Dhaka ০৪:৫৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬, ৮ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
৭ বছর বয়সী শিশুকে যৌন নিপীড়নের অভিযোগ, গণধোলাইয়ের পর মাদ্রাসা শিক্ষক গ্রেপ্তার আজ থেকে রাত ৮টায় বন্ধ করতে হবে দোকানপাট সিলেটে টিলা কাটার দায়ে ২ জনকে লাখ টাকা জরিমানা সিলেটে খুন হওয়া যুবদল নেতার বাড়িতে মন্ত্রী আরিফ, আসামিদের দ্রুত গ্রেপ্তারের নির্দেশ সিলেটে হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে মৃত্যু ২০০ ছাড়াল, ২৪ ঘণ্টায় আরও ৩ শিশুর প্রাণহানি সিলিন্ডারের আগুনে দগ্ধ স্বামী-স্ত্রীর মৃত্যু, আইসিইউতে মেয়ে দেড় মিনিটের বক্তব্যে মন্ত্রীকে ২৫ বার ‘স্যার’ বললেন ইউএনও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে সন্ত্রাসীদের গোলাগুলি কনটেন্ট ক্রিয়েটরের পরিচয়ে হানিট্র্যাপ, আটক ২ নারী ভারত পালিয়ে যাওয়ার সময় যুব মহিলা লীগের নেত্রী আটক

দুই আঙুলে স্বপ্ন আঁকেন আদরি, প্রতিবন্ধকতাকে হারিয়ে গড়ছেন ভবিষ্যৎ

  • desk news
  • Update Time : ০২:৩৭:২৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৬ অগাস্ট ২০২৬
  • ৮০১ Time View

তিনি হাসেন, স্বপ্ন দেখেন এবং স্বপ্ন দেখান। শ্রেণিকক্ষের ব্ল্যাকবোর্ডে তিনি শুধু অক্ষর লেখেন না, পরম মমতায় যেন একেকটি শিশুর উজ্জ্বল ভবিষ্যৎও বুনে দেন। গল্পটা শুনলে রূপকথার কোনো সাহসী নারীর কথা মনে হতে পারে। তিনি আদরি খাতুন। বগুড়া সদরের ধাওয়া কলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের এই শিক্ষিকার জীবন যেন হার না মানার এক অনন্য গল্প।

জন্ম থেকেই তার দুই হাত স্বাভাবিকের চেয়ে ছোট। ডান হাতে নেই স্বাভাবিক আকৃতি, আর বাম হাতে নখসহ আঙুল রয়েছে মাত্র দুটি। একটি পা-ও নেই তার। চলাফেরায় ভরসা করতে হয় কৃত্রিম পায়ের ওপর। কিন্তু শারীরিক এই প্রতিবন্ধকতা কখনোই থামাতে পারেনি তার অদম্য পথচলা।

বাম হাতের ছোট্ট দুটি আঙুলে কলম ধরে পড়াশোনা চালিয়ে গেছেন তিনি। নিজের মেধা, পরিশ্রম ও অদম্য ইচ্ছাশক্তির জোরে অর্জন করেছেন মাস্টার্স ডিগ্রি। বর্তমানে তিনি শুধু একজন শিক্ষিকাই নন, স্কুলের শিক্ষার্থী ও সহকর্মীদের কাছেও প্রেরণার এক নাম।

শিক্ষকতার পাশাপাশি আদরি খাতুন একজন সফল কৃষি উদ্যোক্তাও। ১২ বিঘা জমিতে গড়ে তুলেছেন বড় একটি পেয়ারা বাগান। পাশাপাশি সুঁই-সুতা ও রঙের নিপুণ ব্যবহারে তিনি দক্ষ বুটিকস শিল্পী হিসেবেও নিজের পরিচয় তৈরি করেছেন।

তবে এই পথ মোটেও সহজ ছিল না। স্বাবলম্বী হওয়ার আশায় একসময় হাতের কাজের প্রশিক্ষণ নিতে গিয়েছিলেন আদরি। কিন্তু শারীরিক প্রতিবন্ধকতার কারণ দেখিয়ে তাকে প্রশিক্ষণ থেকে ফিরিয়ে দেওয়া হয়। সেই প্রত্যাখ্যান তাকে ভেঙে দেয়নি; বরং নিজের পায়ে দাঁড়ানোর সংকল্প আরও দৃঢ় করেছে।

জীবনের কঠিন সময়ে যখন তিনি ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করছেন, তখন প্রথম সন্তান জন্মের পর স্বামী প্রবাসে চলে যান। একদিকে সংসার, অন্যদিকে ছোট সন্তান—সবকিছু সামলে নিজের যোগ্যতা ও পরিশ্রমে অর্জন করেন সরকারি চাকরি।

আজ নিজের সন্তানদের আদর্শ মানুষ হিসেবে গড়ে তোলার পাশাপাশি প্রতিদিন সকালে কৃত্রিম পায়ে ভর করে ছুটে আসেন ধাওয়া কলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে। শ্রেণিকক্ষে শিক্ষার্থীদের পাঠদানের পাশাপাশি নিজের জীবনসংগ্রামের গল্প দিয়েও তিনি যেন তাদের শেখান—প্রতিবন্ধকতা কখনো স্বপ্নের চেয়ে বড় নয়।

আরও পড়ুনঃ  কালীগঞ্জে বিধবা ও প্রতিবন্ধী পরিবারের সম্পত্তি জবর দখলের অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন

আদরি খাতুনের জীবন প্রমাণ করে, শারীরিক সীমাবদ্ধতা মানুষের মেধা, স্বপ্ন ও সম্ভাবনাকে থামিয়ে দিতে পারে না। প্রতিকূলতাকে জয় করে এগিয়ে চলা এই শিক্ষিকার সংগ্রামী জীবন সমাজের মানুষের জন্য অনুপ্রেরণার এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত।

তিনি হাসেন, স্বপ্ন দেখেন এবং স্বপ্ন দেখান। শ্রেণিকক্ষের ব্ল্যাকবোর্ডে তিনি শুধু অক্ষর লেখেন না, পরম মমতায় যেন একেকটি শিশুর উজ্জ্বল ভবিষ্যৎও বুনে দেন। গল্পটা শুনলে রূপকথার কোনো সাহসী নারীর কথা মনে হতে পারে। তিনি আদরি খাতুন। বগুড়া সদরের ধাওয়া কলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের এই শিক্ষিকার জীবন যেন হার না মানার এক অনন্য গল্প।

জন্ম থেকেই তার দুই হাত স্বাভাবিকের চেয়ে ছোট। ডান হাতে নেই স্বাভাবিক আকৃতি, আর বাম হাতে নখসহ আঙুল রয়েছে মাত্র দুটি। একটি পা-ও নেই তার। চলাফেরায় ভরসা করতে হয় কৃত্রিম পায়ের ওপর। কিন্তু শারীরিক এই প্রতিবন্ধকতা কখনোই থামাতে পারেনি তার অদম্য পথচলা।

বাম হাতের ছোট্ট দুটি আঙুলে কলম ধরে পড়াশোনা চালিয়ে গেছেন তিনি। নিজের মেধা, পরিশ্রম ও অদম্য ইচ্ছাশক্তির জোরে অর্জন করেছেন মাস্টার্স ডিগ্রি। বর্তমানে তিনি শুধু একজন শিক্ষিকাই নন, স্কুলের শিক্ষার্থী ও সহকর্মীদের কাছেও প্রেরণার এক নাম।

শিক্ষকতার পাশাপাশি আদরি খাতুন একজন সফল কৃষি উদ্যোক্তাও। ১২ বিঘা জমিতে গড়ে তুলেছেন বড় একটি পেয়ারা বাগান। পাশাপাশি সুঁই-সুতা ও রঙের নিপুণ ব্যবহারে তিনি দক্ষ বুটিকস শিল্পী হিসেবেও নিজের পরিচয় তৈরি করেছেন।

তবে এই পথ মোটেও সহজ ছিল না। স্বাবলম্বী হওয়ার আশায় একসময় হাতের কাজের প্রশিক্ষণ নিতে গিয়েছিলেন আদরি। কিন্তু শারীরিক প্রতিবন্ধকতার কারণ দেখিয়ে তাকে প্রশিক্ষণ থেকে ফিরিয়ে দেওয়া হয়। সেই প্রত্যাখ্যান তাকে ভেঙে দেয়নি; বরং নিজের পায়ে দাঁড়ানোর সংকল্প আরও দৃঢ় করেছে।

জীবনের কঠিন সময়ে যখন তিনি ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করছেন, তখন প্রথম সন্তান জন্মের পর স্বামী প্রবাসে চলে যান। একদিকে সংসার, অন্যদিকে ছোট সন্তান—সবকিছু সামলে নিজের যোগ্যতা ও পরিশ্রমে অর্জন করেন সরকারি চাকরি।

আরও পড়ুনঃ  ডোপ টেস্টে ইতিবাচক ফল, অভিযুক্তের ৫ মাসের জেল সহ জরিমানা

আজ নিজের সন্তানদের আদর্শ মানুষ হিসেবে গড়ে তোলার পাশাপাশি প্রতিদিন সকালে কৃত্রিম পায়ে ভর করে ছুটে আসেন ধাওয়া কলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে। শ্রেণিকক্ষে শিক্ষার্থীদের পাঠদানের পাশাপাশি নিজের জীবনসংগ্রামের গল্প দিয়েও তিনি যেন তাদের শেখান—প্রতিবন্ধকতা কখনো স্বপ্নের চেয়ে বড় নয়।

আদরি খাতুনের জীবন প্রমাণ করে, শারীরিক সীমাবদ্ধতা মানুষের মেধা, স্বপ্ন ও সম্ভাবনাকে থামিয়ে দিতে পারে না। প্রতিকূলতাকে জয় করে এগিয়ে চলা এই শিক্ষিকার সংগ্রামী জীবন সমাজের মানুষের জন্য অনুপ্রেরণার এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত।

Tag :
জনপ্রিয় পোস্ট

৭ বছর বয়সী শিশুকে যৌন নিপীড়নের অভিযোগ, গণধোলাইয়ের পর মাদ্রাসা শিক্ষক গ্রেপ্তার

দুই আঙুলে স্বপ্ন আঁকেন আদরি, প্রতিবন্ধকতাকে হারিয়ে গড়ছেন ভবিষ্যৎ

Update Time : ০২:৩৭:২৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৬ অগাস্ট ২০২৬

তিনি হাসেন, স্বপ্ন দেখেন এবং স্বপ্ন দেখান। শ্রেণিকক্ষের ব্ল্যাকবোর্ডে তিনি শুধু অক্ষর লেখেন না, পরম মমতায় যেন একেকটি শিশুর উজ্জ্বল ভবিষ্যৎও বুনে দেন। গল্পটা শুনলে রূপকথার কোনো সাহসী নারীর কথা মনে হতে পারে। তিনি আদরি খাতুন। বগুড়া সদরের ধাওয়া কলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের এই শিক্ষিকার জীবন যেন হার না মানার এক অনন্য গল্প।

জন্ম থেকেই তার দুই হাত স্বাভাবিকের চেয়ে ছোট। ডান হাতে নেই স্বাভাবিক আকৃতি, আর বাম হাতে নখসহ আঙুল রয়েছে মাত্র দুটি। একটি পা-ও নেই তার। চলাফেরায় ভরসা করতে হয় কৃত্রিম পায়ের ওপর। কিন্তু শারীরিক এই প্রতিবন্ধকতা কখনোই থামাতে পারেনি তার অদম্য পথচলা।

বাম হাতের ছোট্ট দুটি আঙুলে কলম ধরে পড়াশোনা চালিয়ে গেছেন তিনি। নিজের মেধা, পরিশ্রম ও অদম্য ইচ্ছাশক্তির জোরে অর্জন করেছেন মাস্টার্স ডিগ্রি। বর্তমানে তিনি শুধু একজন শিক্ষিকাই নন, স্কুলের শিক্ষার্থী ও সহকর্মীদের কাছেও প্রেরণার এক নাম।

শিক্ষকতার পাশাপাশি আদরি খাতুন একজন সফল কৃষি উদ্যোক্তাও। ১২ বিঘা জমিতে গড়ে তুলেছেন বড় একটি পেয়ারা বাগান। পাশাপাশি সুঁই-সুতা ও রঙের নিপুণ ব্যবহারে তিনি দক্ষ বুটিকস শিল্পী হিসেবেও নিজের পরিচয় তৈরি করেছেন।

তবে এই পথ মোটেও সহজ ছিল না। স্বাবলম্বী হওয়ার আশায় একসময় হাতের কাজের প্রশিক্ষণ নিতে গিয়েছিলেন আদরি। কিন্তু শারীরিক প্রতিবন্ধকতার কারণ দেখিয়ে তাকে প্রশিক্ষণ থেকে ফিরিয়ে দেওয়া হয়। সেই প্রত্যাখ্যান তাকে ভেঙে দেয়নি; বরং নিজের পায়ে দাঁড়ানোর সংকল্প আরও দৃঢ় করেছে।

জীবনের কঠিন সময়ে যখন তিনি ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করছেন, তখন প্রথম সন্তান জন্মের পর স্বামী প্রবাসে চলে যান। একদিকে সংসার, অন্যদিকে ছোট সন্তান—সবকিছু সামলে নিজের যোগ্যতা ও পরিশ্রমে অর্জন করেন সরকারি চাকরি।

আজ নিজের সন্তানদের আদর্শ মানুষ হিসেবে গড়ে তোলার পাশাপাশি প্রতিদিন সকালে কৃত্রিম পায়ে ভর করে ছুটে আসেন ধাওয়া কলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে। শ্রেণিকক্ষে শিক্ষার্থীদের পাঠদানের পাশাপাশি নিজের জীবনসংগ্রামের গল্প দিয়েও তিনি যেন তাদের শেখান—প্রতিবন্ধকতা কখনো স্বপ্নের চেয়ে বড় নয়।

আরও পড়ুনঃ  ডোপ টেস্টে ইতিবাচক ফল, অভিযুক্তের ৫ মাসের জেল সহ জরিমানা

আদরি খাতুনের জীবন প্রমাণ করে, শারীরিক সীমাবদ্ধতা মানুষের মেধা, স্বপ্ন ও সম্ভাবনাকে থামিয়ে দিতে পারে না। প্রতিকূলতাকে জয় করে এগিয়ে চলা এই শিক্ষিকার সংগ্রামী জীবন সমাজের মানুষের জন্য অনুপ্রেরণার এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত।

তিনি হাসেন, স্বপ্ন দেখেন এবং স্বপ্ন দেখান। শ্রেণিকক্ষের ব্ল্যাকবোর্ডে তিনি শুধু অক্ষর লেখেন না, পরম মমতায় যেন একেকটি শিশুর উজ্জ্বল ভবিষ্যৎও বুনে দেন। গল্পটা শুনলে রূপকথার কোনো সাহসী নারীর কথা মনে হতে পারে। তিনি আদরি খাতুন। বগুড়া সদরের ধাওয়া কলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের এই শিক্ষিকার জীবন যেন হার না মানার এক অনন্য গল্প।

জন্ম থেকেই তার দুই হাত স্বাভাবিকের চেয়ে ছোট। ডান হাতে নেই স্বাভাবিক আকৃতি, আর বাম হাতে নখসহ আঙুল রয়েছে মাত্র দুটি। একটি পা-ও নেই তার। চলাফেরায় ভরসা করতে হয় কৃত্রিম পায়ের ওপর। কিন্তু শারীরিক এই প্রতিবন্ধকতা কখনোই থামাতে পারেনি তার অদম্য পথচলা।

বাম হাতের ছোট্ট দুটি আঙুলে কলম ধরে পড়াশোনা চালিয়ে গেছেন তিনি। নিজের মেধা, পরিশ্রম ও অদম্য ইচ্ছাশক্তির জোরে অর্জন করেছেন মাস্টার্স ডিগ্রি। বর্তমানে তিনি শুধু একজন শিক্ষিকাই নন, স্কুলের শিক্ষার্থী ও সহকর্মীদের কাছেও প্রেরণার এক নাম।

শিক্ষকতার পাশাপাশি আদরি খাতুন একজন সফল কৃষি উদ্যোক্তাও। ১২ বিঘা জমিতে গড়ে তুলেছেন বড় একটি পেয়ারা বাগান। পাশাপাশি সুঁই-সুতা ও রঙের নিপুণ ব্যবহারে তিনি দক্ষ বুটিকস শিল্পী হিসেবেও নিজের পরিচয় তৈরি করেছেন।

তবে এই পথ মোটেও সহজ ছিল না। স্বাবলম্বী হওয়ার আশায় একসময় হাতের কাজের প্রশিক্ষণ নিতে গিয়েছিলেন আদরি। কিন্তু শারীরিক প্রতিবন্ধকতার কারণ দেখিয়ে তাকে প্রশিক্ষণ থেকে ফিরিয়ে দেওয়া হয়। সেই প্রত্যাখ্যান তাকে ভেঙে দেয়নি; বরং নিজের পায়ে দাঁড়ানোর সংকল্প আরও দৃঢ় করেছে।

জীবনের কঠিন সময়ে যখন তিনি ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করছেন, তখন প্রথম সন্তান জন্মের পর স্বামী প্রবাসে চলে যান। একদিকে সংসার, অন্যদিকে ছোট সন্তান—সবকিছু সামলে নিজের যোগ্যতা ও পরিশ্রমে অর্জন করেন সরকারি চাকরি।

আরও পড়ুনঃ  সীমান্তের প্রান্তিক জনপদে শিক্ষার প্রদীপ জ্বালাচ্ছে গুচ্ছগ্রাম বিদ্যালয়: প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ

আজ নিজের সন্তানদের আদর্শ মানুষ হিসেবে গড়ে তোলার পাশাপাশি প্রতিদিন সকালে কৃত্রিম পায়ে ভর করে ছুটে আসেন ধাওয়া কলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে। শ্রেণিকক্ষে শিক্ষার্থীদের পাঠদানের পাশাপাশি নিজের জীবনসংগ্রামের গল্প দিয়েও তিনি যেন তাদের শেখান—প্রতিবন্ধকতা কখনো স্বপ্নের চেয়ে বড় নয়।

আদরি খাতুনের জীবন প্রমাণ করে, শারীরিক সীমাবদ্ধতা মানুষের মেধা, স্বপ্ন ও সম্ভাবনাকে থামিয়ে দিতে পারে না। প্রতিকূলতাকে জয় করে এগিয়ে চলা এই শিক্ষিকার সংগ্রামী জীবন সমাজের মানুষের জন্য অনুপ্রেরণার এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত।