Dhaka ০১:০৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬, ২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
চা খাতের উন্নয়নে সরকারের ‘বড় পরিকল্পনা’ ‘মানুষ ভজলে সোনার মানুষ হবি’ — লালন স্মরণানুষ্ঠান শুরু আজ প্রাক্তনকে ক্ষমা করার দিন আজ টঙ্গীতে মার্কেটে আগুন, পুড়ে গেছে ৯টি দোকান আবাসিক হোটেল থেকে ইয়াবাসহ ২ পুলিশ সদস্য আটক ডেঙ্গু প্রতিরোধে তরুণ প্রজন্মকে এগিয়ে আসার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর আজ বিশ্ব দারিদ্র্য বিমোচন দিবস: বাংলাদেশে ৪ বছরে দরিদ্র মানুষ বেড়েছে ৮০ লাখ, ঝুঁকিতে সোয়া ৬ কোটি কক্সবাজারে রিসোর্টে ভয়া বহ আ গুন, ৫ পর্যটকের মৃত্যু নরসিংদীতে অভিযান: সিলেটের হৃদয় হ ত্যা মামলার ৩ আসামি গ্রেপ্তার, মূলহোতা পলাতক সিলেটে নির্মাণাধীন ভবন থেকে নৈশপ্রহরীর মরদেহ উদ্ধার, আটক ১৩

কেন ভেঙে ফেলা হলো সিলেটের ‘টাইম টাওয়ার’

প্রায় এক যুগ আগে সিলেট নগরের বন্দবাজার এলাকায় নির্মাণ করা হয়েছিলো ‘টাইম টাওয়ার’ নামে একটি টাওয়ার। সিলেট সিটি করপোরেশনের উদ্যোগেই নির্মিত হয়েছিল এ টাওয়ার। তবে সম্প্রতি সিটি করপোরেশই রাতের আঁধারে ভেঙে ফেলেছে সৌন্দর্য বর্ধণের জন্য নির্মিত টাওয়ার।

গত বুধবার রাতে বুলডজার দিয়ে বন্দরবাজার করিমউল্লাহ মার্কেটের সামনে হকার পয়েন্টের এ টাওয়ারটি ভেঙে ফেলে সিলেট সিটি করপোরেশন। হঠাৎ করে কেন এ টাওয়ারটি ভেঙে ফেলা হলো এ নিয়ে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।

সিলেট সিটি করপোরেশন সূত্রে জানা যায়, ২০১৪ সালে সিলেটের ঐতিহ্যবাহী ১৪২ বছরের পুরোনো আলী আমজদের ঘড়ির আদলে নগরের বন্দরবাজার এলাকার হকার পয়েন্টে ‘টাইম টাওয়ার’ নির্মাণ করা হয়। তৎকালীন মেয়র আরিফুল হক চৌধুরীর উদ্যোগে নগরের সৌন্দর্যবর্ধণের জন্য এ টাওয়ার নির্মিত হয়। এর আগে ওই স্থানে পত্রিকার হকাররা বসতেন ও নানা ধরণের ব্যানার-ফেস্টুন সবসময় ঝুলে থাকতো।

সিসিক সূত্রে জানা যায়,, টাওয়ারটির উচ্চতা মাটির ওপরে ২১ ফুট এবং মাটির নিচে ৮ ফুট। সিলেটের একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের আর্থিক পৃষ্ঠপোষকতায় এবং সিটি করপোরেশনের ব্যবস্থাপনায় আট লাখ টাকা ব্যয়ে এটির নির্মাণ করা হয়। ৪৪ ফুট লম্বা ভূমিতে ত্রিভুজাকৃতির এই টাওয়ারের সম্মুখ, ডান ও বাঁ দিকের অংশে মোট তিনটি ঘড়ি থাকার কথা ছিল। এসব ঘড়িতে বাংলাদেশ, যুক্তরাজ্য ও সৌদি আরবের সময় সংযুক্ত থাকার কথা ছিল।

টাওয়ারটির নকশা করেছিলেন মো. এহতেশাম আলী। যুক্তরাজ্য তথা লন্ডন ও সৌদি আরবে সিলেট অঞ্চলের বিপুলসংখ্যক প্রবাসী থাকায় স্থানীয় মানুষের সুবিধার বিষয়টি নিশ্চিত করতেই বাংলাদেশের সঙ্গে তিন দেশের সময় নির্দেশকের ব্যবস্থা টাওয়ারে রাখা হয়েছিল।

হঠাৎ এই টাওয়ার ভেঙে ফেলা প্রসঙ্গে সোমবার রাতে সিটি করপোরেশনের প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরীর মোবাইল ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি।

তবে সিটি করপোরেশনের জনসংযোগ কর্মকর্তা নেহাররঞ্জন পুরকায়স্থ বলেন, এই টাওয়ারের জায়গায় নতুন আরেকটি টাওয়ার নির্মাণ করা হবে। তাই এটি ভেঙে ফেলা

আরও পড়ুনঃ  সিলেটে ইচ্ছেমতো বাড়ছে বাসা ভাড়া, অসহায় ভাড়াটিয়ারা
Tag :
জনপ্রিয় পোস্ট

চা খাতের উন্নয়নে সরকারের ‘বড় পরিকল্পনা’

কেন ভেঙে ফেলা হলো সিলেটের ‘টাইম টাওয়ার’

Update Time : ১০:২৭:৩৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৬ অক্টোবর ২০২৬

প্রায় এক যুগ আগে সিলেট নগরের বন্দবাজার এলাকায় নির্মাণ করা হয়েছিলো ‘টাইম টাওয়ার’ নামে একটি টাওয়ার। সিলেট সিটি করপোরেশনের উদ্যোগেই নির্মিত হয়েছিল এ টাওয়ার। তবে সম্প্রতি সিটি করপোরেশই রাতের আঁধারে ভেঙে ফেলেছে সৌন্দর্য বর্ধণের জন্য নির্মিত টাওয়ার।

গত বুধবার রাতে বুলডজার দিয়ে বন্দরবাজার করিমউল্লাহ মার্কেটের সামনে হকার পয়েন্টের এ টাওয়ারটি ভেঙে ফেলে সিলেট সিটি করপোরেশন। হঠাৎ করে কেন এ টাওয়ারটি ভেঙে ফেলা হলো এ নিয়ে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।

সিলেট সিটি করপোরেশন সূত্রে জানা যায়, ২০১৪ সালে সিলেটের ঐতিহ্যবাহী ১৪২ বছরের পুরোনো আলী আমজদের ঘড়ির আদলে নগরের বন্দরবাজার এলাকার হকার পয়েন্টে ‘টাইম টাওয়ার’ নির্মাণ করা হয়। তৎকালীন মেয়র আরিফুল হক চৌধুরীর উদ্যোগে নগরের সৌন্দর্যবর্ধণের জন্য এ টাওয়ার নির্মিত হয়। এর আগে ওই স্থানে পত্রিকার হকাররা বসতেন ও নানা ধরণের ব্যানার-ফেস্টুন সবসময় ঝুলে থাকতো।

সিসিক সূত্রে জানা যায়,, টাওয়ারটির উচ্চতা মাটির ওপরে ২১ ফুট এবং মাটির নিচে ৮ ফুট। সিলেটের একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের আর্থিক পৃষ্ঠপোষকতায় এবং সিটি করপোরেশনের ব্যবস্থাপনায় আট লাখ টাকা ব্যয়ে এটির নির্মাণ করা হয়। ৪৪ ফুট লম্বা ভূমিতে ত্রিভুজাকৃতির এই টাওয়ারের সম্মুখ, ডান ও বাঁ দিকের অংশে মোট তিনটি ঘড়ি থাকার কথা ছিল। এসব ঘড়িতে বাংলাদেশ, যুক্তরাজ্য ও সৌদি আরবের সময় সংযুক্ত থাকার কথা ছিল।

টাওয়ারটির নকশা করেছিলেন মো. এহতেশাম আলী। যুক্তরাজ্য তথা লন্ডন ও সৌদি আরবে সিলেট অঞ্চলের বিপুলসংখ্যক প্রবাসী থাকায় স্থানীয় মানুষের সুবিধার বিষয়টি নিশ্চিত করতেই বাংলাদেশের সঙ্গে তিন দেশের সময় নির্দেশকের ব্যবস্থা টাওয়ারে রাখা হয়েছিল।

হঠাৎ এই টাওয়ার ভেঙে ফেলা প্রসঙ্গে সোমবার রাতে সিটি করপোরেশনের প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরীর মোবাইল ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি।

তবে সিটি করপোরেশনের জনসংযোগ কর্মকর্তা নেহাররঞ্জন পুরকায়স্থ বলেন, এই টাওয়ারের জায়গায় নতুন আরেকটি টাওয়ার নির্মাণ করা হবে। তাই এটি ভেঙে ফেলা

আরও পড়ুনঃ  শাহজালালের মাজারে এবার মিলল ৮৮ লাখ ৯২ হাজার টাকা