আজ সকালে মাছটি চেয়ারম্যান ঘাটে নিয়ে আসার পর এনায়েত মৎস্য আড়তে নিলামে তোলা হয়। এ সময় স্থানীয় ব্যবসায়ীরা মাছটি কেনার জন্য দর হাঁকেন। একপর্যায়ে ১০ হাজার টাকায় মাছটি কিনে নেন ব্যবসায়ী মো. বেলাল হোসেন।এনায়েত মৎস্য আড়তের মালিক এনায়েত হোসেন বলেন, সকালে জেলেরা মাছটি ঘাটে নিয়ে আসেন। এত বড় একটি ইলিশ দেখে আড়তে আসা ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষের মধ্যে আগ্রহ তৈরি হয়। নিলামে মাছটির দাম ১০ হাজার টাকা ওঠে। পরে স্থানীয় এক ব্যবসায়ী সেটি কিনে নেন।
এ বিষয়ে জেলে মো. মিলন হোসেন বলেন, আমরা ৯ জন মাঝিমাল্লা নিয়ে ছয় দিনের জন্য সাগরে মাছ ধরতে যাই। অন্যান্য ইলিশের সঙ্গে জালে বড় এই মাছটি ধরা পড়ে। এত বড় ইলিশ পাওয়ায় আমরা সবাই আনন্দিত। ভালো দাম পাওয়ায় আমাদেরও ভালো লেগেছে
হাতিয়া মৎস্য ব্যবসায়ী সমবায় সমিতির সভাপতি মো. শাহেদ হোসেন বলেন, সাগরে জেলেদের জালে মাঝেমধ্যে বড় আকারের ইলিশ ধরা পড়ে। তবে ৩ কেজি ওজনের ইলিশ সব সময় পাওয়া যায় না। বড় ইলিশের চাহিদাও বেশি। এ কারণে নিলামে মাছটির ভালো দাম উঠেছে।
জেলা মৎস্য কর্মকর্তা হারুন অর রশিদ বলেন, ইলিশ আমাদের জাতীয় মাছ। সাগরে বড় আকারের ইলিশ ধরা পড়া স্বাভাবিক। তবে ইলিশের উৎপাদন ও প্রজনন বাড়াতে সরকার নির্ধারিত সময়ে মাছ ধরার নিষেধাজ্ঞা মেনে চলা এবং জাটকা সংরক্ষণ করা জরুরি। জেলেদের পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট সবাইকে মৎস্যসম্পদ রক্ষায় সচেতন হতে হবে।