Dhaka ০৮:৫৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৬, ১২ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
নিহত ৫ প্রবাসীর পরিবারের পাশে সরকার,চেক তুলে দিলেন মন্ত্রী আরিফুল ইসলাম সুকেশ বিতর্কের কথা বলতে গিয়ে কাঁদলেন নোরা ফাতেহি সিলেটে বাড়ছে কিশোর গ্যাংয়ের দাপট, সক্রিয় ১৫ গ্রুপ ১৪১ কোটি টাকা পাচারের অভিযোগ, দুদকের মামলায় সাবেক মন্ত্রী সাইফুজ্জামান ও তাঁর স্ত্রীসহ আসামি ২৯ কুপিয়ে তরুণীর হাত বিচ্ছিন্ন করলো প্রেমিক, বাঁচাতে গিয়ে আহত বাবা-মা ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার দুই নারী ইউপি সদস্য ঋণের বোঝা মাথায় নিয়ে আমেরিকা, বন্দুকের গুলিতে শেষ সব স্বপ্ন সাংবাদিকদের মারধর করে হুমকি, ‘তোমরা লেখবা, আর আমরা তোমাদের পিটাবো’ ইউরোপ পাঠানোর নামে ৭ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ, ভুক্তভোগীদের হাতে আটক ইমন সিলেটে ২৪ ঘণ্টায় হামের সন্দেহে হাসপাতালে ১২৬, মৃত্যু ১

নওগাঁয় নিখোঁজের ১৯ মাস পর সুমন হোসেনের কঙ্কাল উদ্ধারনওগাঁয় নিখোঁজের ১৯ মাস পর সুমন হোসেনের কঙ্কাল উদ্ধার

  • Reporter Name
  • Update Time : ১১:৪১:২৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬
  • ৫০৮ Time View

নওগাঁর আত্রাই উপজেলায় নিখোঁজের প্রায় ১৯ মাস পর সুমন হোসেন (৩৯) নামে এক ব্যক্তির কঙ্কাল উদ্ধার করেছে পুলিশ। শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি) বিকেলে উপজেলার কয়শা গ্রামের একটি ডোবার পানি সেচে ও মাটি খুঁড়ে এই কঙ্কাল উদ্ধার করা হয়।

নওগাঁর পুলিশ সুপার মোহাম্মদ তারিকুল ইসলাম জানান, ২০২৪ সালের ২০ জুন রাত আনুমানিক সাড়ে ১১টার দিকে কয়শা গ্রামের শাহাদত হোসেনের ছেলে সুমন বাড়ি থেকে বের হয়ে আর ফেরেননি। দুই দিন পর পরিবারের পক্ষ থেকে আত্রাই থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়। পরে বাড়ির পাশে ইটের টুকরায় রক্তের দাগ পাওয়া গেলে পুলিশকে জানানো হয়। ডিএনএ পরীক্ষায় সেটি সুমনের রক্ত বলে শনাক্ত হয়।

পরবর্তীতে সুমনের স্ত্রী বাদী হয়ে গত ১৫ নভেম্বর আত্রাই থানায় হত্যা মামলা করেন। মামলার অগ্রগতি না হওয়ায় সম্প্রতি পরিবারের সদস্যরা পুলিশ সুপারের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে নতুন তথ্য দেন। এরপর তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় একজন সন্দেহভাজনকে শনাক্ত করে পুলিশ।

জিজ্ঞাসাবাদের একপর্যায়ে ওই ব্যক্তি হত্যার কথা স্বীকার করেন। তিনি জানান, সুমন তার স্ত্রীকে কুপ্রস্তাব দেন এবং হাত ধরে টানাটানি করায় ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন। পরে ২০২৪ সালের ২২ জুন রাতে ছোট ভাইয়ের সহযোগিতায় সুমনকে ডেকে নিয়ে গ্রামের নির্জন রাস্তায় ইট দিয়ে মাথায় আঘাত করে হত্যা করেন। এরপর মরদেহ পাশের একটি শুকনো ডোবায় মাটিচাপা দেন। তার সহযোগী ছোট ভাই কয়েক মাস আগে আত্মহত্যা করেন।

পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, হত্যার পর সুমনের মোবাইল ফোন নিজের কাছে রেখে বন্ধ করে দেন আসামি। পরে সেটি চালু করে ব্যবহার শুরু করলে প্রযুক্তির মাধ্যমে পুলিশ তাকে শনাক্ত করে।

আত্রাই থানার ওসি আব্দুল করিম জানান, গ্রেপ্তার আসামির দেখানো মতে রমজানের পুকুরের ডোবার পানি সেচে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে কঙ্কাল উদ্ধার করা হয়। উদ্ধারকৃত হাড়গোড় ময়নাতদন্ত ও ফরেনসিক পরীক্ষার জন্য ঢাকায় পাঠানো হবে।নওগাঁর আত্রাই উপজেলায় নিখোঁজের প্রায় ১৯ মাস পর সুমন হোসেন (৩৯) নামে এক ব্যক্তির কঙ্কাল উদ্ধার করেছে পুলিশ। শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি) বিকেলে উপজেলার কয়শা গ্রামের একটি ডোবার পানি সেচে ও মাটি খুঁড়ে এই কঙ্কাল উদ্ধার করা হয়।

আরও পড়ুনঃ  পিএসএল ফাইনাল খেলতে পাকিস্তান যাচ্ছেন নাহিদ রানা

নওগাঁর পুলিশ সুপার মোহাম্মদ তারিকুল ইসলাম জানান, ২০২৪ সালের ২০ জুন রাত আনুমানিক সাড়ে ১১টার দিকে কয়শা গ্রামের শাহাদত হোসেনের ছেলে সুমন বাড়ি থেকে বের হয়ে আর ফেরেননি। দুই দিন পর পরিবারের পক্ষ থেকে আত্রাই থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়। পরে বাড়ির পাশে ইটের টুকরায় রক্তের দাগ পাওয়া গেলে পুলিশকে জানানো হয়। ডিএনএ পরীক্ষায় সেটি সুমনের রক্ত বলে শনাক্ত হয়।

পরবর্তীতে সুমনের স্ত্রী বাদী হয়ে গত ১৫ নভেম্বর আত্রাই থানায় হত্যা মামলা করেন। মামলার অগ্রগতি না হওয়ায় সম্প্রতি পরিবারের সদস্যরা পুলিশ সুপারের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে নতুন তথ্য দেন। এরপর তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় একজন সন্দেহভাজনকে শনাক্ত করে পুলিশ।

জিজ্ঞাসাবাদের একপর্যায়ে ওই ব্যক্তি হত্যার কথা স্বীকার করেন। তিনি জানান, সুমন তার স্ত্রীকে কুপ্রস্তাব দেন এবং হাত ধরে টানাটানি করায় ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন। পরে ২০২৪ সালের ২২ জুন রাতে ছোট ভাইয়ের সহযোগিতায় সুমনকে ডেকে নিয়ে গ্রামের নির্জন রাস্তায় ইট দিয়ে মাথায় আঘাত করে হত্যা করেন। এরপর মরদেহ পাশের একটি শুকনো ডোবায় মাটিচাপা দেন। তার সহযোগী ছোট ভাই কয়েক মাস আগে আত্মহত্যা করেন।

পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, হত্যার পর সুমনের মোবাইল ফোন নিজের কাছে রেখে বন্ধ করে দেন আসামি। পরে সেটি চালু করে ব্যবহার শুরু করলে প্রযুক্তির মাধ্যমে পুলিশ তাকে শনাক্ত করে।

আত্রাই থানার ওসি আব্দুল করিম জানান, গ্রেপ্তার আসামির দেখানো মতে রমজানের পুকুরের ডোবার পানি সেচে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে কঙ্কাল উদ্ধার করা হয়। উদ্ধারকৃত হাড়গোড় ময়নাতদন্ত ও ফরেনসিক পরীক্ষার জন্য ঢাকায় পাঠানো হবে।নওগাঁর আত্রাই উপজেলায় নিখোঁজের প্রায় ১৯ মাস পর সুমন হোসেন (৩৯) নামে এক ব্যক্তির কঙ্কাল উদ্ধার করেছে পুলিশ। শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি) বিকেলে উপজেলার কয়শা গ্রামের একটি ডোবার পানি সেচে ও মাটি খুঁড়ে এই কঙ্কাল উদ্ধার করা হয়।

আরও পড়ুনঃ  সিলেট’সহ সারা দেশে ১,২৮৫ হাসপাতাল-ক্লিনিক অবৈধ

নওগাঁর পুলিশ সুপার মোহাম্মদ তারিকুল ইসলাম জানান, ২০২৪ সালের ২০ জুন রাত আনুমানিক সাড়ে ১১টার দিকে কয়শা গ্রামের শাহাদত হোসেনের ছেলে সুমন বাড়ি থেকে বের হয়ে আর ফেরেননি। দুই দিন পর পরিবারের পক্ষ থেকে আত্রাই থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়। পরে বাড়ির পাশে ইটের টুকরায় রক্তের দাগ পাওয়া গেলে পুলিশকে জানানো হয়। ডিএনএ পরীক্ষায় সেটি সুমনের রক্ত বলে শনাক্ত হয়।

পরবর্তীতে সুমনের স্ত্রী বাদী হয়ে গত ১৫ নভেম্বর আত্রাই থানায় হত্যা মামলা করেন। মামলার অগ্রগতি না হওয়ায় সম্প্রতি পরিবারের সদস্যরা পুলিশ সুপারের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে নতুন তথ্য দেন। এরপর তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় একজন সন্দেহভাজনকে শনাক্ত করে পুলিশ।

জিজ্ঞাসাবাদের একপর্যায়ে ওই ব্যক্তি হত্যার কথা স্বীকার করেন। তিনি জানান, সুমন তার স্ত্রীকে কুপ্রস্তাব দেন এবং হাত ধরে টানাটানি করায় ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন। পরে ২০২৪ সালের ২২ জুন রাতে ছোট ভাইয়ের সহযোগিতায় সুমনকে ডেকে নিয়ে গ্রামের নির্জন রাস্তায় ইট দিয়ে মাথায় আঘাত করে হত্যা করেন। এরপর মরদেহ পাশের একটি শুকনো ডোবায় মাটিচাপা দেন। তার সহযোগী ছোট ভাই কয়েক মাস আগে আত্মহত্যা করেন।

পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, হত্যার পর সুমনের মোবাইল ফোন নিজের কাছে রেখে বন্ধ করে দেন আসামি। পরে সেটি চালু করে ব্যবহার শুরু করলে প্রযুক্তির মাধ্যমে পুলিশ তাকে শনাক্ত করে।

আত্রাই থানার ওসি আব্দুল করিম জানান, গ্রেপ্তার আসামির দেখানো মতে রমজানের পুকুরের ডোবার পানি সেচে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে কঙ্কাল উদ্ধার করা হয়। উদ্ধারকৃত হাড়গোড় ময়নাতদন্ত ও ফরেনসিক পরীক্ষার জন্য ঢাকায় পাঠানো হবে।নওগাঁর আত্রাই উপজেলায় নিখোঁজের প্রায় ১৯ মাস পর সুমন হোসেন (৩৯) নামে এক ব্যক্তির কঙ্কাল উদ্ধার করেছে পুলিশ। শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি) বিকেলে উপজেলার কয়শা গ্রামের একটি ডোবার পানি সেচে ও মাটি খুঁড়ে এই কঙ্কাল উদ্ধার করা হয়।

আরও পড়ুনঃ  তারেক রহমানের সঙ্গে মান্নার ছবি ভাইরাল—সেদিন কী কথা হয়েছিল

নওগাঁর পুলিশ সুপার মোহাম্মদ তারিকুল ইসলাম জানান, ২০২৪ সালের ২০ জুন রাত আনুমানিক সাড়ে ১১টার দিকে কয়শা গ্রামের শাহাদত হোসেনের ছেলে সুমন বাড়ি থেকে বের হয়ে আর ফেরেননি। দুই দিন পর পরিবারের পক্ষ থেকে আত্রাই থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়। পরে বাড়ির পাশে ইটের টুকরায় রক্তের দাগ পাওয়া গেলে পুলিশকে জানানো হয়। ডিএনএ পরীক্ষায় সেটি সুমনের রক্ত বলে শনাক্ত হয়।

পরবর্তীতে সুমনের স্ত্রী বাদী হয়ে গত ১৫ নভেম্বর আত্রাই থানায় হত্যা মামলা করেন। মামলার অগ্রগতি না হওয়ায় সম্প্রতি পরিবারের সদস্যরা পুলিশ সুপারের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে নতুন তথ্য দেন। এরপর তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় একজন সন্দেহভাজনকে শনাক্ত করে পুলিশ।

জিজ্ঞাসাবাদের একপর্যায়ে ওই ব্যক্তি হত্যার কথা স্বীকার করেন। তিনি জানান, সুমন তার স্ত্রীকে কুপ্রস্তাব দেন এবং হাত ধরে টানাটানি করায় ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন। পরে ২০২৪ সালের ২২ জুন রাতে ছোট ভাইয়ের সহযোগিতায় সুমনকে ডেকে নিয়ে গ্রামের নির্জন রাস্তায় ইট দিয়ে মাথায় আঘাত করে হত্যা করেন। এরপর মরদেহ পাশের একটি শুকনো ডোবায় মাটিচাপা দেন। তার সহযোগী ছোট ভাই কয়েক মাস আগে আত্মহত্যা করেন।

পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, হত্যার পর সুমনের মোবাইল ফোন নিজের কাছে রেখে বন্ধ করে দেন আসামি। পরে সেটি চালু করে ব্যবহার শুরু করলে প্রযুক্তির মাধ্যমে পুলিশ তাকে শনাক্ত করে।

আত্রাই থানার ওসি আব্দুল করিম জানান, গ্রেপ্তার আসামির দেখানো মতে রমজানের পুকুরের ডোবার পানি সেচে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে কঙ্কাল উদ্ধার করা হয়। উদ্ধারকৃত হাড়গোড় ময়নাতদন্ত ও ফরেনসিক পরীক্ষার জন্য ঢাকায় পাঠানো হবে।

Tag :
About Author Information

জনপ্রিয় পোস্ট

নিহত ৫ প্রবাসীর পরিবারের পাশে সরকার,চেক তুলে দিলেন মন্ত্রী আরিফুল ইসলাম

নওগাঁয় নিখোঁজের ১৯ মাস পর সুমন হোসেনের কঙ্কাল উদ্ধারনওগাঁয় নিখোঁজের ১৯ মাস পর সুমন হোসেনের কঙ্কাল উদ্ধার

Update Time : ১১:৪১:২৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬

নওগাঁর আত্রাই উপজেলায় নিখোঁজের প্রায় ১৯ মাস পর সুমন হোসেন (৩৯) নামে এক ব্যক্তির কঙ্কাল উদ্ধার করেছে পুলিশ। শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি) বিকেলে উপজেলার কয়শা গ্রামের একটি ডোবার পানি সেচে ও মাটি খুঁড়ে এই কঙ্কাল উদ্ধার করা হয়।

নওগাঁর পুলিশ সুপার মোহাম্মদ তারিকুল ইসলাম জানান, ২০২৪ সালের ২০ জুন রাত আনুমানিক সাড়ে ১১টার দিকে কয়শা গ্রামের শাহাদত হোসেনের ছেলে সুমন বাড়ি থেকে বের হয়ে আর ফেরেননি। দুই দিন পর পরিবারের পক্ষ থেকে আত্রাই থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়। পরে বাড়ির পাশে ইটের টুকরায় রক্তের দাগ পাওয়া গেলে পুলিশকে জানানো হয়। ডিএনএ পরীক্ষায় সেটি সুমনের রক্ত বলে শনাক্ত হয়।

পরবর্তীতে সুমনের স্ত্রী বাদী হয়ে গত ১৫ নভেম্বর আত্রাই থানায় হত্যা মামলা করেন। মামলার অগ্রগতি না হওয়ায় সম্প্রতি পরিবারের সদস্যরা পুলিশ সুপারের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে নতুন তথ্য দেন। এরপর তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় একজন সন্দেহভাজনকে শনাক্ত করে পুলিশ।

জিজ্ঞাসাবাদের একপর্যায়ে ওই ব্যক্তি হত্যার কথা স্বীকার করেন। তিনি জানান, সুমন তার স্ত্রীকে কুপ্রস্তাব দেন এবং হাত ধরে টানাটানি করায় ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন। পরে ২০২৪ সালের ২২ জুন রাতে ছোট ভাইয়ের সহযোগিতায় সুমনকে ডেকে নিয়ে গ্রামের নির্জন রাস্তায় ইট দিয়ে মাথায় আঘাত করে হত্যা করেন। এরপর মরদেহ পাশের একটি শুকনো ডোবায় মাটিচাপা দেন। তার সহযোগী ছোট ভাই কয়েক মাস আগে আত্মহত্যা করেন।

পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, হত্যার পর সুমনের মোবাইল ফোন নিজের কাছে রেখে বন্ধ করে দেন আসামি। পরে সেটি চালু করে ব্যবহার শুরু করলে প্রযুক্তির মাধ্যমে পুলিশ তাকে শনাক্ত করে।

আত্রাই থানার ওসি আব্দুল করিম জানান, গ্রেপ্তার আসামির দেখানো মতে রমজানের পুকুরের ডোবার পানি সেচে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে কঙ্কাল উদ্ধার করা হয়। উদ্ধারকৃত হাড়গোড় ময়নাতদন্ত ও ফরেনসিক পরীক্ষার জন্য ঢাকায় পাঠানো হবে।নওগাঁর আত্রাই উপজেলায় নিখোঁজের প্রায় ১৯ মাস পর সুমন হোসেন (৩৯) নামে এক ব্যক্তির কঙ্কাল উদ্ধার করেছে পুলিশ। শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি) বিকেলে উপজেলার কয়শা গ্রামের একটি ডোবার পানি সেচে ও মাটি খুঁড়ে এই কঙ্কাল উদ্ধার করা হয়।

আরও পড়ুনঃ  মতবিনিময়ে এহছানুল হক মিলন শিক্ষার প্রতি প্রতিজ্ঞাবদ্ধ হতে হবে শিক্ষকদের

নওগাঁর পুলিশ সুপার মোহাম্মদ তারিকুল ইসলাম জানান, ২০২৪ সালের ২০ জুন রাত আনুমানিক সাড়ে ১১টার দিকে কয়শা গ্রামের শাহাদত হোসেনের ছেলে সুমন বাড়ি থেকে বের হয়ে আর ফেরেননি। দুই দিন পর পরিবারের পক্ষ থেকে আত্রাই থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়। পরে বাড়ির পাশে ইটের টুকরায় রক্তের দাগ পাওয়া গেলে পুলিশকে জানানো হয়। ডিএনএ পরীক্ষায় সেটি সুমনের রক্ত বলে শনাক্ত হয়।

পরবর্তীতে সুমনের স্ত্রী বাদী হয়ে গত ১৫ নভেম্বর আত্রাই থানায় হত্যা মামলা করেন। মামলার অগ্রগতি না হওয়ায় সম্প্রতি পরিবারের সদস্যরা পুলিশ সুপারের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে নতুন তথ্য দেন। এরপর তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় একজন সন্দেহভাজনকে শনাক্ত করে পুলিশ।

জিজ্ঞাসাবাদের একপর্যায়ে ওই ব্যক্তি হত্যার কথা স্বীকার করেন। তিনি জানান, সুমন তার স্ত্রীকে কুপ্রস্তাব দেন এবং হাত ধরে টানাটানি করায় ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন। পরে ২০২৪ সালের ২২ জুন রাতে ছোট ভাইয়ের সহযোগিতায় সুমনকে ডেকে নিয়ে গ্রামের নির্জন রাস্তায় ইট দিয়ে মাথায় আঘাত করে হত্যা করেন। এরপর মরদেহ পাশের একটি শুকনো ডোবায় মাটিচাপা দেন। তার সহযোগী ছোট ভাই কয়েক মাস আগে আত্মহত্যা করেন।

পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, হত্যার পর সুমনের মোবাইল ফোন নিজের কাছে রেখে বন্ধ করে দেন আসামি। পরে সেটি চালু করে ব্যবহার শুরু করলে প্রযুক্তির মাধ্যমে পুলিশ তাকে শনাক্ত করে।

আত্রাই থানার ওসি আব্দুল করিম জানান, গ্রেপ্তার আসামির দেখানো মতে রমজানের পুকুরের ডোবার পানি সেচে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে কঙ্কাল উদ্ধার করা হয়। উদ্ধারকৃত হাড়গোড় ময়নাতদন্ত ও ফরেনসিক পরীক্ষার জন্য ঢাকায় পাঠানো হবে।নওগাঁর আত্রাই উপজেলায় নিখোঁজের প্রায় ১৯ মাস পর সুমন হোসেন (৩৯) নামে এক ব্যক্তির কঙ্কাল উদ্ধার করেছে পুলিশ। শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি) বিকেলে উপজেলার কয়শা গ্রামের একটি ডোবার পানি সেচে ও মাটি খুঁড়ে এই কঙ্কাল উদ্ধার করা হয়।

আরও পড়ুনঃ  শোক সমাবেশ চলতেই থাকবে গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা ব্যর্থ হলে : তারেক রহমান

নওগাঁর পুলিশ সুপার মোহাম্মদ তারিকুল ইসলাম জানান, ২০২৪ সালের ২০ জুন রাত আনুমানিক সাড়ে ১১টার দিকে কয়শা গ্রামের শাহাদত হোসেনের ছেলে সুমন বাড়ি থেকে বের হয়ে আর ফেরেননি। দুই দিন পর পরিবারের পক্ষ থেকে আত্রাই থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়। পরে বাড়ির পাশে ইটের টুকরায় রক্তের দাগ পাওয়া গেলে পুলিশকে জানানো হয়। ডিএনএ পরীক্ষায় সেটি সুমনের রক্ত বলে শনাক্ত হয়।

পরবর্তীতে সুমনের স্ত্রী বাদী হয়ে গত ১৫ নভেম্বর আত্রাই থানায় হত্যা মামলা করেন। মামলার অগ্রগতি না হওয়ায় সম্প্রতি পরিবারের সদস্যরা পুলিশ সুপারের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে নতুন তথ্য দেন। এরপর তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় একজন সন্দেহভাজনকে শনাক্ত করে পুলিশ।

জিজ্ঞাসাবাদের একপর্যায়ে ওই ব্যক্তি হত্যার কথা স্বীকার করেন। তিনি জানান, সুমন তার স্ত্রীকে কুপ্রস্তাব দেন এবং হাত ধরে টানাটানি করায় ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন। পরে ২০২৪ সালের ২২ জুন রাতে ছোট ভাইয়ের সহযোগিতায় সুমনকে ডেকে নিয়ে গ্রামের নির্জন রাস্তায় ইট দিয়ে মাথায় আঘাত করে হত্যা করেন। এরপর মরদেহ পাশের একটি শুকনো ডোবায় মাটিচাপা দেন। তার সহযোগী ছোট ভাই কয়েক মাস আগে আত্মহত্যা করেন।

পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, হত্যার পর সুমনের মোবাইল ফোন নিজের কাছে রেখে বন্ধ করে দেন আসামি। পরে সেটি চালু করে ব্যবহার শুরু করলে প্রযুক্তির মাধ্যমে পুলিশ তাকে শনাক্ত করে।

আত্রাই থানার ওসি আব্দুল করিম জানান, গ্রেপ্তার আসামির দেখানো মতে রমজানের পুকুরের ডোবার পানি সেচে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে কঙ্কাল উদ্ধার করা হয়। উদ্ধারকৃত হাড়গোড় ময়নাতদন্ত ও ফরেনসিক পরীক্ষার জন্য ঢাকায় পাঠানো হবে।নওগাঁর আত্রাই উপজেলায় নিখোঁজের প্রায় ১৯ মাস পর সুমন হোসেন (৩৯) নামে এক ব্যক্তির কঙ্কাল উদ্ধার করেছে পুলিশ। শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি) বিকেলে উপজেলার কয়শা গ্রামের একটি ডোবার পানি সেচে ও মাটি খুঁড়ে এই কঙ্কাল উদ্ধার করা হয়।

আরও পড়ুনঃ  পিএসএল ফাইনাল খেলতে পাকিস্তান যাচ্ছেন নাহিদ রানা

নওগাঁর পুলিশ সুপার মোহাম্মদ তারিকুল ইসলাম জানান, ২০২৪ সালের ২০ জুন রাত আনুমানিক সাড়ে ১১টার দিকে কয়শা গ্রামের শাহাদত হোসেনের ছেলে সুমন বাড়ি থেকে বের হয়ে আর ফেরেননি। দুই দিন পর পরিবারের পক্ষ থেকে আত্রাই থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়। পরে বাড়ির পাশে ইটের টুকরায় রক্তের দাগ পাওয়া গেলে পুলিশকে জানানো হয়। ডিএনএ পরীক্ষায় সেটি সুমনের রক্ত বলে শনাক্ত হয়।

পরবর্তীতে সুমনের স্ত্রী বাদী হয়ে গত ১৫ নভেম্বর আত্রাই থানায় হত্যা মামলা করেন। মামলার অগ্রগতি না হওয়ায় সম্প্রতি পরিবারের সদস্যরা পুলিশ সুপারের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে নতুন তথ্য দেন। এরপর তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় একজন সন্দেহভাজনকে শনাক্ত করে পুলিশ।

জিজ্ঞাসাবাদের একপর্যায়ে ওই ব্যক্তি হত্যার কথা স্বীকার করেন। তিনি জানান, সুমন তার স্ত্রীকে কুপ্রস্তাব দেন এবং হাত ধরে টানাটানি করায় ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন। পরে ২০২৪ সালের ২২ জুন রাতে ছোট ভাইয়ের সহযোগিতায় সুমনকে ডেকে নিয়ে গ্রামের নির্জন রাস্তায় ইট দিয়ে মাথায় আঘাত করে হত্যা করেন। এরপর মরদেহ পাশের একটি শুকনো ডোবায় মাটিচাপা দেন। তার সহযোগী ছোট ভাই কয়েক মাস আগে আত্মহত্যা করেন।

পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, হত্যার পর সুমনের মোবাইল ফোন নিজের কাছে রেখে বন্ধ করে দেন আসামি। পরে সেটি চালু করে ব্যবহার শুরু করলে প্রযুক্তির মাধ্যমে পুলিশ তাকে শনাক্ত করে।

আত্রাই থানার ওসি আব্দুল করিম জানান, গ্রেপ্তার আসামির দেখানো মতে রমজানের পুকুরের ডোবার পানি সেচে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে কঙ্কাল উদ্ধার করা হয়। উদ্ধারকৃত হাড়গোড় ময়নাতদন্ত ও ফরেনসিক পরীক্ষার জন্য ঢাকায় পাঠানো হবে।