Dhaka ০৬:১৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৫ অক্টোবর ২০২৬, ২০ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
সিলেট জেলা প্রশাসনের অভিযান: ৫০ হাজার টাকা জরিমানা, মেয়াদোত্তীর্ণ পণ্য ধ্বংস এবার একদিনে ৯ জনের প্রাণ কেড়ে নিল ডেঙ্গু ভবিষ্যতের জ্বালানি নিরাপত্তায় সারাদেশে সৌরবিদ্যুৎ নিয়ে ‘বড় পরিকল্পনা’ গণমাধ্যমকে নিয়ন্ত্রণ করার কোনো ইচ্ছা সরকারের নেই: তথ্যমন্ত্রী ছিনতাইকারী ধরতে গিয়ে বাসের ধাক্কায় প্রাণ হারালেন পুলিশ সদস্য যে কারণে হল বিবাহবিচ্ছেদ, জানালেন প্রীতম-শেহতাজ হাসিনার প্রত্যর্পণ নিয়ে ভারতকে শামা ওবায়েদের বার্তা দ্বীপে দেখা মিললো দৃষ্টিনন্দন ভেরডিটার ফ্লাইক্যাচার পাখি নদী দিয়ে ভেসে যাচ্ছিল মাথা.বিহীন নারীর মরদেহ প্রবাসীর স্ত্রীর সঙ্গে হাতেনাতে ধরা পুলিশ কর্মকর্তা, অতঃপর…

অদৃশ্য কারণে দুর্নীতিতে সাজাপ্রাপ্ত সিভিল সার্জন স্বপদে বহাল

বান্দরবানের সিভিল সার্জন ডা. মোহাম্মদ শাহীন হোসাইন চৌধুরীকে আবারও একই পদে বহাল করা হয়েছে। এক কোটি টাকার ওষুধ কিনে চার কোটি টাকা বিল উত্তোলন এবং টেন্ডারে অনিয়মসহ বিভিন্ন অভিযোগের পর তাকে ওএসডি করা হয়েছিল।

স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের ২৭ সেপ্টেম্বরের এক প্রজ্ঞাপনে তাকে পুনরায় বান্দরবান পার্বত্য জেলার সিভিল সার্জন পদে চলতি দায়িত্বে পদায়নের কথা জানানো হয়। একই সঙ্গে ২৯ সেপ্টেম্বরের মধ্যে নতুন কর্মস্থলে যোগ দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

এর আগে গত ২০ আগস্টের এক আদেশে ডা. শাহীনকে বান্দরবানের সিভিল সার্জনের দায়িত্ব থেকে সরিয়ে ঢাকার মহাখালী স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে বিশেষ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বা ওএসডি করা হয়েছিল।

বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদনে তাঁর বিরুদ্ধে এক কোটি টাকার ওষুধ কিনে চার কোটি টাকা উত্তোলন, টেন্ডার প্রক্রিয়ায় অনিয়মসহ নানা অভিযোগের কথা উঠে আসে। এসব প্রতিবেদন প্রকাশের পরই তাকে ওএসডি করা হয়েছিল বলে জানা গেছে।

তবে এক মাসের ব্যবধানে আবারও একই পদে ফিরিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্তে স্থানীয় পর্যায়ে আলোচনা ও প্রতিক্রিয়া তৈরি হয়েছে।

স্থানীয় কয়েকজন সচেতন নাগরিকের দাবি, যেসব অভিযোগের পর তাকে দায়িত্ব থেকে সরানো হয়েছিল, সেসব অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত শেষ হওয়ার আগেই তাকে একই পদে ফিরিয়ে দেওয়া হয়েছে। তাঁদের প্রশ্ন, অভিযোগগুলোর তদন্তের অগ্রগতি কী এবং কী কারণে এত দ্রুত তাকে পুনরায় দায়িত্ব দেওয়া হলো।

তবে অভিযোগগুলোর বিষয়ে সিভিল সার্জন ডা. মোহাম্মদ শাহীন হোসাইন চৌধুরীর বক্তব্য এই প্রতিবেদনে পাওয়া যায়নি।

এদিকে, মন্ত্রণালয়ের প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী তিনি পুনরায় বান্দরবান জেলার সিভিল সার্জন হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন।

এক কোটি টাকার ওষুধ কেনা এবং চার কোটি টাকা বিল উত্তোলনের অভিযোগসহ অন্যান্য অনিয়মের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের তদন্ত ও নথিপত্র যাচাইয়ের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা পরিষ্কার হবে বলে প্রত্যাশা স্থানীয়দের।

আরও পড়ুনঃ  ৮ দফা দাবিতে রেলপথ অবরোধ, থামল কপোতাক্ষ এক্সপ্রেস
Tag :
জনপ্রিয় পোস্ট

সিলেট জেলা প্রশাসনের অভিযান: ৫০ হাজার টাকা জরিমানা, মেয়াদোত্তীর্ণ পণ্য ধ্বংস

অদৃশ্য কারণে দুর্নীতিতে সাজাপ্রাপ্ত সিভিল সার্জন স্বপদে বহাল

Update Time : ০৭:৩৩:০৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬

বান্দরবানের সিভিল সার্জন ডা. মোহাম্মদ শাহীন হোসাইন চৌধুরীকে আবারও একই পদে বহাল করা হয়েছে। এক কোটি টাকার ওষুধ কিনে চার কোটি টাকা বিল উত্তোলন এবং টেন্ডারে অনিয়মসহ বিভিন্ন অভিযোগের পর তাকে ওএসডি করা হয়েছিল।

স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের ২৭ সেপ্টেম্বরের এক প্রজ্ঞাপনে তাকে পুনরায় বান্দরবান পার্বত্য জেলার সিভিল সার্জন পদে চলতি দায়িত্বে পদায়নের কথা জানানো হয়। একই সঙ্গে ২৯ সেপ্টেম্বরের মধ্যে নতুন কর্মস্থলে যোগ দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

এর আগে গত ২০ আগস্টের এক আদেশে ডা. শাহীনকে বান্দরবানের সিভিল সার্জনের দায়িত্ব থেকে সরিয়ে ঢাকার মহাখালী স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে বিশেষ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বা ওএসডি করা হয়েছিল।

বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদনে তাঁর বিরুদ্ধে এক কোটি টাকার ওষুধ কিনে চার কোটি টাকা উত্তোলন, টেন্ডার প্রক্রিয়ায় অনিয়মসহ নানা অভিযোগের কথা উঠে আসে। এসব প্রতিবেদন প্রকাশের পরই তাকে ওএসডি করা হয়েছিল বলে জানা গেছে।

তবে এক মাসের ব্যবধানে আবারও একই পদে ফিরিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্তে স্থানীয় পর্যায়ে আলোচনা ও প্রতিক্রিয়া তৈরি হয়েছে।

স্থানীয় কয়েকজন সচেতন নাগরিকের দাবি, যেসব অভিযোগের পর তাকে দায়িত্ব থেকে সরানো হয়েছিল, সেসব অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত শেষ হওয়ার আগেই তাকে একই পদে ফিরিয়ে দেওয়া হয়েছে। তাঁদের প্রশ্ন, অভিযোগগুলোর তদন্তের অগ্রগতি কী এবং কী কারণে এত দ্রুত তাকে পুনরায় দায়িত্ব দেওয়া হলো।

তবে অভিযোগগুলোর বিষয়ে সিভিল সার্জন ডা. মোহাম্মদ শাহীন হোসাইন চৌধুরীর বক্তব্য এই প্রতিবেদনে পাওয়া যায়নি।

এদিকে, মন্ত্রণালয়ের প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী তিনি পুনরায় বান্দরবান জেলার সিভিল সার্জন হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন।

এক কোটি টাকার ওষুধ কেনা এবং চার কোটি টাকা বিল উত্তোলনের অভিযোগসহ অন্যান্য অনিয়মের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের তদন্ত ও নথিপত্র যাচাইয়ের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা পরিষ্কার হবে বলে প্রত্যাশা স্থানীয়দের।

আরও পড়ুনঃ  ৮ দফা দাবিতে রেলপথ অবরোধ, থামল কপোতাক্ষ এক্সপ্রেস