Dhaka ১২:৫২ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ১০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি ‘ধান্দা রফিক’ গ্রেপ্তার ভাড়া বাসা থেকে কুবি শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার ‘আমার মৃত্যুর একমাত্র কারণ শুধু তুমি’—যুবকের ফেসবুক পোস্ট, অতঃপর… স্কুল কমিটির সভাপতি হয়ে এলাকা ‘দাপিয়ে বেড়াচ্ছেন’ বিসিক কর্মকর্তা আজ জাপান যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী ১০ হাজারের বেশি পুলিশ কনস্টেবল নিয়োগ জামায়াতের বাধায় গোপনে সাঈদীর মামলার বাদীর দাফন, কবর খুঁড়লেন স্ত্রী-মেয়ে-বোন মাদরাসা শিক্ষককে চড় মারা সেই রুমিকে গ্রেপ্তারে অভিযান নিয়ে যা জানা গেল মাথা টেপানোর ‘বাহানায়’ ডেকে ছাত্রের মুখে রুমাল চেপে ধরেন মাদরাসা শিক্ষক ফেসবুকে ‘আমার মৃত্যুর জন্য ইউএনও দায়ী’ লিখে হাসপাতালে সুনামগঞ্জের এসিল্যান্ড

যুবদল নেতার মরদেহ উদ্ধার, গু লি করে হ ত্যার অভিযোগ স্বজনদের

মাগুরা পৌর যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক মো. সাকের হোসেনের মরদেহ উদ্ধার করেছে স্থানীয়রা। বুধবার (২১ অক্টোবর) ভোর ৬টার দিকে মাগুরা বাস টার্মিনালের রয়েল এক্সপ্রেস কাউন্টার থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। তার মাথার পেছনে ছিদ্রের চিহ্ন পাওয়া গেছে। স্বজন ও স্থানীয়দের দাবি, তাকে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে। তবে এটি গুলির ক্ষত কি না, তা এখনো নিশ্চিত করতে পারেনি পুলিশ।

 

নিহত সাকের হোসেন মাগুরা শহরের পারনান্দুয়ালী বেপারীপাড়া এলাকার মৃত কুতুব উদ্দিনের ছেলে। তিনি পৌর যুবদলের রাজনীতির সঙ্গে সক্রিয়ভাবে যুক্ত ছিলেন। পাশাপাশি মাগুরা বাস টার্মিনালের রয়েল এক্সপ্রেস কাউন্টারে কাউন্টার মাস্টার হিসেবে দায়িত্ব পালন করতেন।

 

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বুধবার ভোরে রয়েল এক্সপ্রেস কাউন্টারে সাকের হোসেনকে পড়ে থাকতে দেখেন স্থানীয়রা। পরে তাকে উদ্ধার করে মাগুরা ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর জরুরি বিভাগের চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। তার মাথার পেছনে ছিদ্রের চিহ্ন দেখতে পেয়ে পুলিশকে খবর দেওয়া হয়।

 

হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক মাইনুল হাসান জানান, বুধবার ভোরে কয়েকজন ব্যক্তি সাকের হোসেনকে হাসপাতালে নিয়ে আসেন। পরীক্ষা করে দেখা যায়, হাসপাতালে আনার আগেই তার মৃত্যু হয়েছে। মাথার পেছনে ছিদ্রের চিহ্ন পাওয়ায় পুলিশকে জানানো হয়েছে। বর্তমানে তার মরদেহ হাসপাতালের অস্থায়ী লাশঘরে রাখা হয়েছে। ময়নাতদন্তের পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে।

 

এদিকে, সাকের হোসেনকে পরিকল্পিতভাবে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে বলে দাবি করেছেন তার স্বজন ও স্থানীয়রা। তবে এ দাবির পক্ষে এখনো নিশ্চিত কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। জানা গেছে, বিগত ১৭ বছরে বিভিন্ন সময়ে তার বিরুদ্ধে ১০টি রাজনৈতিক মামলা ছিল।

 

মাগুরার পুলিশ সুপার মোল্লা আজাদ হোসেন বলেন, বুধবার সকালে যুবদল নেতার মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। তার মাথার পেছনে ছিদ্রের চিহ্ন পাওয়া গেলেও এটি গুলির ক্ষত কি না, তা এখনই নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে বিস্তারিত জানা যাবে।

আরও পড়ুনঃ  নৌবাহিনী ও বিমান বাহিনী নির্বাচনী পর্ষদ-২০২৬ উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
Tag :
জনপ্রিয় পোস্ট

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি ‘ধান্দা রফিক’ গ্রেপ্তার

যুবদল নেতার মরদেহ উদ্ধার, গু লি করে হ ত্যার অভিযোগ স্বজনদের

Update Time : ১১:৫২:৫৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২৬

মাগুরা পৌর যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক মো. সাকের হোসেনের মরদেহ উদ্ধার করেছে স্থানীয়রা। বুধবার (২১ অক্টোবর) ভোর ৬টার দিকে মাগুরা বাস টার্মিনালের রয়েল এক্সপ্রেস কাউন্টার থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। তার মাথার পেছনে ছিদ্রের চিহ্ন পাওয়া গেছে। স্বজন ও স্থানীয়দের দাবি, তাকে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে। তবে এটি গুলির ক্ষত কি না, তা এখনো নিশ্চিত করতে পারেনি পুলিশ।

 

নিহত সাকের হোসেন মাগুরা শহরের পারনান্দুয়ালী বেপারীপাড়া এলাকার মৃত কুতুব উদ্দিনের ছেলে। তিনি পৌর যুবদলের রাজনীতির সঙ্গে সক্রিয়ভাবে যুক্ত ছিলেন। পাশাপাশি মাগুরা বাস টার্মিনালের রয়েল এক্সপ্রেস কাউন্টারে কাউন্টার মাস্টার হিসেবে দায়িত্ব পালন করতেন।

 

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বুধবার ভোরে রয়েল এক্সপ্রেস কাউন্টারে সাকের হোসেনকে পড়ে থাকতে দেখেন স্থানীয়রা। পরে তাকে উদ্ধার করে মাগুরা ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর জরুরি বিভাগের চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। তার মাথার পেছনে ছিদ্রের চিহ্ন দেখতে পেয়ে পুলিশকে খবর দেওয়া হয়।

 

হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক মাইনুল হাসান জানান, বুধবার ভোরে কয়েকজন ব্যক্তি সাকের হোসেনকে হাসপাতালে নিয়ে আসেন। পরীক্ষা করে দেখা যায়, হাসপাতালে আনার আগেই তার মৃত্যু হয়েছে। মাথার পেছনে ছিদ্রের চিহ্ন পাওয়ায় পুলিশকে জানানো হয়েছে। বর্তমানে তার মরদেহ হাসপাতালের অস্থায়ী লাশঘরে রাখা হয়েছে। ময়নাতদন্তের পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে।

 

এদিকে, সাকের হোসেনকে পরিকল্পিতভাবে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে বলে দাবি করেছেন তার স্বজন ও স্থানীয়রা। তবে এ দাবির পক্ষে এখনো নিশ্চিত কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। জানা গেছে, বিগত ১৭ বছরে বিভিন্ন সময়ে তার বিরুদ্ধে ১০টি রাজনৈতিক মামলা ছিল।

 

মাগুরার পুলিশ সুপার মোল্লা আজাদ হোসেন বলেন, বুধবার সকালে যুবদল নেতার মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। তার মাথার পেছনে ছিদ্রের চিহ্ন পাওয়া গেলেও এটি গুলির ক্ষত কি না, তা এখনই নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে বিস্তারিত জানা যাবে।

আরও পড়ুনঃ  ইউএস আর্মিতে যোগ দিলেন সিলেটের পংকজ তালুকদার