Dhaka ১২:৩৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ১০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
স্কুল কমিটির সভাপতি হয়ে এলাকা ‘দাপিয়ে বেড়াচ্ছেন’ বিসিক কর্মকর্তা আজ জাপান যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী ১০ হাজারের বেশি পুলিশ কনস্টেবল নিয়োগ জামায়াতের বাধায় গোপনে সাঈদীর মামলার বাদীর দাফন, কবর খুঁড়লেন স্ত্রী-মেয়ে-বোন মাদরাসা শিক্ষককে চড় মারা সেই রুমিকে গ্রেপ্তারে অভিযান নিয়ে যা জানা গেল মাথা টেপানোর ‘বাহানায়’ ডেকে ছাত্রের মুখে রুমাল চেপে ধরেন মাদরাসা শিক্ষক ফেসবুকে ‘আমার মৃত্যুর জন্য ইউএনও দায়ী’ লিখে হাসপাতালে সুনামগঞ্জের এসিল্যান্ড তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান কে হবেন, যা জানালেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী গোপালগঞ্জে ছাত্রলীগের মিছিল থেকে পুলিশের গাড়িতে হামলা এমপির বক্তব্যে ইউএনও’র হাততালি, ব্যাখ্যার সময় বনে গেলেন ‘বিএনপি নেতা’

সিলেটের ২৪ জনসহ ২৯ বাংলাদেশি মিশরে উদ্ধার, সাগরে প্রাণ গেল আরও ৯ জনের

লিবিয়া থেকে গ্রিস যাওয়ার পথে ভূমধ্যসাগরে দিকভ্রান্ত হয়ে মিশরের মারসা মাতরুহ উপকূলে পৌঁছানো ২৯ বাংলাদেশির মধ্যে ২৪ জনই সিলেট বিভাগের বাসিন্দা। তাদের মধ্যে সুনামগঞ্জের ১৮ জন, হবিগঞ্জের ৩ জন এবং সিলেট জেলার ৩ জন রয়েছেন।

উদ্ধার হওয়া ২৭ বাংলাদেশির পরিচয় শনাক্ত করা হয়েছে। তারা বর্তমানে সুস্থ হয়ে মিশরের স্থানীয় পুলিশের হেফাজতে রয়েছেন। অপর দুই বাংলাদেশি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।

সুনামগঞ্জের ১৮ জন

সুনামগঞ্জ সদর উপজেলার ১২ জন হলেন—তায়েবুর রহমান, মো. মাহফুজ মিয়া, মো. লোহানী আহমেদ, বদর উদ্দিন, সোহেল মিয়া, মো. হোসাইন আহমেদ, আলিম উদ্দিন, সাব্বির হোসেন তালহা, এনাম উদ্দিন, আবু সাঈদ এয়াহিয়া, আব্দুল করিম ও মো. মামুন খান।

জগন্নাথপুর উপজেলার চারজন হলেন—সাইদুল ইসলাম, মো. হোসাইন মিয়া, আরিফ আহমেদ ও হুজাইফা বিন হোসাইন। এছাড়া দিরাই উপজেলার নাইম আহমেদ এবং ছাতক উপজেলার তোফায়েল আহমেদ রয়েছেন।

হবিগঞ্জের ৩ জন

হবিগঞ্জ সদর উপজেলার মোস্তাকিন ভূঁইয়া এবং আজমিরীগঞ্জ উপজেলার সোহেল মিয়া ও রিয়াজ উদ্দিন আহমদ রয়েছেন উদ্ধার হওয়া বাংলাদেশিদের তালিকায়।

সিলেট জেলার ৩ জন

গোয়াইনঘাট উপজেলার তানভীর হোসেন এবং বিয়ানীবাজার উপজেলার রাজু মিয়া ও নজরুল ইসলাম রয়েছেন শনাক্তদের মধ্যে।

জানা গেছে, গত ৩ আগস্ট মানবপাচার চক্রের সহায়তায় লিবিয়ার তবুক এলাকা থেকে নৌকায় করে গ্রিসের উদ্দেশে যাত্রা করেন বাংলাদেশিসহ অভিবাসনপ্রত্যাশীরা। ভূমধ্যসাগরে নৌকার ইঞ্জিন বিকল হয়ে গেলে সেটি দিকভ্রান্ত হয়ে পড়ে। প্রায় ১০ দিন সাগরে ভাসমান থাকার পর ১৩ আগস্ট নৌকাটি মিশরের মারসা মাতরুহ উপকূলে পৌঁছায়। পরে স্থানীয় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী অসুস্থ ও অচেতন অবস্থায় তাদের উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করে।

জীবিত উদ্ধার হওয়া বাংলাদেশিদের তথ্য অনুযায়ী, নৌকাটিতে থাকা আরও নয় বাংলাদেশি সাগরে মারা গেছেন এবং তাদের মরদেহ সমুদ্রে ফেলে দেওয়া হয়েছে। এছাড়া মিশরের উপকূল থেকে দুটি মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।

আরও পড়ুনঃ  আন্দোলনের মুখে সুরমা নার্সিং কলেজের অধ্যক্ষের পদত্যাগ, ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ শারুপা আক্তার

মিশরে বাংলাদেশ দূতাবাস জানিয়েছে, স্থানীয় আইনি প্রক্রিয়া শেষে পুলিশ হেফাজতে থাকা বাংলাদেশিদের দেশে ফেরত পাঠানোর ব্যবস্থা করা হবে। একই সঙ্গে উদ্ধার হওয়া মরদেহগুলোর পরিচয় নিশ্চিত করে স্বজনদের কাছে হস্তান্তরের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

Tag :
জনপ্রিয় পোস্ট

স্কুল কমিটির সভাপতি হয়ে এলাকা ‘দাপিয়ে বেড়াচ্ছেন’ বিসিক কর্মকর্তা

সিলেটের ২৪ জনসহ ২৯ বাংলাদেশি মিশরে উদ্ধার, সাগরে প্রাণ গেল আরও ৯ জনের

Update Time : ১১:১৮:৩৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২২ অগাস্ট ২০২৬

লিবিয়া থেকে গ্রিস যাওয়ার পথে ভূমধ্যসাগরে দিকভ্রান্ত হয়ে মিশরের মারসা মাতরুহ উপকূলে পৌঁছানো ২৯ বাংলাদেশির মধ্যে ২৪ জনই সিলেট বিভাগের বাসিন্দা। তাদের মধ্যে সুনামগঞ্জের ১৮ জন, হবিগঞ্জের ৩ জন এবং সিলেট জেলার ৩ জন রয়েছেন।

উদ্ধার হওয়া ২৭ বাংলাদেশির পরিচয় শনাক্ত করা হয়েছে। তারা বর্তমানে সুস্থ হয়ে মিশরের স্থানীয় পুলিশের হেফাজতে রয়েছেন। অপর দুই বাংলাদেশি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।

সুনামগঞ্জের ১৮ জন

সুনামগঞ্জ সদর উপজেলার ১২ জন হলেন—তায়েবুর রহমান, মো. মাহফুজ মিয়া, মো. লোহানী আহমেদ, বদর উদ্দিন, সোহেল মিয়া, মো. হোসাইন আহমেদ, আলিম উদ্দিন, সাব্বির হোসেন তালহা, এনাম উদ্দিন, আবু সাঈদ এয়াহিয়া, আব্দুল করিম ও মো. মামুন খান।

জগন্নাথপুর উপজেলার চারজন হলেন—সাইদুল ইসলাম, মো. হোসাইন মিয়া, আরিফ আহমেদ ও হুজাইফা বিন হোসাইন। এছাড়া দিরাই উপজেলার নাইম আহমেদ এবং ছাতক উপজেলার তোফায়েল আহমেদ রয়েছেন।

হবিগঞ্জের ৩ জন

হবিগঞ্জ সদর উপজেলার মোস্তাকিন ভূঁইয়া এবং আজমিরীগঞ্জ উপজেলার সোহেল মিয়া ও রিয়াজ উদ্দিন আহমদ রয়েছেন উদ্ধার হওয়া বাংলাদেশিদের তালিকায়।

সিলেট জেলার ৩ জন

গোয়াইনঘাট উপজেলার তানভীর হোসেন এবং বিয়ানীবাজার উপজেলার রাজু মিয়া ও নজরুল ইসলাম রয়েছেন শনাক্তদের মধ্যে।

জানা গেছে, গত ৩ আগস্ট মানবপাচার চক্রের সহায়তায় লিবিয়ার তবুক এলাকা থেকে নৌকায় করে গ্রিসের উদ্দেশে যাত্রা করেন বাংলাদেশিসহ অভিবাসনপ্রত্যাশীরা। ভূমধ্যসাগরে নৌকার ইঞ্জিন বিকল হয়ে গেলে সেটি দিকভ্রান্ত হয়ে পড়ে। প্রায় ১০ দিন সাগরে ভাসমান থাকার পর ১৩ আগস্ট নৌকাটি মিশরের মারসা মাতরুহ উপকূলে পৌঁছায়। পরে স্থানীয় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী অসুস্থ ও অচেতন অবস্থায় তাদের উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করে।

জীবিত উদ্ধার হওয়া বাংলাদেশিদের তথ্য অনুযায়ী, নৌকাটিতে থাকা আরও নয় বাংলাদেশি সাগরে মারা গেছেন এবং তাদের মরদেহ সমুদ্রে ফেলে দেওয়া হয়েছে। এছাড়া মিশরের উপকূল থেকে দুটি মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।

আরও পড়ুনঃ  ‘অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের তৈরি শ্বেতপত্রের আলোকেই পদক্ষেপ গ্রহণ করছে সরকার’

মিশরে বাংলাদেশ দূতাবাস জানিয়েছে, স্থানীয় আইনি প্রক্রিয়া শেষে পুলিশ হেফাজতে থাকা বাংলাদেশিদের দেশে ফেরত পাঠানোর ব্যবস্থা করা হবে। একই সঙ্গে উদ্ধার হওয়া মরদেহগুলোর পরিচয় নিশ্চিত করে স্বজনদের কাছে হস্তান্তরের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।