
সিলেটের কানাইঘাট সীমান্তের ওপারে ভারতের অভ্যন্তরে গুলিবিদ্ধ হয়ে খালেদ আহমদ নামে এক বাংলাদেশি যুবকের মৃত্যু হয়েছে। তিনি কানাইঘাট উপজেলার লক্ষ্মীপ্রসাদ পূর্ব ইউনিয়নের এরালীগুল গ্রামের মৃত ফজলু মিয়ার ছেলে।
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গত বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) দুপুর ১২টার দিকে ১০ জনের একটি দলের সঙ্গে দনা সীমান্তের ১৩৩৩ নম্বর মেইন পিলারসংলগ্ন মিকিরপাড়া এলাকা দিয়ে ভারতের আকুয়া এলাকায় যান খালেদ। সেখানে তিনি গুলিবিদ্ধ হয়ে ঘটনাস্থলেই মারা যান। এ সময় তাঁর সাথে থাকা অন্য সদস্যরা পালিয়ে বাংলাদেশে ফিরে আসেন। তাঁদের মধ্যে কয়েকজন আহত হয়েছেন বলেও জানা গেছে।
পরদিন শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) দুপুর ২টার দিকে স্থানীয় বাসিন্দারা ওপার থেকে খালেদের মরদেহ বাংলাদেশে নিয়ে আসেন। খবর পেয়ে কানাইঘাট থানা পুলিশ নিহতের বাড়ি থেকে মরদেহটি উদ্ধার করে।
সুরতহাল শেষে ময়নাতদন্তের জন্য শুক্রবারই মরদেহ সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। আজ শনিবার সেখানে মরদেহের ময়নাতদন্ত সম্পন্ন হওয়ার কথা রয়েছে।
কানাইঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আমিনুল ইসলাম জানান, খালেদ কার গুলিতে মারা গেছেন তা এখনও নিশ্চিত হওয়া যায়নি। বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) থেকেও এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানানো হয়নি। তবে নিহতের স্বজনদের দাবি, ভারতের অভ্যন্তরে গুলিবিদ্ধ হয়েই তাঁর মৃত্যু হয়েছে।
উল্লেখ্য, এর আগে গত ১০ অক্টোবর কানাইঘাট উপজেলার সোনারখেওড় সীমান্তে বাংলাদেশের অভ্যন্তর থেকে শাহিন আহমদ নামে আরও এক যুবকের গুলিবিদ্ধ মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছিল।
সিলেট প্রতিনিধি 



















