
ডিআরআই সূত্রে জানা যায়, ভিয়েতনাম এয়ারলাইন্সের ২৩ বছর বয়সী কর্মী মুনাফ মুশরাফ জামাদার স্বর্ণ পাচারের সঙ্গে জড়িত এবং বিমানবন্দরের বাইরে এক ব্যক্তির কাছে পাচার করা স্বর্ণ হস্তান্তর করবেন এমন সুনির্দিষ্ট তথ্য পায় ডিআরআই। এরপর তার ওপর নজরদারি চালানো হয়।
পরে মুনাফকে তল্লাশি করে মোমের মতো পদার্থে মোড়ানো স্বর্ণের গুঁড়াভর্তি ডিমের আকৃতির সাতটি ক্যাপসুল উদ্ধার করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদে তিনি জানান, বিমানবন্দরের বাইরে একজনের কাছে এসব স্বর্ণ পৌঁছে দেওয়ার কথা ছিল। এ কাজের বিনিময়ে আর্থিক সুবিধা পাওয়ার কথা ছিল বলেও জানান তিনি।
মুনাফের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে তাকে স্বর্ণ হস্তান্তরকারী আরও পাঁচ যাত্রীকে শনাক্ত করে ডিআরআই। তারা হলেন- মোহাম্মদ আবু নাসার, মোহাম্মদ আলম, মোহাম্মদ নাক্সিমুদ্দিন, মোহাম্মদ মহিউদ্দিন ও মোহাম্মদ হোসেন। তাদের মধ্যে আবু নাসার, আলম ও নাক্সিমুদ্দিন বাংলাদেশের নাগরিক।কর্মকর্তারা জানান, অভিযানে সব মিলিয়ে ১৬টি বলের মতো আকৃতির প্যাকেট থেকে প্রায় ৭ কেজি স্বর্ণ উদ্ধার করা হয়েছে। এসব স্বর্ণের আনুমানিক মূল্য ১১ কোটি রুপি।
গ্রেফতার ব্যক্তিদের আইনজীবী বীরেন্দ্র সিং ও আফতাব কুরেশি আদালতে দাবি করেন, তাদের মক্কেলরা নির্দোষ। দারিদ্র্যের কারণে তারা এই ঘটনায় জড়িয়ে পড়েছেন বলেও আদালতকে জানান আইনজীবীরা।
শুনানি শেষে আদালত ছয় আসামিকে বিচারিক হেফাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন।