ডিআইইউর ১৩তম সমাবর্তনে ডিগ্রি পেলেন ৪০২০ শিক্ষার্থী

সাভারে ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির ১৩তম সমাবর্তন অনুষ্ঠিত হয়েছে। অনুষ্ঠানে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর পর্যায়ের চার হাজার ২০ শিক্ষার্থীকে ডিগ্রি দেওয়া হয়। গতকাল বুধবার সাভারের খাগান এলাকায় অবস্থিত ড্যাফোডিল স্মার্ট সিটিতে আয়োজিত সমাবর্তনে কৃতিত্বপূর্ণ ফল অর্জনকারী পাঁচ স্নাতককে চ্যান্সেলর্স গোল্ড মেডেল, চার স্নাতককে চেয়ারম্যান গোল্ড মেডেল এবং তিন স্নাতককে ভাইস চ্যান্সেলর্স গোল্ড মেডেল দেওয়া হয়েছে।

অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি ও বিশ্ববিদ্যালয় চ্যান্সেলরের প্রতিনিধি হিসেবে সভাপতিত্ব ও সনদ প্রদান করেন বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. এস এম এ ফায়েজ। সমাবর্তন বক্তা ছিলেন বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা এবং ব্র্যাকের চেয়ারম্যান ড. হোসেন জিল্লুর রহমান।

অধ্যাপক ফায়েজ বলেন, শিক্ষার্থীরা আজ এমন এক পৃথিবীতে পা রাখছে, যা রোমাঞ্চকর, দ্রুত পরিবর্তনশীল এবং উদ্ভাবনী সম্ভাবনায় ভরপুর। শিক্ষা ও নতুন প্রযুক্তির সমন্বয়ে ড্যাফোডিল ইউনিভার্সিটি যে অনন্য উচ্চতা স্পর্শ করেছে, তা জাতীয় অগ্রগতির জন্য অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ।

হোসেন জিল্লুর রহমান বলেন, বাংলাদেশ এখন একটা গুরুত্বপূর্ণ সময় অতিক্রম করছে। আগে আমরা সীমিত সম্পদ নিয়ে কীভাবে টিকে থাকা যায় আর সামনে এগিয়ে যাওয়া যায়, সেই কথাই বলতাম। আজ আমাদের অর্থনীতি মজবুত হয়েছে; কিন্তু শুধু বেশি পরিমাণে পণ্য তৈরি করলেই চলবে না, গুণগত মান বাড়ানো এখন সবচেয়ে জরুরি।
ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান ড. সবুর খান বলেন, আজকের দিনটি শুধু একটি সনদ গ্রহণের দিন নয়। এটি জীবনের দায়িত্ব নিজের কাঁধে তুলে নেওয়ার দিন। আজ থেকে গ্র্যাজুয়েটরা আর শুধু শিক্ষার্থী নয়, তারা সমাজের অংশীদার এবং দেশের ভবিষ্যৎ নির্মাতা।

ভাইস চ্যান্সেলর অধ্যাপক ড. এম আর কবির বলেন, আজ থেকে তোমরা শুধু স্নাতক নও, ড্যাফোডিলের প্রতিনিধি। আজকের পর থেকে শুধু নিজের পরিবার ও সমাজে নয়, বরং দেশের পাশাপাশি বিশ্বময় ইতিবাচক পরিবর্তন নিয়ে এগিয়ে যাও।