Dhaka ০৫:৫৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৮ অক্টোবর ২০২৬, ২৩ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
বাংলাদেশে বিনিয়োগ ও সংসদীয় সম্পর্ক জোরদারে যুক্তরাজ্যের আইনপ্রণেতাদের প্রতি রাষ্ট্রপতির আহ্বান রেলস্টেশনে জার্মান পর্যটকের ল্যাপটপ-ক্যামেরাসহ ব্যাগ চুরি কঠিন শর্তে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে ৩৩০ কোটি ডলার বিদেশি ঋণ নিচ্ছে সরকার মেধাতালিকায় দ্বিতীয় হয়েও চাকরি হয়নি ক্লীন্টনের, নদীভাঙনে হারিয়েছেন স্থায়ী ঠিকানা পবিত্র রমজানকে কেন্দ্র করে ব্যবসায়ীদের কড়া বার্তা দিলেন বাণিজ্যমন্ত্রী সিলেটে পাসপোর্ট করতে গিয়ে অকল্পনীয় অভিজ্ঞতার মুখোমুখি মাদরাসাছাত্র বিশ্ববাজারে আবারও বাড়ল তেলের দাম বিদ্যুৎ উৎপাদনের দ্বারপ্রান্তে রূপপুর সবচেয়ে অকর্মা সন্তানগুলোই সাংবাদিক হয়: সাবেক ছাত্রদল নেতা প্রশিক্ষণ নিতে জাপানে যাচ্ছেন দেশের ১৭ বিচারক ও ৬ আইনজীবী

১১ মাসে কোরআনের হাফেজ মুগ্ধ, বড় হয়ে হতে চান ডাক্তার

চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ে মাত্র ১১ মাসে পবিত্র কোরআন মাজিদ হিফজ সম্পন্ন করেছে ৮ বছর ৩ মাস বয়সী রামিন নাওয়াফ মুগ্ধ।

 

মুগ্ধের গ্রামের বাড়ি ফেনীর ছাগলনাইয়া উপজেলার উত্তর কুহমা গ্রামে। সে উপজেলার দারুল কুরআন মাদরাসা ও এতিমখানার হিফজুল কোরআন বিভাগের শিক্ষার্থী। তার বাবা মাসুদুল ইসলাম একজন ব্যবসায়ী। মা মোসাম্মাৎ রাবেয়া আক্তার মিরসরাই সরকারি কলেজের ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের প্রভাষক।

 

মাদরাসা সূত্রে জানা গেছে, নিয়মিত অধ্যবসায়, শিক্ষকদের নিবিড় তত্ত্বাবধান এবং পরিবারের সহযোগিতায় মাত্র ১১ মাসে পবিত্র কোরআন মাজিদ হিফজ সম্পন্ন করে মুগ্ধ। অল্প বয়সে তার এ সাফল্যে শিক্ষক, পরিবার ও স্থানীয়দের মধ্যে আনন্দের সৃষ্টি হয়েছে।মুগ্ধ বলে, আমার পরিবার ও হুজুরদের কঠোর পরিশ্রমের ফলেই আজ আমি হাফেজ হতে পেরেছি। এজন্য আল্লাহর কাছে শুকরিয়া আদায় করছি। ভবিষ্যতে আমার হাফেজ ডাক্তার হওয়ার স্বপ্ন রয়েছে। বড় হয়ে হাফেজদের বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা দিতে চাই। সবাই আমার জন্য দোয়া করবেন।

মাদরাসার মোহতামিম আবু নাছির মোহাম্মদ ইউসুফ বলেন, মুগ্ধ পরিবার সাথে থেকে নিয়মিত মাদরাসায় এসে হিফজ সম্পন্ন করেছে। তার বাবা প্রতিদিন রাত ৩টার দিকে তাকে মাদরাসায় পৌঁছে দিতেন। মুগ্ধের এই সাফল্যের পেছনে তার বাবা-মায়ের ত্যাগ ও শিক্ষকদের কঠোর পরিশ্রম রয়েছে। সে অত্যন্ত মেধাবী ছাত্র। মাত্র ১১ মাসে সে কোরআন হিফজ সম্পন্ন করেছে। আমরা তার উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ কামনা করছি।

 

মুগ্ধের বাবা মাসুদুল ইসলাম বলেন, ছোটবেলা থেকেই আমার ছেলে ইসলামের প্রতি আগ্রহী ছিল। কোথাও মসজিদ হয়েছে শুনলে সে আমাকে সেখানে নিয়ে যেতে চাইত এবং নামাজ আদায় করতে চাইত। পরে তাকে হাফেজ করার জন্য মাদরাসায় ভর্তি করাই। আল্লাহর রহমত এবং শিক্ষকদের আন্তরিক প্রচেষ্টায় মাত্র ৮ বছর বয়সে ১১ মাসে সে হাফেজ হতে পেরেছে। এজন্য মহান আল্লাহর কাছে শুকরিয়া আদায় করছি।

আরও পড়ুনঃ  ঢাকা পোস্টে মাল্টিমিডিয়া জার্নালিস্ট পদে চাকরির সুযোগ

 

তিনি আরও বলেন, আমার ছেলের স্বপ্ন বড় হয়ে হাফেজ ডাক্তার হওয়া এবং হাফেজদের বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা দেওয়া। মহান আল্লাহ যেন তাকে কবুল করেন এবং তার স্বপ্ন পূরণ করেন এ জন্য সবার কাছে দোয়া চাই।

Tag :
জনপ্রিয় পোস্ট

বাংলাদেশে বিনিয়োগ ও সংসদীয় সম্পর্ক জোরদারে যুক্তরাজ্যের আইনপ্রণেতাদের প্রতি রাষ্ট্রপতির আহ্বান

১১ মাসে কোরআনের হাফেজ মুগ্ধ, বড় হয়ে হতে চান ডাক্তার

Update Time : ০৪:০৯:২৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৮ অক্টোবর ২০২৬

চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ে মাত্র ১১ মাসে পবিত্র কোরআন মাজিদ হিফজ সম্পন্ন করেছে ৮ বছর ৩ মাস বয়সী রামিন নাওয়াফ মুগ্ধ।

 

মুগ্ধের গ্রামের বাড়ি ফেনীর ছাগলনাইয়া উপজেলার উত্তর কুহমা গ্রামে। সে উপজেলার দারুল কুরআন মাদরাসা ও এতিমখানার হিফজুল কোরআন বিভাগের শিক্ষার্থী। তার বাবা মাসুদুল ইসলাম একজন ব্যবসায়ী। মা মোসাম্মাৎ রাবেয়া আক্তার মিরসরাই সরকারি কলেজের ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের প্রভাষক।

 

মাদরাসা সূত্রে জানা গেছে, নিয়মিত অধ্যবসায়, শিক্ষকদের নিবিড় তত্ত্বাবধান এবং পরিবারের সহযোগিতায় মাত্র ১১ মাসে পবিত্র কোরআন মাজিদ হিফজ সম্পন্ন করে মুগ্ধ। অল্প বয়সে তার এ সাফল্যে শিক্ষক, পরিবার ও স্থানীয়দের মধ্যে আনন্দের সৃষ্টি হয়েছে।মুগ্ধ বলে, আমার পরিবার ও হুজুরদের কঠোর পরিশ্রমের ফলেই আজ আমি হাফেজ হতে পেরেছি। এজন্য আল্লাহর কাছে শুকরিয়া আদায় করছি। ভবিষ্যতে আমার হাফেজ ডাক্তার হওয়ার স্বপ্ন রয়েছে। বড় হয়ে হাফেজদের বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা দিতে চাই। সবাই আমার জন্য দোয়া করবেন।

মাদরাসার মোহতামিম আবু নাছির মোহাম্মদ ইউসুফ বলেন, মুগ্ধ পরিবার সাথে থেকে নিয়মিত মাদরাসায় এসে হিফজ সম্পন্ন করেছে। তার বাবা প্রতিদিন রাত ৩টার দিকে তাকে মাদরাসায় পৌঁছে দিতেন। মুগ্ধের এই সাফল্যের পেছনে তার বাবা-মায়ের ত্যাগ ও শিক্ষকদের কঠোর পরিশ্রম রয়েছে। সে অত্যন্ত মেধাবী ছাত্র। মাত্র ১১ মাসে সে কোরআন হিফজ সম্পন্ন করেছে। আমরা তার উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ কামনা করছি।

 

মুগ্ধের বাবা মাসুদুল ইসলাম বলেন, ছোটবেলা থেকেই আমার ছেলে ইসলামের প্রতি আগ্রহী ছিল। কোথাও মসজিদ হয়েছে শুনলে সে আমাকে সেখানে নিয়ে যেতে চাইত এবং নামাজ আদায় করতে চাইত। পরে তাকে হাফেজ করার জন্য মাদরাসায় ভর্তি করাই। আল্লাহর রহমত এবং শিক্ষকদের আন্তরিক প্রচেষ্টায় মাত্র ৮ বছর বয়সে ১১ মাসে সে হাফেজ হতে পেরেছে। এজন্য মহান আল্লাহর কাছে শুকরিয়া আদায় করছি।

আরও পড়ুনঃ  স্পিকার হলেন হাফিজ উদ্দিন আহমেদ

 

তিনি আরও বলেন, আমার ছেলের স্বপ্ন বড় হয়ে হাফেজ ডাক্তার হওয়া এবং হাফেজদের বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা দেওয়া। মহান আল্লাহ যেন তাকে কবুল করেন এবং তার স্বপ্ন পূরণ করেন এ জন্য সবার কাছে দোয়া চাই।