জাতীয় সংসদ ভবনের বিপরীতে ন্যাম ভবনের একটি ফ্ল্যাট থেকে মরিয়ম খাতুনের মরদেহ উদ্ধারের পর তা সাতক্ষীরায় নেওয়ার জন্য অ্যাম্বুলেন্স ভাড়ার টাকা ধার করতে হয়েছে তাঁর পরিবারের সদস্যদের। স্বজনদের দাবি, অ্যাম্বুলেন্সের ১৭ হাজার টাকা জোগাড় করতে তাদের ধার করতে হয়েছে।
মরিয়ম খাতুন সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামের দ্বিতীয় স্ত্রী বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। তাঁর ফুফা সিকান্দার জানান, মরিয়মের মৃত্যুর পর পরিবারটি আর্থিক ও মানসিকভাবে কঠিন পরিস্থিতির মধ্যে পড়েছে। মরদেহ নিজ এলাকায় নেওয়ার খরচও তাদের নিজেদের উদ্যোগে সংগ্রহ করতে হয়েছে।
স্বজনদের অভিযোগ, এমন সংকটের সময়েও সংসদ সদস্যের পরিবারের পক্ষ থেকে তাদের সঙ্গে কেউ যোগাযোগ করেননি কিংবা খোঁজ নেননি।
এর আগে রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) ন্যাম ভবনের ৫ নম্বর ভবনের তৃতীয় তলায় সংসদ সদস্যের নামে বরাদ্দ করা একটি ফ্ল্যাটের কক্ষে মরিয়মের ঝুলন্ত মরদেহ দেখতে পায় পুলিশ। খবর পেয়ে পুলিশ সেখানে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠায়।
ময়নাতদন্ত শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়। পরে সেটি সাতক্ষীরায় নেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়।
মরিয়মের মৃত্যুর ঘটনায় পুলিশ আইনগত প্রক্রিয়া অনুসরণ করছে বলে প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে।
সাতক্ষীরা প্রতিনিধি 

















