Dhaka ০৬:৫৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৭ অক্টোবর ২০২৬, ২২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বেয়াইনকে বাসায় ডেকে নেন শান্ত, পরে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে মৃত্যু

গাজীপুরের কালিয়াকৈরে প্রেমিকের বাসায় গিয়ে কয়েক দফা শারীরিক সম্পর্ক স্থাপনের পর অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে এক তরুণীর (১৮) মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত প্রেমিক শান্ত পালকে (২৭) পিটুনি দিয়ে পুলিশে সোপর্দ করেছে নিহতের পরিবার ও এলাকাবাসী।

 

মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) দুপুরে ওই যুবককে আইনি প্রক্রিয়া শেষে গাজীপুর জেলহাজতে পাঠানোর প্রস্তুতি চলছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

 

এর আগে রোববার (৪ অক্টোবর) দুপুরে উপজেলার সফিপুর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। পরে মৃত তরুণীর বাবা বাদি হয়ে সোমবার (৫ অক্টোবর) কালিয়াকৈর থানায় একটি একটি ধর্ষণ ও হত্যা মামলা করেন।

মৃত ওই তরুণীর বাড়ি ময়মনসিংহের ভালুকা উপজেলার মধ্যপাড়া বাজার এলাকায়।

 

আটক শান্ত পাল কিশোরগঞ্জের তাড়াইল উপজেলার সাচাইল পালপাড়া গ্রামের বাসিন্দা। তিনি উপজেলার সফিপুর আহমদ নগর এলাকার রাজ্জাক মিয়ার বাসায় ভাড়া থেকে স্থানীয় একটি পোশাক কারখানায় চাকরি করতেন।

 

কালিয়াকৈর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শহিদুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

 

নিহতের পরিবার ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, তিন বছর ধরে তার বড় ভাইয়ের শ্যালিকার (মৃত তরুণী) সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে শান্তর। এরই ধারাবাহিকতায় রোববার সকালে ওই তরুণী নিজ বাড়ি ময়মনসিংহের ভালুকা থেকে কোচিংয়ে যাওয়ার কথা বলে বের হন। পরে কালিয়াকৈর উপজেলার সফিপুর এলাকায় প্রেমিক শান্তর সঙ্গে দেখা হয়। পরে শান্ত ওই তরুণীকে ভাড়া বাসায় নিয়ে দিনভর কয়েক দফা শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন করেন বলে অভিযোগ উঠে। এ সময় ওই তরুণী অতিরিক্ত রক্তক্ষরণের কারণে অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে মুমূর্ষু অবস্থায় উদ্ধার করে স্থানীয় একটি হাসপাতালে নিলে যাওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। পরে বিষয়টি প্রেমিক শান্ত নিজেই তরুণীর পরিবারকে মোবাইল ফোনে জানিয়ে দেন। এরপর ঐদিন রাতেই শান্ত তরুণীর মরদেহ তাদের গ্রামের বাড়ি ভালুকায় নিয়ে যান। মরদেহ পৌঁছানোর পর স্বজনদের সন্দেহ হলে তারা শান্তকে আটক করে। পরে তরুণীর মরদেহটি ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজে হাসপাতালে নিয়ে গেলে শনাক্ত হয় ধর্ষণের পর রক্তক্ষরণে ও তরুণীর মৃত্যু হয়েছে। পরে শান্তকে পিটুনি দিয়ে ভালুকা থানা পুলিশের কাছে সোপর্দ করে এলাকাবাসী। এরপর কালিয়াকৈর থানা পুলিশকে জানানো হলে কালিয়াকৈর থানা পুলিশ ওই যুবককে তাদের হেফাজতে নিয়ে যায়।

আরও পড়ুনঃ  আশ্রয়ণ প্রকল্পে ৫২ ঘরের ৩৭টিই পরিত্যক্ত
Tag :
জনপ্রিয় পোস্ট

বেয়াইনকে বাসায় ডেকে নেন শান্ত, পরে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে মৃত্যু

Update Time : ০৩:১৪:৩৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৬ অক্টোবর ২০২৬

গাজীপুরের কালিয়াকৈরে প্রেমিকের বাসায় গিয়ে কয়েক দফা শারীরিক সম্পর্ক স্থাপনের পর অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে এক তরুণীর (১৮) মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত প্রেমিক শান্ত পালকে (২৭) পিটুনি দিয়ে পুলিশে সোপর্দ করেছে নিহতের পরিবার ও এলাকাবাসী।

 

মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) দুপুরে ওই যুবককে আইনি প্রক্রিয়া শেষে গাজীপুর জেলহাজতে পাঠানোর প্রস্তুতি চলছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

 

এর আগে রোববার (৪ অক্টোবর) দুপুরে উপজেলার সফিপুর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। পরে মৃত তরুণীর বাবা বাদি হয়ে সোমবার (৫ অক্টোবর) কালিয়াকৈর থানায় একটি একটি ধর্ষণ ও হত্যা মামলা করেন।

মৃত ওই তরুণীর বাড়ি ময়মনসিংহের ভালুকা উপজেলার মধ্যপাড়া বাজার এলাকায়।

 

আটক শান্ত পাল কিশোরগঞ্জের তাড়াইল উপজেলার সাচাইল পালপাড়া গ্রামের বাসিন্দা। তিনি উপজেলার সফিপুর আহমদ নগর এলাকার রাজ্জাক মিয়ার বাসায় ভাড়া থেকে স্থানীয় একটি পোশাক কারখানায় চাকরি করতেন।

 

কালিয়াকৈর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শহিদুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

 

নিহতের পরিবার ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, তিন বছর ধরে তার বড় ভাইয়ের শ্যালিকার (মৃত তরুণী) সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে শান্তর। এরই ধারাবাহিকতায় রোববার সকালে ওই তরুণী নিজ বাড়ি ময়মনসিংহের ভালুকা থেকে কোচিংয়ে যাওয়ার কথা বলে বের হন। পরে কালিয়াকৈর উপজেলার সফিপুর এলাকায় প্রেমিক শান্তর সঙ্গে দেখা হয়। পরে শান্ত ওই তরুণীকে ভাড়া বাসায় নিয়ে দিনভর কয়েক দফা শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন করেন বলে অভিযোগ উঠে। এ সময় ওই তরুণী অতিরিক্ত রক্তক্ষরণের কারণে অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে মুমূর্ষু অবস্থায় উদ্ধার করে স্থানীয় একটি হাসপাতালে নিলে যাওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। পরে বিষয়টি প্রেমিক শান্ত নিজেই তরুণীর পরিবারকে মোবাইল ফোনে জানিয়ে দেন। এরপর ঐদিন রাতেই শান্ত তরুণীর মরদেহ তাদের গ্রামের বাড়ি ভালুকায় নিয়ে যান। মরদেহ পৌঁছানোর পর স্বজনদের সন্দেহ হলে তারা শান্তকে আটক করে। পরে তরুণীর মরদেহটি ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজে হাসপাতালে নিয়ে গেলে শনাক্ত হয় ধর্ষণের পর রক্তক্ষরণে ও তরুণীর মৃত্যু হয়েছে। পরে শান্তকে পিটুনি দিয়ে ভালুকা থানা পুলিশের কাছে সোপর্দ করে এলাকাবাসী। এরপর কালিয়াকৈর থানা পুলিশকে জানানো হলে কালিয়াকৈর থানা পুলিশ ওই যুবককে তাদের হেফাজতে নিয়ে যায়।

আরও পড়ুনঃ  শ্রেণিকক্ষে ঝাঁজালো গন্ধ, ফের অসুস্থ ২১ শিক্ষার্থী