Dhaka ০৪:৫৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ধানক্ষেতের পাশে পড়েছিল মাদরাসাছাত্র, কাছে যেতেই ‘চোখ উঠল কপালে’

নোয়াখালীর সুবর্ণচরে ধানক্ষেতের পাশের রাস্তা থেকে মো. নাঈম নামে ১৪ বছর বয়সী এক মাদরাসাছাত্রের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে উপজেলার চরজুবলী ইউনিয়নের মধ্য বাগ্যা এলাকায় মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। নাঈম লক্ষ্মীপুরের কমলনগর উপজেলার ইব্রাহীম খলিলের ছেলে। সে দীর্ঘদিন ধরে সুবর্ণচরে নানার বাড়িতে থেকে স্থানীয় একটি মাদরাসায় পড়াশোনা করত।

পরিবারের সদস্যদের ভাষ্য অনুযায়ী, সোমবার রাতে খাবার খেয়ে নাঈম ঘুমিয়ে পড়ে। মঙ্গলবার ভোরে ফজরের নামাজের সময় তাকে ঘরে পাওয়া যায়নি। পরে সকালে বাড়ির কাছেই ধানক্ষেতের পাশে রাস্তার ওপর তার মরদেহ দেখতে পান তার নানা।

পুলিশ জানিয়েছে, নাঈমের থুতনির নিচে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। প্রাথমিকভাবে ঘটনাটি হত্যাকাণ্ড হতে পারে বলে ধারণা করা হলেও মৃত্যুর প্রকৃত কারণ তদন্তের পর নিশ্চিত হওয়া যাবে।

নাঈমের নানার পক্ষ থেকে পারিবারিক বিরোধের কারণে কয়েকজনকে সন্দেহ করার কথা জানানো হয়েছে। তবে এসব অভিযোগের স্বাধীন সত্যতা এখনো নিশ্চিত হয়নি। নিহতের বাবার সঙ্গেও যোগাযোগের চেষ্টা করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

নোয়াখালীর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আহমেদ পেয়ার ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। তিনি জানিয়েছেন, আঘাতের চিহ্নটি কীভাবে হয়েছে এবং এর সঙ্গে মৃত্যুর সম্পর্ক আছে কি না, তদন্তের পর তা পরিষ্কার হবে।

আরও পড়ুনঃ  ৬০০ শিক্ষার্থীর অংশগ্রহণে পুসাগ ট্যালেন্ট হান্ট, বৃত্তি পেল ৪০ জন
Tag :
জনপ্রিয় পোস্ট

ধানক্ষেতের পাশে পড়েছিল মাদরাসাছাত্র, কাছে যেতেই ‘চোখ উঠল কপালে’

Update Time : ০২:৫৫:৪৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬

নোয়াখালীর সুবর্ণচরে ধানক্ষেতের পাশের রাস্তা থেকে মো. নাঈম নামে ১৪ বছর বয়সী এক মাদরাসাছাত্রের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে উপজেলার চরজুবলী ইউনিয়নের মধ্য বাগ্যা এলাকায় মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। নাঈম লক্ষ্মীপুরের কমলনগর উপজেলার ইব্রাহীম খলিলের ছেলে। সে দীর্ঘদিন ধরে সুবর্ণচরে নানার বাড়িতে থেকে স্থানীয় একটি মাদরাসায় পড়াশোনা করত।

পরিবারের সদস্যদের ভাষ্য অনুযায়ী, সোমবার রাতে খাবার খেয়ে নাঈম ঘুমিয়ে পড়ে। মঙ্গলবার ভোরে ফজরের নামাজের সময় তাকে ঘরে পাওয়া যায়নি। পরে সকালে বাড়ির কাছেই ধানক্ষেতের পাশে রাস্তার ওপর তার মরদেহ দেখতে পান তার নানা।

পুলিশ জানিয়েছে, নাঈমের থুতনির নিচে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। প্রাথমিকভাবে ঘটনাটি হত্যাকাণ্ড হতে পারে বলে ধারণা করা হলেও মৃত্যুর প্রকৃত কারণ তদন্তের পর নিশ্চিত হওয়া যাবে।

নাঈমের নানার পক্ষ থেকে পারিবারিক বিরোধের কারণে কয়েকজনকে সন্দেহ করার কথা জানানো হয়েছে। তবে এসব অভিযোগের স্বাধীন সত্যতা এখনো নিশ্চিত হয়নি। নিহতের বাবার সঙ্গেও যোগাযোগের চেষ্টা করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

নোয়াখালীর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আহমেদ পেয়ার ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। তিনি জানিয়েছেন, আঘাতের চিহ্নটি কীভাবে হয়েছে এবং এর সঙ্গে মৃত্যুর সম্পর্ক আছে কি না, তদন্তের পর তা পরিষ্কার হবে।

আরও পড়ুনঃ  শি শু আছিয়া হ ত্যা মামলায় হাইকোর্টে মৃ ত্যুদণ্ড বহাল