Dhaka ০৪:২১ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ১০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

জঙ্গলে একসঙ্গে মিলল ২৮ জনের কঙ্কাল

পশ্চিম আফ্রিকার দেশ নাইজেরিয়ায় দুটি দুর্গম জঙ্গল থেকে অন্তত ২৮ জনের মাথার খুলি ও হাড় উদ্ধার করেছে নিরাপত্তা বাহিনী। উদ্ধার হওয়া দেহাবশেষগুলো অপহরণের শিকার ব্যক্তিদের হতে পারে বলে ধারণা করছে পুলিশ।

শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) দেশটির দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলীয় আবিয়া প্রদেশের উমুয়াকু ও নিয়াতো এলাকার জঙ্গলে অভিযান চালিয়ে এসব দেহাবশেষ উদ্ধার করা হয়।

পুলিশ জানিয়েছে, অপরাধী চক্রের গোপন আস্তানা হিসেবে ব্যবহৃত হতে পারে—এমন তথ্যের ভিত্তিতে ওই এলাকায় অভিযান চালানো হয়। নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যরা সেখানে পৌঁছানোর আগেই সন্দেহভাজনরা পালিয়ে যায়।

পরে জঙ্গলের ভেতরে তল্লাশি চালিয়ে ২৮ জনের মাথার খুলি ও বিভিন্ন হাড় পাওয়া যায়। এসব দেহাবশেষ কার, তারা কীভাবে মারা গেছেন এবং কতদিন আগে ঘটনাটি ঘটেছে—তা জানতে তদন্ত শুরু হয়েছে।

পুলিশের মুখপাত্র মরিন চিনাকা জানান, দেহাবশেষের পরিচয় শনাক্ত করতে ফরেনসিক পরীক্ষা করা হবে। একই সঙ্গে এগুলো ওই অঞ্চলের অমীমাংসিত অপহরণ মামলাগুলোর সঙ্গে সম্পর্কিত কি না, সেটিও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

স্থানীয় পুলিশ জানিয়েছে, জঙ্গলে অভিযান চালানোর সময় অপরাধী চক্রের সদস্যরা পালিয়ে যাওয়ায় কাউকে ঘটনাস্থল থেকে আটক করা সম্ভব হয়নি। তাদের গ্রেপ্তারে এলাকায় নজরদারি বাড়ানো হয়েছে।

দক্ষিণ-পূর্ব নাইজেরিয়ার বিভিন্ন দুর্গম এলাকায় অপহরণকারী চক্রের তৎপরতা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই উদ্বেগ রয়েছে। মুক্তিপণের দাবিতে স্থানীয় বাসিন্দা, যাত্রী ও বিভিন্ন পেশার মানুষকে অপহরণের অভিযোগও রয়েছে এসব চক্রের বিরুদ্ধে।

পুলিশ জানিয়েছে, উদ্ধার হওয়া দেহাবশেষের পরিচয় নিশ্চিত করার পাশাপাশি ঘটনাটির সঙ্গে জড়িতদের শনাক্তে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।

আরও পড়ুনঃ  জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধির পর বাড়ল বাস ভাড়া
Tag :
জনপ্রিয় পোস্ট

জঙ্গলে একসঙ্গে মিলল ২৮ জনের কঙ্কাল

Update Time : ০৩:৫৭:২১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬

পশ্চিম আফ্রিকার দেশ নাইজেরিয়ায় দুটি দুর্গম জঙ্গল থেকে অন্তত ২৮ জনের মাথার খুলি ও হাড় উদ্ধার করেছে নিরাপত্তা বাহিনী। উদ্ধার হওয়া দেহাবশেষগুলো অপহরণের শিকার ব্যক্তিদের হতে পারে বলে ধারণা করছে পুলিশ।

শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) দেশটির দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলীয় আবিয়া প্রদেশের উমুয়াকু ও নিয়াতো এলাকার জঙ্গলে অভিযান চালিয়ে এসব দেহাবশেষ উদ্ধার করা হয়।

পুলিশ জানিয়েছে, অপরাধী চক্রের গোপন আস্তানা হিসেবে ব্যবহৃত হতে পারে—এমন তথ্যের ভিত্তিতে ওই এলাকায় অভিযান চালানো হয়। নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যরা সেখানে পৌঁছানোর আগেই সন্দেহভাজনরা পালিয়ে যায়।

পরে জঙ্গলের ভেতরে তল্লাশি চালিয়ে ২৮ জনের মাথার খুলি ও বিভিন্ন হাড় পাওয়া যায়। এসব দেহাবশেষ কার, তারা কীভাবে মারা গেছেন এবং কতদিন আগে ঘটনাটি ঘটেছে—তা জানতে তদন্ত শুরু হয়েছে।

পুলিশের মুখপাত্র মরিন চিনাকা জানান, দেহাবশেষের পরিচয় শনাক্ত করতে ফরেনসিক পরীক্ষা করা হবে। একই সঙ্গে এগুলো ওই অঞ্চলের অমীমাংসিত অপহরণ মামলাগুলোর সঙ্গে সম্পর্কিত কি না, সেটিও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

স্থানীয় পুলিশ জানিয়েছে, জঙ্গলে অভিযান চালানোর সময় অপরাধী চক্রের সদস্যরা পালিয়ে যাওয়ায় কাউকে ঘটনাস্থল থেকে আটক করা সম্ভব হয়নি। তাদের গ্রেপ্তারে এলাকায় নজরদারি বাড়ানো হয়েছে।

দক্ষিণ-পূর্ব নাইজেরিয়ার বিভিন্ন দুর্গম এলাকায় অপহরণকারী চক্রের তৎপরতা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই উদ্বেগ রয়েছে। মুক্তিপণের দাবিতে স্থানীয় বাসিন্দা, যাত্রী ও বিভিন্ন পেশার মানুষকে অপহরণের অভিযোগও রয়েছে এসব চক্রের বিরুদ্ধে।

পুলিশ জানিয়েছে, উদ্ধার হওয়া দেহাবশেষের পরিচয় নিশ্চিত করার পাশাপাশি ঘটনাটির সঙ্গে জড়িতদের শনাক্তে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।

আরও পড়ুনঃ  মানবতাবিরোধী অপরাধের ৭ রায়ে ২৩ মৃত্যুদণ্ড, ১১ যাবজ্জীবন