Dhaka ০৯:৪১ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬, ৮ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
সিলিন্ডারের আগুনে দগ্ধ স্বামী-স্ত্রীর মৃত্যু, আইসিইউতে মেয়ে দেড় মিনিটের বক্তব্যে মন্ত্রীকে ২৫ বার ‘স্যার’ বললেন ইউএনও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে সন্ত্রাসীদের গোলাগুলি কনটেন্ট ক্রিয়েটরের পরিচয়ে হানিট্র্যাপ, আটক ২ নারী ভারত পালিয়ে যাওয়ার সময় যুব মহিলা লীগের নেত্রী আটক কুষ্টিয়ায় লালনমেলা থেকে গাঁজা সেবনের ২ হাজার সরঞ্জাম জব্দ সাধুসঙ্গে নিজেকে ও অজানাকে জানছেন লালন ভক্তরা বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য যুক্তরাষ্ট্রে মহাকাশ গবেষণার সুযোগ: মিলবে ১৩ হাজার ডলারের বৃত্তি প্রতিমা বিসর্জনস্থলে সিঁদুর খেলার সময় নববধূর মৃত্যু আইফোনের জন্য ১৭ বছর বয়সী কিশোরকে পিটিয়ে হ ত্যা

বিমান বন্দর থানা বিএনপির সভাপতি পদে আলোচনায় ত্যাগী নেতা এম. মখলিছ খান

সিলেট মহানগর বিএনপির আওতাধীন বিমান বন্দর থানা বিএনপির আসন্ন কমিটিতে সভাপতি পদপ্রার্থী হিসেবে জোর আলোচনায় রয়েছেন রাজপথের প্রবীণ ও ত্যাগী রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব এম. মখলিছ খান। দীর্ঘদিনের আন্দোলন-সংগ্রামে জেল-জুলুম, নির্যাতন ও রক্তঝরা ত্যাগের মাধ্যমে দলকে সুসংগঠিত রাখতে তিনি নিরলস ভূমিকা রেখে চলেছেন।
মরহুম তৈয়ব আলী খান ও মরহুমা হোসনে আরা বেগমের সুসন্তান এম. মখলিছ খান একজন শিক্ষানুরাগী ও ব্যবসায়ী ব্যক্তিত্ব। তিনি ঐতিহ্যবাহী সিলেট মদন মোহন বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ থেকে স্নাতক (বিএ) ডিগ্রি অর্জন করেন। ছাত্রজীবন থেকেই বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের প্রচারবিমুখ ও নিষ্ঠাবান কর্মী হিসেবে তাঁর রাজনীতিতে পথচলা শুরু হয়।
পরবর্তীতে দীর্ঘ দিন সিলেট মহানগরীর ৭নং ওয়ার্ড বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক ও সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করে তৃণমূলকে সুসংগঠিত করেন তিনি। পরবর্তীতে ২০১৬ সালে গঠিত সিলেট মহানগর বিএনপির কার্যকরী কমিটির সদস্য এবং ৭নং ওয়ার্ড বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবে কাজ করেন। বর্তমানে তিনি ৭নং ওয়ার্ড বিএনপির সহ-সভাপতির দায়িত্ব পালন করছেন।
জাতীয়তাবাদী দলের আদর্শ বাস্তবায়নে রাজপথে সক্রিয় থাকতে গিয়ে চরম রাজনৈতিক প্রতিহিংসা ও নির্যাতনের শিকার হতে হয়েছে এম. মখলিছ খানকে। রাজনৈতিক কারণে এ পর্যন্ত তাঁর বিরুদ্ধে ৭টি মামলা দায়ের করা হয়েছে এবং তিনি ৫ বার কারাবরণ করেছেন।
শুধু জেল-জুলুমই নয়, তাঁর ওপর নেমে এসেছে প্রত্যক্ষ শারীরিক ও আর্থিক নির্যাতন। একাধিকবার তাঁর বাসস্থান ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে হামলা ও ভাঙচুর চালানো হয়। ১৯৯৮ ও ২০০১ সালে রাজনৈতিক হামলায় তাঁর ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ভাঙচুর করা হয়। উক্ত হামলায় সন্ত্রাসীদের গুলিতে তিনি বাঁ পায়ে মারাত্মকভাবে গুলিবিদ্ধ হন, যেখানে তাঁর বাবাও আহত হয়েছিলেন। পরবর্তীতে ২০১৪ সালেও তিনি পুনরায় রাজনৈতিক সহিংসতার শিকার হন।
দলকে আরও গতিশীল ও শক্তিশালী করা প্রসঙ্গে এম. মখলিছ খান বলেন, “শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আদর্শ বাস্তবায়নে, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে এবং দেশনায়ক তারেক রহমানের দিক-নির্দেশনায় ত্যাগী, নির্যাতিত ও দক্ষ কর্মীদের মূল্যায়নের বিকল্প নেই। অতীতে রাজপথে আন্দোলন-সংগ্রামে যাদের ত্যাগ ও ভূমিকা রয়েছে, তাদেরকে উপযুক্ত মূল্যায়ন করা হলে আগামী দিনের যেকোনো রাজনৈতিক সংগ্রামে দল আরও বেশি শক্তিশালী ও গতিশীল হবে।”
বিমান বন্দর থানা বিএনপির কমিটিতে রাজপথের এই ত্যাগী ও পরীক্ষিত নেতাকে সভাপতি হিসেবে দেখতে চান দলের তৃণমূলের নেতাকর্মী ও সমর্থকেরা।

আরও পড়ুনঃ  নবজাতক সন্তানকে রেখে দেশে ফিরেই ট্রাকচাপায় প্রাণ গেল সুইডেনপ্রবাসীর
Tag :
জনপ্রিয় পোস্ট

সিলিন্ডারের আগুনে দগ্ধ স্বামী-স্ত্রীর মৃত্যু, আইসিইউতে মেয়ে

বিমান বন্দর থানা বিএনপির সভাপতি পদে আলোচনায় ত্যাগী নেতা এম. মখলিছ খান

Update Time : ১২:২২:০০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬

সিলেট মহানগর বিএনপির আওতাধীন বিমান বন্দর থানা বিএনপির আসন্ন কমিটিতে সভাপতি পদপ্রার্থী হিসেবে জোর আলোচনায় রয়েছেন রাজপথের প্রবীণ ও ত্যাগী রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব এম. মখলিছ খান। দীর্ঘদিনের আন্দোলন-সংগ্রামে জেল-জুলুম, নির্যাতন ও রক্তঝরা ত্যাগের মাধ্যমে দলকে সুসংগঠিত রাখতে তিনি নিরলস ভূমিকা রেখে চলেছেন।
মরহুম তৈয়ব আলী খান ও মরহুমা হোসনে আরা বেগমের সুসন্তান এম. মখলিছ খান একজন শিক্ষানুরাগী ও ব্যবসায়ী ব্যক্তিত্ব। তিনি ঐতিহ্যবাহী সিলেট মদন মোহন বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ থেকে স্নাতক (বিএ) ডিগ্রি অর্জন করেন। ছাত্রজীবন থেকেই বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের প্রচারবিমুখ ও নিষ্ঠাবান কর্মী হিসেবে তাঁর রাজনীতিতে পথচলা শুরু হয়।
পরবর্তীতে দীর্ঘ দিন সিলেট মহানগরীর ৭নং ওয়ার্ড বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক ও সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করে তৃণমূলকে সুসংগঠিত করেন তিনি। পরবর্তীতে ২০১৬ সালে গঠিত সিলেট মহানগর বিএনপির কার্যকরী কমিটির সদস্য এবং ৭নং ওয়ার্ড বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবে কাজ করেন। বর্তমানে তিনি ৭নং ওয়ার্ড বিএনপির সহ-সভাপতির দায়িত্ব পালন করছেন।
জাতীয়তাবাদী দলের আদর্শ বাস্তবায়নে রাজপথে সক্রিয় থাকতে গিয়ে চরম রাজনৈতিক প্রতিহিংসা ও নির্যাতনের শিকার হতে হয়েছে এম. মখলিছ খানকে। রাজনৈতিক কারণে এ পর্যন্ত তাঁর বিরুদ্ধে ৭টি মামলা দায়ের করা হয়েছে এবং তিনি ৫ বার কারাবরণ করেছেন।
শুধু জেল-জুলুমই নয়, তাঁর ওপর নেমে এসেছে প্রত্যক্ষ শারীরিক ও আর্থিক নির্যাতন। একাধিকবার তাঁর বাসস্থান ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে হামলা ও ভাঙচুর চালানো হয়। ১৯৯৮ ও ২০০১ সালে রাজনৈতিক হামলায় তাঁর ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ভাঙচুর করা হয়। উক্ত হামলায় সন্ত্রাসীদের গুলিতে তিনি বাঁ পায়ে মারাত্মকভাবে গুলিবিদ্ধ হন, যেখানে তাঁর বাবাও আহত হয়েছিলেন। পরবর্তীতে ২০১৪ সালেও তিনি পুনরায় রাজনৈতিক সহিংসতার শিকার হন।
দলকে আরও গতিশীল ও শক্তিশালী করা প্রসঙ্গে এম. মখলিছ খান বলেন, “শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আদর্শ বাস্তবায়নে, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে এবং দেশনায়ক তারেক রহমানের দিক-নির্দেশনায় ত্যাগী, নির্যাতিত ও দক্ষ কর্মীদের মূল্যায়নের বিকল্প নেই। অতীতে রাজপথে আন্দোলন-সংগ্রামে যাদের ত্যাগ ও ভূমিকা রয়েছে, তাদেরকে উপযুক্ত মূল্যায়ন করা হলে আগামী দিনের যেকোনো রাজনৈতিক সংগ্রামে দল আরও বেশি শক্তিশালী ও গতিশীল হবে।”
বিমান বন্দর থানা বিএনপির কমিটিতে রাজপথের এই ত্যাগী ও পরীক্ষিত নেতাকে সভাপতি হিসেবে দেখতে চান দলের তৃণমূলের নেতাকর্মী ও সমর্থকেরা।

আরও পড়ুনঃ  শাহজালালের মাজারে এবার মিলল ৮৮ লাখ ৯২ হাজার টাকা