জনপ্রিয় চিত্রনায়ক সালমান শাহর রহস্যজনক মৃত্যুর প্রায় তিন দশক পর আদালতের আদেশে গত বছরের অক্টোবরে এটি অপমৃত্যু থেকে হত্যা মামলায় রূপান্তরিত হয়। আজ রোববার (৩০ আগস্ট) সিআইডির তদন্ত কর্মকর্তা ইন্সপেক্টর মজিবুর রহমানের প্রতিবেদন দাখিলের কথা থাকলেও তিনি সময় চেয়ে আবেদন করেন।
মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জুয়েল রানা আবেদন মঞ্জুর করে আগামী ২৯ সেপ্টেম্বরের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার নতুন তারিখ ধার্য করেছেন।
মামলাটিতে সালমান শাহর স্ত্রী সামিরা ছাড়াও অভিযুক্তদের তালিকায় রয়েছেন তাঁর শাশুড়ি লতিফা হক লি ও খলনায়ক ডনসহ একাধিক ব্যক্তি:
প্রধান আসামিগণ: সামিরা হক, লতিফা হক লি, আশরাফুল হক ডন এবং আজিজ মোহাম্মদ ভাই।
অন্যান্য আসামি: ডেবিট, জাভেদ, ফারুক, মে-ফেয়ার বিউটি সেন্টারের রুবি, আব্দুস ছাত্তার, সাজু ও রেজভি আহমেদ ফরহাদ।
মামলার সর্বশেষ অগ্রগতি হিসেবে গত ৯ আগস্ট বিমানবন্দর থেকে খলনায়ক ডনকে গ্রেপ্তার করে ইমিগ্রেশন পুলিশ। পরবর্তীতে তাকে সিআইডির হাতে তুলে দেওয়া হলে গত ২৭ আগস্ট আদালত তার পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
১৯৯৬ সালের ৬ সেপ্টেম্বর ইস্কাটনের বাসা থেকে সালমান শাহর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধারের পর দীর্ঘ সময় এটিকে অপমৃত্যু হিসেবে তদন্ত করা হয়। তবে তাঁর মা নীলা চৌধুরী শুরু থেকেই এটিকে পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড দাবি করে আসছিলেন, যার ভিত্তিতে গত বছরের ২০ অক্টোবর তাঁর ভাই মোহাম্মদ আলমগীর কুমকুম এই হত্যা মামলাটি দায়ের করেন।