নিখোঁজ ১৩ বছরের তাহমিদার সন্ধান দেড় মাসেও মিলেনি হতাসায় পরিবার।

সুনামগঞ্জ সদর উপজেলা গৌরারং ইউনিয়নের রাঙ্গামাটি গ্রামের বাসিন্দা মোঃ আব্দুল বাছির ও মাতা: সাবিনা আক্তারের মেয়ে তাহমিদা আক্তার (১৩) বছরের মেয়ে নিজ বাড়ি থেকে বেড়াজালি বাজারে আসলে পরে আর বাড়ি ফিরেনি। সেখান থেকে নিখোঁজ হয় তাহমিদা আক্তার ১৩ বছরের মেয়েটি। পরে অনেক খোজাখোজির পর গত ৮ এপ্রিল ২০২৬ইং তারিখে সুনামগঞ্জ সদর থানা তাহমিদার মা একটি সাধারণ ডায়েরী করেন। নিখোঁজের প্রায় মাস খানেক হলেও কোন সন্ধান না পেয়ে তাহমিদার মা গত ১৬এপ্রিল ২০২৬ইং তারিখে তাহমিদার সন্ধানের জন্য সুনামগঞ্জ পুলিশ সুপার বরাবরে একটি লিখিত আবেদন করেন। বর্তমানে প্রায় দেড় মাস অতিবাহিত হলেও এখনো কোন সন্ধান না পাওয়া তাহমিদার পরিবারে এবং এলাকাবাসীর মধ্যে হতাশা বিরাজ করছে।আমি ও আমার আত্মীয় স্বজনসহ অনেক খোজাখোজি করে না পেয়ে থানায় জিডি করি। পরে পুলিশ সুপারের কাছে ও আবেদন করি। এখন প্রায় দেড় মাস হয়ে গেছে আমার মেয়ের কোন সন্ধান পাইনি। জিডি মুলে তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই ফরিদ আহমদ তদন্ত কালে আমার নিকট ১টি মোবাইল নাম্বারে কল করিয়া আমাকে বলে আমার মেয়েকে ওনি দেখ এরশাদুল হকজেলা প্রতিনিধি সুনামগঞ্জ

নতুন কুঁড়ি স্পোর্টসে তৃণমূলের প্রতিভা খুঁজে আনার আহ্বান ভূমিমন্ত্রীর

তৃণমূল থেকে প্রতিভাবান খেলোয়াড় তুলে আনতেই নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস প্রতিযোগিতা’- ভূমিমন্ত্রীনিজস্ব প্রতিবেদক, রাজশাহী:ভূমিমন্ত্রী মো. মিজানুর রহমান মিনু বলেছেন,“তৃণমূল থেকে প্রতিভাবান খেলোয়াড় তুলে আনতেই নতুন কুঁড়ি স্পোর্টসের আয়োজন করা হয়েছে। সেই লক্ষ্যে শিশু-কিশোরদের মাঝে লুকিয়ে থাকা ক্রীড়া প্রতিভা খুঁজে বের করে সঠিক প্রশিক্ষণের মাধ্যমে তাদের বিকশিত করতে হবে।” রোববার (১৭ মে) বিকেলে রাজশাহীর মুক্তিযুদ্ধ স্মৃতি স্টেডিয়ামে ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস’ প্রতিযোগিতার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেছেন তিনি। তিনি আরও বলেন,“প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ক্রীড়াকে জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে কাজ করছেন। সেই লক্ষ্যেই এ ধরনের আয়োজনের মাধ্যমে দেশের প্রতিটি অঞ্চল থেকে প্রতিভাবান খেলোয়াড় বেরিয়ে আসবে। খেলাধুলা শুধু বিনোদন নয়, এটি শিশুদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশের গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম।”ভূমিমন্ত্রী অভিভাবক ও শিক্ষকদের উদ্দেশে বলেন,“শিশুদের পড়াশোনার পাশাপাশি খেলাধুলায় অংশগ্রহণে উৎসাহিত করতে হবে। আজকের এই প্রতিযোগীদের মধ্য থেকেই ভবিষ্যতে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ের ক্রীড়াবিদ তৈরি হবে।”আঞ্চলিক পর্যায়ে এ প্রতিযোগিতার আয়োজন করেছে বিভাগীয় প্রশাসন ও জেলা ক্রীড়া অফিস। উদ্বোধনী অনুষ্ঠান ঘিরে বিকেল থেকেই স্টেডিয়াম প্রাঙ্গণে প্রাণচাঞ্চল্য দেখা যায়। বিভিন্ন উপজেলা থেকে আসা শিশু-কিশোর প্রতিযোগীরা নির্ধারিত পোশাকে সারিবদ্ধভাবে মাঠে অবস্থান নেয়। গ্যালারিতে ছিল অভিভাবক ও দর্শনার্থীদের ভিড়। জাতীয় পতাকা, ব্যানার-ফেস্টুন ও ক্রীড়া সাজসজ্জায় পুরো স্টেডিয়ামজুড়ে এক প্রাণবন্ত ও উৎসবের আবহ তৈরি হয়। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বিভাগীয় কমিশনার ড. আ. ন. ম. বজলুর রশীদ। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাজশাহী-৬ আসনের সংসদ সদস্য আবু সাঈদ চাঁদ, রাজশাহী রেঞ্জের ডিআইজি মোহাম্মদ শাহজাহান, অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার (উন্নয়ন, শিক্ষা ও আইসিটি) মো. রেজাউল আলম সরকার, অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার (সার্বিক) মোহাম্মদ হাবিবুর রহমান, অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার (রাজস্ব) ড. চিত্রলেখা নাজনীন, রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ ফয়েজুল কবির, জেলা প্রশাসক কাজী শহিদুল ইসলাম, জেলা পরিষদের প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা এরশাদ আলী ঈশা এবং জেলা পুলিশ সুপার মোহাম্মদ নাইমুল হাছান। এছাড়া অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মো. মহিনুল হাসান, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) সবুর আলী, জেলা ক্রীড়া কর্মকর্তা জাহাঙ্গীর হোসেনসহ বিভিন্ন দফতরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

যৌতুকের দাবিতে স্ত্রীকে নির্যাতন, স্বামীর ১২ বছরের কারাদণ্ড

ফরিদপুরের সদরপুরে যৌতুকের দাবিতে স্ত্রীকে নির্যাতন ও হত্যাচেষ্টার মামলায় স্বামী নুরজামাল মিয়াকে ১২ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একইসঙ্গে তাকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও এক বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। রোববার দুপুরে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক ও জেলা ও দায়রা জজ শামীমা পারভীন এ রায় ঘোষণা করেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী গোলাম রাব্বানী রতন।মামলার নথি ও আদালত সূত্রে জানা যায়, সদরপুর উপজেলার টেউটাখালী গ্রামের বাসিন্দা নুরজামাল মিয়ার সঙ্গে প্রায় আট বছর আগে একই এলাকার মুর্শিদা বেগমের দ্বিতীয় বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকেই বিভিন্ন অজুহাতে স্ত্রীর ওপর শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন চালাতেন তিনি। অভিযোগে বলা হয়, নুরজামাল মাদকাসক্ত ও উচ্ছৃঙ্খল জীবনযাপনে অভ্যস্ত ছিলেন। সংসার চালানোর পাশাপাশি স্ত্রীর বাবার বাড়ি থেকে টাকা এনে দেওয়ার জন্য চাপ দিতেন। কয়েক দফায় প্রায় সাড়ে তিন লাখ টাকা দেওয়ার পরও নির্যাতন বন্ধ হয়নি। মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়, ২০২৩ সালের ২৪ মে রাতে আরও পাঁচ লাখ টাকা যৌতুক দাবি করে স্ত্রীকে মারধর করেন নুরজামাল। একপর্যায়ে তিনি স্ত্রীকে ঘরের ভেতর আটকে লাঠি ও ধারালো অস্ত্র দিয়ে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে মৃত ভেবে টয়লেটের সেপটিক ট্যাংকে ফেলে রেখে পালিয়ে যান। পরে স্থানীয়রা গুরুতর আহত অবস্থায় মুর্শিদা বেগমকে উদ্ধার করে সদরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন। অবস্থার অবনতি হলে তাকে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। ঘটনার পর ভুক্তভোগীর বাবা ফজলু মোল্লা সদরপুর থানায় নির্যাতন ও হত্যাচেষ্টা মামলা দায়ের করেন। তদন্ত শেষে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়। দীর্ঘ শুনানি ও সাক্ষ্যপ্রমাণ শেষে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় আদালত আসামিকে দোষী সাব্যস্ত করে এ রায় দেন। রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী গোলাম রাব্বানী রতন বলেন, যৌতুকের দাবিতে নারী নির্যাতনের বিরুদ্ধে এ রায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। 

১৩ দিন পর ভারত থেকে দেশে ফিরল মানসিক প্রতিবন্ধী যুবক

নিখোঁজ হওয়ার ১৩ দিন পর ভারত থেকে দেশে ফিরেছে বকুল মন্ডল (৩৫) নামে মানসিক প্রতিবন্ধী এক যুবক। বিজিবি ও বিএসএফের পতাকা বৈঠকের মাধ্যমে শনিবার রাতে তাকে বাংলাদেশে ফিরিয়ে আনা হয়।  বকুল কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলার রামকৃষ্ণপুর ইউনিয়নের চড়ুইকুড়ি (মরার পাড়া) গ্রামের লুৎফর রহমান মন্ডলের ছেলে। বিজিবি ও পরিবারের সদস্যরা জানান, গত ৩ মে বাড়ি থেকে নিখোঁজ হন বকুল মন্ডল। পরিবারের সদস্যরা বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও তার কোনো সন্ধান পাননি। মানসিক ভারসাম্যহীন হওয়ায় তিনি ভুলবশত সীমান্ত অতিক্রম করে ভারতের কলকাতায় চলে যান। সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কলকাতায় এক বাংলাদেশি যুবক অসুস্থ অবস্থায় পড়ে থাকার ছবি ও তথ্য ছড়িয়ে পড়ে। পরিবারের সদস্যরা সেই ছবি দেখে বকুলকে শনাক্ত করেন।  বকুলের পুনরায় অবৈধভাবে বাংলাদেশে ফেরার চেষ্টা করলে বিএসএফ সদস্যরা সীমান্তের একটি বাড়ি থেকে বকুলকে আটক করে নিজ ক্যাম্পে নিয়ে যায়। পরে বিষয়টি বিএসএফের পক্ষ থেকে বিজিবিকে জানানো হয়। শনিবার রাত ১০টার দিকে দৌলতপুর উপজেলার রামকৃষ্ণপুর ইউনিয়নের চড়াইকুড়ি সীমান্তে বিজিবির চিলমারি ক্যাম্প এবং বিএসএফের চরভদ্র ক্যাম্পের সদস্যদের মধ্যে পতাকা বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকের আনুষ্ঠানিকতা শেষে বিএসএফ বকুলকে বিজিবির কাছে হস্তান্তর করে।  রোববার সকালে বিজিবি বকুলকে পরিবারের সদস্যদের হাতে তুলে দেয়। ছেলের ফিরে আসা প্রসঙ্গে বকুলের বাবা লুৎফর রহমান মন্ডল বলেন, বকুল মানসিক প্রতিবন্ধী। ছেলেটা নিখোঁজ হওয়ার পর আমরা আশা ছেড়ে দিয়েছিলাম। ভেবেছিলাম ওকে আর ফিরে পাব না। ফেসবুকে ওর ছবি দেখে চিনতে পারি।  রামকৃষ্ণপুর ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য আবুল কালাম আজাদ জানান, বকুল মানসিক প্রতিবন্ধী হওয়ায় অসাবধানতাবশত সীমান্ত পার হয়ে গিয়েছিল। বিষয়টি জানার পর থেকেই বিজিবির সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষা করা হয়। সঠিক সমন্বয়ের মাধ্যমে তাকে দ্রুত উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে। বিজিবির চরচিলমারি কোম্পানি কমান্ডার সুবেদার মোশারফ হোসেন বলেন, দুই দেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনীর সমঝোতার মাধ্যমে তাকে ফিরিয়ে আনা হয়েছে।  

মেটায় বড় ছাঁটাই, চাকরি হারাচ্ছেন ৮ হাজার কর্মী

ফেসবুকের মূল কোম্পানি মেটা বড় পরিসরে কর্মী ছাঁটাই শুরু করেছে। বুধবার থেকে ধাপে ধাপে প্রায় ৮ হাজার কর্মীকে ছাঁটাই করা হচ্ছে। এই সংখ্যা প্রতিষ্ঠানটির মোট কর্মীবাহিনীর প্রায় ১০ শতাংশ। একই সঙ্গে আরও প্রায় ৭ হাজার কর্মীকে নতুন দায়িত্বে স্থানান্তর করা হচ্ছে, যেখানে মূল ফোকাস থাকবে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) সংশ্লিষ্ট কাজে। ছাঁটাই শুরুর আগে কোম্পানি বিভিন্ন অঞ্চলের কর্মীদের হোম অফিসে কাজ করার নির্দেশ দেয়, যা বড় পরিসরের ছাঁটাইয়ের সময় মেটার নিয়মিত পদ্ধতি। এরপর ধাপে ধাপে বিভিন্ন সময় অঞ্চলে কর্মীদের কাছে ছাঁটাই সংক্রান্ত ইমেইল পাঠানো হয়। কিছু কর্মী স্থানীয় সময় ভোর চারটার দিকে এই নোটিশ পান বলে জানা গেছে। পুরো প্রক্রিয়াটি বিভিন্ন টাইম জোন অনুযায়ী ভাগ করে সম্পন্ন করা হয়। রয়টার্সের দেখা একটি অভ্যন্তরীণ নথিতে বলা হয়েছে, প্রতিষ্ঠানটি এখন আরও ‘ফ্ল্যাট’ বা সরল কাঠামোয় যেতে চায়। মানবসম্পদ বিভাগের প্রধান জেনেল গেইল কর্মীদের বার্তায় বলেন, নতুন কাঠামোয় ছোট ছোট দল বা ‘পড’ গঠন করা হচ্ছে, যাতে দ্রুত কাজ করা যায় এবং কর্মীদের সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা বাড়ে। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বিনিয়োগের কারণে বড় পরিবর্তন প্রতিবেদন অনুযায়ী, এই ছাঁটাই মূলত কোম্পানির কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা খাতে বড় ধরনের বিনিয়োগ ও কৌশলগত পুনর্গঠনের অংশ। প্রতিষ্ঠানটি চলতি বছরে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রযুক্তিতে প্রায় ১২৫ থেকে ১৪৫ বিলিয়ন ডলার পর্যন্ত বিনিয়োগ করার পরিকল্পনা করেছে। একই সঙ্গে কোম্পানিটি বড় সংগঠন কাঠামো ভেঙে ছোট, দ্রুতগতির এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা-কেন্দ্রিক দল গঠনের দিকে এগোচ্ছে। অনেক পুরোনো পদ বাতিল করে নতুন ধরনের এআই-ভিত্তিক ভূমিকা তৈরি করা হচ্ছে। কোম্পানির ভেতরে উদ্বেগ ও অস্থিরতা ছাঁটাইয়ের ঘোষণার পর কোম্পানির ভেতরে কর্মীদের মধ্যে তীব্র উদ্বেগ, অনিশ্চয়তা এবং মানসিক চাপ তৈরি হয়েছে। অনেক কর্মী ভবিষ্যৎ চাকরি নিয়ে দুশ্চিন্তায় রয়েছেন। কিছু কর্মী আগেভাগেই অফিসের ব্যক্তিগত জিনিসপত্র, যেমন ল্যাপটপ চার্জার এবং অন্যান্য সরঞ্জাম সংগ্রহ করতে শুরু করেন বলেও জানা গেছে। এছাড়া কর্মীদের কাজ পর্যবেক্ষণের জন্য নতুন একটি অভ্যন্তরীণ নজরদারি ব্যবস্থা চালুর অভিযোগও উঠেছে, যা নিয়ে কর্মীদের মধ্যে অসন্তোষ ও বিরোধিতা দেখা দিয়েছে। অনেকেই মনে করছেন, এই ধরনের ব্যবস্থা কর্মপরিবেশকে আরও চাপপূর্ণ করে তুলছে। প্রযুক্তি খাতে ছাঁটাইয়ের বড় ঢেউ এই ছাঁটাই শুধু মেটা প্ল্যাটফর্মসের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। সাম্প্রতিক সময়ে প্রযুক্তি খাতে বড় ধরনের পুনর্গঠন চলছে। সিসকো সিস্টেমস, মাইক্রোসফট, অ্যামাজন এবং ওরাকলসহ একাধিক বড় প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান কর্মী ছাঁটাই বা স্বেচ্ছা অবসরের মাধ্যমে তাদের কর্মী সংখ্যা কমাচ্ছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই প্রবণতা প্রমাণ করে যে প্রযুক্তি খাতে একটি বড় পরিবর্তন চলছে, যেখানে কোম্পানিগুলো ধীরে ধীরে বড় কর্মী নির্ভর কাঠামো থেকে সরে এসে ছোট কিন্তু বেশি দক্ষ দল গঠনের দিকে যাচ্ছে। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার কারণে কাঠামোগত পরিবর্তন বিশ্লেষকদের মতে, এটি কোনো সাময়িক অর্থনৈতিক সংকট নয়, বরং একটি কাঠামোগত পরিবর্তন। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা এবং স্বয়ংক্রিয় প্রযুক্তির দ্রুত অগ্রগতির কারণে অনেক নিয়মিত ও পুনরাবৃত্তিমূলক কাজ এখন মেশিন এবং সফটওয়্যার সিস্টেমের মাধ্যমে সম্পন্ন হচ্ছে। ফলে মানবশক্তির ওপর নির্ভরতা কমছে, আর কোম্পানিগুলো এখন এমন কর্মীদের ওপর বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে যারা জটিল সমস্যা সমাধান, নতুন প্রযুক্তি তৈরি এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা পরিচালনায় দক্ষ।

বিস্তারিত

পোস্টে ‘হা হা’ রিঅ্যাক্ট দেওয়ায় বিএনপি কর্মীদের হামলা, নারীর মৃত্যু

কক্সবাজারের উখিয়ায় ফেসবুক পোস্টে ‘হা হা’ রিয়্যাক্ট দেওয়াকে কেন্দ্র করে মারধরের ঘটনায় ছৈয়দা বেগম (৪৫) নামে এক নারীর মৃত্যু হয়েছে। নিহত ছৈয়দা বেগম রাজাপালং ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা এবং স্থানীয় বাসিন্দা ছব্বির আহমদের স্ত্রী। শনিবার রাত ৮টার দিকে টাইপালং এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।নিহতের পরিবার ও স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, শনিবার রাতে স্থানীয় ছাত্রদল নেতা জিসানের একটি ফেসবুক স্ট্যাটাসে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতা ইউনুস ‘হা হা’ রিয়েক্ট দেন। পরে বিষয়টিকে কেন্দ্র করে বিএনপি ও ছাত্রদলের কয়েকজন নেতা-কর্মী ইউনুসকে আটক করে মারধর শুরু করেন। এ সময় এনজিওকর্মী এসএম ইমরান তাকে রক্ষার চেষ্টা করলে তাকেও মারধর করা হয়। পরে খবর পেয়ে ইমরানের মা ছৈয়দা বেগম ছেলেকে বাঁচাতে ঘটনাস্থলে ছুটে গেলে তাকেও মারধর করা হয়।  একপর্যায়ে গুরুতর আহত হয়ে ঘটনাস্থলেই অজ্ঞান হয়ে পড়লে স্থানীয়রা দ্রুত তাকে উদ্ধার করে উখিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। হাসপাতালে নিহতের সন্তান এসএম ইমরান অভিযোগ করেন, স্থানীয় মিজান সিকদার, আব্দুল করিম, আকাশ, সাইফুল সিকদার, ছৈয়দ বাবুল, মাহবুবুর রহমান, জিসান ও অ্যাম্বুলেন্সচালক শামসুল আলমসহ একদল যুবক হামলা চালিয়ে তার মাকে হত্যা করেছে। হামলাকারীরা সবাই স্থানীয়ভাবে বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে জড়িত।  সংঘর্ষের পর ঘটনাস্থলে পুলিশ পৌঁছে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতা ইউনুসকে নিজেদের হেফাজতে নেয়। ঘটনার পর সম্ভাব্য অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছেন উখিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুজিবুর রহমান। ওসি মুজিবুর রহমান বলেন, ওই নারী হাসপাতালে মারা গেছেন। কীভাবে তার মৃত্যু হয়েছে, সেটি যাচাই-বাছাই করে দেখা হচ্ছে। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য কক্সবাজার সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।  

চিকিৎসক দেখিয়ে ফেরার পথে হবিগঞ্জে ট্রাক ও মোটরসাইকেলের সংঘর্ষে বাবা-ছেলের মৃত্যু

হবিগঞ্জে ট্রাক ও মোটরসাইকেলের সংঘর্ষে বাবা ও ছেলের মৃত্যু হয়েছে। শনিবার (১৬ মে) রাত ১০টার দিকে পোদ্দারবাড়ি এলাকায় হবিগঞ্জ-নছরতপুর বাইপাস সড়কে এ ঘটনা ঘটে।নিহতরা হলেন, হবিগঞ্জ সদর উপজেলার সুলতান মাহমুদপুর এলাকার আব্দুল কাইয়ুম (৫৫) এবং তার ছেলে জাকির হোসেন (২০)।হবিগঞ্জ সদর মডেল থানার ওসি জাহিদ হোসেন দুর্ঘটনার তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, লাশ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে।স্থানীয়রা জানান, ছেলেকে মোটরসাইকেলে নিয়ে আব্দুল কাইয়ুম রাতে ধুলিয়াখালে চিকিৎসক দেখাতে যান। ফেরার পথে পোদ্দারবাড়ি এলাকায় মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে গেলে চলন্ত ট্রাকের সঙ্গে সংঘর্ষ হয়। এতে গুরুতর আহত হন বাবা-ছেলে। হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক তাদের মৃত ঘোষণা করেন।তাদের মৃত্যুর পর এলাকাবাসী ট্রাকটিতে আগুন ধরিয়ে দেয়। ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা গিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রনে আনে।

সমুদ্রতল খননের খরচ ৫০ বছরেও অজানা

গভীর সমুদ্রতলে খননের চিন্তা করাই যেখানে কঠিন, সেখানে খরচ নির্ধারণের ব্যাপারটি আরও কঠিন। সবুজ প্রযুক্তিতে বৈশ্বিক রূপান্তরের জন্য প্রয়োজনীয় গুরুত্বপূর্ণ ধাতুর চাহিদার কারণে বহু দেশ ও সংস্থা সমুদ্রতলের দিকে মনোযোগ দিয়েছে। এই সমুদ্রতল মূলত এক অনাবিষ্কৃত এলাকা; যেখানে কোবাল্ট, তামা, স্বর্ণ ও বহুধাতব নুড়ির (বহু উপাদানের তৈরি ধাতব পিণ্ড) ভান্ডার রয়েছে। এসব বিষয়ে বিজ্ঞান এখনও অনেক কম জানে। এমনকি এই খনিজগুলো উত্তোলন করতে কত খরচ ও গভীর সমুদ্রের বাস্তুতন্ত্রের ওপর কী প্রভাব পড়বে, আধুনিক বিজ্ঞান আজও তা জানে না। ন্যাচারাল হিস্ট্রি মিউজিয়ামের অধ্যাপক অ্যাড্রিয়ান গ্লোভারের নেতৃত্বে পরিচালিত এবং ‘কারেন্ট বায়োলজিতে প্রকাশিত একটি নতুন পর্যালোচনায় ২০০টিরও বেশি গবেষণা প্রতিবেদন পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে খতিয়ে দেখা হয়েছে। এসব গবেষণা পাঁচ দশকেরও বেশি সময় ধরে করা হয়। তবে পর্যালোচনার ফল হতাশাজনক। এর কারণ হলো, ‘বিজ্ঞান এসব ব্যাপারে এখনও অল্পই জানে।’অধ্যাপক গ্লোভার বলেন, ‘এটা আশ্চর্যজনক যে, এত বড় একটি পরিবেশগত সমস্যা এখনও বৈজ্ঞানিক সাহিত্যে ব্যাপকভাবে পর্যালোচনা করা হয়নি। আমরা গভীর সমুদ্র খননের পরিবেশগত প্রভাব সম্পর্কিত বহু প্রতিবেদন পর্যালোচনা করেছি। অধিকাংশই অজানা থেকে গেছে।’ পৃথিবীপৃষ্ঠের অর্ধেকেরও বেশি অংশজুড়ে রয়েছে গভীর সমুদ্র। আর এই সমুদ্র তলদেশের পরিবেশই এখন পৃথিবীর সবচেয়ে বেশি ‘কম জানা’ বিষয়। সমুদ্রতলে তিন হাজার মিটারের বেশি গভীরতায় রয়েছে হাজার হাজার কিলোমিটার পর্যন্ত বিস্তৃত বিশাল পলিময় অঞ্চল। এই অঞ্চলে রয়েছে পলিকেট কৃমি (সামুদ্রিক কৃমি), ক্রাস্টেসিয়ান (শক্ত খোলসযুক্ত প্রাণী), একাইনোডার্ম (কাঁটাযুক্ত ত্বকবিশিষ্ট প্রাণী) এবং স্পঞ্জ (নরম ছিদ্রযুক্ত প্রাণী)। এগুলোকে বিজ্ঞান এখনও স্পষ্টভাবে জানতে পারেনি। তাছাড়া সমুদ্রতলে ছড়িয়ে থাকা হাইড্রোথার্মাল ভেন্ট বা গভীর ফাটলগুলোতে থাকে টিউব ওয়ার্ম (সূর্যালোক ছাড়াই বাঁচতে পারা প্রাণী), কাঁকড়া, চিংড়ি এবং শামুক; যেগুলো বাস্তুতন্ত্র টিকিয়ে রাখে। এসব বিষয়েও খুব কম জানতে পেরেছেন বিজ্ঞানীরা। সমুদ্রের অতলে বিশাল সমভূমি বহু ধাতব নুড়িতে পরিপূর্ণ থাকে। অন্যদিকে হাইড্রোথার্মাল ভেন্টগুলো কোবাল্ট, স্বর্ণ ও তামায় আবৃত থাকে। ফলে গভীর সমুদ্রতল এখন খনি শিল্পের জন্য ক্রমবর্ধমান আকর্ষণীয় লক্ষ্য হয়ে উঠেছে। এসব খনির খননকাজ অনিবার্যভাবে সমুদ্রের জীববৈচিত্র্যে ব্যাপক প্রভাব ফেলবে। অতল সমভূমি একটি নির্দিষ্ট সীমা পর্যন্ত জানা গেলেও ভেন্টগুলোর অবস্থা সম্পর্কে বিজ্ঞানীরা কিছু জানেন না বললেই চলে। অধ্যাপক গ্লোভার বলেন, ‘বহুধাতব নুড়ি, হাইড্রোথার্মাল ভেন্ট এবং সমুদ্রশৈল থেকে খনিজ উত্তোলনের ক্ষেত্রে পদ্ধতিগত ভিন্নতা রয়েছে। এই ব্যবস্থাগুলো একটির থেকে আরেকটি সম্পূর্ণ ভিন্ন। তাছাড়া সমুদ্রের জীববৈচিত্র্য বড় ধরনের ব্যাঘাত ঘটানো বৈজ্ঞানিকভাবে নিষিদ্ধ। গভীর সমুদ্রে খনন সম্ভব হলেও এর জন্য কয়েক দশক সময় লাগতে পারে। এ বিষয়ে আন্তর্জাতিক নিয়ন্ত্রক সংস্থা রয়েছে। তারা একটি সংরক্ষিত এলাকা ইতোমধ্যে নির্ধারণ করে দিয়েছে। অধ্যাপক গ্লোভার বলেন, সমুদ্রতলে জীববৈচিত্র্য হ্রাসের ঝুঁকি নিরসনের বৈজ্ঞানিক পদক্ষেপের ব্যাপারটি অনেকাংশেই অজানা। গভীর সমুদ্রের প্রাণীগুলোর আবাসস্থলগুলোর অপরিবর্তনীয় প্রকৃতির ব্যাপারে বিজ্ঞানীদের জানার বড় ঘাটতি রয়েছে। তাছাড়া খনন পরিচালনায় সরকারি কিংবা কূটনৈতিক অনুমোদনের বিষয়ও রয়েছে। মূল কথা হলো, বিজ্ঞানীরা এখনও এই সমস্যার সমাধানের জন্য প্রস্তুত নন। জ্ঞানের ঘাটতি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত গভীর সমুদ্র খননের প্রকৃত খরচ কত, তা অজানাই থেকে যাবে। ওশানোগ্রাফিক ম্যাগাজিন। 

ডাকাতি করা গরুর মাংস সরবরাহ হতো ঢাকার সুপারশপে: পুলিশ

সিরাজগঞ্জ থেকে ডাকাতি করা গরু জবাইয়ের পর মাংস ঢাকার বিভিন্ন সুপারশপে সরবরাহ করা হতো বলে জানিয়েছে পুলিশ। প্রায় এক বছর আগে সংঘটিত গরু ডাকাতির একটি মামলার তদন্তে এমন তথ্য উঠে এসেছে। এ ঘটনায় গ্রেপ্তার তিনজনের মধ্যে একজন আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। তবে তদন্তের স্বার্থে কোন কোন সুপারশপে ওই মাংস সরবরাহ করা হতো, তা প্রকাশ করেনি পুলিশ। শনিবার এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন সলঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আলী আসলাম। গ্রেপ্তাররা হলেন মানিকগঞ্জের দৌলতপুর উপজেলার বাচামারা গ্রামের মো. আব্দুল্লাহর ছেলে রিপন ওরফে হাসান, ঢাকার আশুলিয়া উপজেলার এনায়েতপুরের জুলমত খানের ছেলে জিয়া হোসেন এবং পাবনার বেড়া উপজেলার মোহনগঞ্জ গ্রামের গোলজার সেখের ছেলে আব্দুল আলিম। পুলিশের দাবি, জিয়া হোসেন ঢাকার বিভিন্ন সুপারশপে মাংস সরবরাহের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। তার সঙ্গে আব্দুল আলিম সহযোগী কসাই হিসেবে কাজ করতেন। পুলিশ জানায়, ২০২৫ সালের ১৭ এপ্রিল চট্টগ্রামের ব্যবসায়ী আমানুল্লাহ উত্তরাঞ্চল থেকে ১৪টি ষাঁড় কিনে পিকআপভ্যানে ঢাকার উদ্দেশে রওনা হন। রাতে সিরাজগঞ্জ-বগুড়া মহাসড়কের সলঙ্গা এলাকায় ডাকাত দল ট্রাক দিয়ে পিকআপটির গতিরোধ করে। পরে চালক, সহকারী ও গরুর রাখালদের হাত-পা বেঁধে গরুগুলো নিজেদের ট্রাকে তুলে নিয়ে যায়। এ ঘটনায় সলঙ্গা থানায় অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তিদের আসামি করে মামলা করেন ওই ব্যবসায়ী। ওসি আলী আসলাম বলেন, তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় বুধবার রিপন ওরফে হাসানকে গ্রেপ্তার করা হয়। গত বৃহস্পতিবার (১৪ মে) তাকে আদালতে হাজির করা হলে তিনি ডাকাতির গরু জবাই, মাংস বিক্রি এবং ঘটনায় জড়িত অন্যদের বিষয়ে জবানবন্দি দেন। সলঙ্গা থানা আমলি আদালতের বিচারক ও জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ওমর ফারুক তার জবানবন্দি গ্রহণ করেন। পরে রিপনের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে আশুলিয়া এলাকা থেকে জিয়া হোসেন ও আব্দুল আলিমকে গ্রেপ্তার করা হয়। এদিকে কোরবানির ঈদ সামনে রেখে সিরাজগঞ্জের চরাঞ্চলে গবাদি পশু লুটের আশঙ্কা বেড়েছে। যমুনা নদীর দুর্গম চরের চৌহালী উপজেলার ঘোরজান ইউনিয়নের মুরাদপুর কাউনিয়ার চরে গত বছরের ২০ মে গো-খামারি তারা মিয়াকে হত্যা করে গবাদি পশু লুটের ঘটনা ঘটে। আলোচিত ওই মামলার তদন্তেও সংঘবদ্ধ গরু ডাকাত চক্রের সংশ্লিষ্টতার তথ্য পেয়েছে পুলিশ। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা জেলা গোয়েন্দা পুলিশের উপপরিদর্শক এসআই সারফুল ইসলাম বলেন, তারা মিয়া হত্যা মামলায় এ পর্যন্ত ১০ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। টাঙ্গাইলের কালিহাতী এলাকার গফুর ও তার ছেলে গিয়াস উদ্দিনসহ আরও ১৪ আসামি পলাতক রয়েছেন। আগামী সপ্তাহে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিলের সম্ভাবনা রয়েছে। অন্যদিকে গরু চুরি ও ডাকাতি ঠেকাতে সদর উপজেলার বহুলী ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রামে কমিউনিটি পুলিশিংয়ের সহায়তায় রাতভর পাহারা দিচ্ছেন খামারি ও স্থানীয়রা। সদর উপজেলার শিয়ালকোল ইউনিয়নেও ঈদ সামনে রেখে গবাদি পশুর চুরি হওয়ার আশঙ্কায় রাত জেগে পাহারা দিচ্ছেন গ্রামবাসী। বহুলী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ফরহাদ হোসেন বলেন, অপরিচিত গাড়ি, ট্রাক, পিকআপভ্যান ও বহিরাগতদের প্রবেশ ঠেকানোই পাহারার মূল লক্ষ্য।