Dhaka ০৪:৫৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৫ অক্টোবর ২০২৬, ২০ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
ভবিষ্যতের জ্বালানি নিরাপত্তায় সারাদেশে সৌরবিদ্যুৎ নিয়ে ‘বড় পরিকল্পনা’ গণমাধ্যমকে নিয়ন্ত্রণ করার কোনো ইচ্ছা সরকারের নেই: তথ্যমন্ত্রী ছিনতাইকারী ধরতে গিয়ে বাসের ধাক্কায় প্রাণ হারালেন পুলিশ সদস্য যে কারণে হল বিবাহবিচ্ছেদ, জানালেন প্রীতম-শেহতাজ হাসিনার প্রত্যর্পণ নিয়ে ভারতকে শামা ওবায়েদের বার্তা দ্বীপে দেখা মিললো দৃষ্টিনন্দন ভেরডিটার ফ্লাইক্যাচার পাখি নদী দিয়ে ভেসে যাচ্ছিল মাথা.বিহীন নারীর মরদেহ প্রবাসীর স্ত্রীর সঙ্গে হাতেনাতে ধরা পুলিশ কর্মকর্তা, অতঃপর… ৯ মাসে ডেঙ্গু আক্রান্ত ৩ হাজারের বেশি প্রেমিকাকে নিয়ে ফাঁকা বাড়িতে আশিক, ‘প্রস্তুত’ ছিলেন আরও ২ জন

মেঘনায় ২৪ কেজির ব্ল্যাক কার্প, বিক্রি হলো কত টাকায়?

ভোলার মেঘনা নদীতে জেলের জালে ধরা পড়েছে ২৪ কেজি ওজনের বিশাল আকৃতির একটি ব্ল্যাক কার্প। পরে মাছটি নিলামে ১৭ হাজার ৫০০ টাকায় বিক্রি হয়েছে।

শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় মাছটি তালতলী ইলিশা মাছঘাটে আনা হলে বড় আকারের মাছটি দেখতে স্থানীয়দের মধ্যে কৌতূহল তৈরি হয়। মাছঘাটে এ সময় উৎসুক মানুষের ভিড় জমে।

জানা গেছে, ভোলা সদর উপজেলার জেলে মো. সুলতান সরদার শুক্রবার দুপুরে জোয়ারের সময় মেঘনা নদীতে মাছ ধরতে জাল ফেলেন। জাল গুটিয়ে তোলার সময় এতে বড় আকারের মাছটি ধরা পড়ে। পরে মাছটি তালতলীর একটি আড়তে নেওয়া হয়।

আড়তে মাছটি তোলার পর স্থানীয় ক্রেতা ও ব্যবসায়ীদের মধ্যে দরদাম শুরু হয়। শেষ পর্যন্ত ১৭ হাজার ৫০০ টাকায় মাছটি বিক্রি করা হয়। পরে ১৮ জন মিলে মাছটি ভাগ করে নেন।

আড়তদার লোকমান জানান, বর্তমানে নদীতে ইলিশের সরবরাহ কিছুটা বেড়েছে এবং সে কারণে ইলিশের দামও কিছুটা কমেছে। ইলিশের সরবরাহ কম থাকলে বড় এই মাছটির দাম আরও বেশি হতে পারত।

মাছটি দেখতে লঞ্চঘাটের যাত্রীসহ স্থানীয় অনেক মানুষ সেখানে ভিড় করেন। জেলেরা জানান, এত বড় ব্ল্যাক কার্প তাদের জালে খুব একটা ধরা পড়ে না।

ভোলা সদর উপজেলা জ্যেষ্ঠ মৎস্য কর্মকর্তা মেহেদী হাসান ভুঁইয়া জানান, ছবি দেখে মাছটিকে ব্ল্যাক কার্প বলেই মনে হচ্ছে। এটি বাংলাদেশের দেশীয় প্রজাতির মাছ নয়। পূর্ব এশিয়া, বিশেষ করে চীন অঞ্চলের এই কার্পজাতীয় মাছ বাংলাদেশে সীমিত আকারে পুকুরে চাষ করা হয়।

তিনি জানান, ব্ল্যাক কার্প সাধারণত শামুক ও ঝিনুক খেয়ে থাকে। নদীতে পর্যাপ্ত প্রাকৃতিক খাবার ও অনুকূল পরিবেশ পেলে মাছটি দ্রুত বড় হতে পারে। সাধারণত পুকুরে ১০ থেকে ১২ কেজি ওজনের ব্ল্যাক কার্প দেখা গেলেও উপযুক্ত পরিবেশে এর ওজন ৩০ কেজি বা তারও বেশি হতে পারে।

আরও পড়ুনঃ  শাহরুখ খানের বাড়ি থেকে জোড়া সাপ উদ্ধার!

বন্যা বা বর্ষার পানিতে চাষের পুকুর থেকে বেরিয়ে কোনো কোনো ব্ল্যাক কার্প নদীতে চলে যেতে পারে। মেঘনায় পাওয়া ২৪ কেজি ওজনের মাছটিও এমনভাবে নদীতে এসে টিকে থাকার একটি উদাহরণ হতে পারে বলে জানান মৎস্য কর্মকর্তা।

Tag :
জনপ্রিয় পোস্ট

ভবিষ্যতের জ্বালানি নিরাপত্তায় সারাদেশে সৌরবিদ্যুৎ নিয়ে ‘বড় পরিকল্পনা’

মেঘনায় ২৪ কেজির ব্ল্যাক কার্প, বিক্রি হলো কত টাকায়?

Update Time : ১২:৩৮:৩৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬

ভোলার মেঘনা নদীতে জেলের জালে ধরা পড়েছে ২৪ কেজি ওজনের বিশাল আকৃতির একটি ব্ল্যাক কার্প। পরে মাছটি নিলামে ১৭ হাজার ৫০০ টাকায় বিক্রি হয়েছে।

শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় মাছটি তালতলী ইলিশা মাছঘাটে আনা হলে বড় আকারের মাছটি দেখতে স্থানীয়দের মধ্যে কৌতূহল তৈরি হয়। মাছঘাটে এ সময় উৎসুক মানুষের ভিড় জমে।

জানা গেছে, ভোলা সদর উপজেলার জেলে মো. সুলতান সরদার শুক্রবার দুপুরে জোয়ারের সময় মেঘনা নদীতে মাছ ধরতে জাল ফেলেন। জাল গুটিয়ে তোলার সময় এতে বড় আকারের মাছটি ধরা পড়ে। পরে মাছটি তালতলীর একটি আড়তে নেওয়া হয়।

আড়তে মাছটি তোলার পর স্থানীয় ক্রেতা ও ব্যবসায়ীদের মধ্যে দরদাম শুরু হয়। শেষ পর্যন্ত ১৭ হাজার ৫০০ টাকায় মাছটি বিক্রি করা হয়। পরে ১৮ জন মিলে মাছটি ভাগ করে নেন।

আড়তদার লোকমান জানান, বর্তমানে নদীতে ইলিশের সরবরাহ কিছুটা বেড়েছে এবং সে কারণে ইলিশের দামও কিছুটা কমেছে। ইলিশের সরবরাহ কম থাকলে বড় এই মাছটির দাম আরও বেশি হতে পারত।

মাছটি দেখতে লঞ্চঘাটের যাত্রীসহ স্থানীয় অনেক মানুষ সেখানে ভিড় করেন। জেলেরা জানান, এত বড় ব্ল্যাক কার্প তাদের জালে খুব একটা ধরা পড়ে না।

ভোলা সদর উপজেলা জ্যেষ্ঠ মৎস্য কর্মকর্তা মেহেদী হাসান ভুঁইয়া জানান, ছবি দেখে মাছটিকে ব্ল্যাক কার্প বলেই মনে হচ্ছে। এটি বাংলাদেশের দেশীয় প্রজাতির মাছ নয়। পূর্ব এশিয়া, বিশেষ করে চীন অঞ্চলের এই কার্পজাতীয় মাছ বাংলাদেশে সীমিত আকারে পুকুরে চাষ করা হয়।

তিনি জানান, ব্ল্যাক কার্প সাধারণত শামুক ও ঝিনুক খেয়ে থাকে। নদীতে পর্যাপ্ত প্রাকৃতিক খাবার ও অনুকূল পরিবেশ পেলে মাছটি দ্রুত বড় হতে পারে। সাধারণত পুকুরে ১০ থেকে ১২ কেজি ওজনের ব্ল্যাক কার্প দেখা গেলেও উপযুক্ত পরিবেশে এর ওজন ৩০ কেজি বা তারও বেশি হতে পারে।

আরও পড়ুনঃ  দুদক চেয়ারম্যান ও দুই কমিশনার পদত্যাগ করলেন

বন্যা বা বর্ষার পানিতে চাষের পুকুর থেকে বেরিয়ে কোনো কোনো ব্ল্যাক কার্প নদীতে চলে যেতে পারে। মেঘনায় পাওয়া ২৪ কেজি ওজনের মাছটিও এমনভাবে নদীতে এসে টিকে থাকার একটি উদাহরণ হতে পারে বলে জানান মৎস্য কর্মকর্তা।