Dhaka ০৪:১৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৮ অক্টোবর ২০২৬, ২৩ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
অতিদরিদ্রদের বরাদ্দের মাল ভাগাভাগি নিয়ে দুই পক্ষের হাতাহাতি ১১ মাসে কোরআনের হাফেজ মুগ্ধ, বড় হয়ে হতে চান ডাক্তার সিলেটে ৪টি কমলা ৫০ হাজার, আধা কেজি খেজুর ১৫ হাজার টাকায় বিক্রি প্রধানমন্ত্রী স্বর্ণপদক পাচ্ছেন হাবিপ্রবি’র ১৬ শিক্ষার্থী চাঁদা না পেয়ে প্রবাসীর মাছের প্রজেক্টে কালামের তাণ্ডব, অতঃপর… সিলেট মহানগরের ৩৯ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির নতুন নেতৃত্বকে কয়েস লোদীর অভিনন্দন সারা দেশে হামের প্রকোপ, সিলেটে আরও দুই শিশুর মৃত্যু প্রবাস থেকে ফিরলেন, তবে জীবিত নয়—কফিনবন্দি হয়ে; কান্নায় ভেঙে পড়ল দুই পরিবার নিজের স্ত্রীকে রেখে অন্যের স্ত্রীকে নিয়ে পালালেন ইমাম সাহেব শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে চট্টগ্রামে মামলা প্রত্যাহার করলেন বাদী

দলীয় প্রার্থীদের হারাতে কিছু নেতা রাতেও বৈঠক করেছিলেন: আইনমন্ত্রী

সাতক্ষীরার চারটি আসনে দলীয় প্রার্থীদের হারাতে কিছু নেতা লোকজন ডেকে রাতে বৈঠক করেছিলেন বলে অভিযোগ করেছেন আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান। রবিবার (১৩ সেপ্টেম্বর) বিকেলে সাতক্ষীরা জেলা শিল্পকলা একাডেমির হলরুমে বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাদের নিয়ে জেলা বিএনপি আয়োজিত মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ অভিযোগ করেন।

এর আগে সাতক্ষীরা জেলার দায়িত্বপ্রাপ্ত হিসেবে আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান জেলার বিচার বিভাগ, জেলা প্রশাসন, সুধীজন ও দলীয় নেতাকর্মীদের সঙ্গে পৃথক পৃথক মতবিনিময় সভায় অংশ নেন। দলীয় নেতাদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে মো. আসাদুজ্জামান বলেন, ‘দিনে বিএনপি, রাতে গুপ্ত ষড়যন্ত্র করে বিএনপির প্রার্থীদের হারানো হয়েছিল।’

আইনমন্ত্রী বলেন, ‘আপনাদের এখানে মিটিং করতে আসার আগে কিছু হোমওয়ার্ক করে এসেছি। চারজন এমপিকে হারানোর পেছনে আপনারা মুখ্য ভূমিকা পালন করেছেন।’ তিনি আরও বলেন, ‘আমার কাছে সবার আমলনামা আছে। যদি জানতে চান, নিশ্চয়ই এই আমলনামা নিয়ে সবার সঙ্গে ওয়ান টু ওয়ান আমি কথা বলতে পারি। দিনে এসে বিএনপি করে গেছেন, রাতের অন্ধকারে গুপ্তদের সঙ্গে মিটিং করেছেন।’

দলের মধ্যে এ ধরনের কর্মকাণ্ড বন্ধের আহ্বান জানিয়ে আসাদুজ্জামান বলেন, ‘শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের বিএনপি ও তারেক রহমানের বিএনপি করতে হলে দলের সিদ্ধান্ত মেনে চলতে হবে। নির্বাচনের সময় দল একজনকে মনোনয়ন দিলে তার পক্ষে সবাইকে কাজ করতে হবে। আর যদি সেটা না করেন, আপনার সারা জীবনের অর্জন ওইখানেই ধ্বংস হয়ে যাবে। রাজনীতি খুব নিষ্ঠুর জায়গা।’চাঁদাবাজি, দখলবাজি ও দলের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হয়- এমন কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধেও কঠোর অবস্থানের কথা জানান আইনমন্ত্রী। তিনি বলেন, কোনো নেতা-কর্মী যত ত্যাগী বা দলের প্রতি যতটা নিবেদিতই হোন না কেন, চাঁদাবাজি, দখলবাজি কিংবা দলের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার মতো কাজে জড়ালে তাঁকে আইনের হাতে সোপর্দ করা হবে।সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন সাতক্ষীরা জেলার দায়িত্বপ্রাপ্ত সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য বিথীকা বিনতে হোসাইন, সাতক্ষীরা জেলা পরিষদের প্রশাসক ও বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির প্রকাশনা বিষয়ক সম্পাদক সাবেক এমপি হাবিবুল ইসলাম হাবিব, জেলা বিএনপির আহ্বায়ক রহমাতুল্লাহ পলাশ, সদস্যসচিব আবু জাহিদ ডাবলু, সাবেক আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট সৈয়দ ইফতেখার আলী, সাবেক সাধারণ সম্পাদক শেখ তারিকুল হাসানসহ বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতা-কর্মীরা।

আরও পড়ুনঃ  জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি হিসেবে দায়িত্ব নিয়েছেন আইরিন খান
Tag :
জনপ্রিয় পোস্ট

অতিদরিদ্রদের বরাদ্দের মাল ভাগাভাগি নিয়ে দুই পক্ষের হাতাহাতি

দলীয় প্রার্থীদের হারাতে কিছু নেতা রাতেও বৈঠক করেছিলেন: আইনমন্ত্রী

Update Time : ১০:৪৪:৩৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬

সাতক্ষীরার চারটি আসনে দলীয় প্রার্থীদের হারাতে কিছু নেতা লোকজন ডেকে রাতে বৈঠক করেছিলেন বলে অভিযোগ করেছেন আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান। রবিবার (১৩ সেপ্টেম্বর) বিকেলে সাতক্ষীরা জেলা শিল্পকলা একাডেমির হলরুমে বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাদের নিয়ে জেলা বিএনপি আয়োজিত মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ অভিযোগ করেন।

এর আগে সাতক্ষীরা জেলার দায়িত্বপ্রাপ্ত হিসেবে আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান জেলার বিচার বিভাগ, জেলা প্রশাসন, সুধীজন ও দলীয় নেতাকর্মীদের সঙ্গে পৃথক পৃথক মতবিনিময় সভায় অংশ নেন। দলীয় নেতাদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে মো. আসাদুজ্জামান বলেন, ‘দিনে বিএনপি, রাতে গুপ্ত ষড়যন্ত্র করে বিএনপির প্রার্থীদের হারানো হয়েছিল।’

আইনমন্ত্রী বলেন, ‘আপনাদের এখানে মিটিং করতে আসার আগে কিছু হোমওয়ার্ক করে এসেছি। চারজন এমপিকে হারানোর পেছনে আপনারা মুখ্য ভূমিকা পালন করেছেন।’ তিনি আরও বলেন, ‘আমার কাছে সবার আমলনামা আছে। যদি জানতে চান, নিশ্চয়ই এই আমলনামা নিয়ে সবার সঙ্গে ওয়ান টু ওয়ান আমি কথা বলতে পারি। দিনে এসে বিএনপি করে গেছেন, রাতের অন্ধকারে গুপ্তদের সঙ্গে মিটিং করেছেন।’

দলের মধ্যে এ ধরনের কর্মকাণ্ড বন্ধের আহ্বান জানিয়ে আসাদুজ্জামান বলেন, ‘শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের বিএনপি ও তারেক রহমানের বিএনপি করতে হলে দলের সিদ্ধান্ত মেনে চলতে হবে। নির্বাচনের সময় দল একজনকে মনোনয়ন দিলে তার পক্ষে সবাইকে কাজ করতে হবে। আর যদি সেটা না করেন, আপনার সারা জীবনের অর্জন ওইখানেই ধ্বংস হয়ে যাবে। রাজনীতি খুব নিষ্ঠুর জায়গা।’চাঁদাবাজি, দখলবাজি ও দলের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হয়- এমন কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধেও কঠোর অবস্থানের কথা জানান আইনমন্ত্রী। তিনি বলেন, কোনো নেতা-কর্মী যত ত্যাগী বা দলের প্রতি যতটা নিবেদিতই হোন না কেন, চাঁদাবাজি, দখলবাজি কিংবা দলের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার মতো কাজে জড়ালে তাঁকে আইনের হাতে সোপর্দ করা হবে।সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন সাতক্ষীরা জেলার দায়িত্বপ্রাপ্ত সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য বিথীকা বিনতে হোসাইন, সাতক্ষীরা জেলা পরিষদের প্রশাসক ও বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির প্রকাশনা বিষয়ক সম্পাদক সাবেক এমপি হাবিবুল ইসলাম হাবিব, জেলা বিএনপির আহ্বায়ক রহমাতুল্লাহ পলাশ, সদস্যসচিব আবু জাহিদ ডাবলু, সাবেক আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট সৈয়দ ইফতেখার আলী, সাবেক সাধারণ সম্পাদক শেখ তারিকুল হাসানসহ বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতা-কর্মীরা।

আরও পড়ুনঃ  একজনের কাছেই মিলল সাড়ে ৩ কেজি সোনা