Dhaka ০৬:৫১ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৬ অগাস্ট ২০২৬, ১১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
সুকেশ বিতর্কের কথা বলতে গিয়ে কাঁদলেন নোরা ফাতেহি সিলেটে বাড়ছে কিশোর গ্যাংয়ের দাপট, সক্রিয় ১৫ গ্রুপ ১৪১ কোটি টাকা পাচারের অভিযোগ, দুদকের মামলায় সাবেক মন্ত্রী সাইফুজ্জামান ও তাঁর স্ত্রীসহ আসামি ২৯ কুপিয়ে তরুণীর হাত বিচ্ছিন্ন করলো প্রেমিক, বাঁচাতে গিয়ে আহত বাবা-মা ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার দুই নারী ইউপি সদস্য ঋণের বোঝা মাথায় নিয়ে আমেরিকা, বন্দুকের গুলিতে শেষ সব স্বপ্ন সাংবাদিকদের মারধর করে হুমকি, ‘তোমরা লেখবা, আর আমরা তোমাদের পিটাবো’ ইউরোপ পাঠানোর নামে ৭ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ, ভুক্তভোগীদের হাতে আটক ইমন সিলেটে ২৪ ঘণ্টায় হামের সন্দেহে হাসপাতালে ১২৬, মৃত্যু ১ ইজিবাইক-মোটরসাইকেল সংঘর্ষে যুবক নিহত

ফ্যামিলি কার্ডের উদ্বোধনের দিনেই অ্যাকাউন্টে এসেছে টাকা

  • Reporter Name
  • Update Time : ১২:১২:৩৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ মার্চ ২০২৬
  • ৫০৭ Time View

অনেকের মুঠোফোনেই অর্থ জমা হওয়ার সরকারি বার্তা পৌঁছানোর পর অনুষ্ঠানস্থলে এক আনন্দঘন পরিবেশের সৃষ্টি হয়। আসন্ন ঈদের আগে সরাসরি রাষ্ট্রীয় এই আর্থিক সহায়তা পেয়ে অনেক অসহায় মানুষের চোখে পানি চলে আসে। স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে কোনো ধরনের দলীয় প্রভাব ছাড়াই এই অর্থ সরাসরি উপকারভোগীদের হাতে পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আসা সাধারণ মানুষ এই সহায়তার টাকা নিয়ে তাদের ব্যক্তিগত পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন। কেউ এই অর্থ দিয়ে জরুরি ওষুধের ব্যয় মেটানোর স্বপ্ন দেখছেন, আবার কেউ সামান্য কিছু সঞ্চয় করার ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন। সরকারি তথ্য অনুযায়ী, স্বচ্ছ যাচাই-বাছাই প্রক্রিয়ার মাধ্যমে এবার চূড়ান্তভাবে ৩৭ হাজার ৫৬৭টি নারীপ্রধান পরিবারকে এই ভাতার জন্য নির্বাচিত করা হয়েছে। ডিজিটাল পদ্ধতিতে সরাসরি টাকা জমা হওয়ায় সুবিধাভোগীদের আর কোনো মধ্যস্বত্বভোগীর দ্বারস্থ হতে হচ্ছে না, যা প্রান্তিক পর্যায়ে জনতুষ্টি বাড়িয়েছে।

সরকার এই মানবিক কর্মসূচিটি বর্তমানে পরীক্ষামূলকভাবে দেশের ১৩টি জেলার ১৩টি সিটি করপোরেশন এবং বিভিন্ন ইউনিয়নের ১৫টি ওয়ার্ডে বাস্তবায়ন করছে। মাঠ পর্যায়ে জেলা ও উপজেলা প্রশাসনের সমন্বয়ে গঠিত কমিটির মাধ্যমে প্রকৃত দুস্থদের তথ্য যাচাই করে এই তালিকা চূড়ান্ত করা হয়েছে। 

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে জানানো হয়, এই ফ্যামিলি কার্ড বিতরণে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করাই সরকারের প্রধান লক্ষ্য। প্রকৃত হকদাররা যাতে কোনো হয়রানি ছাড়াই সরকারি এই সুবিধা পান, তা ডিজিটাল প্রযুক্তির মাধ্যমে নিশ্চিত করা হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের এই উদ্যোগটি দরিদ্র পরিবারের জীবনযাত্রায় সরাসরি প্রভাব ফেলবে বলে আশা করা হচ্ছে। কড়াইল বস্তিসহ সংশ্লিষ্ট এলাকার বাসিন্দারা এই অর্থ সহায়তাকে তাদের জন্য বড় এক স্বস্তি হিসেবে দেখছেন। 

বিশেষ করে পবিত্র ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে এই আড়াই হাজার টাকা সাধারণ মানুষের আনন্দকে দ্বিগুণ করে দিয়েছে। সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, পরীক্ষামূলক পর্যায়ের এই সফল অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে ভবিষ্যতে কর্মসূচির পরিধি আরও বিস্তৃত করার পরিকল্পনা রয়েছে।

আরও পড়ুনঃ  স্থানীয় সরকার নির্বাচনসেই ৩০ আসনে শক্ত অবস্থান গড়তে চায় এনসিপিপ্রার্থী চূড়ান্ত নয়, সাংগঠনিক প্রস্তুতিতে জোর
Tag :
About Author Information

জনপ্রিয় পোস্ট

সুকেশ বিতর্কের কথা বলতে গিয়ে কাঁদলেন নোরা ফাতেহি

ফ্যামিলি কার্ডের উদ্বোধনের দিনেই অ্যাকাউন্টে এসেছে টাকা

Update Time : ১২:১২:৩৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ মার্চ ২০২৬

অনেকের মুঠোফোনেই অর্থ জমা হওয়ার সরকারি বার্তা পৌঁছানোর পর অনুষ্ঠানস্থলে এক আনন্দঘন পরিবেশের সৃষ্টি হয়। আসন্ন ঈদের আগে সরাসরি রাষ্ট্রীয় এই আর্থিক সহায়তা পেয়ে অনেক অসহায় মানুষের চোখে পানি চলে আসে। স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে কোনো ধরনের দলীয় প্রভাব ছাড়াই এই অর্থ সরাসরি উপকারভোগীদের হাতে পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আসা সাধারণ মানুষ এই সহায়তার টাকা নিয়ে তাদের ব্যক্তিগত পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন। কেউ এই অর্থ দিয়ে জরুরি ওষুধের ব্যয় মেটানোর স্বপ্ন দেখছেন, আবার কেউ সামান্য কিছু সঞ্চয় করার ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন। সরকারি তথ্য অনুযায়ী, স্বচ্ছ যাচাই-বাছাই প্রক্রিয়ার মাধ্যমে এবার চূড়ান্তভাবে ৩৭ হাজার ৫৬৭টি নারীপ্রধান পরিবারকে এই ভাতার জন্য নির্বাচিত করা হয়েছে। ডিজিটাল পদ্ধতিতে সরাসরি টাকা জমা হওয়ায় সুবিধাভোগীদের আর কোনো মধ্যস্বত্বভোগীর দ্বারস্থ হতে হচ্ছে না, যা প্রান্তিক পর্যায়ে জনতুষ্টি বাড়িয়েছে।

সরকার এই মানবিক কর্মসূচিটি বর্তমানে পরীক্ষামূলকভাবে দেশের ১৩টি জেলার ১৩টি সিটি করপোরেশন এবং বিভিন্ন ইউনিয়নের ১৫টি ওয়ার্ডে বাস্তবায়ন করছে। মাঠ পর্যায়ে জেলা ও উপজেলা প্রশাসনের সমন্বয়ে গঠিত কমিটির মাধ্যমে প্রকৃত দুস্থদের তথ্য যাচাই করে এই তালিকা চূড়ান্ত করা হয়েছে। 

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে জানানো হয়, এই ফ্যামিলি কার্ড বিতরণে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করাই সরকারের প্রধান লক্ষ্য। প্রকৃত হকদাররা যাতে কোনো হয়রানি ছাড়াই সরকারি এই সুবিধা পান, তা ডিজিটাল প্রযুক্তির মাধ্যমে নিশ্চিত করা হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের এই উদ্যোগটি দরিদ্র পরিবারের জীবনযাত্রায় সরাসরি প্রভাব ফেলবে বলে আশা করা হচ্ছে। কড়াইল বস্তিসহ সংশ্লিষ্ট এলাকার বাসিন্দারা এই অর্থ সহায়তাকে তাদের জন্য বড় এক স্বস্তি হিসেবে দেখছেন। 

বিশেষ করে পবিত্র ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে এই আড়াই হাজার টাকা সাধারণ মানুষের আনন্দকে দ্বিগুণ করে দিয়েছে। সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, পরীক্ষামূলক পর্যায়ের এই সফল অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে ভবিষ্যতে কর্মসূচির পরিধি আরও বিস্তৃত করার পরিকল্পনা রয়েছে।

আরও পড়ুনঃ  জয়পুরহাটে পুকুরের পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু