Dhaka ০৬:৫২ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৬ অগাস্ট ২০২৬, ১১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
সুকেশ বিতর্কের কথা বলতে গিয়ে কাঁদলেন নোরা ফাতেহি সিলেটে বাড়ছে কিশোর গ্যাংয়ের দাপট, সক্রিয় ১৫ গ্রুপ ১৪১ কোটি টাকা পাচারের অভিযোগ, দুদকের মামলায় সাবেক মন্ত্রী সাইফুজ্জামান ও তাঁর স্ত্রীসহ আসামি ২৯ কুপিয়ে তরুণীর হাত বিচ্ছিন্ন করলো প্রেমিক, বাঁচাতে গিয়ে আহত বাবা-মা ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার দুই নারী ইউপি সদস্য ঋণের বোঝা মাথায় নিয়ে আমেরিকা, বন্দুকের গুলিতে শেষ সব স্বপ্ন সাংবাদিকদের মারধর করে হুমকি, ‘তোমরা লেখবা, আর আমরা তোমাদের পিটাবো’ ইউরোপ পাঠানোর নামে ৭ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ, ভুক্তভোগীদের হাতে আটক ইমন সিলেটে ২৪ ঘণ্টায় হামের সন্দেহে হাসপাতালে ১২৬, মৃত্যু ১ ইজিবাইক-মোটরসাইকেল সংঘর্ষে যুবক নিহত

সিলেটে সড়ক দুর্ঘটনায় দুই আপন আত্মীয়ের মর্মান্তিক মৃত্যু

  • Reporter Name
  • Update Time : ১১:১৯:৪৪ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২৬
  • ৫১১ Time View

সিলেট নগরে রাতের নিস্তব্ধতা ভেঙে এক হৃদয়বিদারক সড়ক দুর্ঘটনায় থেমে গেছে দুই তরুণের জীবন। সম্পর্কে তাঁরা মামাতো ও ফুফাতো ভাই। শনিবার দিবাগত রাত আনুমানিক দেড়টার দিকে তালতলা এলাকায় ফায়ার সার্ভিস কার্যালয়ের সামনে ঘটে এই মর্মান্তিক ঘটনা।

নিহত তরুণরা হলেন দীপ্ত দাস (১৮) ও ইমন দাস (২০)। তাঁদের একজন সুনামগঞ্জের শাল্লা উপজেলার রহমতপুর নোয়াগাঁও গ্রামের বাসিন্দা, অন্যজন ছাতক উপজেলার মংলারগাঁও গ্রামের। পড়াশোনার সুবাদে তাঁরা পরিবারসহ সিলেট নগরের তালতলা এলাকায় ভাড়া বাসায় বসবাস করছিলেন। দীপ্ত ছিলেন ইউনিভার্সাল কলেজের একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী এবং ইমন পড়তেন মদন মোহন কলেজের দ্বাদশ শ্রেণিতে।

স্থানীয় সূত্র ও পুলিশ জানায়, রাতের বেলায় মোটরসাইকেলে করে শেখঘাট এলাকা থেকে তালতলার দিকে ফেরার পথে হঠাৎ একটি অজ্ঞাত যানবাহনের সঙ্গে সংঘর্ষ হয়। আঘাতের তীব্রতায় দুজনই সড়কে ছিটকে পড়েন। দুর্ঘটনার শব্দ শুনে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা দ্রুত ঘটনাস্থলে ছুটে যান এবং তাঁদের দুজনকে গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করেন। তবে হাসপাতালে নেওয়ার পর চিকিৎসকরা জানান, আঘাতের মাত্রা এতটাই গুরুতর ছিল যে কাউকেই বাঁচানো সম্ভব হয়নি।

পরিবারের সদস্যদের ভাষ্য অনুযায়ী, দীপ্ত ও ইমন শুধু আত্মীয়ই ছিলেন না—তাঁরা ছিলেন একে অপরের সবচেয়ে ঘনিষ্ঠ সঙ্গী। একসঙ্গে পড়াশোনা, একসঙ্গে চলাফেরা—সবকিছুতেই ছিল নিবিড় সম্পর্ক। এমন আকস্মিক বিদায় পরিবারের ওপর গভীর শোকের ছায়া ফেলেছে। এখন পরিবার ব্যস্ত তাঁদের শেষ বিদায়ের প্রস্তুতিতে।

এ বিষয়ে সিলেট কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা খান মো. মাইনুল জাকির জানান, নিহতদের মরদেহ সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে। দুর্ঘটনার সঙ্গে জড়িত যানবাহন শনাক্তে তদন্ত কার্যক্রম চলছে বলেও জানান তিনি।

আরও পড়ুনঃ  ৮ ফেব্রুয়ারি বিএনপির শেষ জনসভা, ১০ ফেব্রুয়ারি শেষ হচ্ছে প্রচারণা
Tag :
About Author Information

জনপ্রিয় পোস্ট

সুকেশ বিতর্কের কথা বলতে গিয়ে কাঁদলেন নোরা ফাতেহি

সিলেটে সড়ক দুর্ঘটনায় দুই আপন আত্মীয়ের মর্মান্তিক মৃত্যু

Update Time : ১১:১৯:৪৪ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২৬

সিলেট নগরে রাতের নিস্তব্ধতা ভেঙে এক হৃদয়বিদারক সড়ক দুর্ঘটনায় থেমে গেছে দুই তরুণের জীবন। সম্পর্কে তাঁরা মামাতো ও ফুফাতো ভাই। শনিবার দিবাগত রাত আনুমানিক দেড়টার দিকে তালতলা এলাকায় ফায়ার সার্ভিস কার্যালয়ের সামনে ঘটে এই মর্মান্তিক ঘটনা।

নিহত তরুণরা হলেন দীপ্ত দাস (১৮) ও ইমন দাস (২০)। তাঁদের একজন সুনামগঞ্জের শাল্লা উপজেলার রহমতপুর নোয়াগাঁও গ্রামের বাসিন্দা, অন্যজন ছাতক উপজেলার মংলারগাঁও গ্রামের। পড়াশোনার সুবাদে তাঁরা পরিবারসহ সিলেট নগরের তালতলা এলাকায় ভাড়া বাসায় বসবাস করছিলেন। দীপ্ত ছিলেন ইউনিভার্সাল কলেজের একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী এবং ইমন পড়তেন মদন মোহন কলেজের দ্বাদশ শ্রেণিতে।

স্থানীয় সূত্র ও পুলিশ জানায়, রাতের বেলায় মোটরসাইকেলে করে শেখঘাট এলাকা থেকে তালতলার দিকে ফেরার পথে হঠাৎ একটি অজ্ঞাত যানবাহনের সঙ্গে সংঘর্ষ হয়। আঘাতের তীব্রতায় দুজনই সড়কে ছিটকে পড়েন। দুর্ঘটনার শব্দ শুনে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা দ্রুত ঘটনাস্থলে ছুটে যান এবং তাঁদের দুজনকে গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করেন। তবে হাসপাতালে নেওয়ার পর চিকিৎসকরা জানান, আঘাতের মাত্রা এতটাই গুরুতর ছিল যে কাউকেই বাঁচানো সম্ভব হয়নি।

পরিবারের সদস্যদের ভাষ্য অনুযায়ী, দীপ্ত ও ইমন শুধু আত্মীয়ই ছিলেন না—তাঁরা ছিলেন একে অপরের সবচেয়ে ঘনিষ্ঠ সঙ্গী। একসঙ্গে পড়াশোনা, একসঙ্গে চলাফেরা—সবকিছুতেই ছিল নিবিড় সম্পর্ক। এমন আকস্মিক বিদায় পরিবারের ওপর গভীর শোকের ছায়া ফেলেছে। এখন পরিবার ব্যস্ত তাঁদের শেষ বিদায়ের প্রস্তুতিতে।

এ বিষয়ে সিলেট কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা খান মো. মাইনুল জাকির জানান, নিহতদের মরদেহ সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে। দুর্ঘটনার সঙ্গে জড়িত যানবাহন শনাক্তে তদন্ত কার্যক্রম চলছে বলেও জানান তিনি।

আরও পড়ুনঃ  গরম ও আর্দ্রতার কারণ দেখিয়ে ৯৬ শতাংশ পুলিশ সদস্যের নতুন ইউনিফর্ম প্রত্যাখ্যান