
জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের সভাপতির দায়িত্ব পালনের সময় দেশের বাইরে থাকবেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান। তার অনুপস্থিতিতে মন্ত্রণালয়ের নির্ধারিত দায়িত্বের পাশাপাশি অতিরিক্ত কিছু দায়িত্ব পালন করবেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী-১ হুমায়ুন কবির।
রবিবার (৩০ আগস্ট) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে জারি করা এক পরিপত্রে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
পরিপত্রে বলা হয়, রুলস অব বিজনেস, ১৯৯৬ অনুযায়ী প্রতিমন্ত্রীদের ওপর অর্পিত নির্দিষ্ট দায়িত্বের বাইরে হুমায়ুন কবিরকে অতিরিক্ত দায়িত্বও দেওয়া হয়েছে। পররাষ্ট্রমন্ত্রীর অনুপস্থিতিতে মন্ত্রণালয়ের কার্যক্রম স্বাভাবিক রাখা এবং বৈদেশিক নীতির ধারাবাহিকতা নিশ্চিত করতেই এ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।
চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে বিএনপি সরকার গঠনের পর ড. খলিলুর রহমান পররাষ্ট্রমন্ত্রীর দায়িত্ব পান। এরপর গত ২ জুন জাতিসংঘ সদর দফতরে অনুষ্ঠিত গোপন ব্যালটের নির্বাচনে সাইপ্রাসের প্রার্থী আন্দ্রেয়াস এস কাকৌরিসকে ৯৯-৯১ ভোটে পরাজিত করে তিনি জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের সভাপতি নির্বাচিত হন।আগামী ৮ সেপ্টেম্বর থেকে এক বছরের জন্য জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতির দায়িত্ব পালন করবেন তিনি। দায়িত্ব পালনের কারণে তাঁকে নিউইয়র্কসহ বিভিন্ন দেশে দীর্ঘ সময় অবস্থান করতে হবে।
এর আগে ১৯৮৬-৮৭ মেয়াদে বাংলাদেশ জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতির দায়িত্ব পেয়েছিল। দীর্ঘ বিরতির পর আবারও এই গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক পদে বাংলাদেশের প্রতিনিধি নির্বাচিত হওয়াকে দেশের জন্য তাৎপর্যপূর্ণ অর্জন হিসেবে দেখা হচ্ছে।
গত ২১ আগস্ট প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের মন্ত্রিসভায় রদবদলের সময় টেকনোক্র্যাট হিসেবে হুমায়ুন কবিরকে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী নিয়োগ দেওয়া হয়। একই সময়ে শামা ওবায়েদ ইসলাম পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর পদে বহাল থাকেন।
এরপর ২৩ আগস্ট জারি করা এক পরিপত্রে দায়িত্ব ভাগ করে হুমায়ুন কবিরকে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী-১ এবং শামা ওবায়েদ ইসলামকে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী-২ হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়।
এবার পররাষ্ট্রমন্ত্রীর আন্তর্জাতিক দায়িত্ব পালনের সময় তার অনুপস্থিতিতে মন্ত্রণালয়ের কার্যক্রম পরিচালনায় হুমায়ুন কবিরকে অতিরিক্ত দায়িত্ব দেওয়ার সিদ্ধান্ত জানানো হলো।
desk news 



















