Dhaka ০৪:২০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
চতুর্থ শ্রেণির ছাত্রীকে কৌশলে টয়লেটে নিয়ে গেলেন শিক্ষক, অতঃপর… সাত মাসে ঢাকা-মাওয়া সড়কে ১১১ দুর্ঘটনা, প্রাণহানি ১৪ ফেসবুক লাইভে বিএনপিকে নিয়ে মন্তব্য, অবশেষে জামিন পেলেন নারী উদ্যোক্তা সাথী আক্তার সুনামগঞ্জে দুই সেতুর কাজ বন্ধ, এমপি নুরুলের বিরুদ্ধে কোটি টাকা চাঁদা দাবির অভিযোগ ঠিকাদারের সিলেট শাহী ঈদগাহকে আরও দৃষ্টিনন্দন করতে ৫ কোটি টাকার প্রকল্প—সিসিক প্রশাসক শি শু মুহিন হ ত্যার দায়ে ২ জনের মৃ ত্যুদণ্ড চাঁদা না পেয়ে ইউপি সদস্যকে বেদম পেটালেন নেতা ভিসা নিয়ে বাংলাদেশিদের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের নতুন বার্তা দুধ দিয়ে গোসল করে জামায়াতের সমর্থন ছাড়ার ঘোষণা, ভিডিও ভাইরাল মাদকাসক্ত প্রধান শিক্ষকের নাচের ভিডিও ভাইরাল

গ্রেপ্তার আ.লীগ নেতা পল্লব,শুনানি শেষে কারাগারে প্রেরণ

ঢাকায় গ্রেপ্তার হওয়া সিলেটের বিয়ানীবাজার উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান আবুল কাশেম পল্লবকে সিলেটের আদালতে হাজির করা হয়েছে। সোমবার (৩১ আগস্ট) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে তাকে আদালতে তোলা হয়। শুনানি শেষে আদালত তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

বিয়ানীবাজার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবু জাফর মো. মাহফুজুল কবির জানান, আবুল কাশেম পল্লবকে দুটি মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। আদালতে শুনানি শেষে তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়।

এর আগে শনিবার (২৯ আগস্ট) রাত ১১টার দিকে রাজধানীর বসুন্ধরা আবাসিক এলাকা থেকে আবুল কাশেম পল্লবকে গ্রেপ্তার করা হয়। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ওই সময় তিনি রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে একজন রোগীকে দেখতে গিয়েছিলেন। সেখান থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।

ঢাকায় গ্রেপ্তারের পর আবুল কাশেম পল্লবকে বিয়ানীবাজার থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়। পরে বিয়ানীবাজার থানা পুলিশের একটি দল তাকে নিয়ে ঢাক থেকে সিলেটের উদ্দেশ্যে রওনা দেয়। সোমবার সকালে সিলেটে পৌঁছানোর পর প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া শেষে তাকে আদালতে হাজির করা হয়।

আবুল কাশেম পল্লব বিয়ানীবাজার উপজেলা পরিষদের দুইবারের সাবেক চেয়ারম্যান। স্থানীয় রাজনীতিতে তিনি দীর্ঘদিন ধরে সক্রিয় ছিলেন। বর্তমানে নির্বাহী আদেশে কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকা আওয়ামী লীগের উপজেলা পর্যায়ের নেতা হিসেবে তার পরিচয় রয়েছে।

পুলিশ ও সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, আবুল কাশেম পল্লবের বিরুদ্ধে বিয়ানীবাজার থানায় চারটি মামলা রয়েছে। এ ছাড়া গোলাপগঞ্জ ও সিলেটের বিভিন্ন থানায় তার বিরুদ্ধে আরও অন্তত ১৬টি মামলা রয়েছে বলে জানা গেছে। এসব মামলার মধ্যে বিভিন্ন অভিযোগে দায়ের করা মামলাও রয়েছে।

দুটি মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে হাজির করার পর শুনানি শেষে তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়। তবে তার বিরুদ্ধে থাকা অন্যান্য মামলার বিষয়ে পরবর্তী সময়ে আইনগত প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হবে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।

আরও পড়ুনঃ  আলভীর সঙ্গে ‘প্রেম’ নিয়ে অবশেষে মুখ খুললেন তিথি

আবুল কাশেম পল্লবের গ্রেপ্তারের খবর ছড়িয়ে পড়ার পর স্থানীয় রাজনৈতিক ও সামাজিক অঙ্গনে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে। তার বিরুদ্ধে থাকা মামলাগুলোর আইনগত কার্যক্রমও এখন সামনে এগোবে বলে জানা গেছে।

Tag :
জনপ্রিয় পোস্ট

চতুর্থ শ্রেণির ছাত্রীকে কৌশলে টয়লেটে নিয়ে গেলেন শিক্ষক, অতঃপর…

গ্রেপ্তার আ.লীগ নেতা পল্লব,শুনানি শেষে কারাগারে প্রেরণ

Update Time : ০১:২০:৩৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৬

ঢাকায় গ্রেপ্তার হওয়া সিলেটের বিয়ানীবাজার উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান আবুল কাশেম পল্লবকে সিলেটের আদালতে হাজির করা হয়েছে। সোমবার (৩১ আগস্ট) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে তাকে আদালতে তোলা হয়। শুনানি শেষে আদালত তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

বিয়ানীবাজার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবু জাফর মো. মাহফুজুল কবির জানান, আবুল কাশেম পল্লবকে দুটি মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। আদালতে শুনানি শেষে তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়।

এর আগে শনিবার (২৯ আগস্ট) রাত ১১টার দিকে রাজধানীর বসুন্ধরা আবাসিক এলাকা থেকে আবুল কাশেম পল্লবকে গ্রেপ্তার করা হয়। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ওই সময় তিনি রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে একজন রোগীকে দেখতে গিয়েছিলেন। সেখান থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।

ঢাকায় গ্রেপ্তারের পর আবুল কাশেম পল্লবকে বিয়ানীবাজার থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়। পরে বিয়ানীবাজার থানা পুলিশের একটি দল তাকে নিয়ে ঢাক থেকে সিলেটের উদ্দেশ্যে রওনা দেয়। সোমবার সকালে সিলেটে পৌঁছানোর পর প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া শেষে তাকে আদালতে হাজির করা হয়।

আবুল কাশেম পল্লব বিয়ানীবাজার উপজেলা পরিষদের দুইবারের সাবেক চেয়ারম্যান। স্থানীয় রাজনীতিতে তিনি দীর্ঘদিন ধরে সক্রিয় ছিলেন। বর্তমানে নির্বাহী আদেশে কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকা আওয়ামী লীগের উপজেলা পর্যায়ের নেতা হিসেবে তার পরিচয় রয়েছে।

পুলিশ ও সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, আবুল কাশেম পল্লবের বিরুদ্ধে বিয়ানীবাজার থানায় চারটি মামলা রয়েছে। এ ছাড়া গোলাপগঞ্জ ও সিলেটের বিভিন্ন থানায় তার বিরুদ্ধে আরও অন্তত ১৬টি মামলা রয়েছে বলে জানা গেছে। এসব মামলার মধ্যে বিভিন্ন অভিযোগে দায়ের করা মামলাও রয়েছে।

দুটি মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে হাজির করার পর শুনানি শেষে তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়। তবে তার বিরুদ্ধে থাকা অন্যান্য মামলার বিষয়ে পরবর্তী সময়ে আইনগত প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হবে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।

আরও পড়ুনঃ  যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্যচুক্তি আজ, কমতে পারে শুল্কহার

আবুল কাশেম পল্লবের গ্রেপ্তারের খবর ছড়িয়ে পড়ার পর স্থানীয় রাজনৈতিক ও সামাজিক অঙ্গনে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে। তার বিরুদ্ধে থাকা মামলাগুলোর আইনগত কার্যক্রমও এখন সামনে এগোবে বলে জানা গেছে।