Dhaka ০৫:৩৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৫ অক্টোবর ২০২৬, ২০ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
ভবিষ্যতের জ্বালানি নিরাপত্তায় সারাদেশে সৌরবিদ্যুৎ নিয়ে ‘বড় পরিকল্পনা’ গণমাধ্যমকে নিয়ন্ত্রণ করার কোনো ইচ্ছা সরকারের নেই: তথ্যমন্ত্রী ছিনতাইকারী ধরতে গিয়ে বাসের ধাক্কায় প্রাণ হারালেন পুলিশ সদস্য যে কারণে হল বিবাহবিচ্ছেদ, জানালেন প্রীতম-শেহতাজ হাসিনার প্রত্যর্পণ নিয়ে ভারতকে শামা ওবায়েদের বার্তা দ্বীপে দেখা মিললো দৃষ্টিনন্দন ভেরডিটার ফ্লাইক্যাচার পাখি নদী দিয়ে ভেসে যাচ্ছিল মাথা.বিহীন নারীর মরদেহ প্রবাসীর স্ত্রীর সঙ্গে হাতেনাতে ধরা পুলিশ কর্মকর্তা, অতঃপর… ৯ মাসে ডেঙ্গু আক্রান্ত ৩ হাজারের বেশি প্রেমিকাকে নিয়ে ফাঁকা বাড়িতে আশিক, ‘প্রস্তুত’ ছিলেন আরও ২ জন

আয়কর রিটার্নে দেরি করলে গুনতে হবে জরিমানা, কার্যকর হচ্ছে নতুন নিয়ম

+

আয়কর রিটার্ন দাখিলের ক্ষেত্রে সময়সীমা পার হলে করদাতাদের গুনতে হবে অতিরিক্ত অর্থ। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে রিটার্ন জমা দিতে না পারলে পর্যায়ক্রমে জরিমানার পরিমাণ বাড়বে। একই সঙ্গে সময়মতো রিটার্ন দাখিলকারীদের জন্য থাকছে কর-সুবিধাও।

নতুন নিয়ম অনুযায়ী, ১ জুলাই থেকে ৩০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে আয়কর রিটার্ন দাখিল করলে করদাতারা নির্ধারিত হারে কর-ছাড় বা প্রণোদনা পাওয়ার সুযোগ পাবেন। এ ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ ২৫ হাজার টাকা পর্যন্ত ৫ শতাংশ কর-ছাড়ের সুবিধা পাওয়ার কথা বলা হয়েছে।

তবে ৩০ সেপ্টেম্বরের পর রিটার্ন দাখিল করলেও সব ক্ষেত্রে একই ধরনের সুবিধা পাওয়া যাবে না। ১ অক্টোবর থেকে ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে রিটার্ন জমা দিলে অতিরিক্ত জরিমানা না থাকলেও সময়মতো রিটার্ন জমা দেওয়ার জন্য যে কর-সুবিধা রয়েছে, তা পাওয়া যাবে না।

অন্যদিকে, ১ জানুয়ারি থেকে ৩১ মার্চের মধ্যে রিটার্ন দাখিল করলে করদাতাকে অতিরিক্ত ২ শতাংশ হারে জরিমানা দিতে হবে। তবে জরিমানার ক্ষেত্রে নির্ধারিত ন্যূনতম অর্থ প্রযোজ্য হবে। ফলে করের পরিমাণ কম হলেও নির্ধারিত ন্যূনতম জরিমানা দিতে হতে পারে।

আর ১ এপ্রিল থেকে ৩০ জুনের মধ্যে আয়কর রিটার্ন দাখিল করলে জরিমানার হার আরও বেড়ে ৫ শতাংশ হবে। অর্থাৎ, যত বেশি দেরি হবে, করদাতার আর্থিক দায়ও তত বাড়বে।

কর বিশেষজ্ঞরা বলছেন, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে আয়কর রিটার্ন দাখিল করলে একদিকে যেমন জরিমানা এড়ানো সম্ভব, অন্যদিকে কর-সংক্রান্ত বিভিন্ন জটিলতাও কমে আসে। তাই শেষ মুহূর্তের অপেক্ষা না করে সময়মতো রিটার্ন দাখিল করার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।

এদিকে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের পক্ষ থেকেও করদাতাদের নির্ধারিত সময়ের মধ্যে রিটার্ন দাখিলের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। রিটার্ন দাখিলে বিলম্ব হলে আইন অনুযায়ী জরিমানা আরোপের পাশাপাশি প্রয়োজন হলে করদাতার আয়, ব্যয়, সম্পদ ও অন্যান্য তথ্য যাচাই করা হতে পারে।

বিশেষ করে যেসব ব্যক্তি নিয়মিত আয়কর রিটার্ন দাখিল করেন, তাদের জন্য নির্ধারিত সময়সীমা সম্পর্কে সতর্ক থাকা জরুরি। কারণ সময় পেরিয়ে গেলে শুধু জরিমানাই নয়, কর-সংক্রান্ত বিভিন্ন কাজে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ও রিটার্নের তথ্য নিয়েও অতিরিক্ত জটিলতার মুখোমুখি হতে হতে পারে।

আরও পড়ুনঃ  র‍্যাব-৯, র‍্যাব-২ ও র‍্যাব-১০ এর যৌথ অভিযানে যাত্রাবাড়ীতে বিয়ের প্রলোভনে যৌনকর্ম ও ভিডিও করার অভিযোগে একমাত্র আসামিকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

তাই করদাতাদের প্রতি পরামর্শ হলো—আয়কর রিটার্ন দাখিলের নির্ধারিত সময়সীমা খেয়াল রেখে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র প্রস্তুত করে সময়মতো রিটার্ন জমা দেওয়া। এতে অতিরিক্ত জরিমানা এড়ানোর পাশাপাশি কর-সংক্রান্ত ভবিষ্যৎ জটিলতাও কমানো সম্ভব।

Tag :
জনপ্রিয় পোস্ট

ভবিষ্যতের জ্বালানি নিরাপত্তায় সারাদেশে সৌরবিদ্যুৎ নিয়ে ‘বড় পরিকল্পনা’

আয়কর রিটার্নে দেরি করলে গুনতে হবে জরিমানা, কার্যকর হচ্ছে নতুন নিয়ম

Update Time : ১০:৩৫:৪৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬

+

আয়কর রিটার্ন দাখিলের ক্ষেত্রে সময়সীমা পার হলে করদাতাদের গুনতে হবে অতিরিক্ত অর্থ। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে রিটার্ন জমা দিতে না পারলে পর্যায়ক্রমে জরিমানার পরিমাণ বাড়বে। একই সঙ্গে সময়মতো রিটার্ন দাখিলকারীদের জন্য থাকছে কর-সুবিধাও।

নতুন নিয়ম অনুযায়ী, ১ জুলাই থেকে ৩০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে আয়কর রিটার্ন দাখিল করলে করদাতারা নির্ধারিত হারে কর-ছাড় বা প্রণোদনা পাওয়ার সুযোগ পাবেন। এ ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ ২৫ হাজার টাকা পর্যন্ত ৫ শতাংশ কর-ছাড়ের সুবিধা পাওয়ার কথা বলা হয়েছে।

তবে ৩০ সেপ্টেম্বরের পর রিটার্ন দাখিল করলেও সব ক্ষেত্রে একই ধরনের সুবিধা পাওয়া যাবে না। ১ অক্টোবর থেকে ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে রিটার্ন জমা দিলে অতিরিক্ত জরিমানা না থাকলেও সময়মতো রিটার্ন জমা দেওয়ার জন্য যে কর-সুবিধা রয়েছে, তা পাওয়া যাবে না।

অন্যদিকে, ১ জানুয়ারি থেকে ৩১ মার্চের মধ্যে রিটার্ন দাখিল করলে করদাতাকে অতিরিক্ত ২ শতাংশ হারে জরিমানা দিতে হবে। তবে জরিমানার ক্ষেত্রে নির্ধারিত ন্যূনতম অর্থ প্রযোজ্য হবে। ফলে করের পরিমাণ কম হলেও নির্ধারিত ন্যূনতম জরিমানা দিতে হতে পারে।

আর ১ এপ্রিল থেকে ৩০ জুনের মধ্যে আয়কর রিটার্ন দাখিল করলে জরিমানার হার আরও বেড়ে ৫ শতাংশ হবে। অর্থাৎ, যত বেশি দেরি হবে, করদাতার আর্থিক দায়ও তত বাড়বে।

কর বিশেষজ্ঞরা বলছেন, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে আয়কর রিটার্ন দাখিল করলে একদিকে যেমন জরিমানা এড়ানো সম্ভব, অন্যদিকে কর-সংক্রান্ত বিভিন্ন জটিলতাও কমে আসে। তাই শেষ মুহূর্তের অপেক্ষা না করে সময়মতো রিটার্ন দাখিল করার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।

এদিকে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের পক্ষ থেকেও করদাতাদের নির্ধারিত সময়ের মধ্যে রিটার্ন দাখিলের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। রিটার্ন দাখিলে বিলম্ব হলে আইন অনুযায়ী জরিমানা আরোপের পাশাপাশি প্রয়োজন হলে করদাতার আয়, ব্যয়, সম্পদ ও অন্যান্য তথ্য যাচাই করা হতে পারে।

বিশেষ করে যেসব ব্যক্তি নিয়মিত আয়কর রিটার্ন দাখিল করেন, তাদের জন্য নির্ধারিত সময়সীমা সম্পর্কে সতর্ক থাকা জরুরি। কারণ সময় পেরিয়ে গেলে শুধু জরিমানাই নয়, কর-সংক্রান্ত বিভিন্ন কাজে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ও রিটার্নের তথ্য নিয়েও অতিরিক্ত জটিলতার মুখোমুখি হতে হতে পারে।

আরও পড়ুনঃ  সার্ককে আরও কার্যকর ও জনকেন্দ্রিক করার তাগিদ প্রধানমন্ত্রীর

তাই করদাতাদের প্রতি পরামর্শ হলো—আয়কর রিটার্ন দাখিলের নির্ধারিত সময়সীমা খেয়াল রেখে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র প্রস্তুত করে সময়মতো রিটার্ন জমা দেওয়া। এতে অতিরিক্ত জরিমানা এড়ানোর পাশাপাশি কর-সংক্রান্ত ভবিষ্যৎ জটিলতাও কমানো সম্ভব।