নর্থ ইস্ট ইউনিভার্সিটিতে পহেলা বৈশাখ উদযাপিত

নর্থ ইস্ট ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশ (এনইইউবি) এ আনন্দঘন ও উৎসবমুখর পরিবেশে পহেলা বৈশাখ উদযাপিত হয়েছে। মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল ২০২৬ খ্রি.) বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩ উদযাপন উপলক্ষে শুভেচ্ছা বিনিময়, আলোচনা সভা ও বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা অনুষ্ঠিত হয়এনইইউবি ক্যাম্পাস প্রাঙ্গনে আয়োজিত আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. ইঞ্জিনিয়ার মোহাম্মদ ইকবাল। অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন ও বক্তব্য রাখেন, স্কুল অব সায়েন্সের ডিন ও পাবলিক হেলথের বিভাগীয় প্রধান, প্রফেসর ডা. রঞ্জিত কুমার দে, স্কুল অব হিউম্যানিটিজ অ্যান্ড সোশ্যাল সায়েন্সেস এর ডিন ও ইংরেজি বিভাগের বিভাগীয় প্রধান মুহাম্মদ শামসুল কবির, এনইইউবি বোর্ড অব ট্রাস্টিজের সেক্রেটারি ও পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক মো. লিয়াকত আলী শাহ ফরিদী, পরিচালক (অর্থ) অশোক রঞ্জন চৌধুরী, আইন ও বিচার বিভাগের বিভাগীয় প্রধান ড. মো. জাকির হোসেন প্রমুখ।এছাড়াও বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষকবৃন্দ, অফিস প্রধানবৃন্দ, কর্মকর্তা ও কর্মচারীবৃন্দ অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেন। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার নূর জাহান কাকলী । এ উপলক্ষে বিশ্ববিদ্যালয় পরিবারের সদস্যরা একে অপরের সঙ্গে বাংলা নববর্ষের শুভেচ্ছা বিনিময় করেন এবং বাঙালির ঐতিহ্য, সংস্কৃতি ও সম্প্রীতির চেতনায় নতুন বছরকে বরণ করে নেন। অনুষ্ঠানে পহেলা বৈশাখের ঐতিহ্য ও তাৎপর্য নিয়ে একটি প্রাণবন্ত আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। আলোচনায় বাংলা নববর্ষের ইতিহাস, গ্রামবাংলার সংস্কৃতি, লোকজ ঐতিহ্য, উৎসবমুখর জীবনধারা এবং আমাদের সমৃদ্ধ সাংস্কৃতিক উত্তরাধিকার নিয়ে গুরুত্বারোপ করা হয়। উপাচার্য প্রফেসর ড. ইঞ্জিনিয়ার মোহাম্মদ ইকবাল তাঁর বক্তব্যে বলেন, পহেলা বৈশাখ বাঙালির প্রাণের উৎসব। তিনি গ্রামবাংলার সংস্কৃতি, কৃষ্টি ও ঐতিহ্যের সঙ্গে নতুন প্রজন্মকে পরিচিত করে তোলার ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন। তিনি আরও বলেন, এ ধরনের ঐতিহ্যবাহী আয়োজন নিয়মিতভাবে উদযাপন করা প্রয়োজন, যাতে আগামী প্রজন্ম আমাদের সংস্কৃতি, কৃষ্টি ও ঐতিহ্য সম্পর্কে যথাযথভাবে জানতে পারে এবং ভবিষ্যতে তা গর্বের সঙ্গে ধারণ ও বহন করতে সক্ষম হয়।

কবে দেশে ফিরছেন সাকিব?

দীর্ঘদিন ধরেই দেশের বাইরে আছেন বাংলাদেশ জাতীয় দলের সাবেক অধিনায়ক সাকিব আল হাসান। এ মুহূর্তে তার মূল লক্ষ্য যত দ্রুত সম্ভব দেশে ফিরে আইনি জটিলতার সমাধান করা। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে ভবিষ্যতে আবার রাজনীতিতে সক্রিয় হওয়ার ইচ্ছা রয়েছে বলেও জানান তিনি।সম্প্রতি একটি ইংরেজি দৈনিকে সাক্ষাৎকার দিয়েছেন নির্বাসনে থাকা এই অল-রাউন্ডার। ক্রিকেট, রাজনীতি ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে খোলামেলা কথা বলেন তিনি।দেশে ফেরার সম্ভাবনা কতটুকু এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘আমি আশাবাদী। আমি সবসময়ই আশাবাদী মানুষ। আইনি প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। যদি দ্রুত সবকিছু সমাধান করতে পারি, নাহলে সময় লাগতে পারে। তবে আমি সর্বোচ্চ চেষ্টা করছি দ্রুত বিষয়গুলো মিটিয়ে ফেলতে।যত দ্রুত এগুলো সমাধান হবে, তত দ্রুত আমি ফিরতে পারব।’ তিনি আরও বলেন, ‘স্বাভাবিকভাবেই, কেউ যদি নিজের দেশে যেতে না পারে, তাহলে সে দেশকে মিস করবেই। আমিও ব্যতিক্রম নই, আমি দেশকে ভীষণ মিস করি। আশা করি শিগগিরই ফিরতে পারব, আর তখন অবশ্যই খুব ভালো লাগবে।কবে দেশে ফিরছেন সাকিব? X সাকিব আল হাসান। ছবি: সংগৃহীত দীর্ঘদিন ধরেই দেশের বাইরে আছেন বাংলাদেশ জাতীয় দলের সাবেক অধিনায়ক সাকিব আল হাসান। এ মুহূর্তে তার মূল লক্ষ্য যত দ্রুত সম্ভব দেশে ফিরে আইনি জটিলতার সমাধান করা। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে ভবিষ্যতে আবার রাজনীতিতে সক্রিয় হওয়ার ইচ্ছা রয়েছে বলেও জানান তিনি। সাক্ষাৎকার দিয়েছেন নির্বাসনে থাকা এই অল-রাউন্ডার। ক্রিকেট, রাজনীতি ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে খোলামেলা কথা বলেন তিনি। দেশে ফেরার সম্ভাবনা কতটুকু এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘আমি আশাবাদী। আমি সবসময়ই আশাবাদী মানুষ। আইনি প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। যদি দ্রুত সবকিছু সমাধান করতে পারি, নাহলে সময় লাগতে পারে। তবে আমি সর্বোচ্চ চেষ্টা করছি দ্রুত বিষয়গুলো মিটিয়ে ফেলতে। যত দ্রুত এগুলো সমাধান হবে, তত দ্রুত আমি ফিরতে পারব।’ তিনি আরও বলেন, ‘স্বাভাবিকভাবেই, কেউ যদি নিজের দেশে যেতে না পারে, তাহলে সে দেশকে মিস করবেই। আমিও ব্যতিক্রম নই, আমি দেশকে ভীষণ মিস করি। আশা করি শিগগিরই ফিরতে পারব, আর তখন অবশ্যই খুব ভালো লাগবে।’ ক্রিকেট নিয়ে তার ভাবনা জানাতে গিয়ে বলেন, ‘ভবিষ্যতে রাজনীতি করার সুযোগ সবসময়ই থাকবে। তবে একজন ক্রিকেটার হিসেবে সময় সীমিত, তাই এখন পুরো মনোযোগ খেলাতেই রাখতে চাই। বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) সঙ্গে যোগাযোগ নিয়ে তিনি বলেন, মাঝে মাঝে আলোচনা হলেও বেশিরভাগ বিষয় তাকে নিজ উদ্যোগেই সামলাতে হচ্ছে। তার ধারণা, বোর্ড সরাসরি আইনি প্রক্রিয়ায় যুক্ত হলে সমাধান আরও দ্রুত হতে পারত। উল্লেখ্য, চব্বিশের গণঅভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ সরকারের সংসদ সদস্য ছিলেন সাকিব আল হাসান। জুলাইয়ে রাজপথ উত্তাল হওয়ার আগেই দেশ ছেড়েছিলেন সাকিব। এরপর প্রায় দুই বছরে আর দেশে ফেরার সুযোগ হয়নি তার। বর্তমানে নিজের পরিবার নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থান করছেন তিনি।

ড. ইউনূসের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা চেয়ে আইনি নোটিশ

অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা আরোপের দাবি জানিয়ে সরকারের সংশ্লিষ্টদের প্রতি লিগ্যাল নোটিশ পাঠানো হয়েছে। সোমবার (৬ এপ্রিল) সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী এম আশরাফুল ইসলাম এ নোটিশ পাঠান। জানা যায়, হামের টিকাকে রাষ্ট্রীয় ব্যবস্থাপনা থেকে বেসরকারি খাতে স্থানান্তরিত করার অভিযোগে এই নোটিশ পাঠানো হয়েছে। নোটিশে ড. ইউনূসসহ অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা পরিষদের সকল সদস্যের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা আরোপের আবেদন করা হয়েছে। আইনি নোটিশের বিষয়টি আইনজীবী এম আশরাফুল ইসলাম সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুক পোস্টে জানান। তিনি উল্লেখ করেন, হামের মতো গুরুত্বপূর্ণ টিকাকরণের ব্যবস্থাকে রাষ্ট্রীয় ব্যবস্থা থেকে বেসরকারি খাতে স্থানান্তরিত করার মতো অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার কারণে ড. ইউনূসসহ সব উপদেষ্টার দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা চেয়ে লিগ্যাল নোটিশ পাঠিয়েছি।

৪৫ দিনের যুদ্ধবিরতির শর্ত নিয়ে আলোচনা

যুক্তরাষ্ট্র, ইরান ও আঞ্চলিক কয়েকটি মধ্যস্থতাকারী দেশ সম্ভাব্য ৪৫ দিনের একটি যুদ্ধবিরতির শর্তাবলি নিয়ে আলোচনা করছে। এই আলোচনা শেষ পর্যন্ত মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধের স্থায়ী অবসানের পথ তৈরি করতে পারে। গতকাল রোববার এমনটাই জানিয়েছে মার্কিন অনলাইন সংবাদমাধ্যম অ্যাক্সিওস। যুদ্ধবিরতির শর্তা নিয়ে আলোচনার বিষয়ে জানাশোনা আছে—যুক্তরাষ্ট্র, ইসরায়েল ও আঞ্চলিক চারটি সূত্রের বরাত দিয়ে অ্যাক্সিওস এই খবর দিয়েছে।যুক্তরাষ্ট্র, ইরান ও আঞ্চলিক কয়েকটি মধ্যস্থতাকারী দেশ সম্ভাব্য ৪৫ দিনের একটি যুদ্ধবিরতির শর্তাবলি নিয়ে আলোচনা করছে। এই আলোচনা শেষ পর্যন্ত মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধের স্থায়ী অবসানের পথ তৈরি করতে পারে। গতকাল রোববার এমনটাই জানিয়েছে মার্কিন অনলাইন সংবাদমাধ্যম অ্যাক্সিওস। যুদ্ধবিরতির শর্তা নিয়ে আলোচনার বিষয়ে জানাশোনা আছে—যুক্তরাষ্ট্র, ইসরায়েল ও আঞ্চলিক চারটি সূত্রের বরাত দিয়ে অ্যাক্সিওস এই খবর দিয়েছে।

সিলেটে গ্রাম বাংলার ঐতিহ্যবাহী বৈশাখী মেলা, মানুষের ঢল!

আজ পহেলা বৈশাখ—বাংলা নববর্ষের প্রথম দিন। সিলেটের এই দৃশ্য যেন সেই উৎসবের প্রাণচঞ্চলতার জীবন্ত প্রতিচ্ছবি। ছবিতে দেখা যাচ্ছে নদীর পাড়ঘেঁষা এক ব্যস্ত সড়ক, যেখানে মানুষের ঢল নেমেছে। চারদিকে লাল-সাদা পোশাকে সজ্জিত নারী-পুরুষ, শিশুদের হাসি, আর রঙিন বেলুনের সমাহার—সব মিলিয়ে এক অনন্য উৎসবমুখর পরিবেশ সৃষ্টি করেছে।সড়কের দুই পাশে সারি সারি দোকানপাট ও অস্থায়ী স্টল বসেছে। কোথাও পান্তা-ইলিশ, কোথাও চিতই পিঠা, আবার কোথাও নানা ধরনের মিষ্টান্ন ও খেলনা বিক্রি হচ্ছে। বিক্রেতাদের ডাকাডাকি আর ক্রেতাদের ভিড় মিলিয়ে এক প্রাণবন্ত বাজারের আবহ তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে শিশুদের জন্য বেলুন, বাঁশি, মুখোশ ও রঙিন খেলনার দোকানগুলো যেন আলাদা আকর্ষণ সৃষ্টি করেছে।নদীর ধারে খোলা আকাশের নিচে এই আয়োজন সিলেটবাসীর সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের পরিচয় বহন করে। মানুষজন পরিবার-পরিজন নিয়ে বেরিয়েছে এই দিনটি উপভোগ করতে। কেউ ছবি তুলছে, কেউ বন্ধুদের সঙ্গে আড্ডা দিচ্ছে, আবার কেউবা শুধু হাঁটাহাঁটি করে পরিবেশ উপভোগ করছে। সব মিলিয়ে এটি শুধুমাত্র একটি উৎসব নয়, বরং মানুষের মিলনমেলা।আজ পহেলা বৈশাখ বাংলা নববর্ষের প্রথম দিন। সিলেটের এই দৃশ্য যেন সেই উৎসবের প্রাণচঞ্চলতার জীবন্ত প্রতিচ্ছবি। ছবিতে দেখা যাচ্ছে নদীর পাড়ঘেঁষা এক ব্যস্ত সড়ক, যেখানে মানুষের ঢল নেমেছে। চারদিকে লাল-সাদা পোশাকে সজ্জিত নারী-পুরুষ, শিশুদের হাসি, আর রঙিন বেলুনের সমাহার—সব মিলিয়ে এক অনন্য উৎসবমুখর পরিবেশ সৃষ্টি করেছে।সড়কের দুই পাশে সারি সারি দোকানপাট ও অস্থায়ী স্টল বসেছে। কোথাও পান্তা-ইলিশ, কোথাও চিতই পিঠা, আবার কোথাও নানা ধরনের মিষ্টান্ন ও খেলনা বিক্রি হচ্ছে। বিক্রেতাদের ডাকাডাকি আর ক্রেতাদের ভিড় মিলিয়ে এক প্রাণবন্ত বাজারের আবহ তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে শিশুদের জন্য বেলুন, বাঁশি, মুখোশ ও রঙিন খেলনার দোকানগুলো যেন আলাদা আকর্ষণ সৃষ্টি করেছ নদীর ধারে খোলা আকাশের নিচে এই আয়োজন সিলেটবাসীর সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের পরিচয় বহন করে। মানুষজন পরিবার-পরিজন নিয়ে বেরিয়েছে এই দিনটি উপভোগ করতে। কেউ ছবি তুলছে, কেউ বন্ধুদের সঙ্গে আড্ডা দিচ্ছে, আবার কেউবা শুধু হাঁটাহাঁটি করে পরিবেশ উপভোগ করছে। সব মিলিয়ে এটি শুধুমাত্র একটি উৎসব নয়, বরং মানুষের মিলনমেলা।আজ পহেলা বৈশাখ—বাংলা নববর্ষের প্রথম দিন। সিলেটের এই দৃশ্য যেন সেই উৎসবের প্রাণচঞ্চলতার জীবন্ত প্রতিচ্ছবি। ছবিতে দেখা যাচ্ছে নদীর পাড়ঘেঁষা এক ব্যস্ত সড়ক, যেখানে মানুষের ঢল নেমেছে। চারদিকে লাল-সাদা পোশাকে সজ্জিত নারী-পুরুষ, শিশুদের হাসি, আর রঙিন বেলুনের সমাহার—সব মিলিয়ে এক অনন্য উৎসবমুখর পরিবেশ সৃষ্টি করেছে।সড়কের দুই পাশে সারি সারি দোকানপাট ও অস্থায়ী স্টল বসেছে। কোথাও পান্তা-ইলিশ, কোথাও চিতই পিঠা, আবার কোথাও নানা ধরনের মিষ্টান্ন ও খেলনা বিক্রি হচ্ছে। বিক্রেতাদের ডাকাডাকি আর ক্রেতাদের ভিড় মিলিয়ে এক প্রাণবন্ত বাজারের আবহ তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে শিশুদের জন্য বেলুন, বাঁশি, মুখোশ ও রঙিন খেলনার দোকানগুলো যেন আলাদা আকর্ষণ সৃষ্টি করেছে।নদীর ধারে খোলা আকাশের নিচে এই আয়োজন সিলেটবাসীর সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের পরিচয় বহন করে। মানুষজন পরিবার-পরিজন নিয়ে বেরিয়েছে এই দিনটি উপভোগ করতে। কেউ ছবি তুলছে, কেউ বন্ধুদের সঙ্গে আড্ডা দিচ্ছে, আবার কেউবা শুধু হাঁটাহাঁটি করে পরিবেশ উপভোগ করছে। সব মিলিয়ে এটি শুধুমাত্র একটি উৎসব নয়, বরং মানুষের মিলনমেলা।

বিস্তারিত

কুলাউড়ায় রক্ত পরীক্ষার সময় প্রাণ গেল নিউমোনিয়া আক্রান্ত শিশুর

মৌলভীবাজারের কুলাউড়ায় রক্ত পরীক্ষার জন্য নমুনা সংগ্রহের সময় নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত এক শিশুর মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। মৃত শিশুটির নাম রিহান (৩ মাস), তার বাড়ি মৌলভীবাজার জেলার কুলাউড়া উপজেলায় ভাটেরায়। জানা গেছে, কুলাউড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি নিউমোনিয়া আক্রান্ত শিশুকে গতকাল শনিবার রাত ৭টার দিকে সরকারি হাসপাতালে সম্মুখে তাজমহল ডায়াগনস্টিক সেন্টারে রক্ত পরীক্ষার জন্য নিয়ে যান অভিভাবকরা। এ সময় নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত তিন মাস বয়সী এই শিশুর রক্তের নমুনা সংগ্রহের সময় কান্নাকাটি করে কাঁপুনি উঠে নিল হয়ে যায়। পরে দ্রুত এই শিশুকে পুনরায় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স নিয়ে আসলে কর্তব্যরত চিকিৎসক শিশুটিকে মৃত ঘোষণা করেন।সরেজমিন ঘটনার খবর পেয়ে কুলাউড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক শিশুটির মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেন এই প্রতিবেদককে।  মৃত শিশুর বাবা রিপন সিদ্দিকী বলেন, তিন মাস বয়সী ছেলে রিহান গত এক সপ্তাহ থেকে জ্বর ও নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত। গত শুক্রবার সকালে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ভর্তি করান শিশুকে। ভর্তির পর থেকে ক্যানুলার মাধ্যমে ইনজেকশন ও চিকিৎসা চলছিল। ডাক্তারের পরামর্শে এক্স-রে ও সিবিসি পরীক্ষার জন্য গতকাল শনিবার সন্ধ্যায় সরকারি হাসপাতালে সম্মুখে তাজমহল ডায়াগনস্টিক সেন্টারে যাই। এক্স-রে পরীক্ষার পর সিবিসি জন্য রক্তের নমুনা সংগ্রহের সময় শিশু কান্নাকাটি করে কাঁপুনি উঠে নিল হয়ে যায়।শিশুটির বাবা জানান, ডায়াগনস্টিক সেন্টারের লোকজন শিশুর হাত থেকে রক্ত নিতে না পেরে পায়ে নিতে গেলে বাচ্চা কান্নাকাটি করে অবশ হয়ে যায়। এসময় আবার তাকে সরকারি হাসপাতালের চিকিৎসকের কাছে নিয়ে আসি। হাসপাতাল থেকে পরীক্ষার জন্য যাওয়ার সময় শিশুটি স্বাভাবিক ছিল। তাজমহল ডায়াগনস্টিক সেন্টারের লোকজনের অবহেলাজনিত কারণে আমার বাচ্চার মৃত্যু হয়েছে বলে তিনি দাবি করেন। এ বিষয়ে থানায় অভিযোগ দেওয়া হবে বলে জানান তিনি। কুলাউড়া কুলাউড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এর আরএমও ডা. জেরিন জানান, নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত শিশুকে শুক্রবার সকালে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ভর্তি করা হয়। হাসপাতালে বাইরে রোগীর স্বজনরা কিছু পরীক্ষা করাতে যান। সন্ধ্যায় অবশ অবস্থায় শিশুকে পুনরায় হাসপাতালে নিয়ে আসলে পালস না পেয়ে শিশুর মৃত্যু হয়েছে বলে নিশ্চিত হই। এ বিষয়ে কুলাউড়া তাজমহল ডায়াগনস্টিক সেন্টারের ম্যানেজারের সঙ্গে মোবাইলে কলে করেও যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি। তবে রাত ৯ পর্যন্ত রোগীর স্বজন ও বিক্ষিপ্ত জনতা তাজমহল ডায়াগনস্টিক সেন্টার অবরোধ করে রাখেন। খবর পেয়ে কুলাউড়া থানা পুলিশের একটি টিম ঘটনাস্থলে উপস্থিত রয়েছে।

র‍্যাব-৯ এর অভিযানে সুনামগঞ্জের শান্তিগঞ্জে ধর্ষণ মামলার একমাত্র আসামি ‘জয়নুল আবেদিন’ সিলেট থেকে গ্রেফতার

র‍্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‍্যাব) এলিট ফোর্স হিসেবে আত্মপ্রকাশের সূচনালগ্ন থেকেই বিভিন্ন ধরনের নৃশংস ও ঘৃণ্যতম অপরাধ বিশেষ করে মাদক উদ্ধার, হত্যা মামলা, সন্ত্রাসী, চাঁদাবাজ, জঙ্গি দমন, অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার ও ছিনতাইকারীসহ বিভিন্ন অপরাধীদের গ্রেফতারে অগ্রণী ভূমিকা পালন করে আসছে। এছাড়াও যে কোন ধরনের সহিংসতা প্রতিরোধে র‍্যাবের প্রতিটি সদস্য প্রতিজ্ঞাবদ্ধ হয়ে জনসাধারণের জন্য একটি নিরাপদ বাসযোগ্য সমাজ তথা দেশ বিনির্মাণে নিরলস ভাবে কাজ করে যাচ্ছে। ঘটনার বিবরণে জানা যায় যে, ভিকটিম সুনামগঞ্জ জেলার শান্তিগঞ্জ থানাধীন শিমুলবাঁক এলাকার বাসিন্দা। আনুমানিক ৯/১০ বছর পূর্বে ভিকটিমের সাথে তার স্বামীর বিবাহ বিচ্ছেদ হওয়ায় তিনি এক সন্তানসহ তার পিতার বাড়িতে ভাই ভাবীদের সাথে বসবাস করতেন। বিবাদী জয়নুল আবেদিনের বাড়ি ভিকটিমের পিতার বাড়ির পাশাপাশি। ঘটনার দিন গত ২৮/০৩/২০২৬ খ্রি. আনুমানিক ভোর ০৪.০০ ঘটিকার সময় প্রচন্ড ঝড় তুফান হচ্ছিল। তখন বিবাদী জয়নুল আবেদিন ভিকটিমের ঘরে ঢুকে তাকে বিভিন্ন রকম ভয় দেখিয়ে তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে। ঘটনার সময় প্রচন্ড ঝড় তুফান হওয়ায় ভিকটিম চিৎকার করলেও কেউ শুনতে পায়নি। বিবাদী উক্ত ঘটনার বিষয়ে কাউকে কিছু না বলার জন্য ভিকটিমকে বিভিন্ন ভয়ভীতি দেখিয়ে আনুমানিক সকাল ০৬.০০ ঘটিকার সময় ঘটনাস্থল থেকে চলে যায়। উক্ত ঘটনায় ভিকটিম নিজে বাদী হয়ে সুনামগঞ্জ জেলার শান্তিগঞ্জ থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। এরই প্রেক্ষিতে আসামিকে আইনের আওতায় আনতে র‍্যাব-৯ এই ঘটনার ছায়া তদন্ত শুরু করে এবং গোয়েন্দা তৎপরতা জোরদার করে। এরই ধারাবাহিকতায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র‍্যাব-৯, সিপিসি-৩, সুনামগঞ্জ এবং র‍্যাব-৯, সিপিএসসি, সিলেটের একটি যৌথ আভিযানিক দল গত ০৪ এপ্রিল ২০২৬ খ্রি. তারিখ আনুমানিক বিকাল ১৭.৪৫ ঘটিকার সময় সিলেটের কোতোয়ালী থানাধীন তালতলা এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে সুনামগঞ্জ জেলার শাস্ত্রিগঞ্জ থানার মামলা নং- ০৯, তারিখ-২৯/০৩/২০২৬ খ্রি. ধারা- নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন ২০০০ (সংশোধনী/২০২৫) এর ৯(১); এর মূলে সুনামগঞ্জের শান্তিগঞ্জে ধর্ষণ মামলার এজাহারনামীয় একমাত্র আসামিকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়। গ্রেফতারকৃত আসামি- জয়নুল আবেদিন (৩৫), পিতা- মৃত আজিজ উদ্দিন, সাং- শিমুলবাঁক, থানা- শান্তিগঞ্জ, জেলা- সুনামগঞ্জ। পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের লক্ষ্যে গ্রেফতারকৃত আসামিকে সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। এছাড়াও দেশের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে র‍্যাব-৯ এর চলমান গোয়েন্দা তৎপরতা ও অভিযান অব্যাহত রয়েছে। এরশাদুল হকজেলা প্রতিনিধি সুনামগঞ্জ

‘সময় ফুরিয়ে যাচ্ছে’, ইরানকে ট্রাম্প

চুক্তি করার জন্য ইরানকে সময়সীমার কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, সময় দ্রুত ফুরিয়ে যাচ্ছে। জবাবে ইরানের কেন্দ্রীয় সামরিক কমান্ডের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, ‘নরকের দরজা আপনাদের জন্যই খুলে যাবে।’ ইরানের সামরিক কমান্ডের এই জবাব মূলত একদিন আগে ট্রাম্পের করা একটি মন্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট হুমকি দিয়ে বলেছিলেন, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে চুক্তি না করলে ইরানের ওপর নরক নেমে আসবে (রূপক অর্থে- কঠোর হামলা)। ভূপাতিত বিমানের নিখোঁজ ক্রুকে উদ্ধারের তথ্য জানানোর পর ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া পোস্টে ট্রাম্প তাঁর আগের এই হুমকির পুনরাবৃত্তি করেছেন। লিখেছেন, একটি চুক্তিতে পৌঁছানো অথবা হরমুজ প্রণালি খুলে দিতে ইরানকে দশদিন সময় দিয়েছিলাম। সেই সময় ফুরিয়ে আসছে। আর মাত্র ৪৮ ঘণ্টা বাকি। এরপরই তাদের ওপর ‘নরক’ নেমে আসবে। যুক্তরাষ্ট্রের স্থানীয় সময় শনিবারের এই নতুন পোস্টের জবাবে ইরানের কেন্দ্রীয় সামরিক কমান্ডের জেনারেল আলী আবদুল্লাহি আলীআবাদি বলেছেন, এসব হুমকি ‘অসহায়ত্ব, স্নায়বিক, ভারসাম্যহীন এবং মূর্খতাসুলভ কাজ’। পাল্টা হুঁশিয়ারি দিয়ে আলীআবাদি বলেন, ‘আপনাদের জন্যই নরকের দুয়ার খুলে যাবে।’এদিকে রোববার কুয়েত ও ইসরায়েল জানিয়েছে, তারা ইরানের নতুন দফার হামলা প্রতিহত করছে। সংযুক্ত আরব আমিরাতও জানিয়েছে তাদের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র মোকাবিলা করছে। আর বাহরাইনের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ‘ইরানি আগ্রাসনে’ তাদের একটি তেল শোধনাগারে আগুন লেগেছে।

ঢাকায় প্রতি ঘণ্টায় একজন মানুষকে কামড়াতে আসছে প্রায় ৭০০ মশা!

রাজধানীর কাঁঠালবাগান এলাকার একটি বাসার কেয়ারটেকার মিজানুর রহমান। তার কাজ হলো বাসার গেট পাহারা দেওয়া। দিনভর গেট পাহারা দেওয়া সম্ভব হলেও সন্ধ্যার পর মশার উৎপাত তাকে সমস্যায় ফেলে। মিজানুরের দাবি, সন্ধ্যায় তাকে এত বেশি মশা ঘিরে ধরে যে, প্রতি থাপ্পড়ে অন্তত ৫টি মশা মারা যায়। অন্যদিকে, পান্থপথ এলাকার বস্তিতে বসবাসকারী কয়েকজন নারী মশার উৎপাতের কারণে ঘরে থাকতে পারছেন না। তারা রাস্তায় বসে কাগজ জ্বালিয়ে মশা নিবারণের চেষ্টা করছেন, যা কার্যত ব্যর্থ হচ্ছে। তারা বলছেন, রাস্তার অবস্থা তাদের খুপড়ি ঘরের তুলনায় কিছুটা ভালো। রাজধানীবাসীও অভিযোগ করছেন, হঠাৎ মশার উৎপাত পুরো শহরে বেড়েছে। নিয়ন্ত্রণে নগর প্রশাসনের কার্যক্রমে তেমন উদ্যোগ দেখা যায় না। অনেকের মতে, দীর্ঘদিন ওয়ার্ড পর্যায়ে জনপ্রতিনিধি না থাকাও এর একটি প্রধান কারণ। দীর্ঘদিন ধরে মশা নিয়ে গবেষণা করছেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের কীটতত্ত্ব গবেষক অধ্যাপক ড. কবিরুল বাশার। তিনি বাংলাভিশনকে জানান, তাদের গবেষণায় দেখা গেছে, ঢাকা শহরে গত ফেব্রুয়ারি ও মার্চে বিগত ৫ বছরের তুলনায় মশার ঘনত্ব বেশি ছিল। যদিও বর্তমানে তা কমতে শুরু করেছে। বর্তমান সময়ে ঢাকায় একজন মানুষকে প্রতি ঘণ্টায় কামড়াতে আসছে প্রায় ৭০০টি মশা। অধ্যাপক ড. কবিরুল বাশার বলেন, আমরা যে পদ্ধতিতে ফগিং করে মশা মারছি, এতে মশা নিয়ন্ত্রণ সম্ভব নয়। বিশ্বের অনেক দেশও এখন এই পদ্ধতি ব্যবহার করছে না। মশা নিয়ন্ত্রণ করতে হলে লার্ভা স্তর থেকেই ব্যবস্থা নেওয়া ছাড়া বিকল্প নেই।তবে ঢাকার দুই সিটি করপোরেশন প্রশাসক জানাচ্ছেন, মশক নিধনের কার্যক্রমে কোনো ঘাটতি নেই। বরং মশা বৃদ্ধির মূল কারণ হলো শহরের খালগুলোর অপরিচ্ছন্নতা। ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের প্রশাসক মো. শফিকুল ইসলাম খান বাংলাভিশনকে জানান, ডিজেল সংকটের কারণে মশক নিধন কিছুটা ব্যাহত হয়েছিল। তবে আমরা পেট্রোবাংলার সঙ্গে সমাধান করেছি। এখন কার্যক্রমে কোনো ঘাটতি নেই। খালগুলো অপরিচ্ছন্ন থাকায় সেখান থেকেই মশার উৎপত্তি হচ্ছে। আমরা খালগুলো সচল করার চেষ্টা করছি। তবে, নগরবাসী সহযোগিতা না করলে শতভাগ পরিচ্ছন্নতা নিশ্চিত করা সম্ভব হবে না। ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক মো. আব্দুস সালাম বলেন, আমি দায়িত্ব নিয়ে মশা নিধনের ক্র্যাশ প্রোগ্রাম হাতে নিয়েছি। ইতোমধ্যেই মশা সংক্রান্ত অভিযোগ কমেছে। আশা করি শিগগিরই যেসব এলাকায় ঘাটতি রয়েছে, সেগুলোও সমাধান করা সম্ভব হবে। ওয়ার্ড পর্যায়ে জনপ্রতিনিধি সংকট অবশ্যই প্রভাব ফেলে। তবে, আমরা এই ক্রাইসিস মোকাবিলার জন্য ঢাকার আসনগুলো থেকে নির্বাচিত সংসদ সদস্যদেরও কাজে যুক্ত করার চেষ্টা করছি।