Dhaka ০৮:৩১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৮ অক্টোবর ২০২৬, ২৩ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
সিলেটে দুর্গাপূজায় আতশবাজি নিষেধ, গুজব ছড়ালে আইনি ব্যবস্থা ৩৩ কোটি টাকার আধুনিক চিকিৎসা সরঞ্জাম পাচ্ছে সুনামগঞ্জ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল সিলেট মহানগর দায়রা জজ আদালতে নবনিযুক্ত প্রসিকিউটরদের যোগদান এক দফা দাবিতে এবার জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে সিলেট ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজের শিক্ষার্থীরা আমার নোবেল পাওয়া উচিত, কিন্তু তারা দেবে কি না জানি না: ট্রাম্প বাংলাদেশে বিনিয়োগ ও সংসদীয় সম্পর্ক জোরদারে যুক্তরাজ্যের আইনপ্রণেতাদের প্রতি রাষ্ট্রপতির আহ্বান রেলস্টেশনে জার্মান পর্যটকের ল্যাপটপ-ক্যামেরাসহ ব্যাগ চুরি কঠিন শর্তে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে ৩৩০ কোটি ডলার বিদেশি ঋণ নিচ্ছে সরকার মেধাতালিকায় দ্বিতীয় হয়েও চাকরি হয়নি ক্লীন্টনের, নদীভাঙনে হারিয়েছেন স্থায়ী ঠিকানা পবিত্র রমজানকে কেন্দ্র করে ব্যবসায়ীদের কড়া বার্তা দিলেন বাণিজ্যমন্ত্রী

সুনামগঞ্জে ‘জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু’ স্লোগানে মিছিল, ৭ কিশোর আটক

সুনামগঞ্জের শাল্লায় গভীর রাতে স্লোগান দিয়ে মিছিল করার অভিযোগে সাত কিশোরকে আটক করেছে পুলিশ। পরে তাদের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা দিয়ে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

আটক ব্যক্তিদের সবাই কিশোর এবং তাদের কয়েকজন স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থী বলে জানিয়েছে পরিবার। তারা হলেন—অনিক দাস (১৭), বর্ষণ তালুকদার (১৭), সৌমিত্র দাস (১৬), অভি দাস (১৫), রুপম দাস (১৫), দ্বীপ্ত দাস (১৬) ও ইমন দাস (১৫)। তাদের মধ্যে অনিকের বাড়ি হবিবপুর গ্রামে এবং অন্যদের বাড়ি ডুমরা গ্রামে।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, রাতে ঘুঙ্গিয়ারগাঁও বাজারের একটি দোকানে কয়েকজন কিশোরের আড্ডা ও খাবারের আয়োজন ছিল। পরে তারা বাজার এলাকা থেকে থানা সড়কের দিকে যাওয়ার সময় স্লোগান দিয়ে মিছিল করে। বিষয়টি শাল্লা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সুহেলের নজরে আসে। পরে পুলিশ অভিযান চালিয়ে কয়েকজনকে ঘটনাস্থল থেকে আটক করে। অন্যদের পরবর্তীতে নিজ নিজ বাড়ি থেকে গ্রেপ্তার করা হয় বলে পুলিশ জানিয়েছে।

আটক কিশোরদের স্বজনদের দাবি, তাদের কেউ কোনো রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে যুক্ত নয়। তারা মূলত শিক্ষার্থী এবং বন্ধুদের সঙ্গে সময় কাটানোর পর মিছিলে অংশ নিয়েছিল।

আটক অভি দাসের বাবা বাদল দাস বলেন, তাঁর ছেলে রাজনীতির সঙ্গে জড়িত নয়। ঘটনার বিষয়ে শুরুতে তিনি কিছু জানতেন না। পরে থানায় গিয়ে ছেলেকে আটক অবস্থায় দেখতে পান।

অন্যদিকে রুপম দাসের মা হেপি দাশের দাবি, তাঁর ছেলে নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী এবং খেলাধুলার সঙ্গে যুক্ত। বন্ধুদের সঙ্গে বাজারে সময় কাটানোর পর তারা স্লোগান দিয়েছিল। তবে রাজনৈতিক কোনো উদ্দেশ্য তাদের ছিল না বলে দাবি করেন তিনি।

এ বিষয়ে শাল্লা থানার ওসি মো. সুহেল বলেন, আটক ব্যক্তিদের শুধু শিক্ষার্থী হিসেবে দেখলে হবে না। গভীর রাতে স্লোগান দিয়ে মিছিল করার পেছনে অন্য কোনো উদ্দেশ্য ছিল কি না, সেটিও বিবেচনায় নেওয়া হয়েছে। মানুষের জানমালের নিরাপত্তাসহ বিভিন্ন বিষয় বিবেচনা করে তাদের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা করা হয়েছে।

আরও পড়ুনঃ  আট জেলায় আ.লীগের ঝটিকা কর্মসূচিছয় দিনে ৩০ জেলা-উপজেলায় উপস্থিতি

ঘটনার পর আটক কিশোরদের পরিবার ও স্থানীয়দের মধ্যে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। বিষয়টি নিয়ে এলাকায় আলোচনা চলছে।

Tag :
জনপ্রিয় পোস্ট

সিলেটে দুর্গাপূজায় আতশবাজি নিষেধ, গুজব ছড়ালে আইনি ব্যবস্থা

সুনামগঞ্জে ‘জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু’ স্লোগানে মিছিল, ৭ কিশোর আটক

Update Time : ১১:৩৫:২৮ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

সুনামগঞ্জের শাল্লায় গভীর রাতে স্লোগান দিয়ে মিছিল করার অভিযোগে সাত কিশোরকে আটক করেছে পুলিশ। পরে তাদের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা দিয়ে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

আটক ব্যক্তিদের সবাই কিশোর এবং তাদের কয়েকজন স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থী বলে জানিয়েছে পরিবার। তারা হলেন—অনিক দাস (১৭), বর্ষণ তালুকদার (১৭), সৌমিত্র দাস (১৬), অভি দাস (১৫), রুপম দাস (১৫), দ্বীপ্ত দাস (১৬) ও ইমন দাস (১৫)। তাদের মধ্যে অনিকের বাড়ি হবিবপুর গ্রামে এবং অন্যদের বাড়ি ডুমরা গ্রামে।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, রাতে ঘুঙ্গিয়ারগাঁও বাজারের একটি দোকানে কয়েকজন কিশোরের আড্ডা ও খাবারের আয়োজন ছিল। পরে তারা বাজার এলাকা থেকে থানা সড়কের দিকে যাওয়ার সময় স্লোগান দিয়ে মিছিল করে। বিষয়টি শাল্লা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সুহেলের নজরে আসে। পরে পুলিশ অভিযান চালিয়ে কয়েকজনকে ঘটনাস্থল থেকে আটক করে। অন্যদের পরবর্তীতে নিজ নিজ বাড়ি থেকে গ্রেপ্তার করা হয় বলে পুলিশ জানিয়েছে।

আটক কিশোরদের স্বজনদের দাবি, তাদের কেউ কোনো রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে যুক্ত নয়। তারা মূলত শিক্ষার্থী এবং বন্ধুদের সঙ্গে সময় কাটানোর পর মিছিলে অংশ নিয়েছিল।

আটক অভি দাসের বাবা বাদল দাস বলেন, তাঁর ছেলে রাজনীতির সঙ্গে জড়িত নয়। ঘটনার বিষয়ে শুরুতে তিনি কিছু জানতেন না। পরে থানায় গিয়ে ছেলেকে আটক অবস্থায় দেখতে পান।

অন্যদিকে রুপম দাসের মা হেপি দাশের দাবি, তাঁর ছেলে নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী এবং খেলাধুলার সঙ্গে যুক্ত। বন্ধুদের সঙ্গে বাজারে সময় কাটানোর পর তারা স্লোগান দিয়েছিল। তবে রাজনৈতিক কোনো উদ্দেশ্য তাদের ছিল না বলে দাবি করেন তিনি।

এ বিষয়ে শাল্লা থানার ওসি মো. সুহেল বলেন, আটক ব্যক্তিদের শুধু শিক্ষার্থী হিসেবে দেখলে হবে না। গভীর রাতে স্লোগান দিয়ে মিছিল করার পেছনে অন্য কোনো উদ্দেশ্য ছিল কি না, সেটিও বিবেচনায় নেওয়া হয়েছে। মানুষের জানমালের নিরাপত্তাসহ বিভিন্ন বিষয় বিবেচনা করে তাদের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা করা হয়েছে।

আরও পড়ুনঃ  সড়ক অবরোধ করে আন্দোলন করছে সিলেট পলিটেকনিক এর শিক্ষার্থীরা

ঘটনার পর আটক কিশোরদের পরিবার ও স্থানীয়দের মধ্যে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। বিষয়টি নিয়ে এলাকায় আলোচনা চলছে।