Dhaka ০৬:১৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৬ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

অভিযানের নামে ৪০ ভরি সোনা আত্মসাত, পুলিশ সদস্যসহ গ্রেপ্তার ২

চাঁপাইনবাবগঞ্জে অভিযান পরিচালনার কথা বলে প্রায় ৪০ ভরি সোনা আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে এক পুলিশ কনস্টেবল ও তার সহযোগীর বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় পুলিশ কনস্টেবলসহ দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাদের কাছ থেকে প্রায় সাড়ে ২০ ভরি সোনা উদ্ধার করেছে পুলিশ।

পুলিশ ও সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, একটি স্বর্ণের দোকানে অভিযান পরিচালনার সময় বিপুল পরিমাণ সোনা জব্দ করা হয়। পরে জব্দ করা সোনার একটি অংশ আইনগত প্রক্রিয়ার বাইরে সরিয়ে নেওয়ার অভিযোগ ওঠে। বিষয়টি তদন্তে নামার পর ওই পুলিশ সদস্য ও তার সহযোগীর সংশ্লিষ্টতার তথ্য সামনে আসে।

অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করে। পরে তাদের কাছ থেকে সাড়ে ২০ ভরি সোনা উদ্ধার করা হয়। আত্মসাৎ করা বাকি সোনার বিষয়ে তথ্য সংগ্রহ এবং উদ্ধারে পুলিশ তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে।

প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, অভিযানের সময় জব্দ করা সোনা সরকারি হেফাজতে নেওয়ার পরিবর্তে অভিযুক্তরা নিজেদের নিয়ন্ত্রণে রাখেন। পরে সেগুলোর একটি অংশ আত্মসাৎ করা হয় বলে অভিযোগ করা হয়েছে।

ঘটনার সঙ্গে আর কেউ জড়িত কি না, তা খতিয়ে দেখছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের জিজ্ঞাসাবাদ করে আত্মসাৎ করা সোনার বাকি অংশ এবং ঘটনার বিস্তারিত তথ্য জানার চেষ্টা করা হচ্ছে।

এ ঘটনায় সংশ্লিষ্ট থানায় মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। একই সঙ্গে অভিযানে জব্দ করা স্বর্ণের হিসাব ও পুলিশের দায়িত্ব পালনের নিয়ম অনুসরণ করা হয়েছিল কি না, সেটিও তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।

পুলিশের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, অভিযোগের সত্যতা যাচাই করে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। উদ্ধার হওয়া সোনার প্রকৃত মালিকানা ও জব্দের বৈধতা যাচাইয়ের কাজও চলছে।

ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসার পর স্থানীয়ভাবে ব্যাপক আলোচনা তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অভিযানের সময় জব্দ করা মালামালের নিরাপত্তা ও সংরক্ষণ প্রক্রিয়া নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

আরও পড়ুনঃ  বাড়লো বোতলজাত সয়াবিন তেলের দাম, লিটারে কতো?
Tag :
জনপ্রিয় পোস্ট

অভিযানের নামে ৪০ ভরি সোনা আত্মসাত, পুলিশ সদস্যসহ গ্রেপ্তার ২

Update Time : ১২:১৫:৪৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬

চাঁপাইনবাবগঞ্জে অভিযান পরিচালনার কথা বলে প্রায় ৪০ ভরি সোনা আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে এক পুলিশ কনস্টেবল ও তার সহযোগীর বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় পুলিশ কনস্টেবলসহ দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাদের কাছ থেকে প্রায় সাড়ে ২০ ভরি সোনা উদ্ধার করেছে পুলিশ।

পুলিশ ও সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, একটি স্বর্ণের দোকানে অভিযান পরিচালনার সময় বিপুল পরিমাণ সোনা জব্দ করা হয়। পরে জব্দ করা সোনার একটি অংশ আইনগত প্রক্রিয়ার বাইরে সরিয়ে নেওয়ার অভিযোগ ওঠে। বিষয়টি তদন্তে নামার পর ওই পুলিশ সদস্য ও তার সহযোগীর সংশ্লিষ্টতার তথ্য সামনে আসে।

অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করে। পরে তাদের কাছ থেকে সাড়ে ২০ ভরি সোনা উদ্ধার করা হয়। আত্মসাৎ করা বাকি সোনার বিষয়ে তথ্য সংগ্রহ এবং উদ্ধারে পুলিশ তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে।

প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, অভিযানের সময় জব্দ করা সোনা সরকারি হেফাজতে নেওয়ার পরিবর্তে অভিযুক্তরা নিজেদের নিয়ন্ত্রণে রাখেন। পরে সেগুলোর একটি অংশ আত্মসাৎ করা হয় বলে অভিযোগ করা হয়েছে।

ঘটনার সঙ্গে আর কেউ জড়িত কি না, তা খতিয়ে দেখছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের জিজ্ঞাসাবাদ করে আত্মসাৎ করা সোনার বাকি অংশ এবং ঘটনার বিস্তারিত তথ্য জানার চেষ্টা করা হচ্ছে।

এ ঘটনায় সংশ্লিষ্ট থানায় মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। একই সঙ্গে অভিযানে জব্দ করা স্বর্ণের হিসাব ও পুলিশের দায়িত্ব পালনের নিয়ম অনুসরণ করা হয়েছিল কি না, সেটিও তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।

পুলিশের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, অভিযোগের সত্যতা যাচাই করে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। উদ্ধার হওয়া সোনার প্রকৃত মালিকানা ও জব্দের বৈধতা যাচাইয়ের কাজও চলছে।

ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসার পর স্থানীয়ভাবে ব্যাপক আলোচনা তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অভিযানের সময় জব্দ করা মালামালের নিরাপত্তা ও সংরক্ষণ প্রক্রিয়া নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

আরও পড়ুনঃ  বাড়লো বোতলজাত সয়াবিন তেলের দাম, লিটারে কতো?