
রাঙ্গামাটির বাঘাইছড়ি উপজেলায় সাজেক ভ্যালি পর্যটন কেন্দ্র সড়কে ৬ষ্ঠ দিনের মতো অবরোধ চলছে।
গত ২২ অক্টোবর থেকে তৃতীয় দফায় অনির্দিষ্টকালের এই অবরোধ শুরু হয়।
তবে অবরোধের সমর্থনে সড়কে কোনো পিকেটারের অবস্থান লক্ষ্য করা যায়নি। তবে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ব্যাপক উপস্থিতি ছিল।
এদিকে সংকট নিরসনে প্রশাসনের সঙ্গে সাজেক গণঅধিকার রক্ষা কমিটি ও সাজেক কার্বারি অ্যাসোসিয়েশনের নেতাদের মধ্যে অনুষ্ঠিত বৈঠকে কোনো সমাধান আসেনি। দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত অবরোধ চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন আন্দোলনকারীরা।সোমবার (২৬ অক্টোবর) রাত আটটার দিকে সাজেক গণঅধিকার রক্ষা কমিটির ফেসবুক পেইজে এক লাইভে আহ্বায়ক বাবুধন চাকমা আলোচনা পরবর্তী এ ঘোষণা দেন। সরকার থেকে তাদের পাঁচ দফা দাবি মেনে না নেওয়ায় এ ঘোষণা দেওয়া হয়।
এ সময় তিনি বলেন, আমাদের পাঁচ দাবির মধ্যে চারটি দাবি মেনে নেওয়ার কথা জানায় সরকার। আমাদের যে মূল দাবি সন্তু লারমার সশস্ত্র গ্রুপকে এলাকা থেকে সরিয়ে দেওয়ার সেটার জন্য তারা প্রথমে এক মাস সময়ে চেয়েছে, আমরা তিনদিন সময় দিতে রাজি হয়েছি। শেষ পর্যন্ত তারা ৫ নভেম্বর পর্যন্ত সময় চেয়েছে, আমরা আগামী ৫ দিন সময় দিতে রাজি হয়েছি। কিন্তু সরকারের পক্ষ থেকে আমরা পুরোপুরি কোনও আশ্বাস না দেওয়ায় আমরা শেষ পর্যন্ত সড়ক অবরোধ অব্যাহত রাখার ঘোষণা দিচ্ছি।
তিনি আরও বলেন, সরকার চাইলে একদিনের মধ্যে সমস্যা সমাধান করতে পারে, কিন্তু তাদের ইতিবাচক মনোভাবের অভাবে তারা তালবাহানা করছে বলে আমাদের মনে হয়েছে। তাই চলমান আন্দোলন কর্মসূচি অব্যাহত রাখার ঘোষণা দিচ্ছি। সরকার যদি আবারও আলোচনার টেবিলে বসতে চায়, আমরা বসতে রাজি আছি।
সাজেকে সৃষ্ট ঘটনা নিরসনে উপজেলার সাজেক ইউনিয়নের উজো বাজারে সোমবার বিকেল ৩টা থেকে পৌনে ছয়টা পর্যন্ত প্রশাসনের সঙ্গে আন্দোলনকারীদের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
রাঙ্গামাটি প্রতিনিধি 






















