Dhaka ০৪:০৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৫ অক্টোবর ২০২৬, ২০ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
ভবিষ্যতের জ্বালানি নিরাপত্তায় সারাদেশে সৌরবিদ্যুৎ নিয়ে ‘বড় পরিকল্পনা’ গণমাধ্যমকে নিয়ন্ত্রণ করার কোনো ইচ্ছা সরকারের নেই: তথ্যমন্ত্রী ছিনতাইকারী ধরতে গিয়ে বাসের ধাক্কায় প্রাণ হারালেন পুলিশ সদস্য যে কারণে হল বিবাহবিচ্ছেদ, জানালেন প্রীতম-শেহতাজ হাসিনার প্রত্যর্পণ নিয়ে ভারতকে শামা ওবায়েদের বার্তা দ্বীপে দেখা মিললো দৃষ্টিনন্দন ভেরডিটার ফ্লাইক্যাচার পাখি নদী দিয়ে ভেসে যাচ্ছিল মাথা.বিহীন নারীর মরদেহ প্রবাসীর স্ত্রীর সঙ্গে হাতেনাতে ধরা পুলিশ কর্মকর্তা, অতঃপর… ৯ মাসে ডেঙ্গু আক্রান্ত ৩ হাজারের বেশি প্রেমিকাকে নিয়ে ফাঁকা বাড়িতে আশিক, ‘প্রস্তুত’ ছিলেন আরও ২ জন

কাজীদের ক্ষমতা শেষ, এবার সরকারি রেজিস্ট্রারের হাতে মুসলিম বিয়ে নথিভুক্তির দায়িত্ব

ভারতের আসাম রাজ্যে মুসলিম বিয়ে নিবন্ধনের নিয়মে পরিবর্তন আনা হয়েছে। নতুন ব্যবস্থায় মুসলিম বিয়ে নিবন্ধনের দায়িত্ব সরকারি রেজিস্ট্রারদের ওপর দেওয়া হয়েছে। এর ফলে বেসরকারিভাবে কাজীদের মাধ্যমে বিয়ে নিবন্ধনের পুরোনো ব্যবস্থা আর কার্যকর থাকছে না।

গত ২৪ সেপ্টেম্বর আসাম রাজ্য মন্ত্রিসভার বৈঠকে মুসলিম বিয়ে নিবন্ধন সংক্রান্ত নতুন বিধিমালা অনুমোদন করা হয়। এর মাধ্যমে বিয়ে নিবন্ধনের পুরো প্রক্রিয়াকে সরকারি কাঠামোর আওতায় আনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, মুসলিম বিয়ে নিবন্ধনের জন্য সরকারি রেজিস্ট্রার নিয়োগ করা হবে। আবেদনকারীর সংখ্যা বাড়লে প্রয়োজন অনুযায়ী রেজিস্ট্রারের সংখ্যাও বাড়ানো হতে পারে।

এর আগে ২০২৪ সালে আসামে মুসলিম বিয়ে ও বিবাহবিচ্ছেদ বাধ্যতামূলকভাবে নিবন্ধনের জন্য একটি আইন প্রণয়ন করা হয়েছিল। ওই আইনের মাধ্যমে কাজীদের বিয়ে নিবন্ধনের ক্ষমতা বাতিল করা হয়। নতুন বিধিমালায় সরকারি ব্যবস্থায় কীভাবে নিবন্ধন সম্পন্ন হবে, সে বিষয়ে বিস্তারিত নিয়ম নির্ধারণ করা হয়েছে।

নতুন নিয়ম অনুযায়ী বিয়ের সময় বর-কনের পরিচয়, বয়স ও ঠিকানা যাচাইয়ের জন্য প্রয়োজনীয় নথিপত্র জমা দিতে হবে। পাশাপাশি উভয়ের স্বেচ্ছায় বিয়েতে সম্মতির বিষয়টিও নিশ্চিত করা হবে।

বিধিমালা অনুযায়ী, বিয়ের ক্ষেত্রে কনের বয়স কমপক্ষে ১৮ বছর এবং বরের বয়স অন্তত ২১ বছর হতে হবে। বয়স সংক্রান্ত নিয়ম কঠোরভাবে অনুসরণের কথাও বলা হয়েছে।

আসাম সরকারের বক্তব্য অনুযায়ী, বিয়ের তথ্য সরকারি ব্যবস্থায় সংরক্ষিত হলে পরিচয় ও বয়স যাচাইয়ের পাশাপাশি বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে প্রশাসনিক নজরদারি আরও কার্যকর করা সম্ভব হবে।

নতুন বিধিমালা কার্যকর হলে আসামে মুসলিম বিয়ে নিবন্ধনের প্রক্রিয়া সরকারি ব্যবস্থাপনা ও তত্ত্বাবধানের অধীনে পরিচালিত হবে।

আরও পড়ুনঃ  ঢাকায় গোপন বৈঠক, যুবলীগের ৮ নেতা গ্রেপ্তার
Tag :
জনপ্রিয় পোস্ট

ভবিষ্যতের জ্বালানি নিরাপত্তায় সারাদেশে সৌরবিদ্যুৎ নিয়ে ‘বড় পরিকল্পনা’

কাজীদের ক্ষমতা শেষ, এবার সরকারি রেজিস্ট্রারের হাতে মুসলিম বিয়ে নথিভুক্তির দায়িত্ব

Update Time : ১২:২১:৪৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬

ভারতের আসাম রাজ্যে মুসলিম বিয়ে নিবন্ধনের নিয়মে পরিবর্তন আনা হয়েছে। নতুন ব্যবস্থায় মুসলিম বিয়ে নিবন্ধনের দায়িত্ব সরকারি রেজিস্ট্রারদের ওপর দেওয়া হয়েছে। এর ফলে বেসরকারিভাবে কাজীদের মাধ্যমে বিয়ে নিবন্ধনের পুরোনো ব্যবস্থা আর কার্যকর থাকছে না।

গত ২৪ সেপ্টেম্বর আসাম রাজ্য মন্ত্রিসভার বৈঠকে মুসলিম বিয়ে নিবন্ধন সংক্রান্ত নতুন বিধিমালা অনুমোদন করা হয়। এর মাধ্যমে বিয়ে নিবন্ধনের পুরো প্রক্রিয়াকে সরকারি কাঠামোর আওতায় আনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, মুসলিম বিয়ে নিবন্ধনের জন্য সরকারি রেজিস্ট্রার নিয়োগ করা হবে। আবেদনকারীর সংখ্যা বাড়লে প্রয়োজন অনুযায়ী রেজিস্ট্রারের সংখ্যাও বাড়ানো হতে পারে।

এর আগে ২০২৪ সালে আসামে মুসলিম বিয়ে ও বিবাহবিচ্ছেদ বাধ্যতামূলকভাবে নিবন্ধনের জন্য একটি আইন প্রণয়ন করা হয়েছিল। ওই আইনের মাধ্যমে কাজীদের বিয়ে নিবন্ধনের ক্ষমতা বাতিল করা হয়। নতুন বিধিমালায় সরকারি ব্যবস্থায় কীভাবে নিবন্ধন সম্পন্ন হবে, সে বিষয়ে বিস্তারিত নিয়ম নির্ধারণ করা হয়েছে।

নতুন নিয়ম অনুযায়ী বিয়ের সময় বর-কনের পরিচয়, বয়স ও ঠিকানা যাচাইয়ের জন্য প্রয়োজনীয় নথিপত্র জমা দিতে হবে। পাশাপাশি উভয়ের স্বেচ্ছায় বিয়েতে সম্মতির বিষয়টিও নিশ্চিত করা হবে।

বিধিমালা অনুযায়ী, বিয়ের ক্ষেত্রে কনের বয়স কমপক্ষে ১৮ বছর এবং বরের বয়স অন্তত ২১ বছর হতে হবে। বয়স সংক্রান্ত নিয়ম কঠোরভাবে অনুসরণের কথাও বলা হয়েছে।

আসাম সরকারের বক্তব্য অনুযায়ী, বিয়ের তথ্য সরকারি ব্যবস্থায় সংরক্ষিত হলে পরিচয় ও বয়স যাচাইয়ের পাশাপাশি বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে প্রশাসনিক নজরদারি আরও কার্যকর করা সম্ভব হবে।

নতুন বিধিমালা কার্যকর হলে আসামে মুসলিম বিয়ে নিবন্ধনের প্রক্রিয়া সরকারি ব্যবস্থাপনা ও তত্ত্বাবধানের অধীনে পরিচালিত হবে।

আরও পড়ুনঃ  এবার দুদকের বিরুদ্ধেই মামলার হুমকি আসিফ মাহমুদের