
কুমিল্লায় কিশোর ইশায়াত শাহরিয়ার অপ্রতীম হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় সন্দেহে আটক শাহরিয়ার আনাসের বিরুদ্ধে কোনো সংশ্লিষ্টতার তথ্য পাওয়া যায়নি। জিজ্ঞাসাবাদ শেষে তাকে ছেড়ে দিয়েছে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি)।
রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) রাতে বিষয়টি নিশ্চিত করেন এসআরবি-১১-এর সিপিসি-২ অধিনায়ক মেজর সাদমান ইবনে আলম।
এসআরবি সূত্রে জানা যায়, শনিবার বিকেলে কুমিল্লার কোটবাড়ি এলাকা থেকে আনাসকে হেফাজতে নেওয়া হয়। অপ্রতীম হত্যার ঘটনায় সন্দেহের ভিত্তিতে তাকে আটক করে রাতভর জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। তবে তার কাছ থেকে হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার মতো কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।
পরে রোববার দুপুরের আগেই আনাসকে ছেড়ে দেওয়া হয়। তবে তদন্তের প্রয়োজনে ভবিষ্যতে তাকে আবার জিজ্ঞাসাবাদ করা হতে পারে বলে জানিয়েছে এসআরবি।
এদিকে নিহত অপ্রতীম কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. নাহিদা বেগমের ছেলে। ১৩ বছর বয়সী অপ্রতীম কুমিল্লার বর্ডার গার্ড পাবলিক স্কুলের সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল।
গত শুক্রবার বিকেলে কোটবাড়ি এলাকার বাসা থেকে বের হওয়ার পর নিখোঁজ হয় অপ্রতীম। পরদিন কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়সংলগ্ন লালমাই পাহাড়ের সানন্দা গ্রামের একটি ঝোপ থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। তার মাথায় আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায় বলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সূত্রে জানা গেছে।
ঘটনার পর সিসিটিভি ফুটেজ ও অন্যান্য তথ্যের ভিত্তিতে কয়েকজনকে জিজ্ঞাসাবাদ ও আটক করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাদের মধ্যে দুজন কিশোর।
অপ্রতীম হত্যার কারণ এবং ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করতে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী জানিয়েছে, তদন্তের অগ্রগতির সঙ্গে সঙ্গে ঘটনার বিস্তারিত তথ্য সামনে আসবে।
নিজস্ব প্রতিবেদক 


















