Dhaka ০৫:৫২ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬, ২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
অটোরিকশার ওপর উঠে গেল মালবাহী ট্রাক, নিহত ৫ বন্দরে পূজার ছুটির ‘ধাক্কা’ শুল্ক না দিয়েই ৭ কোটি টাকার পণ্য ছাড়! অবশেষে সেই ভিডিও নিয়ে মুখ খুললেন পরীমনি রণ.ক্ষেত্র উত্তরা: পোশাক শ্রমিক-পুলিশ সংঘর্ষ, আহত ৫০ বগুড়ায় ট্রেনে কাটা পড়ে নারীর মৃত্যু, লাশের ওপর দিয়ে গেল আরেক ট্রেন ‘পেনশন নিয়ে বাড়ি ফিরতে পারবেন না’, পুলিশ কর্মকর্তাকে ছাত্রলীগ নেতা কক্সবাজারে রিসোর্টে আ গুনে নিহত বেড়ে ১০ নিজ কলেজ প্রাঙ্গণেও গেলেন প্রধানমন্ত্রী, শিক্ষার্থীদের দিলেন দেশ গড়ার বার্তা হঠাৎ শিশু হাসপাতালে প্রধানমন্ত্রী, কক্ষে ধূমপান করতে দেখেই চিকিৎসককে বরখাস্তের নির্দেশ সিলেটের কানাইঘাট সীমান্তে ভারতীয় অভ্যন্তরে গুলিতে বাংলাদেশি যুবক নিহত

রণ.ক্ষেত্র উত্তরা: পোশাক শ্রমিক-পুলিশ সংঘর্ষ, আহত ৫০

রাজধানীর উত্তরায় বকেয়া বেতন পরিশোধ এবং সর্বনিম্ন ৩০ হাজার টাকা মূল বেতন নির্ধারণের দাবিতে পোশাক শ্রমিকদের আন্দোলন ঘিরে শ্রমিক ও পুলিশের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে।

শনিবার (১৭ অক্টোবর) বেলা সাড়ে ১১টায় ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের রাজলক্ষ্মী এলাকায় এ সংঘর্ষ হয়। এতে ১৯ জন পুলিশ সদস্যসহ অন্তত ৫০ জন আহত হয়েছেন। সংঘর্ষের সময় ইন্ডাস্ট্রিয়াল পুলিশের একটি গাড়িও ভাঙচুর করা হয়।

শ্রমিকদের দাবি আদায়ের আন্দোলনের পঞ্চম দিনে শনিবার সকালে মহাসড়কে অবস্থান নেয়ার চেষ্টা করেন বিভিন্ন পোশাক কারখানার শ্রমিকরা। সকাল ১০টার দিকে উত্তরখান ও দক্ষিণখান থানা এলাকার বিভিন্ন কারখানার শ্রমিকরা কয়েকটি স্থানে জড়ো হতে শুরু করেন।

পরে তারা কসাইবাড়ি রেলগেট, জামতলা রেলগেট, আজমপুর রেলগেট এবং জসিমউদ্দিনের হলি ল্যাব মোড়ে সমবেত হন।

পরবর্তী সময়ে বেলা ১১টার দিকে শ্রমিকরা রাজলক্ষ্মী-সংলগ্ন উত্তরা ৪ নম্বর সেক্টরের ১৩ নম্বর সড়কে একত্রিত হন। সেখান থেকে তারা ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের পূর্ব পাশে অবস্থান নিয়ে সড়ক অবরোধের চেষ্টা করেন। এ সময় যান চলাচল ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কায় পুলিশ তাদের বাধা দেয়।

পুলিশের বাধার মুখে আন্দোলনকারী শ্রমিকদের সঙ্গে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। একপর্যায়ে শ্রমিকরা লাঠিসোটা নিয়ে পুলিশের ওপর চড়াও হন এবং ইট-পাটকেল নিক্ষেপ করেন। এ সময় ইন্ডাস্ট্রিয়াল পুলিশের একটি গাড়ি ভাঙচুর করা হয়। এতে কয়েকজন পুলিশ সদস্য আহত হন।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ প্রথমে লাঠিচার্জ করে। পরে আন্দোলনকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে টিয়ারশেল, সাউন্ড গ্রেনেড, রাবার বুলেট ও জলকামান ব্যবহার করা হয়। সংঘর্ষে উভয় পক্ষের সদস্যরা আহত হন। আহতদের মধ্যে ১৯ জন পুলিশ সদস্য রয়েছেন। সব মিলিয়ে আহতের সংখ্যা অন্তত ৫০ বলে জানা গেছে।

শ্রমিকদের আন্দোলনকে কেন্দ্র করে উত্তরা এলাকার আজমপুর, রাজলক্ষ্মী ও বিএনএস সেন্টার এলাকায় আগে থেকেই অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছিল। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে পুলিশের এপিসি (আর্মার্ড পার্সোনেল ক্যারিয়ার) ও জলকামানও প্রস্তুত রাখা হয়।

আরও পড়ুনঃ  চাঞ্চল্যকর তথ্য দিলেন ‘ডেভিড ইমন’
Tag :
জনপ্রিয় পোস্ট

অটোরিকশার ওপর উঠে গেল মালবাহী ট্রাক, নিহত ৫

রণ.ক্ষেত্র উত্তরা: পোশাক শ্রমিক-পুলিশ সংঘর্ষ, আহত ৫০

Update Time : ০৩:৫৭:৪২ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬

রাজধানীর উত্তরায় বকেয়া বেতন পরিশোধ এবং সর্বনিম্ন ৩০ হাজার টাকা মূল বেতন নির্ধারণের দাবিতে পোশাক শ্রমিকদের আন্দোলন ঘিরে শ্রমিক ও পুলিশের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে।

শনিবার (১৭ অক্টোবর) বেলা সাড়ে ১১টায় ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের রাজলক্ষ্মী এলাকায় এ সংঘর্ষ হয়। এতে ১৯ জন পুলিশ সদস্যসহ অন্তত ৫০ জন আহত হয়েছেন। সংঘর্ষের সময় ইন্ডাস্ট্রিয়াল পুলিশের একটি গাড়িও ভাঙচুর করা হয়।

শ্রমিকদের দাবি আদায়ের আন্দোলনের পঞ্চম দিনে শনিবার সকালে মহাসড়কে অবস্থান নেয়ার চেষ্টা করেন বিভিন্ন পোশাক কারখানার শ্রমিকরা। সকাল ১০টার দিকে উত্তরখান ও দক্ষিণখান থানা এলাকার বিভিন্ন কারখানার শ্রমিকরা কয়েকটি স্থানে জড়ো হতে শুরু করেন।

পরে তারা কসাইবাড়ি রেলগেট, জামতলা রেলগেট, আজমপুর রেলগেট এবং জসিমউদ্দিনের হলি ল্যাব মোড়ে সমবেত হন।

পরবর্তী সময়ে বেলা ১১টার দিকে শ্রমিকরা রাজলক্ষ্মী-সংলগ্ন উত্তরা ৪ নম্বর সেক্টরের ১৩ নম্বর সড়কে একত্রিত হন। সেখান থেকে তারা ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের পূর্ব পাশে অবস্থান নিয়ে সড়ক অবরোধের চেষ্টা করেন। এ সময় যান চলাচল ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কায় পুলিশ তাদের বাধা দেয়।

পুলিশের বাধার মুখে আন্দোলনকারী শ্রমিকদের সঙ্গে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। একপর্যায়ে শ্রমিকরা লাঠিসোটা নিয়ে পুলিশের ওপর চড়াও হন এবং ইট-পাটকেল নিক্ষেপ করেন। এ সময় ইন্ডাস্ট্রিয়াল পুলিশের একটি গাড়ি ভাঙচুর করা হয়। এতে কয়েকজন পুলিশ সদস্য আহত হন।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ প্রথমে লাঠিচার্জ করে। পরে আন্দোলনকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে টিয়ারশেল, সাউন্ড গ্রেনেড, রাবার বুলেট ও জলকামান ব্যবহার করা হয়। সংঘর্ষে উভয় পক্ষের সদস্যরা আহত হন। আহতদের মধ্যে ১৯ জন পুলিশ সদস্য রয়েছেন। সব মিলিয়ে আহতের সংখ্যা অন্তত ৫০ বলে জানা গেছে।

শ্রমিকদের আন্দোলনকে কেন্দ্র করে উত্তরা এলাকার আজমপুর, রাজলক্ষ্মী ও বিএনএস সেন্টার এলাকায় আগে থেকেই অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছিল। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে পুলিশের এপিসি (আর্মার্ড পার্সোনেল ক্যারিয়ার) ও জলকামানও প্রস্তুত রাখা হয়।

আরও পড়ুনঃ  এইচএসসির ফল প্রকাশের সম্ভাব্য তারিখ জানা গেল