Dhaka ০৫:৪৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ১০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
সিলেটে থামছে না ডেঙ্গুর প্রকোপ: আক্রান্ত ৭১১, মশা নিধনে সিটি কর্পোরেশনের নজরদারি নিয়ে প্রশ্ন মাস শেষের আগেই পকেট খালি, সংসার চালাতে ঋণে ডুবছেন চাকরিজীবীরা প্রেমিকের ডাকে সাড়া দিয়ে দলবদ্ধ ধ র্ষ ণের শিকার তরুণী জৈন্তাপুরে এবার ডোবার পাশে ফেরিওয়ালার লা/শ আদর করে ঘুষের নাম ‘অনারিয়াম’ রাখলেন কুমিল্লা মাউশি পরিচালক ডিসেম্বরে শেখ হাসিনার ফেরার প্রশ্নে যা জানালেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রাস্তায় মিলল দেশি কড়ি কাইট্টা, উদ্ধারের পর অবমুক্ত ঋণের টাকা নিয়ে ভাবিকে বেধড়ক পেটাচ্ছেন দেবর, ভিডিও ভাইরাল কিশোরীকে ধ র্ষ ণ, মক্তব শিক্ষকের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড মানবতাবিরোধী অপরাধের ৭ রায়ে ২৩ মৃত্যুদণ্ড, ১১ যাবজ্জীবন

আদর করে ঘুষের নাম ‘অনারিয়াম’ রাখলেন কুমিল্লা মাউশি পরিচালক

মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি) কুমিল্লা অঞ্চলের পরিচালক অধ্যাপক মো. শহিদ উল্লা মজুমদারের বিরুদ্ধে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পরিদর্শনের নামে ঘুষ আদায়ের অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ অনুযায়ী, পরিদর্শনের সময় প্রতিষ্ঠানপ্রধানদের কাছে ‘অনারিয়াম’ নামে ১০ হাজার থেকে ৪০ হাজার টাকা পর্যন্ত দাবি করা হচ্ছে। এ ছাড়া শিক্ষকদের এমপিওভুক্তিসহ বিভিন্ন কাজে জনপ্রতি ৩ থেকে ৫ হাজার টাকা নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে।

 

কুমিল্লা আঞ্চলিক কার্যালয়ের অধীনে কুমিল্লা, চাঁদপুর, ব্রাহ্মণবাড়িয়া ও লক্ষ্মীপুর জেলার ২৯৩টি স্কুল-কলেজ ও কলেজ রয়েছে। সাড়ে তিন মাস আগে পরিচালক হিসেবে যোগ দেওয়া শহিদ উল্লা মজুমদারের বিরুদ্ধে এসব অভিযোগ ওঠায় প্রতিষ্ঠানপ্রধানদের মধ্যে ক্ষোভ ও আতঙ্ক ছড়িয়েছে।

 

অভিযোগ রয়েছে, কার্যালয়ের বাইরে সহকারী পরিদর্শক মোহাম্মদ জসিম উদ্দিন এবং অফিসের ভেতরে গবেষণা কর্মকর্তা মোহাম্মদ মাহবুবুল আলমের মাধ্যমে অর্থ আদায় করা হয়।

 

অনুসন্ধানে জানা গেছে, গত ১১ অক্টোবর পরিচালক শহিদ উল্লা মজুমদারের নেতৃত্বে উপপরিচালক মোহাম্মদ সফিকুর রহমান, গবেষণা কর্মকর্তা মাহবুবুল আলম ও সহকারী পরিদর্শক জসিম উদ্দিন লাকসাম ও মনোহরগঞ্জ উপজেলার বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পরিদর্শনে যান। অভিযোগ অনুযায়ী, প্রতিষ্ঠানপ্রধানদের সঙ্গে দুর্ব্যবহারের পর ‘অনারিয়াম’ নামে অর্থ দাবি করা হয়। ‘আ’ আদ্যক্ষরের একটি প্রতিষ্ঠানের কাছে ৪০ হাজার টাকা চাওয়া হলে প্রধান তাৎক্ষণিক ২০ হাজার টাকা দেন। ‘ন’ ও ‘ব’ আদ্যক্ষরের দুটি প্রতিষ্ঠানের প্রধান ১০ হাজার টাকা করে দেন। বরুড়া উপজেলায় পরিদর্শনের আগেও ফোন করে ১০ হাজার টাকা করে প্রস্তুত রাখতে বলা হয় বলে অভিযোগ রয়েছে। প্রতিষ্ঠানে অনিয়ম থাকলে দাবির পরিমাণ আরও বাড়ত বলেও অভিযোগ করেন সংশ্লিষ্টরা।

 

লাকসামের গণ উদ্যোগ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজে পরিদর্শনের সময় ৩২ হাজার টাকা দাবি করা হয় বলে অভিযোগ করেছেন প্রতিষ্ঠানটির দাতা সদস্য আবুল কালাম মজুমদার। তার ভাষ্য, বিকেল সোয়া ৩টার দিকে চারজন কর্মকর্তা সেখানে গিয়ে সন্ধ্যা ৭টায় বের হন। এ সময় সহকারী পরিদর্শক জসিম উদ্দিন অধ্যক্ষের কাছে টাকা দাবি করেন। টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে অন্য প্রতিষ্ঠানও ৩২ হাজার টাকা দিয়েছে বলে উল্লেখ করেন তিনি। পরে চারজনের জন্য ২০ হাজার টাকা দিতে বলা হয়। বিষয়টি নিয়ে প্রতিষ্ঠানের সভাপতি পরিচালকের কাছে জানতে চাইলে তিনি টাকা চাওয়ার কথা স্বীকার করলেও টাকা দেওয়া হয়নি বলে জানান।

আরও পড়ুনঃ  সিলেটে হামের উপসর্গে আরও দুই শিশুর মৃত্যু, মৃতের সংখ্যা ১৫৪

মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি) কুমিল্লা অঞ্চলের পরিচালক অধ্যাপক মো. শহিদ উল্লা মজুমদারের বিরুদ্ধে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পরিদর্শনের নামে ঘুষ আদায়ের অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ অনুযায়ী, পরিদর্শনের সময় প্রতিষ্ঠানপ্রধানদের কাছে ‘অনারিয়াম’ নামে ১০ হাজার থেকে ৪০ হাজার টাকা পর্যন্ত দাবি করা হচ্ছে। এ ছাড়া শিক্ষকদের এমপিওভুক্তিসহ বিভিন্ন কাজে জনপ্রতি ৩ থেকে ৫ হাজার টাকা নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে।

কুমিল্লা আঞ্চলিক কার্যালয়ের অধীনে কুমিল্লা, চাঁদপুর, ব্রাহ্মণবাড়িয়া ও লক্ষ্মীপুর জেলার ২৯৩টি স্কুল-কলেজ ও কলেজ রয়েছে। সাড়ে তিন মাস আগে পরিচালক হিসেবে যোগ দেওয়া শহিদ উল্লা মজুমদারের বিরুদ্ধে এসব অভিযোগ ওঠায় প্রতিষ্ঠানপ্রধানদের মধ্যে ক্ষোভ ও আতঙ্ক ছড়িয়েছে।

অভিযোগ রয়েছে, কার্যালয়ের বাইরে সহকারী পরিদর্শক মোহাম্মদ জসিম উদ্দিন এবং অফিসের ভেতরে গবেষণা কর্মকর্তা মোহাম্মদ মাহবুবুল আলমের মাধ্যমে অর্থ আদায় করা হয়।

অনুসন্ধানে জানা গেছে, গত ১১ অক্টোবর পরিচালক শহিদ উল্লা মজুমদারের নেতৃত্বে উপপরিচালক মোহাম্মদ সফিকুর রহমান, গবেষণা কর্মকর্তা মাহবুবুল আলম ও সহকারী পরিদর্শক জসিম উদ্দিন লাকসাম ও মনোহরগঞ্জ উপজেলার বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পরিদর্শনে যান। অভিযোগ অনুযায়ী, প্রতিষ্ঠানপ্রধানদের সঙ্গে দুর্ব্যবহারের পর ‘অনারিয়াম’ নামে অর্থ দাবি করা হয়। ‘আ’ আদ্যক্ষরের একটি প্রতিষ্ঠানের কাছে ৪০ হাজার টাকা চাওয়া হলে প্রধান তাৎক্ষণিক ২০ হাজার টাকা দেন। ‘ন’ ও ‘ব’ আদ্যক্ষরের দুটি প্রতিষ্ঠানের প্রধান ১০ হাজার টাকা করে দেন। বরুড়া উপজেলায় পরিদর্শনের আগেও ফোন করে ১০ হাজার টাকা করে প্রস্তুত রাখতে বলা হয় বলে অভিযোগ রয়েছে। প্রতিষ্ঠানে অনিয়ম থাকলে দাবির পরিমাণ আরও বাড়ত বলেও অভিযোগ করেন সংশ্লিষ্টরা।

লাকসামের গণ উদ্যোগ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজে পরিদর্শনের সময় ৩২ হাজার টাকা দাবি করা হয় বলে অভিযোগ করেছেন প্রতিষ্ঠানটির দাতা সদস্য আবুল কালাম মজুমদার। তার ভাষ্য, বিকেল সোয়া ৩টার দিকে চারজন কর্মকর্তা সেখানে গিয়ে সন্ধ্যা ৭টায় বের হন। এ সময় সহকারী পরিদর্শক জসিম উদ্দিন অধ্যক্ষের কাছে টাকা দাবি করেন। টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে অন্য প্রতিষ্ঠানও ৩২ হাজার টাকা দিয়েছে বলে উল্লেখ করেন তিনি। পরে চারজনের জন্য ২০ হাজার টাকা দিতে বলা হয়। বিষয়টি নিয়ে প্রতিষ্ঠানের সভাপতি পরিচালকের কাছে জানতে চাইলে তিনি টাকা চাওয়ার কথা স্বীকার করলেও টাকা দেওয়া হয়নি বলে জানান।

Tag :
জনপ্রিয় পোস্ট

সিলেটে থামছে না ডেঙ্গুর প্রকোপ: আক্রান্ত ৭১১, মশা নিধনে সিটি কর্পোরেশনের নজরদারি নিয়ে প্রশ্ন

আদর করে ঘুষের নাম ‘অনারিয়াম’ রাখলেন কুমিল্লা মাউশি পরিচালক

Update Time : ০৪:৫৪:১৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬

মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি) কুমিল্লা অঞ্চলের পরিচালক অধ্যাপক মো. শহিদ উল্লা মজুমদারের বিরুদ্ধে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পরিদর্শনের নামে ঘুষ আদায়ের অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ অনুযায়ী, পরিদর্শনের সময় প্রতিষ্ঠানপ্রধানদের কাছে ‘অনারিয়াম’ নামে ১০ হাজার থেকে ৪০ হাজার টাকা পর্যন্ত দাবি করা হচ্ছে। এ ছাড়া শিক্ষকদের এমপিওভুক্তিসহ বিভিন্ন কাজে জনপ্রতি ৩ থেকে ৫ হাজার টাকা নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে।

 

কুমিল্লা আঞ্চলিক কার্যালয়ের অধীনে কুমিল্লা, চাঁদপুর, ব্রাহ্মণবাড়িয়া ও লক্ষ্মীপুর জেলার ২৯৩টি স্কুল-কলেজ ও কলেজ রয়েছে। সাড়ে তিন মাস আগে পরিচালক হিসেবে যোগ দেওয়া শহিদ উল্লা মজুমদারের বিরুদ্ধে এসব অভিযোগ ওঠায় প্রতিষ্ঠানপ্রধানদের মধ্যে ক্ষোভ ও আতঙ্ক ছড়িয়েছে।

 

অভিযোগ রয়েছে, কার্যালয়ের বাইরে সহকারী পরিদর্শক মোহাম্মদ জসিম উদ্দিন এবং অফিসের ভেতরে গবেষণা কর্মকর্তা মোহাম্মদ মাহবুবুল আলমের মাধ্যমে অর্থ আদায় করা হয়।

 

অনুসন্ধানে জানা গেছে, গত ১১ অক্টোবর পরিচালক শহিদ উল্লা মজুমদারের নেতৃত্বে উপপরিচালক মোহাম্মদ সফিকুর রহমান, গবেষণা কর্মকর্তা মাহবুবুল আলম ও সহকারী পরিদর্শক জসিম উদ্দিন লাকসাম ও মনোহরগঞ্জ উপজেলার বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পরিদর্শনে যান। অভিযোগ অনুযায়ী, প্রতিষ্ঠানপ্রধানদের সঙ্গে দুর্ব্যবহারের পর ‘অনারিয়াম’ নামে অর্থ দাবি করা হয়। ‘আ’ আদ্যক্ষরের একটি প্রতিষ্ঠানের কাছে ৪০ হাজার টাকা চাওয়া হলে প্রধান তাৎক্ষণিক ২০ হাজার টাকা দেন। ‘ন’ ও ‘ব’ আদ্যক্ষরের দুটি প্রতিষ্ঠানের প্রধান ১০ হাজার টাকা করে দেন। বরুড়া উপজেলায় পরিদর্শনের আগেও ফোন করে ১০ হাজার টাকা করে প্রস্তুত রাখতে বলা হয় বলে অভিযোগ রয়েছে। প্রতিষ্ঠানে অনিয়ম থাকলে দাবির পরিমাণ আরও বাড়ত বলেও অভিযোগ করেন সংশ্লিষ্টরা।

 

লাকসামের গণ উদ্যোগ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজে পরিদর্শনের সময় ৩২ হাজার টাকা দাবি করা হয় বলে অভিযোগ করেছেন প্রতিষ্ঠানটির দাতা সদস্য আবুল কালাম মজুমদার। তার ভাষ্য, বিকেল সোয়া ৩টার দিকে চারজন কর্মকর্তা সেখানে গিয়ে সন্ধ্যা ৭টায় বের হন। এ সময় সহকারী পরিদর্শক জসিম উদ্দিন অধ্যক্ষের কাছে টাকা দাবি করেন। টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে অন্য প্রতিষ্ঠানও ৩২ হাজার টাকা দিয়েছে বলে উল্লেখ করেন তিনি। পরে চারজনের জন্য ২০ হাজার টাকা দিতে বলা হয়। বিষয়টি নিয়ে প্রতিষ্ঠানের সভাপতি পরিচালকের কাছে জানতে চাইলে তিনি টাকা চাওয়ার কথা স্বীকার করলেও টাকা দেওয়া হয়নি বলে জানান।

আরও পড়ুনঃ  বাংলাদেশে চিনি উৎপাদনের পাশাপাশি বিদ্যুৎ, ইথানল ও সার উৎপাদন আধুনিকায়নে পাকিস্তানের প্রস্তাব

মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি) কুমিল্লা অঞ্চলের পরিচালক অধ্যাপক মো. শহিদ উল্লা মজুমদারের বিরুদ্ধে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পরিদর্শনের নামে ঘুষ আদায়ের অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ অনুযায়ী, পরিদর্শনের সময় প্রতিষ্ঠানপ্রধানদের কাছে ‘অনারিয়াম’ নামে ১০ হাজার থেকে ৪০ হাজার টাকা পর্যন্ত দাবি করা হচ্ছে। এ ছাড়া শিক্ষকদের এমপিওভুক্তিসহ বিভিন্ন কাজে জনপ্রতি ৩ থেকে ৫ হাজার টাকা নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে।

কুমিল্লা আঞ্চলিক কার্যালয়ের অধীনে কুমিল্লা, চাঁদপুর, ব্রাহ্মণবাড়িয়া ও লক্ষ্মীপুর জেলার ২৯৩টি স্কুল-কলেজ ও কলেজ রয়েছে। সাড়ে তিন মাস আগে পরিচালক হিসেবে যোগ দেওয়া শহিদ উল্লা মজুমদারের বিরুদ্ধে এসব অভিযোগ ওঠায় প্রতিষ্ঠানপ্রধানদের মধ্যে ক্ষোভ ও আতঙ্ক ছড়িয়েছে।

অভিযোগ রয়েছে, কার্যালয়ের বাইরে সহকারী পরিদর্শক মোহাম্মদ জসিম উদ্দিন এবং অফিসের ভেতরে গবেষণা কর্মকর্তা মোহাম্মদ মাহবুবুল আলমের মাধ্যমে অর্থ আদায় করা হয়।

অনুসন্ধানে জানা গেছে, গত ১১ অক্টোবর পরিচালক শহিদ উল্লা মজুমদারের নেতৃত্বে উপপরিচালক মোহাম্মদ সফিকুর রহমান, গবেষণা কর্মকর্তা মাহবুবুল আলম ও সহকারী পরিদর্শক জসিম উদ্দিন লাকসাম ও মনোহরগঞ্জ উপজেলার বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পরিদর্শনে যান। অভিযোগ অনুযায়ী, প্রতিষ্ঠানপ্রধানদের সঙ্গে দুর্ব্যবহারের পর ‘অনারিয়াম’ নামে অর্থ দাবি করা হয়। ‘আ’ আদ্যক্ষরের একটি প্রতিষ্ঠানের কাছে ৪০ হাজার টাকা চাওয়া হলে প্রধান তাৎক্ষণিক ২০ হাজার টাকা দেন। ‘ন’ ও ‘ব’ আদ্যক্ষরের দুটি প্রতিষ্ঠানের প্রধান ১০ হাজার টাকা করে দেন। বরুড়া উপজেলায় পরিদর্শনের আগেও ফোন করে ১০ হাজার টাকা করে প্রস্তুত রাখতে বলা হয় বলে অভিযোগ রয়েছে। প্রতিষ্ঠানে অনিয়ম থাকলে দাবির পরিমাণ আরও বাড়ত বলেও অভিযোগ করেন সংশ্লিষ্টরা।

লাকসামের গণ উদ্যোগ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজে পরিদর্শনের সময় ৩২ হাজার টাকা দাবি করা হয় বলে অভিযোগ করেছেন প্রতিষ্ঠানটির দাতা সদস্য আবুল কালাম মজুমদার। তার ভাষ্য, বিকেল সোয়া ৩টার দিকে চারজন কর্মকর্তা সেখানে গিয়ে সন্ধ্যা ৭টায় বের হন। এ সময় সহকারী পরিদর্শক জসিম উদ্দিন অধ্যক্ষের কাছে টাকা দাবি করেন। টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে অন্য প্রতিষ্ঠানও ৩২ হাজার টাকা দিয়েছে বলে উল্লেখ করেন তিনি। পরে চারজনের জন্য ২০ হাজার টাকা দিতে বলা হয়। বিষয়টি নিয়ে প্রতিষ্ঠানের সভাপতি পরিচালকের কাছে জানতে চাইলে তিনি টাকা চাওয়ার কথা স্বীকার করলেও টাকা দেওয়া হয়নি বলে জানান।