষের মিলনমেলা।আজ পহেলা বৈশাখ—বাংলা নববর্ষের প্রথম দিন। সিলেটের এই দৃশ্য যেন সেই উৎসবের প্রাণচঞ্চলতার জীবন্ত প্রতিচ্ছবি। ছবিতে দেখা যাচ্ছে নদীর পাড়ঘেঁষা এক ব্যস্ত সড়ক, যেখানে মানুষের ঢল নেমেছে। চারদিকে লাল-সাদা পোশাকে সজ্জিত নারী-পুরুষ, শিশুদের হাসি, আর রঙিন বেলুনের সমাহার—সব মিলিয়ে এক অনন্য উৎসবমুখর পরিবেশ সৃষ্টি করেছে।
সড়কের দুই পাশে সারি সারি দোকানপাট ও অস্থায়ী স্টল বসেছে। কোথাও পান্তা-ইলিশ, কোথাও চিতই পিঠা, আবার কোথাও নানা ধরনের মিষ্টান্ন ও খেলনা বিক্রি হচ্ছে। বিক্রেতাদের ডাকাডাকি আর ক্রেতাদের ভিড় মিলিয়ে এক প্রাণবন্ত বাজারের আবহ তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে শিশুদের জন্য বেলুন, বাঁশি, মুখোশ ও রঙিন খেলনার দোকানগুলো যেন আলাদা আকর্ষণ সৃষ্টি করেছে।
নদীর ধারে খোলা আকাশের নিচে এই আয়োজন সিলেটবাসীর সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের পরিচয় বহন করে। মানুষজন পরিবার-পরিজন নিয়ে বেরিয়েছে এই দিনটি উপভোগ করতে। কেউ ছবি তুলছে, কেউ বন্ধুদের সঙ্গে আড্ডা দিচ্ছে, আবার কেউবা শুধু হাঁটাহাঁটি করে পরিবেশ উপভোগ করছে। সব মিলিয়ে এটি শুধুমাত্র একটি উৎসব নয়, বরং মানুষের মিলনমেলা।

আরও পড়ুনঃ  ঈদ ও গ্রীষ্মকালীন অবকাশ ১৬ থেকে ২৩ দিনের টানা ছুটি পাচ্ছে শিক্ষার্থীরা