
অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তিদের আসামি করে এ মামলা করা হয়। এদিকে হত্যাকাণ্ডের দুই দিনেও পুলিশ এ ঘটনায় কাউকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি।
গত বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে রাউজানের কেরানীহাট বাজারে ১০ থেকে ১২ জন অস্ত্রধারী প্রথমে কুপিয়ে এবং পরে ৩টি গুলি করে মোহাম্মদ করিমকে হত্যা করে। নিহত মুহাম্মদ করিম যুবদলের রাজনীতিতে সক্রিয় ছিলেন। তবে তার কোনো পদ ছিল না।
২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর থেকে রাউজানে অন্তত ২৫টি হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। এর মধ্যে ২০টি হত্যাকাণ্ড রাজনৈতিক বিরোধের জেরে হয়েছে।