Dhaka ১১:০৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬, ১৪ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
টম ক্রুজের পদবি বাদ দিলেন মেয়ে সুরি, মায়ের মধ্যনাম ‘নোয়েল’ এখন তার শেষ নাম সীমান্তের প্রান্তিক জনপদে শিক্ষার প্রদীপ জ্বালাচ্ছে গুচ্ছগ্রাম বিদ্যালয়: প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ কালীগঞ্জে বিধবা ও প্রতিবন্ধী পরিবারের সম্পত্তি জবর দখলের অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন ডোপ টেস্টে ইতিবাচক ফল, অভিযুক্তের ৫ মাসের জেল সহ জরিমানা আদমদীঘি থানা পুলিশের বিশেষ অভিযানে নারী সহ গ্রেপ্তার-৮!! ভূরুঙ্গামারীতে যৌথ অভিযানে ১৫ ফুটের গাঁজাগাছসহ মাদককারবারি গ্রেপ্তার রাজশাহীতে পদ্মা নদীতে নৌকাডুবি বঙ্গভবনে কার্যক্রম শুরু করেছেন ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি Coronavirus disease 2019 ভারতের পর এবার চীনে গেলেন মিয়ানমারের প্রেসিডেন্ট

বিলবোর্ড নিয়ে অস্পষ্টতায় আচরণবিধি মানতে হিমশিম খাচ্ছেন প্রার্থীরা

  • Reporter Name
  • Update Time : ১২:১১:৩১ অপরাহ্ন, সোমবার, ২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ৫০২ Time View

এয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে নির্বাচনী প্রচারণা নিয়ে এবার কঠোর অবস্থান নিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। নির্বাচনের সময় পরিবেশ সুরক্ষা, শহরের সৌন্দর্য রক্ষা এবং অতিরিক্ত পোস্টার–ব্যানারের কারণে জনভোগান্তি কমানোর লক্ষ্যেই এই কড়াকড়ি করা হয়েছে। নতুন আচরণবিধি অনুযায়ী কোনো ধরনের পোস্টার ব্যবহার সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করা হয়েছে। একই সঙ্গে ব্যানার, ফেস্টুন ও লিফলেট তৈরি করতে হবে পচনশীল ও পরিবেশবান্ধব উপকরণ দিয়ে। প্লাস্টিক, পিভিসি, পলিথিন বা অন্য অপচনশীল বস্তু দিয়ে প্রচার সামগ্রী বানানো যাবে না।

এছাড়া প্রচারণার সব উপকরণ সাদা–কালো রঙে তৈরি করতে হবে। রঙিন ছাপা, ডিজিটাল প্রিন্ট বা ঝকঝকে ব্যানার ব্যবহারও নিষিদ্ধ করা হয়েছে। নির্বাচন কমিশনের মতে, রঙিন ও প্লাস্টিকের ব্যানার শহরের পরিবেশ নষ্ট করে এবং নির্বাচনের পর দীর্ঘদিন পরিষ্কার করা কঠিন হয়ে পড়ে। তাই নিয়মের মাধ্যমে প্রার্থীদের পরিবেশবান্ধব ও সীমিত আকারে প্রচারণার দিকে আনা হয়েছে।

তবে আচরণবিধিমালায় একটি জায়গায় স্পষ্টতা না থাকায় বিভ্রান্তি তৈরি হয়েছে। সেটি হলো বিলবোর্ড ব্যবহারের বিষয়টি। বিধিমালার ৭ ধারায় পোস্টার, ব্যানার, ফেস্টুন ও লিফলেটের বিষয়ে পরিষ্কার নিষেধাজ্ঞা থাকলেও বিলবোর্ড শব্দটি আলাদাভাবে ব্যাখ্যা করা হয়নি। এই অস্পষ্টতার সুযোগ নিয়ে অনেক প্রার্থী বিলবোর্ড বানাচ্ছেন। তারা বলছেন, যেহেতু বিলবোর্ড নিয়ে স্পষ্ট নিষেধ নেই, তাই কাপড়ের তৈরি সাদা–কালো বিলবোর্ড ব্যবহার করা বৈধ।

বাস্তবে দেখা যাচ্ছে, বেশিরভাগ প্রার্থী কাপড়ে তৈরি বড় আকারের সাদা–কালো বিলবোর্ড বিভিন্ন সড়ক, ফুটওভার ব্রিজ ও গুরুত্বপূর্ণ মোড়ে টানিয়েছেন। কেউ কেউ পিভিসি ব্যবহার না করলেও বিলবোর্ডের আকার বড় হওয়ায় তা ব্যানার–ফেস্টুনের মতোই চোখে পড়ে। ফলে আচরণবিধির মূল উদ্দেশ্য—শহরকে পরিচ্ছন্ন রাখা ও প্রচারণা সীমিত করা—পুরোপুরি বাস্তবায়িত হচ্ছে না।

সচেতন নাগরিকদের মতে, বিলবোর্ড নিয়ে নির্বাচন কমিশনের স্পষ্ট নির্দেশনা দেওয়া প্রয়োজন। বিলবোর্ড নিষিদ্ধ কি না, আকার কত হবে, কোথায় লাগানো যাবে—এসব বিষয়ে পরিষ্কার নিয়ম না থাকলে প্রার্থীরা ভিন্ন ব্যাখ্যা দিয়ে নিয়মের ফাঁক ব্যবহার করবে। এতে একদিকে অসম প্রতিযোগিতা তৈরি হবে, অন্যদিকে নির্বাচনী শৃঙ্খলা দুর্বল হয়ে পড়বে। তাই সুষ্ঠু ও সুন্দর নির্বাচন নিশ্চিত করতে ইসির উচিত আচরণবিধির এই অস্পষ্টতা দ্রুত দূর করা।

আরও পড়ুনঃ  উন্নয়ন প্রকল্পের অগ্রগতি পর্যালোচনা সভা অনুষ্ঠিতসময়সীমা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিতে নির্দেশনা
Tag :
About Author Information

টম ক্রুজের পদবি বাদ দিলেন মেয়ে সুরি, মায়ের মধ্যনাম ‘নোয়েল’ এখন তার শেষ নাম

বিলবোর্ড নিয়ে অস্পষ্টতায় আচরণবিধি মানতে হিমশিম খাচ্ছেন প্রার্থীরা

Update Time : ১২:১১:৩১ অপরাহ্ন, সোমবার, ২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

এয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে নির্বাচনী প্রচারণা নিয়ে এবার কঠোর অবস্থান নিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। নির্বাচনের সময় পরিবেশ সুরক্ষা, শহরের সৌন্দর্য রক্ষা এবং অতিরিক্ত পোস্টার–ব্যানারের কারণে জনভোগান্তি কমানোর লক্ষ্যেই এই কড়াকড়ি করা হয়েছে। নতুন আচরণবিধি অনুযায়ী কোনো ধরনের পোস্টার ব্যবহার সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করা হয়েছে। একই সঙ্গে ব্যানার, ফেস্টুন ও লিফলেট তৈরি করতে হবে পচনশীল ও পরিবেশবান্ধব উপকরণ দিয়ে। প্লাস্টিক, পিভিসি, পলিথিন বা অন্য অপচনশীল বস্তু দিয়ে প্রচার সামগ্রী বানানো যাবে না।

এছাড়া প্রচারণার সব উপকরণ সাদা–কালো রঙে তৈরি করতে হবে। রঙিন ছাপা, ডিজিটাল প্রিন্ট বা ঝকঝকে ব্যানার ব্যবহারও নিষিদ্ধ করা হয়েছে। নির্বাচন কমিশনের মতে, রঙিন ও প্লাস্টিকের ব্যানার শহরের পরিবেশ নষ্ট করে এবং নির্বাচনের পর দীর্ঘদিন পরিষ্কার করা কঠিন হয়ে পড়ে। তাই নিয়মের মাধ্যমে প্রার্থীদের পরিবেশবান্ধব ও সীমিত আকারে প্রচারণার দিকে আনা হয়েছে।

তবে আচরণবিধিমালায় একটি জায়গায় স্পষ্টতা না থাকায় বিভ্রান্তি তৈরি হয়েছে। সেটি হলো বিলবোর্ড ব্যবহারের বিষয়টি। বিধিমালার ৭ ধারায় পোস্টার, ব্যানার, ফেস্টুন ও লিফলেটের বিষয়ে পরিষ্কার নিষেধাজ্ঞা থাকলেও বিলবোর্ড শব্দটি আলাদাভাবে ব্যাখ্যা করা হয়নি। এই অস্পষ্টতার সুযোগ নিয়ে অনেক প্রার্থী বিলবোর্ড বানাচ্ছেন। তারা বলছেন, যেহেতু বিলবোর্ড নিয়ে স্পষ্ট নিষেধ নেই, তাই কাপড়ের তৈরি সাদা–কালো বিলবোর্ড ব্যবহার করা বৈধ।

বাস্তবে দেখা যাচ্ছে, বেশিরভাগ প্রার্থী কাপড়ে তৈরি বড় আকারের সাদা–কালো বিলবোর্ড বিভিন্ন সড়ক, ফুটওভার ব্রিজ ও গুরুত্বপূর্ণ মোড়ে টানিয়েছেন। কেউ কেউ পিভিসি ব্যবহার না করলেও বিলবোর্ডের আকার বড় হওয়ায় তা ব্যানার–ফেস্টুনের মতোই চোখে পড়ে। ফলে আচরণবিধির মূল উদ্দেশ্য—শহরকে পরিচ্ছন্ন রাখা ও প্রচারণা সীমিত করা—পুরোপুরি বাস্তবায়িত হচ্ছে না।

সচেতন নাগরিকদের মতে, বিলবোর্ড নিয়ে নির্বাচন কমিশনের স্পষ্ট নির্দেশনা দেওয়া প্রয়োজন। বিলবোর্ড নিষিদ্ধ কি না, আকার কত হবে, কোথায় লাগানো যাবে—এসব বিষয়ে পরিষ্কার নিয়ম না থাকলে প্রার্থীরা ভিন্ন ব্যাখ্যা দিয়ে নিয়মের ফাঁক ব্যবহার করবে। এতে একদিকে অসম প্রতিযোগিতা তৈরি হবে, অন্যদিকে নির্বাচনী শৃঙ্খলা দুর্বল হয়ে পড়বে। তাই সুষ্ঠু ও সুন্দর নির্বাচন নিশ্চিত করতে ইসির উচিত আচরণবিধির এই অস্পষ্টতা দ্রুত দূর করা।

আরও পড়ুনঃ  সিলেট অনলাইন প্রেসক্লাবের জীবন সদস্য হলেন কয়েস লোদী