Dhaka ০৬:৩৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৮ অক্টোবর ২০২৬, ২৩ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
সিলেটে দুর্গাপূজায় আতশবাজি নিষেধ, গুজব ছড়ালে আইনি ব্যবস্থা ৩৩ কোটি টাকার আধুনিক চিকিৎসা সরঞ্জাম পাচ্ছে সুনামগঞ্জ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল সিলেট মহানগর দায়রা জজ আদালতে নবনিযুক্ত প্রসিকিউটরদের যোগদান এক দফা দাবিতে এবার জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে সিলেট ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজের শিক্ষার্থীরা আমার নোবেল পাওয়া উচিত, কিন্তু তারা দেবে কি না জানি না: ট্রাম্প বাংলাদেশে বিনিয়োগ ও সংসদীয় সম্পর্ক জোরদারে যুক্তরাজ্যের আইনপ্রণেতাদের প্রতি রাষ্ট্রপতির আহ্বান রেলস্টেশনে জার্মান পর্যটকের ল্যাপটপ-ক্যামেরাসহ ব্যাগ চুরি কঠিন শর্তে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে ৩৩০ কোটি ডলার বিদেশি ঋণ নিচ্ছে সরকার মেধাতালিকায় দ্বিতীয় হয়েও চাকরি হয়নি ক্লীন্টনের, নদীভাঙনে হারিয়েছেন স্থায়ী ঠিকানা পবিত্র রমজানকে কেন্দ্র করে ব্যবসায়ীদের কড়া বার্তা দিলেন বাণিজ্যমন্ত্রী

কঠিন শর্তে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে ৩৩০ কোটি ডলার বিদেশি ঋণ নিচ্ছে সরকার

বিদ্যুৎ বিতরণব্যবস্থার উন্নয়ন এবং জ্বালানি তেল ও এলএনজি আমদানির জন্য মোট ৩৩০ কোটি মার্কিন ডলার বিদেশি ঋণ নেওয়ার উদ্যোগ অনুমোদন করেছে সরকার। বাংলাদেশি মুদ্রায় এর পরিমাণ প্রায় ৪০ হাজার ৫৯০ কোটি টাকা।

সরকারের সংশ্লিষ্ট কমিটির সভায় এসব ঋণ প্রস্তাব অনুমোদন দেওয়া হয়। মোট অর্থের মধ্যে ২০ কোটি ডলার ব্যয় করা হবে বিদ্যুৎ বিতরণব্যবস্থার আধুনিকায়নে। আর ৩১০ কোটি ডলার ব্যবহার করা হবে জ্বালানি তেল ও তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) আমদানিতে।

বিদ্যুৎ বিতরণব্যবস্থা উন্নয়নে ২০ কোটি ডলার

বাংলাদেশ পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ডের আওতাধীন বিদ্যুৎ বিতরণ নেটওয়ার্ক উন্নয়ন প্রকল্পে এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি) থেকে ২০ কোটি ডলার ঋণ নেওয়া হবে।

এই ঋণের মেয়াদ ২৫ বছর। এর মধ্যে পাঁচ বছর গ্রেস পিরিয়ড থাকবে। ঋণের সুদের হার নির্ধারণ করা হয়েছে আন্তর্জাতিক বাজারের SOFR-এর সঙ্গে নির্দিষ্ট হারে অতিরিক্ত সুদ যোগ করে।

ঋণের অর্থ দিয়ে বিদ্যুৎ উপকেন্দ্র সম্প্রসারণ, নতুন বিদ্যুৎ লাইন নির্মাণ, আধুনিক সরঞ্জাম স্থাপন এবং ডিজিটাল প্রযুক্তির মাধ্যমে বিদ্যুৎ বিতরণব্যবস্থার তদারকি বাড়ানোর পরিকল্পনা রয়েছে।

জ্বালানি আমদানিতে ৩১০ কোটি ডলার

দেশের জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে আরও ৩১০ কোটি ডলার ঋণ নেওয়া হবে। এই অর্থের মধ্যে ২৫০ কোটি ডলার ব্যয় হবে জ্বালানি তেল আমদানিতে। বাকি ৬০ কোটি ডলার দিয়ে এলএনজি আমদানি করা হবে।

জ্বালানি তেল আমদানির অর্থ পাবে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি)। আর এলএনজি আমদানির জন্য অর্থ দেওয়া হবে পেট্রোবাংলাকে।

ঋণটির মেয়াদ ছয় মাস। জ্বালানি আমদানির প্রয়োজন মেটাতে স্বল্পমেয়াদি এই ঋণ নেওয়া হচ্ছে।

ঋণের প্রয়োজন কেন

দেশের বিদ্যুৎ ও জ্বালানি চাহিদা মেটাতে নিয়মিত বিপুল পরিমাণ জ্বালানি আমদানি করতে হয়। একই সঙ্গে বিদ্যুৎ বিতরণব্যবস্থার সক্ষমতা বাড়ানোর প্রয়োজন রয়েছে।

আরও পড়ুনঃ  বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আবদুল মুক্তাদিরের (ডানে) সঙ্গে গতকাল সোমবার ভারতের হাইকমিশনার প্রণয় ভার্মার সাক্ষাৎ

সরকারের সংশ্লিষ্টরা বলছেন, বিদ্যুৎ বিতরণ অবকাঠামো উন্নয়ন এবং জ্বালানি আমদানির মাধ্যমে সরবরাহব্যবস্থা সচল রাখাই এসব ঋণের মূল উদ্দেশ্য।

তবে বিদেশি ঋণের সঙ্গে সুদ ও অন্যান্য ব্যয় যুক্ত থাকায় ভবিষ্যতে এসব ঋণ পরিশোধের দায়ও তৈরি হবে। ফলে ঋণের অর্থ যথাযথভাবে ব্যবহার এবং নির্ধারিত সময়ে পরিশোধ নিশ্চিত করাকে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

Tag :
জনপ্রিয় পোস্ট

সিলেটে দুর্গাপূজায় আতশবাজি নিষেধ, গুজব ছড়ালে আইনি ব্যবস্থা

কঠিন শর্তে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে ৩৩০ কোটি ডলার বিদেশি ঋণ নিচ্ছে সরকার

Update Time : ০৫:১৫:৫৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৮ অক্টোবর ২০২৬

বিদ্যুৎ বিতরণব্যবস্থার উন্নয়ন এবং জ্বালানি তেল ও এলএনজি আমদানির জন্য মোট ৩৩০ কোটি মার্কিন ডলার বিদেশি ঋণ নেওয়ার উদ্যোগ অনুমোদন করেছে সরকার। বাংলাদেশি মুদ্রায় এর পরিমাণ প্রায় ৪০ হাজার ৫৯০ কোটি টাকা।

সরকারের সংশ্লিষ্ট কমিটির সভায় এসব ঋণ প্রস্তাব অনুমোদন দেওয়া হয়। মোট অর্থের মধ্যে ২০ কোটি ডলার ব্যয় করা হবে বিদ্যুৎ বিতরণব্যবস্থার আধুনিকায়নে। আর ৩১০ কোটি ডলার ব্যবহার করা হবে জ্বালানি তেল ও তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) আমদানিতে।

বিদ্যুৎ বিতরণব্যবস্থা উন্নয়নে ২০ কোটি ডলার

বাংলাদেশ পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ডের আওতাধীন বিদ্যুৎ বিতরণ নেটওয়ার্ক উন্নয়ন প্রকল্পে এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি) থেকে ২০ কোটি ডলার ঋণ নেওয়া হবে।

এই ঋণের মেয়াদ ২৫ বছর। এর মধ্যে পাঁচ বছর গ্রেস পিরিয়ড থাকবে। ঋণের সুদের হার নির্ধারণ করা হয়েছে আন্তর্জাতিক বাজারের SOFR-এর সঙ্গে নির্দিষ্ট হারে অতিরিক্ত সুদ যোগ করে।

ঋণের অর্থ দিয়ে বিদ্যুৎ উপকেন্দ্র সম্প্রসারণ, নতুন বিদ্যুৎ লাইন নির্মাণ, আধুনিক সরঞ্জাম স্থাপন এবং ডিজিটাল প্রযুক্তির মাধ্যমে বিদ্যুৎ বিতরণব্যবস্থার তদারকি বাড়ানোর পরিকল্পনা রয়েছে।

জ্বালানি আমদানিতে ৩১০ কোটি ডলার

দেশের জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে আরও ৩১০ কোটি ডলার ঋণ নেওয়া হবে। এই অর্থের মধ্যে ২৫০ কোটি ডলার ব্যয় হবে জ্বালানি তেল আমদানিতে। বাকি ৬০ কোটি ডলার দিয়ে এলএনজি আমদানি করা হবে।

জ্বালানি তেল আমদানির অর্থ পাবে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি)। আর এলএনজি আমদানির জন্য অর্থ দেওয়া হবে পেট্রোবাংলাকে।

ঋণটির মেয়াদ ছয় মাস। জ্বালানি আমদানির প্রয়োজন মেটাতে স্বল্পমেয়াদি এই ঋণ নেওয়া হচ্ছে।

ঋণের প্রয়োজন কেন

দেশের বিদ্যুৎ ও জ্বালানি চাহিদা মেটাতে নিয়মিত বিপুল পরিমাণ জ্বালানি আমদানি করতে হয়। একই সঙ্গে বিদ্যুৎ বিতরণব্যবস্থার সক্ষমতা বাড়ানোর প্রয়োজন রয়েছে।

আরও পড়ুনঃ  যাদের হাতে উঠতে যাচ্ছে ছাত্রদলের নেতৃত্ব!

সরকারের সংশ্লিষ্টরা বলছেন, বিদ্যুৎ বিতরণ অবকাঠামো উন্নয়ন এবং জ্বালানি আমদানির মাধ্যমে সরবরাহব্যবস্থা সচল রাখাই এসব ঋণের মূল উদ্দেশ্য।

তবে বিদেশি ঋণের সঙ্গে সুদ ও অন্যান্য ব্যয় যুক্ত থাকায় ভবিষ্যতে এসব ঋণ পরিশোধের দায়ও তৈরি হবে। ফলে ঋণের অর্থ যথাযথভাবে ব্যবহার এবং নির্ধারিত সময়ে পরিশোধ নিশ্চিত করাকে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।