[abctv24_breadcrumbs]
ভারতের ঝাড়খন্ডে এয়ার অ্যাম্বুলেন্স বিধ্বস্ত হয়ে নিহত ৭

ভারতের ঝাড়খন্ডের চাতরা জেলার সিমারিয়ার কাছে গতকাল সোমবার সন্ধ্যায় একটি এয়ার অ্যাম্বুলেন্স বিধ্বস্ত হয়ে সাত আরোহীর সবাই নিহত হয়েছেন।

রাজ্য সরকারের একজন শীর্ষ কর্মকর্তা জানান, উড়োজাহাজটি রাঁচি থেকে দিল্লি যাওয়ার পথে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

চাতরা জেলার উপকমিশনার কীর্তিশ্রী জি সংবাদ সংস্থা পিটিআইকে বলেছেন, ‘এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে থাকা সাতজনই দুর্ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছেন। উড়োজাহাজটি রাঁচি থেকে দিল্লি যাচ্ছিল।’

বেসরকারি উড়োজাহাজ পরিবহন সংস্থা রেডবার্ড এয়ারওয়েজ পরিচালিত উড়োজাহাজটি সন্ধ্যা ৭টা ১১ মিনিটে রাঁচি বিমানবন্দর থেকে উড্ডয়ন করে।

উপকমিশনার কীর্তিশ্রী জির তথ্য অনুযায়ী, সন্ধ্যা ৭টা ৩০ মিনিটের দিকে উড়োজাহাজটি নিখোঁজ হয় এবং পরে সিমারিয়ার ঘন জঙ্গলঘেরা বারিয়াতু পঞ্চায়েত এলাকায় বিধ্বস্ত হয়।ফলো করুন
রাঁচি বিমানবন্দর থেকে গতকাল সন্ধ্যায় উড্ডয়ন করার পর বিধ্বস্ত হয় রেডবার্ড এয়ারওয়েজের উড়োজাহাজটি
রাঁচি বিমানবন্দর থেকে গতকাল সন্ধ্যায় উড্ডয়ন করার পর বিধ্বস্ত হয় রেডবার্ড এয়ারওয়েজের উড়োজাহাজটিছবি: এএনআইয়ের এক্স অ্যাকাউন্ট থেকে নেওয়া
ভারতের ঝাড়খন্ডের চাতরা জেলার সিমারিয়ার কাছে গতকাল সোমবার সন্ধ্যায় একটি এয়ার অ্যাম্বুলেন্স বিধ্বস্ত হয়ে সাত আরোহীর সবাই নিহত হয়েছেন।

রাজ্য সরকারের একজন শীর্ষ কর্মকর্তা জানান, উড়োজাহাজটি রাঁচি থেকে দিল্লি যাওয়ার পথে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

চাতরা জেলার উপকমিশনার কীর্তিশ্রী জি সংবাদ সংস্থা পিটিআইকে বলেছেন, ‘এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে থাকা সাতজনই দুর্ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছেন। উড়োজাহাজটি রাঁচি থেকে দিল্লি যাচ্ছিল।’

বেসরকারি উড়োজাহাজ পরিবহন সংস্থা রেডবার্ড এয়ারওয়েজ পরিচালিত উড়োজাহাজটি সন্ধ্যা ৭টা ১১ মিনিটে রাঁচি বিমানবন্দর থেকে উড্ডয়ন করে।

উপকমিশনার কীর্তিশ্রী জির তথ্য অনুযায়ী, সন্ধ্যা ৭টা ৩০ মিনিটের দিকে উড়োজাহাজটি নিখোঁজ হয় এবং পরে সিমারিয়ার ঘন জঙ্গলঘেরা বারিয়াতু পঞ্চায়েত এলাকায় বিধ্বস্ত হয়।

নিহত আরোহীদের পরিচয়

উপবিভাগীয় পুলিশ কর্মকর্তা (এসডিপিও) শুভম খন্ডেলওয়াল পিটিআইকে নিশ্চিত করেছেন, সাতজনের মরদেহই উদ্ধার করা হয়েছে।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, দুর্ঘটনার সময় ওই এলাকায় প্রচণ্ড বাতাস, ভারী বৃষ্টি ও বজ্রপাত হচ্ছিল। ঝড়ের মধ্যে বিকট শব্দে উড়োজাহাজটি আছড়ে পড়ে।
নিহত ব্যক্তিরা হলেন ক্যাপ্টেন বিবেক বিকাশ ভগত, ক্যাপ্টেন সরাজদীপ সিং, সঞ্জয় কুমার, বিকাশ কুমার গুপ্ত, শচীন কুমার মিশ্র, অর্চনা দেবী ও ধুরু কুমার।

উন্নত চিকিৎসার জন্য নেওয়া হচ্ছিল রোগীকে

রাঁচির দেবকমল হাসপাতালের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা অনন্ত সিনহা জানান, লাতেহার জেলার বাসিন্দা সঞ্জয় কুমারের (৪১) জন্য ওই এয়ার অ্যাম্বুলেন্সের ব্যবস্থা করা হয়েছিল। এর আগে ১৬ ফেব্রুয়ারি শরীরের ৬৫ শতাংশ দগ্ধ অবস্থায় এ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল তাঁকে।