আজ সন্ধ্যা ৬টায় পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফের সঙ্গে একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে বসবেন পিসিবি চেয়ারম্যান মহসিন নকভি। ক্রিকেটার বাবর-আজম ও শাহিন আফ্রিদির বিশ্বকাপের ভাগ্য মূলত সরকারের সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভর করছে। এর আগে ‘অনিবার্য পরিস্থিতি’ দেখিয়ে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড বিশ্বকাপের জার্সি উন্মোচন স্থগিত করেছিল। তবে সোমবারের জন্য অপেক্ষা না করে আজই চূড়ান্ত ঘোষণা আসার সম্ভাবনা রয়েছে।
পিসিবির কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে বলা হচ্ছে, যদি পাকিস্তান বিশ্বকাপে অংশ না নেয়, তাহলে খেলোয়াড়দের বসিয়ে রাখা হবে না। এমন পরিস্থিতিতে লাহোরে চারটি ভিন্ন দলের মধ্যে একটি ঘরোয়া টি-টোয়েন্টি টুর্নামেন্ট আয়োজন করা হবে। জাতীয় দলের খেলোয়াড়, শাহিন্স এবং অনূর্ধ্ব-১৯ দলের ক্রিকেটারদের সমন্বয়ে চারটি দল গঠিত হবে এবং মাঠে খেলা শুরু হবে। মাত্র পাঁচ দিনের মধ্যেই ভারত ও শ্রীলঙ্কায় টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সূচনা। কিন্তু পাকিস্তানের অংশগ্রহণ এখনও অনিশ্চিত। জিও নিউজের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিশ্বকাপ বর্জন করলেও পাকিস্তান খালি বসে থাকবে না; বাংলাদেশের মতোই তারা বিকল্প পরিকল্পনা হাতে রেখেছে।
এদিকে, বাংলাদেশের ক্রিকেট বোর্ডও একই ধরণের ব্যবস্থা নিয়েছে। বিশ্বকাপ থেকে বাদ পড়ার পর তারা আগামী ৫ ফেব্রুয়ারি তিন দলের অংশগ্রহণে একটি ঘরোয়া টি-টোয়েন্টি লিগ আয়োজনের ঘোষণা দিয়েছে।
এই সমগ্র ঘটনার শুরুটা হয়েছিল আইপিএলকে কেন্দ্র করে, যেখানে বাংলাদেশি পেসার মুস্তাফিজুর রহমানকে কলকাতা নাইট রাইডার্স একাদশ থেকে বাদ দেয় ভারতীয় উগ্র হিন্দুত্ববাদী গ্রুপের চাপের কারণে। এরপর নিরাপত্তার কারণ দেখিয়ে বাংলাদেশ দল তাদের বিশ্বকাপ ম্যাচ শ্রীলঙ্কায় সরানোর অনুরোধ করেছিল। কিন্তু আইসিসি সেটি প্রত্যাখ্যান করে বাংলাদেশের পরিবর্তে স্কটল্যান্ডকে অন্তর্ভুক্ত করে। বাংলাদেশের প্রতি সংহতি দেখাতে পাকিস্তানও বিশ্বকাপ বয়কটের হুমকি দেয়।