Dhaka ০৫:৩২ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬, ৭ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
সিলিন্ডারের আগুনে দগ্ধ স্বামী-স্ত্রীর মৃত্যু, আইসিইউতে মেয়ে দেড় মিনিটের বক্তব্যে মন্ত্রীকে ২৫ বার ‘স্যার’ বললেন ইউএনও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে সন্ত্রাসীদের গোলাগুলি কনটেন্ট ক্রিয়েটরের পরিচয়ে হানিট্র্যাপ, আটক ২ নারী ভারত পালিয়ে যাওয়ার সময় যুব মহিলা লীগের নেত্রী আটক কুষ্টিয়ায় লালনমেলা থেকে গাঁজা সেবনের ২ হাজার সরঞ্জাম জব্দ সাধুসঙ্গে নিজেকে ও অজানাকে জানছেন লালন ভক্তরা বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য যুক্তরাষ্ট্রে মহাকাশ গবেষণার সুযোগ: মিলবে ১৩ হাজার ডলারের বৃত্তি প্রতিমা বিসর্জনস্থলে সিঁদুর খেলার সময় নববধূর মৃত্যু আইফোনের জন্য ১৭ বছর বয়সী কিশোরকে পিটিয়ে হ ত্যা

কারিগরি ত্রুটি: রামপাল তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের ২য় ইউনিট বন্ধ

বাগেরহাটে কারিগরি ত্রুটির কারণে রামপার তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের ২য় ইউনিট বন্ধ রয়েছে। রবিবার বেলা ১১টা থেকে ২য় ইউনিট সম্পূর্ণ বন্ধ রয়েছে। তবে প্রথম ইউনিট স্বাভাবিকভাবে চালু রয়েছে। ২য় ইউনিট চালু হতে অন্তত চার দিন সময় লাগবে বলে জানিয়েছেন রামপাল তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের মানব সম্পদ বিভাগের মহাব্যবস্থাপক আনোয়ারুল আজিম।

তিনি বলেন, কারিগরি ত্রুটির কারণে তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের ২য় ইউনিট বন্ধ রয়েছে। চালু হতে অন্তত চার দিন সময় লাগবে। এ জন্য কাজ চলছে। তবে প্রথম ইউনিট চালু রয়েছে। সেখান থেকে নিয়মিত জাতীয় গ্রীডে বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক রয়েছে। তবে কি ধরণের কারিগরি ত্রুটি হয়েছে তা নির্দিষ্ট করে বলতে পারেননি এই কর্মকর্তা।

বিদ্যুৎ কেন্দ্র সূত্রে জানাযায়, ২০১০ সালে ভারত ও বাংলাদেশ যৌথ উদ্যোগে তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মানের উদ্যোগ নেয়। ২০১২ সালের ২৯ জানুয়ারি বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড এবং ভারতের এনটিপিসি লিঃ এর মধ্যে একটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। চুক্তি অনুযায়ী বাংলাদেশ-ইন্ডিয়া ফ্রেন্ডশিপ পাওয়ার কোম্পানি (প্রাঃ) লিমিটেড (বিআইএফপিসিএল) নামে কোম্পানি গঠিত হয়।

এই কোম্পানির অধীনে ১৩২০ মেগাওয়াট মৈত্রী সুপার থার্মাল পাওয়ার প্রজেক্ট (রামপাল) নামে তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মান শুরু হয়। রামপাল উপজেলার রাজনগর ও গৌরম্ভা ইউনিয়নের সাপমারী কৈ-গর্দ্দাশকাঠি মৌজায় ১ হাজার ৩৪ একর জমি অধিগ্রহন শেষে ১৬ হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে রামপাল তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মান শুরু হয়।দীর্ঘ প্রক্রিয়া শেষে ২০২২ সালের ২৩ ডিসেম্বর এই কেন্দ্রের প্রথম ইউনিট উৎপাদনে যায়। আর এরও এক বছর পরে ২০২৩ সালের ২৪ অক্টোবর পরীক্ষামূলকভাবে উৎপাদনে যায় ২য় ইউনিট। আনুষ্ঠানিকভাবে বাণিজ্যিক উৎপাদন শুরু করে ২০২৪ সালের ১২ মার্চ। তবে বানিজ্যিকভাবে উৎপাদনে যাওয়ার পরে কারিগরি ত্রুটি ও বিভিন্ন কারণে ৩০ বারের বেশি উৎপাদন বন্ধ হওয়ার খবর রয়েছে।

আরও পড়ুনঃ  একযোগে ৬৮ এসিল্যান্ডকে প্রত্যাহার
Tag :
জনপ্রিয় পোস্ট

সিলিন্ডারের আগুনে দগ্ধ স্বামী-স্ত্রীর মৃত্যু, আইসিইউতে মেয়ে

কারিগরি ত্রুটি: রামপাল তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের ২য় ইউনিট বন্ধ

Update Time : ১১:১৪:২০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬

বাগেরহাটে কারিগরি ত্রুটির কারণে রামপার তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের ২য় ইউনিট বন্ধ রয়েছে। রবিবার বেলা ১১টা থেকে ২য় ইউনিট সম্পূর্ণ বন্ধ রয়েছে। তবে প্রথম ইউনিট স্বাভাবিকভাবে চালু রয়েছে। ২য় ইউনিট চালু হতে অন্তত চার দিন সময় লাগবে বলে জানিয়েছেন রামপাল তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের মানব সম্পদ বিভাগের মহাব্যবস্থাপক আনোয়ারুল আজিম।

তিনি বলেন, কারিগরি ত্রুটির কারণে তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের ২য় ইউনিট বন্ধ রয়েছে। চালু হতে অন্তত চার দিন সময় লাগবে। এ জন্য কাজ চলছে। তবে প্রথম ইউনিট চালু রয়েছে। সেখান থেকে নিয়মিত জাতীয় গ্রীডে বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক রয়েছে। তবে কি ধরণের কারিগরি ত্রুটি হয়েছে তা নির্দিষ্ট করে বলতে পারেননি এই কর্মকর্তা।

বিদ্যুৎ কেন্দ্র সূত্রে জানাযায়, ২০১০ সালে ভারত ও বাংলাদেশ যৌথ উদ্যোগে তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মানের উদ্যোগ নেয়। ২০১২ সালের ২৯ জানুয়ারি বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড এবং ভারতের এনটিপিসি লিঃ এর মধ্যে একটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। চুক্তি অনুযায়ী বাংলাদেশ-ইন্ডিয়া ফ্রেন্ডশিপ পাওয়ার কোম্পানি (প্রাঃ) লিমিটেড (বিআইএফপিসিএল) নামে কোম্পানি গঠিত হয়।

এই কোম্পানির অধীনে ১৩২০ মেগাওয়াট মৈত্রী সুপার থার্মাল পাওয়ার প্রজেক্ট (রামপাল) নামে তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মান শুরু হয়। রামপাল উপজেলার রাজনগর ও গৌরম্ভা ইউনিয়নের সাপমারী কৈ-গর্দ্দাশকাঠি মৌজায় ১ হাজার ৩৪ একর জমি অধিগ্রহন শেষে ১৬ হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে রামপাল তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মান শুরু হয়।দীর্ঘ প্রক্রিয়া শেষে ২০২২ সালের ২৩ ডিসেম্বর এই কেন্দ্রের প্রথম ইউনিট উৎপাদনে যায়। আর এরও এক বছর পরে ২০২৩ সালের ২৪ অক্টোবর পরীক্ষামূলকভাবে উৎপাদনে যায় ২য় ইউনিট। আনুষ্ঠানিকভাবে বাণিজ্যিক উৎপাদন শুরু করে ২০২৪ সালের ১২ মার্চ। তবে বানিজ্যিকভাবে উৎপাদনে যাওয়ার পরে কারিগরি ত্রুটি ও বিভিন্ন কারণে ৩০ বারের বেশি উৎপাদন বন্ধ হওয়ার খবর রয়েছে।

আরও পড়ুনঃ  সিলেটে টিকিটের সাথে যাত্রীর নামের মিল না থাকলে ট্রেনে ভ্রমণ করা যাবে না