Dhaka ০৭:৩৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৮ অক্টোবর ২০২৬, ২৩ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
সিলেটে দুর্গাপূজায় আতশবাজি নিষেধ, গুজব ছড়ালে আইনি ব্যবস্থা ৩৩ কোটি টাকার আধুনিক চিকিৎসা সরঞ্জাম পাচ্ছে সুনামগঞ্জ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল সিলেট মহানগর দায়রা জজ আদালতে নবনিযুক্ত প্রসিকিউটরদের যোগদান এক দফা দাবিতে এবার জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে সিলেট ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজের শিক্ষার্থীরা আমার নোবেল পাওয়া উচিত, কিন্তু তারা দেবে কি না জানি না: ট্রাম্প বাংলাদেশে বিনিয়োগ ও সংসদীয় সম্পর্ক জোরদারে যুক্তরাজ্যের আইনপ্রণেতাদের প্রতি রাষ্ট্রপতির আহ্বান রেলস্টেশনে জার্মান পর্যটকের ল্যাপটপ-ক্যামেরাসহ ব্যাগ চুরি কঠিন শর্তে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে ৩৩০ কোটি ডলার বিদেশি ঋণ নিচ্ছে সরকার মেধাতালিকায় দ্বিতীয় হয়েও চাকরি হয়নি ক্লীন্টনের, নদীভাঙনে হারিয়েছেন স্থায়ী ঠিকানা পবিত্র রমজানকে কেন্দ্র করে ব্যবসায়ীদের কড়া বার্তা দিলেন বাণিজ্যমন্ত্রী

২০ ইউনিট বিদ্যুৎ ব্যবহারে বিল ২৯ হাজার টাকা

মাগুরায় মাত্র ২০ ইউনিট বিদ্যুৎ ব্যবহারের বিপরীতে ২৯ হাজার ১৩৮ টাকা বিল পাওয়ার অভিযোগ করেছেন এক গ্রাহক। তার দাবি, দীর্ঘদিন ধরে বিচ্ছিন্ন থাকা একটি মিটারের বকেয়া বিলও তার বিদ্যুৎ বিলের সঙ্গে যুক্ত করা হয়েছে।

অভিযোগকারী বাবু মোল্যা মাগুরা সদর উপজেলার গোপালগ্রাম ইউনিয়নের সংকোচখালি গ্রামের বাসিন্দা। তিনি জানান, সাধারণত তার বাড়িতে মাসিক বিদ্যুৎ বিল ২০০ থেকে ২৫০ টাকার মধ্যে আসে। তবে সম্প্রতি ২০ ইউনিট ব্যবহারের হিসাব দেখিয়ে ২৯ হাজার ১৩৮ টাকার বিল দেওয়া হয়েছে।

বাবু মোল্যার ভাষ্য, প্রায় চার মাস ধরে তার দোকানের বিদ্যুৎ মিটার সংযোগ বিচ্ছিন্ন রয়েছে। এর আগে ওই মিটারটি অন্য এক গ্রাহকের নামে ছিল এবং সেই গ্রাহকের পুরোনো বকেয়া বিল পরবর্তীতে তার বাড়ির মিটারের সঙ্গে যুক্ত করা হয়েছে বলে তিনি জানতে পারেন। এ বিষয়ে তাকে কোনো নোটিশ দেওয়া হয়নি বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

তবে অভিযোগের বিষয়ে ভিন্ন ব্যাখ্যা দিয়েছে মাগুরা জেলা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি। প্রতিষ্ঠানটির জেনারেল ম্যানেজার (চলতি দায়িত্ব) এস এম শাহিন আহসান জানান, সংশ্লিষ্ট গ্রাহকের নামে অন্য একটি মিটারের বকেয়া ছিল। বিষয়টি জানিয়ে তাকে একাধিকবার নোটিশ দেওয়া হয়েছিল। বকেয়া পরিশোধ না করায় আগের বিল বর্তমান মিটারের সঙ্গে সমন্বয় করা হয়েছে বলে জানান তিনি।

এর আগে মাগুরায় মাত্র ২৩৫ ইউনিট বিদ্যুৎ ব্যবহারের বিপরীতে এক গ্রাহকের নামে ৫০৬ কোটি টাকার বেশি বিল আসার ঘটনা ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি করেছিল। ওই ঘটনার পর আবারও কম বিদ্যুৎ ব্যবহারের বিপরীতে অস্বাভাবিক অঙ্কের বিলের অভিযোগ সামনে আসায় বিদ্যুৎ বিল তৈরি ও বকেয়া সমন্বয়ের প্রক্রিয়া নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

আরও পড়ুনঃ  ইলিয়াস কাঞ্চনের ‘মৃত্যুর’ গুঞ্জন
Tag :
জনপ্রিয় পোস্ট

সিলেটে দুর্গাপূজায় আতশবাজি নিষেধ, গুজব ছড়ালে আইনি ব্যবস্থা

২০ ইউনিট বিদ্যুৎ ব্যবহারে বিল ২৯ হাজার টাকা

Update Time : ১২:৪১:৫৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩ অক্টোবর ২০২৬

মাগুরায় মাত্র ২০ ইউনিট বিদ্যুৎ ব্যবহারের বিপরীতে ২৯ হাজার ১৩৮ টাকা বিল পাওয়ার অভিযোগ করেছেন এক গ্রাহক। তার দাবি, দীর্ঘদিন ধরে বিচ্ছিন্ন থাকা একটি মিটারের বকেয়া বিলও তার বিদ্যুৎ বিলের সঙ্গে যুক্ত করা হয়েছে।

অভিযোগকারী বাবু মোল্যা মাগুরা সদর উপজেলার গোপালগ্রাম ইউনিয়নের সংকোচখালি গ্রামের বাসিন্দা। তিনি জানান, সাধারণত তার বাড়িতে মাসিক বিদ্যুৎ বিল ২০০ থেকে ২৫০ টাকার মধ্যে আসে। তবে সম্প্রতি ২০ ইউনিট ব্যবহারের হিসাব দেখিয়ে ২৯ হাজার ১৩৮ টাকার বিল দেওয়া হয়েছে।

বাবু মোল্যার ভাষ্য, প্রায় চার মাস ধরে তার দোকানের বিদ্যুৎ মিটার সংযোগ বিচ্ছিন্ন রয়েছে। এর আগে ওই মিটারটি অন্য এক গ্রাহকের নামে ছিল এবং সেই গ্রাহকের পুরোনো বকেয়া বিল পরবর্তীতে তার বাড়ির মিটারের সঙ্গে যুক্ত করা হয়েছে বলে তিনি জানতে পারেন। এ বিষয়ে তাকে কোনো নোটিশ দেওয়া হয়নি বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

তবে অভিযোগের বিষয়ে ভিন্ন ব্যাখ্যা দিয়েছে মাগুরা জেলা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি। প্রতিষ্ঠানটির জেনারেল ম্যানেজার (চলতি দায়িত্ব) এস এম শাহিন আহসান জানান, সংশ্লিষ্ট গ্রাহকের নামে অন্য একটি মিটারের বকেয়া ছিল। বিষয়টি জানিয়ে তাকে একাধিকবার নোটিশ দেওয়া হয়েছিল। বকেয়া পরিশোধ না করায় আগের বিল বর্তমান মিটারের সঙ্গে সমন্বয় করা হয়েছে বলে জানান তিনি।

এর আগে মাগুরায় মাত্র ২৩৫ ইউনিট বিদ্যুৎ ব্যবহারের বিপরীতে এক গ্রাহকের নামে ৫০৬ কোটি টাকার বেশি বিল আসার ঘটনা ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি করেছিল। ওই ঘটনার পর আবারও কম বিদ্যুৎ ব্যবহারের বিপরীতে অস্বাভাবিক অঙ্কের বিলের অভিযোগ সামনে আসায় বিদ্যুৎ বিল তৈরি ও বকেয়া সমন্বয়ের প্রক্রিয়া নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

আরও পড়ুনঃ  সিলেটের ২৪ জনসহ ২৯ বাংলাদেশি মিশরে উদ্ধার, সাগরে প্রাণ গেল আরও ৯ জনের