Dhaka ০৬:১৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩০ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
রাষ্ট্রপতির সঙ্গে জেলা পরিষদের প্রশাসকদের বৈঠক গ্যাস অনুসন্ধানে শেভরনকে আরও বিনিয়োগের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক আরও জোরদার করতে চায় বাংলাদেশ: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী স্থানীয় সরকার নির্বাচনে প্রার্থী হতে শিক্ষাগত যোগ্যতা লাগবে না: প্রতিমন্ত্রী শাহে আলম গোয়াইনঘাটে অবৈধ বালু উত্তোলনবিরোধী অভিযান, জরিমানা ৩ জনকে মধ্যযুগীয় কায়দায় নির্যাতন, গরম খুন্তি দিয়ে দুই ছাত্রকে ছ্যাঁকা; পরিচালকসহ গ্রেপ্তার ৩ কুড়িয়ে পাওয়া টাকা ফেরত দিতে মালিকের সন্ধানে দুদিন ধরে মাইকিং করছেন এক যুবক ৮ দফা দাবিতে রেলপথ অবরোধ, থামল কপোতাক্ষ এক্সপ্রেস ঢাকায় গোপন বৈঠক, যুবলীগের ৮ নেতা গ্রেপ্তার বিএনপির বিভিন্ন কমিটির শূন্যপদে পদোন্নতি হবে কীভাবে, জানালেন রিজভ

হোটেল কক্ষে পুলিশ সদস্যের ঝুলন্ত মরদেহ, রক্তাক্ত স্ত্রী ও শিশু উদ্ধার

চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ে একটি আবাসিক হোটেলের কক্ষ থেকে আমিনুল ইসলাম নামে এক পুলিশ সদস্যের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। একই কক্ষ থেকে তাঁর স্ত্রী তাহমিনা আক্তারকে রক্তাক্ত অবস্থায় জীবিত এবং তাঁদের ১০ মাস বয়সী শিশুকে অক্ষত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়েছে।

নিহত আমিনুল ইসলাম রাঙামাটি পার্বত্য জেলা পুলিশ লাইনে সহকারী উপ-পরিদর্শক (এএসআই) হিসেবে কর্মরত ছিলেন। সোমবার (১০ আগস্ট) দুপুরে উপজেলার বড়তাকিয়া বাজারের হোটেল রিলাক্স জোনের ১০৪ নম্বর কক্ষে এ ঘটনা ঘটে।

হোটেল কর্তৃপক্ষ ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, রোববার (৯ আগস্ট) দুপুর ২টার দিকে আমিনুল ইসলাম ও তাঁর স্ত্রী তাহমিনা আক্তার হোটেলটির ১০৪ নম্বর কক্ষে ওঠেন। হোটেলে ওঠার সময় তাঁরা জানান, সোমবার সকাল ১১টার দিকে চেকআউট করে কক্সবাজারে ঘুরতে যাবেন।

তবে নির্ধারিত সময় পার হয়ে গেলেও তাঁরা কক্ষ থেকে বের না হওয়ায় হোটেল কর্তৃপক্ষ দরজায় গিয়ে ডাকাডাকি করেন। দীর্ঘক্ষণ সাড়া না পাওয়ার পর একপর্যায়ে তাহমিনা আক্তার রক্তাক্ত অবস্থায় দরজা খুলে দিয়ে কক্ষের মেঝেতে পড়ে যান।

এ সময় হোটেলকর্মীরা কক্ষের সিলিং ফ্যানের সঙ্গে আমিনুল ইসলামের ঝুলন্ত মরদেহ দেখতে পান। পরে বিষয়টি পুলিশকে জানানো হলে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে।

একই কক্ষ থেকে আমিনুল ইসলামের স্ত্রী তাহমিনা আক্তারকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পাঠানো হয়। তাঁদের ১০ মাস বয়সী শিশুকন্যাকেও কক্ষ থেকে অক্ষত অবস্থায় উদ্ধার করেছে পুলিশ।

মিরসরাই-জোরারগঞ্জ সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার মো. নাদিম হায়দার চৌধুরী জানান, ঘটনাটি পারিবারিক কলহের জেরে ঘটেছে কি না, নাকি এর পেছনে অন্য কোনো কারণ রয়েছে—তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। নিহতের স্ত্রী তাহমিনা আক্তার সুস্থ হওয়ার পর তাঁর বক্তব্য পাওয়া গেলে ঘটনার প্রকৃত কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যাবে।

আরও পড়ুনঃ  ৩৭৫ সিসি পর্যন্ত বাইক আমদানির সুযোগ, বাজারে নতুন ব্র্যান্ড
Tag :
জনপ্রিয় পোস্ট

রাষ্ট্রপতির সঙ্গে জেলা পরিষদের প্রশাসকদের বৈঠক

হোটেল কক্ষে পুলিশ সদস্যের ঝুলন্ত মরদেহ, রক্তাক্ত স্ত্রী ও শিশু উদ্ধার

Update Time : ১২:০৪:৫৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ অগাস্ট ২০২৬

চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ে একটি আবাসিক হোটেলের কক্ষ থেকে আমিনুল ইসলাম নামে এক পুলিশ সদস্যের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। একই কক্ষ থেকে তাঁর স্ত্রী তাহমিনা আক্তারকে রক্তাক্ত অবস্থায় জীবিত এবং তাঁদের ১০ মাস বয়সী শিশুকে অক্ষত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়েছে।

নিহত আমিনুল ইসলাম রাঙামাটি পার্বত্য জেলা পুলিশ লাইনে সহকারী উপ-পরিদর্শক (এএসআই) হিসেবে কর্মরত ছিলেন। সোমবার (১০ আগস্ট) দুপুরে উপজেলার বড়তাকিয়া বাজারের হোটেল রিলাক্স জোনের ১০৪ নম্বর কক্ষে এ ঘটনা ঘটে।

হোটেল কর্তৃপক্ষ ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, রোববার (৯ আগস্ট) দুপুর ২টার দিকে আমিনুল ইসলাম ও তাঁর স্ত্রী তাহমিনা আক্তার হোটেলটির ১০৪ নম্বর কক্ষে ওঠেন। হোটেলে ওঠার সময় তাঁরা জানান, সোমবার সকাল ১১টার দিকে চেকআউট করে কক্সবাজারে ঘুরতে যাবেন।

তবে নির্ধারিত সময় পার হয়ে গেলেও তাঁরা কক্ষ থেকে বের না হওয়ায় হোটেল কর্তৃপক্ষ দরজায় গিয়ে ডাকাডাকি করেন। দীর্ঘক্ষণ সাড়া না পাওয়ার পর একপর্যায়ে তাহমিনা আক্তার রক্তাক্ত অবস্থায় দরজা খুলে দিয়ে কক্ষের মেঝেতে পড়ে যান।

এ সময় হোটেলকর্মীরা কক্ষের সিলিং ফ্যানের সঙ্গে আমিনুল ইসলামের ঝুলন্ত মরদেহ দেখতে পান। পরে বিষয়টি পুলিশকে জানানো হলে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে।

একই কক্ষ থেকে আমিনুল ইসলামের স্ত্রী তাহমিনা আক্তারকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পাঠানো হয়। তাঁদের ১০ মাস বয়সী শিশুকন্যাকেও কক্ষ থেকে অক্ষত অবস্থায় উদ্ধার করেছে পুলিশ।

মিরসরাই-জোরারগঞ্জ সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার মো. নাদিম হায়দার চৌধুরী জানান, ঘটনাটি পারিবারিক কলহের জেরে ঘটেছে কি না, নাকি এর পেছনে অন্য কোনো কারণ রয়েছে—তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। নিহতের স্ত্রী তাহমিনা আক্তার সুস্থ হওয়ার পর তাঁর বক্তব্য পাওয়া গেলে ঘটনার প্রকৃত কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যাবে।

আরও পড়ুনঃ  আসিফ মাহমুদসহ ৪ জনের বিরুদ্ধে দুদকের অনুসন্ধান শুরু