
ইতালির ভেনিস আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসব শেষে দেশে ফেরার পর অভিনেত্রী আজমেরী হক বাঁধনের বাসায় গিয়ে তাঁর ও পরিবারের খোঁজখবর নিয়েছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির।
মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের পক্ষ থেকে বাঁধনের বাসায় যান তিনি। এ সময় সাম্প্রতিক ঘটনার বিষয়ে অভিনেত্রীর সঙ্গে কথা বলেন এবং তাঁর পরিবারের সার্বিক খোঁজখবর নেন।
গত ৮ সেপ্টেম্বর ইতালির মেস্ত্রে শহরে অপ্রীতিকর ঘটনার শিকার হন বাঁধন। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, একদল ব্যক্তি তাঁকে ‘জুলাই জঙ্গি’ আখ্যা দিয়ে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করে। ঘটনার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর বিষয়টি নিয়ে ব্যাপক আলোচনা তৈরি হয়। পরে স্থানীয় পুলিশের কাছে আনুষ্ঠানিক মামলা করেন অভিনেত্রী।
রাষ্ট্রীয় পর্যায় থেকে পাশে দাঁড়ানোর উদ্যোগে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন বাঁধন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক বার্তায় তিনি বলেন, কঠিন সময়ে রাষ্ট্রীয় পর্যায় থেকে এগিয়ে আসার বিষয়টি তাঁকে ব্যক্তিগতভাবে আশ্বস্ত করেছে এবং একজন নাগরিক হিসেবে রাষ্ট্রের প্রতি তাঁর আস্থা আরও দৃঢ় করেছে।
বাঁধন আরও বলেন, মতের পার্থক্য থাকতেই পারে, তবে একজন নাগরিকের নিরাপত্তা, মর্যাদা ও অধিকার নিয়ে কোনো আপস করা উচিত নয়। সংকটের সময়ে সহায়তা ও সংহতি প্রকাশের জন্য বাংলাদেশ সরকার, সরকারপ্রধান, বাংলাদেশ দূতাবাস এবং ইতালির পুলিশ ও প্রশাসনের প্রতিও তিনি কৃতজ্ঞতা জানান।
এর আগে ভেনিস আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসব শেষে সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) সকালে দেশে ফেরেন আজমেরী হক বাঁধন।
ঘটনাটি নিয়ে জাতীয় সংসদেও আলোচনা হয়। পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির সেখানে ইতালিতে বাঁধনের ওপর হামলার ঘটনাকে ‘গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থার ওপর আক্রমণ’ হিসেবে উল্লেখ করেছিলেন বলে প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে।